<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version='2.0'>
	<channel>
		<title>SomoyerKonthosor | RSS</title>
		<link>https://somoyerkonthosor.com</link>
		<description>Cloud RSS</description>
		<language>en-us</language>
				<item>
			<guid>122385</guid>
			<link>https://www.somoyerkonthosor.com.ambalamedia.com/post/2026/09/01/6a96724c32be6</link>
			<title>শাহজালালে অরক্ষিত শত কোটি টাকার পণ্য, নির্বিকার কর্তৃপক্ষ!</title>
			<image>https://www.somoyerkonthosor.com.ambalamedia.com/admin/post_image/New Project (8)-6a96722d0f5a0.webp</image>
			<description>&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে কোটি কোটি টাকার আমদানিকৃত পণ্য খোলা আকাশের নিচে অরক্ষিত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। প্রয়োজনীয় শেডের অভাবে রোদ-বৃষ্টিতে ভিজে প্রতিনিয়ত নষ্ট হচ্ছে দামি ইলেকট্রনিক্স, গার্মেন্টস সামগ্রী এবং জরুরি ওষুধের কাঁচামাল। দীর্ঘদিনের এই অব্যবস্থাপনা সত্ত্বেও সিভিল এভিয়েশন কর্তৃপক্ষ কোনো কার্যকর পদক্ষেপ না নিয়ে দেখেও না দেখার ভান করছে।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;জানা গেছে, বর্তমানে এই বিমানবন্দরে প্রতিদিন গড়ে প্রায় সাড়ে ৪০০ মেট্রিক টন পণ্য হ্যান্ডলিং করা হয়। তবে ধারণক্ষমতার তুলনায় ওয়্যারহাউজ বা গুদাম অত্যন্ত অপ্রতুল। অগ্নিকাণ্ডের পর পণ্য সংরক্ষণের সুবিধার্থে জরুরি ভিত্তিতে শেড নির্মাণের জন্য বিজিএমইএ-র পক্ষ থেকে বেবিচককে ৬২ লাখ টাকা প্রদান করা হলেও নতুন শেড নির্মাণে উদ্যোগের অভাব স্পষ্ট।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;এই পরিস্থিতিতে বিকল্প কোনো পথ না থাকায় চরম আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েও এই বন্দর ব্যবহার করতে বাধ্য হচ্ছেন আমদানিকারকরা।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;ঢাকা কাস্টমস এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সহসভাপতি মো. খাইরুল আলম ভূঁইয়া জানান, দেশের প্রধান আকাশপথের এই অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও বিকল্প কোনো ব্যবস্থা না থাকায় বাধ্য হয়ে আমদানিকারকদের এই কার্গো ভিলেজ ব্যবহার করতে হচ্ছে।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;বিজিএমইএর সহসভাপতি মো. শিহাব উদ্দোজা চৌধুরী বলেন, এয়ারে আনা জরুরি ও দামি স্পেয়ার পার্টস বৃষ্টির পানিতে ভিজে নষ্ট হচ্ছে। একাধিকবার শেড নির্মাণের তাগিদ দেওয়া হলেও কর্তৃপক্ষ কার্যকর উদ্যোগ নিচ্ছে না। থার্ড টার্মিনালের মূল কার্যক্রম শুরু না হলেও আমদানিকৃত পণ্য নিরাপদে রাখার স্বার্থে সেখানকার ওয়্যারহাউজ সুবিধা দ্রুত চালু করা উচিত।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;অব্যবস্থাপনার দায় আমদানিকারকদের ওপর চাপিয়ে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এস. এম. রাগীব সামাদ সাংবাদিকদের জানান, আমদানিকারকরা যথাসময়ে পণ্য খালাস না করে দীর্ঘদিন ফেলে রাখার কারণেই এই জট ও ব্যবস্থাপনার চ্যালেঞ্জ তৈরি হচ্ছে।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;তবে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের এই অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে বিজিএমইএ। সংগঠনের পক্ষ থেকে বলা হয়, বাংলাদেশ বিমান ও কাস্টমসের অনিয়ম ও জটিলতার কারণেই খালাসে দেরি হয়। কাস্টমস জটিলতা নিরসন করে পণ্য সঠিকভাবে ইনভেন্টরি করে সাজিয়ে রাখা হলে এক থেকে দুই দিনের মধ্যেই সব পণ্য খালাস করা সম্ভব।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;অবকাঠামোগত উন্নয়ন, নতুন শেড নির্মাণ এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সমন্বয় ছাড়া কার্গো ভিলেজের এই দীর্ঘদিনের সংকট নিরসন সম্ভব নয় বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;i&gt;ইখা&lt;/i&gt;&lt;/p&gt;</description>
			<description><![CDATA[<img src="https://www.somoyerkonthosor.com.ambalamedia.com/admin/post_image/New Project (8)-6a96722d0f5a0.webp" width="200" /><br>&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে কোটি কোটি টাকার আমদানিকৃত পণ্য খোলা আকাশের নিচে অরক্ষিত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। প্রয়োজনীয় শেডের অভাবে রোদ-বৃষ্টিতে ভিজে প্রতিনিয়ত নষ্ট হচ্ছে দামি ইলেকট্রনিক্স, গার্মেন্টস সামগ্রী এবং জরুরি ওষুধের কাঁচামাল। দীর্ঘদিনের এই অব্যবস্থাপনা সত্ত্বেও সিভিল এভিয়েশন কর্তৃপক্ষ কোনো কার্যকর পদক্ষেপ না নিয়ে দেখেও না দেখার ভান করছে।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;জানা গেছে, বর্তমানে এই বিমানবন্দরে প্রতিদিন গড়ে প্রায় সাড়ে ৪০০ মেট্রিক টন পণ্য হ্যান্ডলিং করা হয়। তবে ধারণক্ষমতার তুলনায় ওয়্যারহাউজ বা গুদাম অত্যন্ত অপ্রতুল। অগ্নিকাণ্ডের পর পণ্য সংরক্ষণের সুবিধার্থে জরুরি ভিত্তিতে শেড নির্মাণের জন্য বিজিএমইএ-র পক্ষ থেকে বেবিচককে ৬২ লাখ টাকা প্রদান করা হলেও নতুন শেড নির্মাণে উদ্যোগের অভাব স্পষ্ট।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;এই পরিস্থিতিতে বিকল্প কোনো পথ না থাকায় চরম আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েও এই বন্দর ব্যবহার করতে বাধ্য হচ্ছেন আমদানিকারকরা।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;ঢাকা কাস্টমস এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সহসভাপতি মো. খাইরুল আলম ভূঁইয়া জানান, দেশের প্রধান আকাশপথের এই অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও বিকল্প কোনো ব্যবস্থা না থাকায় বাধ্য হয়ে আমদানিকারকদের এই কার্গো ভিলেজ ব্যবহার করতে হচ্ছে।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;বিজিএমইএর সহসভাপতি মো. শিহাব উদ্দোজা চৌধুরী বলেন, এয়ারে আনা জরুরি ও দামি স্পেয়ার পার্টস বৃষ্টির পানিতে ভিজে নষ্ট হচ্ছে। একাধিকবার শেড নির্মাণের তাগিদ দেওয়া হলেও কর্তৃপক্ষ কার্যকর উদ্যোগ নিচ্ছে না। থার্ড টার্মিনালের মূল কার্যক্রম শুরু না হলেও আমদানিকৃত পণ্য নিরাপদে রাখার স্বার্থে সেখানকার ওয়্যারহাউজ সুবিধা দ্রুত চালু করা উচিত।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;অব্যবস্থাপনার দায় আমদানিকারকদের ওপর চাপিয়ে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এস. এম. রাগীব সামাদ সাংবাদিকদের জানান, আমদানিকারকরা যথাসময়ে পণ্য খালাস না করে দীর্ঘদিন ফেলে রাখার কারণেই এই জট ও ব্যবস্থাপনার চ্যালেঞ্জ তৈরি হচ্ছে।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;তবে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের এই অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে বিজিএমইএ। সংগঠনের পক্ষ থেকে বলা হয়, বাংলাদেশ বিমান ও কাস্টমসের অনিয়ম ও জটিলতার কারণেই খালাসে দেরি হয়। কাস্টমস জটিলতা নিরসন করে পণ্য সঠিকভাবে ইনভেন্টরি করে সাজিয়ে রাখা হলে এক থেকে দুই দিনের মধ্যেই সব পণ্য খালাস করা সম্ভব।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;অবকাঠামোগত উন্নয়ন, নতুন শেড নির্মাণ এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সমন্বয় ছাড়া কার্গো ভিলেজের এই দীর্ঘদিনের সংকট নিরসন সম্ভব নয় বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;i&gt;ইখা&lt;/i&gt;&lt;/p&gt;]]></description>
			<pubDate>2026-09-01 12:35:56</pubDate>
		</item>
				<item>
			<guid>122384</guid>
			<link>https://www.somoyerkonthosor.com.ambalamedia.com/post/2026/09/01/6a9670e834926</link>
			<title>স্থানীয় সরকার নির্বাচনে বিএনপির একক প্রার্থী নিশ্চিত করা হবে: ভূমিমন্ত্রী</title>
			<image>https://www.somoyerkonthosor.com.ambalamedia.com/admin/post_image/New Project (7)-6a9670a345e84.webp</image>
			<description>&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;স্থানীয় সরকার নির্বাচনে বিএনপির পক্ষ থেকে প্রতিটি পদে সারাদেশে একক প্রার্থী নিশ্চিত করা হবে বলে জানিয়েছেন দলটির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজশাহীর মালোপাড়া মহানগর পার্টি অফিসে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। রাজশাহী মহানগর বিএনপি আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন মিজানুর রহমান মিনু।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;এ সময় বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন, বেলুন-ফেস্টুন ও পায়রা উড়িয়ে দিনব্যাপী কর্মসূচির উদ্বোধন করেন তিনি।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী মনোনয়ন প্রসঙ্গে মিনু বলেন, ‘বিএনপি বড় দল। এ কারণে নির্বাচনে দলের একাধিক নেতা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চান। তবে দলের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনা অনুযায়ী স্থানীয়ভাবে বসে সমন্বয়ের মাধ্যমে একজন প্রার্থী চূড়ান্ত করা হবে।’ তিনি বলেন, ‘সিটি করপোরেশনের মেয়র, কাউন্সিলর ও সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর এবং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান-মেম্বার পদেও একজন করে প্রার্থী দেওয়া হবে। এটি আমাদের নেতার নির্দেশ।’&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;কেউ মব সৃষ্টি চেষ্টা করলে তা কঠোর হস্তে দমন করা হবে বলে জানিয়ে ভূমিমন্ত্রী বলেন, দেশের শান্তি শৃংখলা সুনিশ্চিত করা হবে। ভূমি দস্যুদের কাছ থেকে দখল হওয়া সব জমি উদ্ধার করে জনগণের সম্পদ জনগণকে ফিরিয়ে দেওয়া হবে। মাদক কারবারিদের পুলিশের কাছে ধরিয়ে দেওয়ার জন্য জনগণের প্রতি আহবান জানান তিনি।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;রাজশাহী মহানগর বিএনপি কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন রাজশাহীর সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য মাহমুদা হাবিবা, রাজশাহীর সাবেক মেয়র ও বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন করপোরেশনের চেয়ারম্যান মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল, মহানগর বিএনপির সভাপতি মামুন অর রশিদ, সাধারণ সম্পাদক ও সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মাহফুজুর রহমান রিটন এবং রাজশাহী জেলা পরিষদের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট এরশাদ আলী ইশাসহ জেলা ও মহানগর বিএনপির নেতাকর্মীরা।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;i&gt;ইখা&lt;/i&gt;&lt;/p&gt;</description>
			<description><![CDATA[<img src="https://www.somoyerkonthosor.com.ambalamedia.com/admin/post_image/New Project (7)-6a9670a345e84.webp" width="200" /><br>&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;স্থানীয় সরকার নির্বাচনে বিএনপির পক্ষ থেকে প্রতিটি পদে সারাদেশে একক প্রার্থী নিশ্চিত করা হবে বলে জানিয়েছেন দলটির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজশাহীর মালোপাড়া মহানগর পার্টি অফিসে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। রাজশাহী মহানগর বিএনপি আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন মিজানুর রহমান মিনু।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;এ সময় বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন, বেলুন-ফেস্টুন ও পায়রা উড়িয়ে দিনব্যাপী কর্মসূচির উদ্বোধন করেন তিনি।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী মনোনয়ন প্রসঙ্গে মিনু বলেন, ‘বিএনপি বড় দল। এ কারণে নির্বাচনে দলের একাধিক নেতা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চান। তবে দলের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনা অনুযায়ী স্থানীয়ভাবে বসে সমন্বয়ের মাধ্যমে একজন প্রার্থী চূড়ান্ত করা হবে।’ তিনি বলেন, ‘সিটি করপোরেশনের মেয়র, কাউন্সিলর ও সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর এবং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান-মেম্বার পদেও একজন করে প্রার্থী দেওয়া হবে। এটি আমাদের নেতার নির্দেশ।’&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;কেউ মব সৃষ্টি চেষ্টা করলে তা কঠোর হস্তে দমন করা হবে বলে জানিয়ে ভূমিমন্ত্রী বলেন, দেশের শান্তি শৃংখলা সুনিশ্চিত করা হবে। ভূমি দস্যুদের কাছ থেকে দখল হওয়া সব জমি উদ্ধার করে জনগণের সম্পদ জনগণকে ফিরিয়ে দেওয়া হবে। মাদক কারবারিদের পুলিশের কাছে ধরিয়ে দেওয়ার জন্য জনগণের প্রতি আহবান জানান তিনি।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;রাজশাহী মহানগর বিএনপি কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন রাজশাহীর সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য মাহমুদা হাবিবা, রাজশাহীর সাবেক মেয়র ও বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন করপোরেশনের চেয়ারম্যান মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল, মহানগর বিএনপির সভাপতি মামুন অর রশিদ, সাধারণ সম্পাদক ও সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মাহফুজুর রহমান রিটন এবং রাজশাহী জেলা পরিষদের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট এরশাদ আলী ইশাসহ জেলা ও মহানগর বিএনপির নেতাকর্মীরা।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;i&gt;ইখা&lt;/i&gt;&lt;/p&gt;]]></description>
			<pubDate>2026-09-01 12:30:00</pubDate>
		</item>
				<item>
			<guid>122383</guid>
			<link>https://www.somoyerkonthosor.com.ambalamedia.com/post/2026/09/01/6a967024bd718</link>
			<title>তারাগঞ্জ-বুড়িরহাট সড়কের বেহাল দশা, ৪ কিলোমিটার জুড়ে গর্ত</title>
			<image>https://www.somoyerkonthosor.com.ambalamedia.com/admin/post_image/New Project (6)-6a9670036f417.webp</image>
			<description>&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলা সদর থেকে বুড়ীরহাট যাওয়ার ৪ কিলোমিটার জুড়ে গর্তের সৃষ্টি হওয়ার কারণে পথচারীদের চলাচলে চরম দূর্ভোগের সৃষ্টি হয়েছে। ফলে প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে যানবাহন ও পথচারীদের।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;জানা গেছে, উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ তারাগঞ্জ-বুড়িরহাট সড়কের চিত্র এখন এমনই। প্রায় পাঁচ কিলোমিটার দীর্ঘ সড়কটির চার কিলোমিটার অংশের কার্পেটিং উঠে গেছে। সৃষ্টি হয়েছে অসংখ্য ছোট-বড় গর্ত। কোথাও পিচ উঠে মাটি বেরিয়ে গেছে, কোথাও আবার বড় গর্তে জমে থাকছে পানি।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;সরেজমিনে দেখা যায়, সড়কটির বিভিন্ন অংশে পিচের চিহ্নও নেই। একটির পর একটি গর্ত এড়িয়ে অটোরিকশা, ভ্যান ও মোটরসাইকেল চলাচল করছে।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;কোথাও গর্ত এতটাই বড় যে যানবাহনের চাকা পড়ে গেলে দুর্ঘটনার আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে। বিশেষ করে স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী, কৃষক, ব্যবসায়ী ও সাধারণ যাত্রীদের দুর্ভোগ চরমে উঠেছে।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;ওই এলাকার একাধিক স্থানীয় বাসিন্দা জানান, দীর্ঘদিন ধরে সড়কটি সংস্কার না হওয়ায় দিন দিন এটি চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ছে।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;বুড়িরহাট, মাছুয়াপাড়া, মাঝাপাড়া, ভাটারপাড়, ফরিদাবাদ, বৈদ্যনাথপুর, বিষ্ণুপুর, মিড্ডারমাল্লি, তেলিপাড়া, অনন্তপুর, ফুলবাড়ি, বড়বাড়ি, মিস্ত্রিপাড়া, হাজীপাড়া, পলাশবাড়ী, খিয়ারচড়া, খানবাড়ির ডাঙ্গা ও ডাঙ্গাপাড়াসহ আশপাশের অন্তত ১৫টি গ্রামের মানুষের উপজেলা সদরের সঙ্গে যোগাযোগের অন্যতম প্রধান মাধ্যম এই সড়ক। কৃষিপণ্য পরিবহনের ক্ষেত্রেও সড়কটির রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। সময়মতো কৃষকেরা তাদের কুষিপণ্য বাজারে নিয়ে যেতে না পারার কারণে ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছে তারা।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;হাজীপাড়া গ্রামের বাসিন্দা আরমান হোসেন বলেন, ‘এই সড়ক দিয়ে এখন পায়ে হেঁটে চলতেও কষ্ট হয়। ভ্যান বা অটোতে যাওয়ার সময় প্রচণ্ড ঝাঁকি দেয়। ভাঙা জায়গাগুলোতে ভ্যান-অটো পড়ে যাওয়ার অবস্থা হয়। রাস্তাটি ভাঙতে ভাঙতে চিকন হয়ে গেছে। প্রায়ই এই রাস্তায় দুর্ঘটনা ঘটে। রাস্তাটার দিকে কারও নজর নেই।’&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;ফলবাড়ি এলাকার গোপাল রায় বলেন, ‘রাস্তাটি এখন আর রাস্তা বলে মনে হয় না, মনে হয় মরণফাঁদ। বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্ত ও ভাঙনের কারণে তারাগঞ্জ বাজারে যেতে চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়। দিনের বেলায় সতর্ক হয়ে গাড়ি চালানো গেলেও রাতে এই সড়কে চলাচল অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।’&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;অটোচালক মফিজাল ইসলাম বলেন, ‘প্রতিদিন এই রাস্তা দিয়ে গাড়ি চালাতে গিয়ে যন্ত্রাংশ নষ্ট হচ্ছে। রাস্তা ভাঙা থাকায় যাত্রীও ঠিকমতো পাওয়া যায় না। অনেক সময় ভাঙা রাস্তার কারণে দূরের যাত্রীরাও যেতে চান না। দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার না হওয়ায় সড়কটির এমন অবস্থা হয়েছে। বর্ষায় দুর্ভোগ আরও বেড়ে যায়। গর্তে পানি জমে থাকায় কোথায় কতটা গভীর গর্ত, তা বোঝা যায় না। ফলে ছোটখাটো দুর্ঘটনা প্রায়ই ঘটছে।’&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী নাফিউর রহমান বলেন, ‘সড়কটি সংস্কারের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। বরাদ্দ পেলেই সংস্কারকাজ শুরু হবে।’&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;i&gt;ইখা&lt;/i&gt;&lt;/p&gt;</description>
			<description><![CDATA[<img src="https://www.somoyerkonthosor.com.ambalamedia.com/admin/post_image/New Project (6)-6a9670036f417.webp" width="200" /><br>&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলা সদর থেকে বুড়ীরহাট যাওয়ার ৪ কিলোমিটার জুড়ে গর্তের সৃষ্টি হওয়ার কারণে পথচারীদের চলাচলে চরম দূর্ভোগের সৃষ্টি হয়েছে। ফলে প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে যানবাহন ও পথচারীদের।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;জানা গেছে, উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ তারাগঞ্জ-বুড়িরহাট সড়কের চিত্র এখন এমনই। প্রায় পাঁচ কিলোমিটার দীর্ঘ সড়কটির চার কিলোমিটার অংশের কার্পেটিং উঠে গেছে। সৃষ্টি হয়েছে অসংখ্য ছোট-বড় গর্ত। কোথাও পিচ উঠে মাটি বেরিয়ে গেছে, কোথাও আবার বড় গর্তে জমে থাকছে পানি।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;সরেজমিনে দেখা যায়, সড়কটির বিভিন্ন অংশে পিচের চিহ্নও নেই। একটির পর একটি গর্ত এড়িয়ে অটোরিকশা, ভ্যান ও মোটরসাইকেল চলাচল করছে।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;কোথাও গর্ত এতটাই বড় যে যানবাহনের চাকা পড়ে গেলে দুর্ঘটনার আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে। বিশেষ করে স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী, কৃষক, ব্যবসায়ী ও সাধারণ যাত্রীদের দুর্ভোগ চরমে উঠেছে।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;ওই এলাকার একাধিক স্থানীয় বাসিন্দা জানান, দীর্ঘদিন ধরে সড়কটি সংস্কার না হওয়ায় দিন দিন এটি চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ছে।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;বুড়িরহাট, মাছুয়াপাড়া, মাঝাপাড়া, ভাটারপাড়, ফরিদাবাদ, বৈদ্যনাথপুর, বিষ্ণুপুর, মিড্ডারমাল্লি, তেলিপাড়া, অনন্তপুর, ফুলবাড়ি, বড়বাড়ি, মিস্ত্রিপাড়া, হাজীপাড়া, পলাশবাড়ী, খিয়ারচড়া, খানবাড়ির ডাঙ্গা ও ডাঙ্গাপাড়াসহ আশপাশের অন্তত ১৫টি গ্রামের মানুষের উপজেলা সদরের সঙ্গে যোগাযোগের অন্যতম প্রধান মাধ্যম এই সড়ক। কৃষিপণ্য পরিবহনের ক্ষেত্রেও সড়কটির রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। সময়মতো কৃষকেরা তাদের কুষিপণ্য বাজারে নিয়ে যেতে না পারার কারণে ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছে তারা।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;হাজীপাড়া গ্রামের বাসিন্দা আরমান হোসেন বলেন, ‘এই সড়ক দিয়ে এখন পায়ে হেঁটে চলতেও কষ্ট হয়। ভ্যান বা অটোতে যাওয়ার সময় প্রচণ্ড ঝাঁকি দেয়। ভাঙা জায়গাগুলোতে ভ্যান-অটো পড়ে যাওয়ার অবস্থা হয়। রাস্তাটি ভাঙতে ভাঙতে চিকন হয়ে গেছে। প্রায়ই এই রাস্তায় দুর্ঘটনা ঘটে। রাস্তাটার দিকে কারও নজর নেই।’&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;ফলবাড়ি এলাকার গোপাল রায় বলেন, ‘রাস্তাটি এখন আর রাস্তা বলে মনে হয় না, মনে হয় মরণফাঁদ। বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্ত ও ভাঙনের কারণে তারাগঞ্জ বাজারে যেতে চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়। দিনের বেলায় সতর্ক হয়ে গাড়ি চালানো গেলেও রাতে এই সড়কে চলাচল অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।’&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;অটোচালক মফিজাল ইসলাম বলেন, ‘প্রতিদিন এই রাস্তা দিয়ে গাড়ি চালাতে গিয়ে যন্ত্রাংশ নষ্ট হচ্ছে। রাস্তা ভাঙা থাকায় যাত্রীও ঠিকমতো পাওয়া যায় না। অনেক সময় ভাঙা রাস্তার কারণে দূরের যাত্রীরাও যেতে চান না। দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার না হওয়ায় সড়কটির এমন অবস্থা হয়েছে। বর্ষায় দুর্ভোগ আরও বেড়ে যায়। গর্তে পানি জমে থাকায় কোথায় কতটা গভীর গর্ত, তা বোঝা যায় না। ফলে ছোটখাটো দুর্ঘটনা প্রায়ই ঘটছে।’&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী নাফিউর রহমান বলেন, ‘সড়কটি সংস্কারের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। বরাদ্দ পেলেই সংস্কারকাজ শুরু হবে।’&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;i&gt;ইখা&lt;/i&gt;&lt;/p&gt;]]></description>
			<pubDate>2026-09-01 12:26:44</pubDate>
		</item>
				<item>
			<guid>122382</guid>
			<link>https://www.somoyerkonthosor.com.ambalamedia.com/post/2026/09/01/6a966e5c5f31a</link>
			<title>পুলিশের মামলায় জীবিত, বাস্তবে মৃত দুই আওয়ামী লীগ নেতা!</title>
			<image>https://www.somoyerkonthosor.com.ambalamedia.com/admin/post_image/New Project (5)-6a966e2fdb7a5.webp</image>
			<description>&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;মারা গেছেন একজন ১২ বছর আগে, আরেকজন ৪ বছর আগে। অথচ পুলিশের দায়ের করা সন্ত্রাসবিরোধী মামলার এজাহারে দুজনই এখনো ‘জীবিত’ আসামির তালিকায়! যশোরে ১১৩ জনের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলায় মৃত দুই আওয়ামী লীগ নেতার নাম আসায় তীব্র প্রশ্ন উঠেছে মামলার আসামি তালিকা নিয়ে।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;গত ৩০ আগস্ট যশোর কোতোয়ালি থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলাটি দায়ের করেন পুরাতন কসবা পুলিশ ফাঁড়ির এসআই শফিকুল ইসলাম। মামলায় সাবেক এক প্রতিমন্ত্রী ও পাঁচ এমপিসহ মোট ১১৩ জন নেতাকর্মীর নাম উল্লেখ করা হয়েছে।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;এজাহারের ৫৬ নম্বর আসামি উপশহর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ডা. তবিবর রহমান। অথচ তিনি মারা গেছেন ২০২২ সালে। ৭৭ নম্বর আসামি আনসার আলী, যিনি মারা যান ২০১৪ সালে।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, গত ২৮ আগস্ট যশোর শহরের কাজীপাড়া এলাকায় সরকারবিরোধী নাশকতাপূর্ণ বিক্ষোভ মিছিল করা হয়। ওই ঘটনায় সাবেক এক প্রতিমন্ত্রী ও পাঁচ এমপিসহ ১১৩ জনের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করা হয়।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;একজনের মৃত্যুর চার বছর এবং অন্যজনের মৃত্যুর প্রায় ১২ বছর পর তাঁদের নাম একই মামলার আসামির তালিকায় কীভাবে এলো—এ নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে মামলাটি দায়ের করেছে পুলিশই, ফলে বিষয়টি নিয়ে আরও আলোচনা তৈরি হয়েছে।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;মৃত ব্যক্তিদের আসামি করার বিষয়ে জানতে চাইলে যশোর কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি মাসুম খান বলেন, একই নামে অন্য কেউ থাকতে পারেন। তবে মৃত ব্যক্তির নাম অন্তর্ভুক্ত হয়ে থাকলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;i&gt;ইখা&lt;/i&gt;&lt;/p&gt;</description>
			<description><![CDATA[<img src="https://www.somoyerkonthosor.com.ambalamedia.com/admin/post_image/New Project (5)-6a966e2fdb7a5.webp" width="200" /><br>&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;মারা গেছেন একজন ১২ বছর আগে, আরেকজন ৪ বছর আগে। অথচ পুলিশের দায়ের করা সন্ত্রাসবিরোধী মামলার এজাহারে দুজনই এখনো ‘জীবিত’ আসামির তালিকায়! যশোরে ১১৩ জনের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলায় মৃত দুই আওয়ামী লীগ নেতার নাম আসায় তীব্র প্রশ্ন উঠেছে মামলার আসামি তালিকা নিয়ে।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;গত ৩০ আগস্ট যশোর কোতোয়ালি থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলাটি দায়ের করেন পুরাতন কসবা পুলিশ ফাঁড়ির এসআই শফিকুল ইসলাম। মামলায় সাবেক এক প্রতিমন্ত্রী ও পাঁচ এমপিসহ মোট ১১৩ জন নেতাকর্মীর নাম উল্লেখ করা হয়েছে।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;এজাহারের ৫৬ নম্বর আসামি উপশহর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ডা. তবিবর রহমান। অথচ তিনি মারা গেছেন ২০২২ সালে। ৭৭ নম্বর আসামি আনসার আলী, যিনি মারা যান ২০১৪ সালে।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, গত ২৮ আগস্ট যশোর শহরের কাজীপাড়া এলাকায় সরকারবিরোধী নাশকতাপূর্ণ বিক্ষোভ মিছিল করা হয়। ওই ঘটনায় সাবেক এক প্রতিমন্ত্রী ও পাঁচ এমপিসহ ১১৩ জনের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করা হয়।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;একজনের মৃত্যুর চার বছর এবং অন্যজনের মৃত্যুর প্রায় ১২ বছর পর তাঁদের নাম একই মামলার আসামির তালিকায় কীভাবে এলো—এ নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে মামলাটি দায়ের করেছে পুলিশই, ফলে বিষয়টি নিয়ে আরও আলোচনা তৈরি হয়েছে।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;মৃত ব্যক্তিদের আসামি করার বিষয়ে জানতে চাইলে যশোর কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি মাসুম খান বলেন, একই নামে অন্য কেউ থাকতে পারেন। তবে মৃত ব্যক্তির নাম অন্তর্ভুক্ত হয়ে থাকলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;i&gt;ইখা&lt;/i&gt;&lt;/p&gt;]]></description>
			<pubDate>2026-09-01 12:19:08</pubDate>
		</item>
				<item>
			<guid>122381</guid>
			<link>https://www.somoyerkonthosor.com.ambalamedia.com/post/2026/09/01/6a966e36ad5d5</link>
			<title>দেশে সপ্তাহখানেকের মধ্যে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হবে: রিজভী</title>
			<image>https://www.somoyerkonthosor.com.ambalamedia.com/admin/post_image/rizvi332233-6a966e32a4d17.webp</image>
			<description>&lt;p&gt;দেশে সপ্তাহখানেকের মধ্যেই গ্যাসের সরবরাহ স্বাভাবিক হবে বলে জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। একই সঙ্গে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি পরিস্থিতিকে বৈশ্বিক সংকট হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সরকার পরিস্থিতি মোকাবিলায় কাজ করছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দলের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে এসব কথা বলেন তিনি।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;রিজভী বলেন, ‘দেশে চলমান বিদ্যুৎ-জ্বালানি পরিস্থিতি একটি বৈশ্বিক সংকট। তবে সরকার হাত গুটিয়ে বসে নেই।’&lt;/p&gt;&lt;p&gt;গ্যাসের সরবরাহ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আগামী সপ্তাহের মধ্যেই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে বলে তিনি আশাবাদী।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;সরকার ও দল হিসেবে বিএনপি একে অপরের সহযোগী মন্তব্য করেন রিজভী বলেন, চ্যালেঞ্জ ও ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে সরকারের কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;i&gt;এমআর-২&lt;/i&gt;&lt;/p&gt;</description>
			<description><![CDATA[<img src="https://www.somoyerkonthosor.com.ambalamedia.com/admin/post_image/rizvi332233-6a966e32a4d17.webp" width="200" /><br>&lt;p&gt;দেশে সপ্তাহখানেকের মধ্যেই গ্যাসের সরবরাহ স্বাভাবিক হবে বলে জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। একই সঙ্গে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি পরিস্থিতিকে বৈশ্বিক সংকট হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সরকার পরিস্থিতি মোকাবিলায় কাজ করছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দলের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে এসব কথা বলেন তিনি।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;রিজভী বলেন, ‘দেশে চলমান বিদ্যুৎ-জ্বালানি পরিস্থিতি একটি বৈশ্বিক সংকট। তবে সরকার হাত গুটিয়ে বসে নেই।’&lt;/p&gt;&lt;p&gt;গ্যাসের সরবরাহ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আগামী সপ্তাহের মধ্যেই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে বলে তিনি আশাবাদী।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;সরকার ও দল হিসেবে বিএনপি একে অপরের সহযোগী মন্তব্য করেন রিজভী বলেন, চ্যালেঞ্জ ও ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে সরকারের কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;i&gt;এমআর-২&lt;/i&gt;&lt;/p&gt;]]></description>
			<pubDate>2026-09-01 12:18:30</pubDate>
		</item>
				<item>
			<guid>122380</guid>
			<link>https://www.somoyerkonthosor.com.ambalamedia.com/post/2026/09/01/6a966d9131ad6</link>
			<title>নাটোরের লালপুরে বিধবা নারীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ</title>
			<image>https://www.somoyerkonthosor.com.ambalamedia.com/admin/post_image/RAPE DF6574a65e22b5e.webp</image>
			<description>&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;নাটোরের লালপুরে এক নারীকে (৪১) ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এ সময় বাধা দিতে গেলে ঐ নারীর ভাগ্নেকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করেছে অভিযুক্ত। আহত ব্যক্তি বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;রবিবার (৩০ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার পালিদেহা গ্রামের হিন্দু পাড়াতে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর স্বজন লালপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, পালিদেহা গ্রামের মহাসিন খাঁর ছেলে মো. মোস্তফা আলী (৩০) দীর্ঘদিন ধরে একই গ্রামের সংখ্যালঘু এক নারীকে (৪১) কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিল। ওই নারীর স্বামীর মৃত্যুর পর একা থাকায় মোস্তফা তাকে প্রায়ই বিরক্ত ও উত্যক্ত করত বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;ঘটনার দিন দুপুরে ভুক্তভোগী রান্নাঘরে কাজ করছিলেন। এ সময় মোস্তফা আলী হাসুয়া হাতে নিয়ে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা করে এবং ভয়ভীতি দেখায়। এ সময় ভুক্তভোগী নারী চিৎকার করলে তার ভাগ্নে এগিয়ে এসে বাধা দেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে অভিযুক্ত মোস্তফা ওই ভাগ্নেকে পিঠসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে হাসুয়া দিয়ে কোপ দেয়। স্থানীয়রা আহতকে উদ্ধার করে লালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তার শরীরে ২০ থেকে ২৫টি সেলাই দেন। বর্তমানে সে লালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে।&amp;nbsp;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;ভুক্তভোগী নারী বলেন, অনেক দিন ধরেই আমাকে বিরক্ত করত। রবিবার (৩০আগস্ট) জোর করে ঘরে ঢুকে খারাপ কাজ করতে চায়। আমি চিৎকার দিলে আমার ভাগ্নেকে কুপিয়ে আহত করে।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;অভিযোগকারী বলেন, আমরা সংখ্যালঘু হওয়ায় তারা দীর্ঘদিন ধরে আমাদের ওপর অত্যাচার করছে।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;স্থানীয় কয়েকজন জানান, অভিযুক্ত মোস্তফা আলীর বিরুদ্ধে এর আগেও নানা অভিযোগ ওঠেছে। সে এলাকায় প্রভাব খাটিয়ে চলাফেরা করে।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;এ বিষয়ে অভিযুক্ত মোস্তফা আলীর মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন দিলে মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;এ বিষয়ে লালপুর থানার ওসি শফিকুল ইসলাম বলেন, ঘটনার বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;i&gt;ইখা&lt;/i&gt;&lt;/p&gt;</description>
			<description><![CDATA[<img src="https://www.somoyerkonthosor.com.ambalamedia.com/admin/post_image/RAPE DF6574a65e22b5e.webp" width="200" /><br>&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;নাটোরের লালপুরে এক নারীকে (৪১) ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এ সময় বাধা দিতে গেলে ঐ নারীর ভাগ্নেকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করেছে অভিযুক্ত। আহত ব্যক্তি বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;রবিবার (৩০ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার পালিদেহা গ্রামের হিন্দু পাড়াতে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর স্বজন লালপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, পালিদেহা গ্রামের মহাসিন খাঁর ছেলে মো. মোস্তফা আলী (৩০) দীর্ঘদিন ধরে একই গ্রামের সংখ্যালঘু এক নারীকে (৪১) কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিল। ওই নারীর স্বামীর মৃত্যুর পর একা থাকায় মোস্তফা তাকে প্রায়ই বিরক্ত ও উত্যক্ত করত বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;ঘটনার দিন দুপুরে ভুক্তভোগী রান্নাঘরে কাজ করছিলেন। এ সময় মোস্তফা আলী হাসুয়া হাতে নিয়ে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা করে এবং ভয়ভীতি দেখায়। এ সময় ভুক্তভোগী নারী চিৎকার করলে তার ভাগ্নে এগিয়ে এসে বাধা দেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে অভিযুক্ত মোস্তফা ওই ভাগ্নেকে পিঠসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে হাসুয়া দিয়ে কোপ দেয়। স্থানীয়রা আহতকে উদ্ধার করে লালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তার শরীরে ২০ থেকে ২৫টি সেলাই দেন। বর্তমানে সে লালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে।&amp;nbsp;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;ভুক্তভোগী নারী বলেন, অনেক দিন ধরেই আমাকে বিরক্ত করত। রবিবার (৩০আগস্ট) জোর করে ঘরে ঢুকে খারাপ কাজ করতে চায়। আমি চিৎকার দিলে আমার ভাগ্নেকে কুপিয়ে আহত করে।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;অভিযোগকারী বলেন, আমরা সংখ্যালঘু হওয়ায় তারা দীর্ঘদিন ধরে আমাদের ওপর অত্যাচার করছে।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;স্থানীয় কয়েকজন জানান, অভিযুক্ত মোস্তফা আলীর বিরুদ্ধে এর আগেও নানা অভিযোগ ওঠেছে। সে এলাকায় প্রভাব খাটিয়ে চলাফেরা করে।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;এ বিষয়ে অভিযুক্ত মোস্তফা আলীর মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন দিলে মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;এ বিষয়ে লালপুর থানার ওসি শফিকুল ইসলাম বলেন, ঘটনার বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;i&gt;ইখা&lt;/i&gt;&lt;/p&gt;]]></description>
			<pubDate>2026-09-01 12:15:45</pubDate>
		</item>
				<item>
			<guid>122379</guid>
			<link>https://www.somoyerkonthosor.com.ambalamedia.com/post/2026/09/01/6a966cfc559c8</link>
			<title>দামুড়হুদায় পানির মোটর চুরি করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে চোরের মৃত্যু</title>
			<image>https://www.somoyerkonthosor.com.ambalamedia.com/admin/post_image/sknews332211-6a966cf69319d.webp</image>
			<description>&lt;p&gt;চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার লোকনাথপুর পশ্চিমপাড়ায় টিউবয়েলের সাথে সংযুক্ত বৈদ্যুতিক পানির মোটর চুরি করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে এক চোরের মৃত্যু হয়েছে।&amp;nbsp;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;মঙ্গলবার (০১ সেপ্টেম্বর) ভোর ৫টার দিকে বৈদ্যুতিক মোটরের পাশে নিহত চোরকে পড়ে থাকতে দেখে বাড়ির মানুষ।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;নিহত ব্যক্তি উপজেলার দর্শনা থানার দর্শনা শান্তিপাড়ার মৃত সিরাজুল ইসলাম এর ছেলে শরিফুল ইসলাম ওরফে বরু (৫০)।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;এ ঘটনায় বাড়ির মালিক উপজেলার লোকনাথ পুর গ্রামের পশ্চিম পাড়ার মৃত গোলজার মন্ডলের ছেলে কেরামত আলী (৬৫) বাদী হয়ে দামুড়হুদা মডেল থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করেছেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;অপমৃত্যু সংবাদের বিবরণে জানা যায়, সোমবার (৩১ আগস্ট) দিনগত রাত আনুমানিক ১০টার সময় কেরামত আলী ও তার পরিবারের সদস্যরা ঘুমিয়ে পড়েন। পরদিন মঙ্গলবার (০১ সেপ্টেম্বর) ভোর ৫টার দিকে তার স্ত্রী মারুফা বেগম (৫০) ফজরের নামাজ পড়ার জন্য ঘুম থেকে উঠে বাড়ির দক্ষিণ পাশে টিউবওয়েলের কাছে অজু করতে যান। এ সময় তিনি দেখতে পান, টিউবওয়েলের সাথে থাকা ইলেকট্রিক মোটরের মেইন তারের সাথে হাতে কাঁচিসহ এক ব্যক্তি বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মরে পড়ে আছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;তার চিৎকারে ছেলে আশরাফুল ইসলাম (৩৫) ও প্রতিবেশী রশিদুল ইসলাম (৩০) সহ স্থানীয়রা ছুটে আসেন। পরে স্থানীয়ভাবে খোঁজ নিয়ে জানা যায় নিহত ব্যক্তি দর্শনার শান্তিপাড়ার শরিফুল ইসলাম ওরফে বরু।&amp;nbsp;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;ধারণা করা হচ্ছে, রাতের আঁধারে মোটর চুরি করতে গিয়ে তিনি বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারাগেছে। বর্তমানে তার লাশ ঘটনাস্থলেই রয়েছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;এ বিষয়ে দামুড়হুদা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ মেজবাহ উদ্দিন জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা রুজু করা হয়েছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;i&gt;এমআর-২&lt;/i&gt;&lt;/p&gt;&lt;br&gt;</description>
			<description><![CDATA[<img src="https://www.somoyerkonthosor.com.ambalamedia.com/admin/post_image/sknews332211-6a966cf69319d.webp" width="200" /><br>&lt;p&gt;চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার লোকনাথপুর পশ্চিমপাড়ায় টিউবয়েলের সাথে সংযুক্ত বৈদ্যুতিক পানির মোটর চুরি করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে এক চোরের মৃত্যু হয়েছে।&amp;nbsp;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;মঙ্গলবার (০১ সেপ্টেম্বর) ভোর ৫টার দিকে বৈদ্যুতিক মোটরের পাশে নিহত চোরকে পড়ে থাকতে দেখে বাড়ির মানুষ।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;নিহত ব্যক্তি উপজেলার দর্শনা থানার দর্শনা শান্তিপাড়ার মৃত সিরাজুল ইসলাম এর ছেলে শরিফুল ইসলাম ওরফে বরু (৫০)।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;এ ঘটনায় বাড়ির মালিক উপজেলার লোকনাথ পুর গ্রামের পশ্চিম পাড়ার মৃত গোলজার মন্ডলের ছেলে কেরামত আলী (৬৫) বাদী হয়ে দামুড়হুদা মডেল থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করেছেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;অপমৃত্যু সংবাদের বিবরণে জানা যায়, সোমবার (৩১ আগস্ট) দিনগত রাত আনুমানিক ১০টার সময় কেরামত আলী ও তার পরিবারের সদস্যরা ঘুমিয়ে পড়েন। পরদিন মঙ্গলবার (০১ সেপ্টেম্বর) ভোর ৫টার দিকে তার স্ত্রী মারুফা বেগম (৫০) ফজরের নামাজ পড়ার জন্য ঘুম থেকে উঠে বাড়ির দক্ষিণ পাশে টিউবওয়েলের কাছে অজু করতে যান। এ সময় তিনি দেখতে পান, টিউবওয়েলের সাথে থাকা ইলেকট্রিক মোটরের মেইন তারের সাথে হাতে কাঁচিসহ এক ব্যক্তি বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মরে পড়ে আছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;তার চিৎকারে ছেলে আশরাফুল ইসলাম (৩৫) ও প্রতিবেশী রশিদুল ইসলাম (৩০) সহ স্থানীয়রা ছুটে আসেন। পরে স্থানীয়ভাবে খোঁজ নিয়ে জানা যায় নিহত ব্যক্তি দর্শনার শান্তিপাড়ার শরিফুল ইসলাম ওরফে বরু।&amp;nbsp;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;ধারণা করা হচ্ছে, রাতের আঁধারে মোটর চুরি করতে গিয়ে তিনি বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারাগেছে। বর্তমানে তার লাশ ঘটনাস্থলেই রয়েছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;এ বিষয়ে দামুড়হুদা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ মেজবাহ উদ্দিন জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা রুজু করা হয়েছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;i&gt;এমআর-২&lt;/i&gt;&lt;/p&gt;&lt;br&gt;]]></description>
			<pubDate>2026-09-01 12:13:16</pubDate>
		</item>
				<item>
			<guid>122378</guid>
			<link>https://www.somoyerkonthosor.com.ambalamedia.com/post/2026/09/01/6a966b62b97eb</link>
			<title>ট্যাক্সি-সিএনজি সিন্ডিকেটের হাতে জিম্মি প্রবাসী-সাধারণ যাত্রী</title>
			<image>https://www.somoyerkonthosor.com.ambalamedia.com/admin/post_image/New Project (4)-6a966b276c117.webp</image>
			<description>&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নেমে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলার সুযোগ নেই বললেই চলে। টার্মিনাল ভবন থেকে লাগেজ হাতে বাইরে পা রাখতেই যাত্রীদের মুখোমুখি হতে হয় এক ভয়াবহ অভিজ্ঞতার। সেখানে ওত পেতে থাকা ট্যাক্সি ও সিএনজি সিন্ডিকেটের হাতে রীতিমতো পকেট কাটা যাচ্ছে সাধারণ যাত্রী ও দেশে ফেরা প্রবাসীদের।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;আইন অনুযায়ী প্রতিটি যানবাহনে মিটার কিংবা সুনির্দিষ্ট ভাড়ায় যাত্রী পরিবহনের নিয়ম থাকলেও বাস্তবে তার কোনো প্রয়োগ নেই। বিমানবন্দর এলাকা ছাড়তে সিএনজি অটোরিকশা চালকেরা স্বাভাবিক ভাড়ার তিন থেকে চারগুণ পর্যন্ত দাবি করছেন। উত্তরা, এয়ারপোর্ট রোড কিংবা মহাখালীর মতো নিকটবর্তী গন্তব্যে যেতেও হাঁকা হচ্ছে ১,০০০ থেকে ১,৫০০ টাকা। অন্যদিকে ট্যাক্সিক্যাবগুলোর ক্ষেত্রেও ইচ্ছেমতো ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;সাধারণ যাত্রীরা বিকল্প হিসেবে রাইড শেয়ারিং অ্যাপের শরণাপন্ন হলেও সেখানে দাঁড়িয়ে আছে সিন্ডিকেটের কঠোর বাধা। মূল টার্মিনাল বা ক্যানোপি এলাকায় অ্যাপভিত্তিক যানবাহন ভিড়তে দেওয়া হয় না বললেই চলে। রাইড শেয়ারিংয়ের চালকদের ভয়ভীতি দেখানো এবং হয়রানি করার অভিযোগ রয়েছে এই স্থানীয় সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে। ফলে যাত্রীরা বাধ্য হয়েই তাদের হাঁকানো চড়া ভাড়ায় যাতায়াত করছেন।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;বিশেষ করে গভীর রাতে বা ভোরে যেসব আন্তর্জাতিক ফ্লাইট অবতরণ করে, সেসব যাত্রীরাই সবচেয়ে বেশি জিম্মি হন। দীর্ঘ ভ্রমণ শেষে ক্লান্ত-শ্রান্ত প্রবাসীদের জিম্মি করে অতিরিক্ত অর্থ আদায়কে কেন্দ্র করে প্রায় প্রতিদিনই বচসা ও বাকবিতণ্ডার ঘটনা ঘটছে। মধ্যপ্রাচ্যফেরত এক প্রবাসী যাত্রী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, বিমানের কষ্ট শেষ করে দেশের মাটিতে নেমেই প্রথম যে জিনিসটার মুখোমুখি হতে হয়, তা হলো এই ভাড়ার ডাকাতি। গভীর রাতে কোনো বিকল্প না থাকায় বাধ্য হয়ে তিনগুণ টাকা দিয়ে বাড়ি যেতে হচ্ছে।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;মাঝে মাঝে আইনশৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনী ও এয়ারপোর্ট এপিবিএন (আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন) অভিযান চালিয়ে চালকদের জরিমানা করলেও কিছুদিন যেতে না যেতেই পরিস্থিতি আগের রূপ নেয়। ভুক্তভোগীদের দাবি, সাময়িক জরিমানা বা লোকদেখানো অভিযানে এই সিন্ডিকেট ভাঙা সম্ভব নয়। বিমানবন্দরে সুনির্দিষ্ট ও সুশৃঙ্খল ট্যাক্সি পিক-আপ জোন তৈরি করা এবং সব ধরনের রাইড শেয়ারিং যানবাহন অবাধে চলাচলের সুযোগ নিশ্চিত করাই এই নৈরাজ্য বন্ধের একমাত্র উপায়।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;মোঃ রফিকুল ইসলাম (মধ্যপ্রাচ্যফেরত প্রবাসী যাত্রী) বিমানে প্রায় ১০ ঘণ্টা জার্নি করে ক্লান্ত হয়ে দেশে নামলাম। রাত আড়াইটার দিকে লাগেজ নিয়ে বের হওয়ার পর মিরপুর যাওয়ার জন্য সিএনজিওয়ালা একদামে আড়াই হাজার টাকা দাবি করল। যেখানে সাধারণ সময়ে ৫০০-৬০০ টাকা ভাড়া হওয়ার কথা&amp;nbsp; অ্যাপে বাইক বা গাড়ি ডাকব, তারও সুযোগ নেই; অ্যাপের ড্রাইভারদের নাকি ভেতরে ঢুকতে দেওয়া হয় না। বাধ্য হয়ে প্রায় তিনগুণ টাকা দিয়ে বাসায় ফিরতে হয়েছে। দেশের মাটিতে পা দিয়েই যদি এভাবে পকেট কাটা যায়, তাহলে কেমন লাগে বলুন?&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;তাহমিনা আক্তার (অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটের যাত্রী) আমি সিলেট থেকে ফ্লাইটে ঢাকায় আসলাম। উত্তরা ১২ নম্বর সেক্টরে যাব, যা বিমানবন্দর থেকে ১০-১৫ মিনিটের পথ। সিএনজি ড্রাইভার সরাসরি ১,০০০ টাকা চাইল! কোনো মিটারের হিসাব নেই, কোনো কথা শোনে না। আমরা কি বিমানবন্দরে নেমে ডাকাতের হাতে পড়লাম? প্রশাসন যদি এগুলো না দেখে, তবে সাধারণ মানুষ কোথায় যাবে?&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;আলমগীর হোসেন (বিমানবন্দর এলাকার সিএনজিচালক) সবাই খালি আমাদের দোষ দেখে, আমাদের খরচের হিসাব তো কেউ করে না। বিমানবন্দরে গাড়ি পার্ক করে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। গাড়ির জমার টাকা, গ্যাসের দাম আর দিনে দিনে সবকিছুর যে দাম বাড়ছে, তাতে আগের ভাড়ায় চললে আমাদের না খেয়ে মরতে হবে। তাছাড়া এয়ারপোর্ট এলাকায় গাড়ি ঢোকাতে এবং দাঁড় করিয়ে রাখতে আমাদেরও নানা জায়গায় খরচ (চাঁদা) দিতে হয়। রাতবিরাতে ট্রিপ মেরে যদি দুটো টাকা বেশি না পাই, তবে পরিবার চালাব কীভাবে?&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;যাত্রী হয়রানি ও অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) এবং বিমানবন্দর আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) পক্ষ থেকে অনিয়মের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করা হয়েছে।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;অন্যদিকে এয়ারপোর্ট এপিবিএনের দায়িত্বশীল এক কর্মকর্তা জানান, যাত্রীদের জিম্মি করে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় কিংবা হয়রানি করার কোনো সুযোগ নেই। আমাদের সিভিল ও ইউনিফর্ম টিম সার্বক্ষণিক নজরদারি রাখছে। সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলেই আমরা ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক জরিমানা ও গাড়ি জব্দের ব্যবস্থা নিচ্ছি। সাধারণ যাত্রীরা যাতে হয়রানির শিকার না হন, সে বিষয়ে আমরা সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় আছি।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;i&gt;ইখা&lt;/i&gt;&lt;/p&gt;</description>
			<description><![CDATA[<img src="https://www.somoyerkonthosor.com.ambalamedia.com/admin/post_image/New Project (4)-6a966b276c117.webp" width="200" /><br>&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নেমে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলার সুযোগ নেই বললেই চলে। টার্মিনাল ভবন থেকে লাগেজ হাতে বাইরে পা রাখতেই যাত্রীদের মুখোমুখি হতে হয় এক ভয়াবহ অভিজ্ঞতার। সেখানে ওত পেতে থাকা ট্যাক্সি ও সিএনজি সিন্ডিকেটের হাতে রীতিমতো পকেট কাটা যাচ্ছে সাধারণ যাত্রী ও দেশে ফেরা প্রবাসীদের।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;আইন অনুযায়ী প্রতিটি যানবাহনে মিটার কিংবা সুনির্দিষ্ট ভাড়ায় যাত্রী পরিবহনের নিয়ম থাকলেও বাস্তবে তার কোনো প্রয়োগ নেই। বিমানবন্দর এলাকা ছাড়তে সিএনজি অটোরিকশা চালকেরা স্বাভাবিক ভাড়ার তিন থেকে চারগুণ পর্যন্ত দাবি করছেন। উত্তরা, এয়ারপোর্ট রোড কিংবা মহাখালীর মতো নিকটবর্তী গন্তব্যে যেতেও হাঁকা হচ্ছে ১,০০০ থেকে ১,৫০০ টাকা। অন্যদিকে ট্যাক্সিক্যাবগুলোর ক্ষেত্রেও ইচ্ছেমতো ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;সাধারণ যাত্রীরা বিকল্প হিসেবে রাইড শেয়ারিং অ্যাপের শরণাপন্ন হলেও সেখানে দাঁড়িয়ে আছে সিন্ডিকেটের কঠোর বাধা। মূল টার্মিনাল বা ক্যানোপি এলাকায় অ্যাপভিত্তিক যানবাহন ভিড়তে দেওয়া হয় না বললেই চলে। রাইড শেয়ারিংয়ের চালকদের ভয়ভীতি দেখানো এবং হয়রানি করার অভিযোগ রয়েছে এই স্থানীয় সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে। ফলে যাত্রীরা বাধ্য হয়েই তাদের হাঁকানো চড়া ভাড়ায় যাতায়াত করছেন।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;বিশেষ করে গভীর রাতে বা ভোরে যেসব আন্তর্জাতিক ফ্লাইট অবতরণ করে, সেসব যাত্রীরাই সবচেয়ে বেশি জিম্মি হন। দীর্ঘ ভ্রমণ শেষে ক্লান্ত-শ্রান্ত প্রবাসীদের জিম্মি করে অতিরিক্ত অর্থ আদায়কে কেন্দ্র করে প্রায় প্রতিদিনই বচসা ও বাকবিতণ্ডার ঘটনা ঘটছে। মধ্যপ্রাচ্যফেরত এক প্রবাসী যাত্রী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, বিমানের কষ্ট শেষ করে দেশের মাটিতে নেমেই প্রথম যে জিনিসটার মুখোমুখি হতে হয়, তা হলো এই ভাড়ার ডাকাতি। গভীর রাতে কোনো বিকল্প না থাকায় বাধ্য হয়ে তিনগুণ টাকা দিয়ে বাড়ি যেতে হচ্ছে।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;মাঝে মাঝে আইনশৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনী ও এয়ারপোর্ট এপিবিএন (আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন) অভিযান চালিয়ে চালকদের জরিমানা করলেও কিছুদিন যেতে না যেতেই পরিস্থিতি আগের রূপ নেয়। ভুক্তভোগীদের দাবি, সাময়িক জরিমানা বা লোকদেখানো অভিযানে এই সিন্ডিকেট ভাঙা সম্ভব নয়। বিমানবন্দরে সুনির্দিষ্ট ও সুশৃঙ্খল ট্যাক্সি পিক-আপ জোন তৈরি করা এবং সব ধরনের রাইড শেয়ারিং যানবাহন অবাধে চলাচলের সুযোগ নিশ্চিত করাই এই নৈরাজ্য বন্ধের একমাত্র উপায়।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;মোঃ রফিকুল ইসলাম (মধ্যপ্রাচ্যফেরত প্রবাসী যাত্রী) বিমানে প্রায় ১০ ঘণ্টা জার্নি করে ক্লান্ত হয়ে দেশে নামলাম। রাত আড়াইটার দিকে লাগেজ নিয়ে বের হওয়ার পর মিরপুর যাওয়ার জন্য সিএনজিওয়ালা একদামে আড়াই হাজার টাকা দাবি করল। যেখানে সাধারণ সময়ে ৫০০-৬০০ টাকা ভাড়া হওয়ার কথা&amp;nbsp; অ্যাপে বাইক বা গাড়ি ডাকব, তারও সুযোগ নেই; অ্যাপের ড্রাইভারদের নাকি ভেতরে ঢুকতে দেওয়া হয় না। বাধ্য হয়ে প্রায় তিনগুণ টাকা দিয়ে বাসায় ফিরতে হয়েছে। দেশের মাটিতে পা দিয়েই যদি এভাবে পকেট কাটা যায়, তাহলে কেমন লাগে বলুন?&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;তাহমিনা আক্তার (অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটের যাত্রী) আমি সিলেট থেকে ফ্লাইটে ঢাকায় আসলাম। উত্তরা ১২ নম্বর সেক্টরে যাব, যা বিমানবন্দর থেকে ১০-১৫ মিনিটের পথ। সিএনজি ড্রাইভার সরাসরি ১,০০০ টাকা চাইল! কোনো মিটারের হিসাব নেই, কোনো কথা শোনে না। আমরা কি বিমানবন্দরে নেমে ডাকাতের হাতে পড়লাম? প্রশাসন যদি এগুলো না দেখে, তবে সাধারণ মানুষ কোথায় যাবে?&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;আলমগীর হোসেন (বিমানবন্দর এলাকার সিএনজিচালক) সবাই খালি আমাদের দোষ দেখে, আমাদের খরচের হিসাব তো কেউ করে না। বিমানবন্দরে গাড়ি পার্ক করে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। গাড়ির জমার টাকা, গ্যাসের দাম আর দিনে দিনে সবকিছুর যে দাম বাড়ছে, তাতে আগের ভাড়ায় চললে আমাদের না খেয়ে মরতে হবে। তাছাড়া এয়ারপোর্ট এলাকায় গাড়ি ঢোকাতে এবং দাঁড় করিয়ে রাখতে আমাদেরও নানা জায়গায় খরচ (চাঁদা) দিতে হয়। রাতবিরাতে ট্রিপ মেরে যদি দুটো টাকা বেশি না পাই, তবে পরিবার চালাব কীভাবে?&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;যাত্রী হয়রানি ও অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) এবং বিমানবন্দর আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) পক্ষ থেকে অনিয়মের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করা হয়েছে।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;অন্যদিকে এয়ারপোর্ট এপিবিএনের দায়িত্বশীল এক কর্মকর্তা জানান, যাত্রীদের জিম্মি করে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় কিংবা হয়রানি করার কোনো সুযোগ নেই। আমাদের সিভিল ও ইউনিফর্ম টিম সার্বক্ষণিক নজরদারি রাখছে। সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলেই আমরা ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক জরিমানা ও গাড়ি জব্দের ব্যবস্থা নিচ্ছি। সাধারণ যাত্রীরা যাতে হয়রানির শিকার না হন, সে বিষয়ে আমরা সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় আছি।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;i&gt;ইখা&lt;/i&gt;&lt;/p&gt;]]></description>
			<pubDate>2026-09-01 12:06:26</pubDate>
		</item>
				<item>
			<guid>122377</guid>
			<link>https://www.somoyerkonthosor.com.ambalamedia.com/post/2026/09/01/6a966a7c91f03</link>
			<title>শিল্প কোনো পাপ নয়, শিল্পীর পরিচয়কে সম্মান করুন: প্রভা</title>
			<image>https://www.somoyerkonthosor.com.ambalamedia.com/admin/post_image/sa_1745360324-6a966a0047a3c.webp</image>
			<description>&lt;p&gt;অভিনয় ও শিল্পী পরিচয় নিয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন ছোট পর্দার অভিনেত্রী সাদিয়া জাহান প্রভা। সোমবার (৩১ আগস্ট) নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে তিনি শিল্পচর্চায় শিক্ষা, মূল্যবোধ ও সংস্কৃতিবোধের গুরুত্ব তুলে ধরেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;প্রভা বলেন, কোনো পরিচয় যদি একজন মানুষকে সম্মান, যশ, খ্যাতি, অর্থ ও ভালোবাসা এনে দেয়, তাহলে সেই পরিচয়ের জন্য লজ্জিত হওয়ার আগে নিজের মূল্যবোধ নিয়ে প্রশ্ন করা উচিত।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;তিনি আরও বলেন, শিল্প কোনো পাপ নয়। শিল্প একটি পরিচয়, শিল্প একটি সংস্কৃতি। আর একজন শিল্পীকে অসম্মান করা কোনোভাবেই সভ্যতার শিক্ষা নয়।”&lt;/p&gt;&lt;p&gt;যদিও পোস্টে প্রভা কারও নাম উল্লেখ করেননি, সাম্প্রতিক সময়ে অভিনেত্রী সাদিকা পারভীন পপির অভিনয়জীবন নিয়ে করা মন্তব্যের পরপরই তার এই বক্তব্য সামনে আসায় বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা শুরু হয়েছে।&amp;nbsp;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;তবে এটি পপির বক্তব্যের সরাসরি প্রতিক্রিয়া কি না, সে বিষয়ে প্রভা নিশ্চিতভাবে কিছু বলেননি।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;আরএ&lt;/p&gt;</description>
			<description><![CDATA[<img src="https://www.somoyerkonthosor.com.ambalamedia.com/admin/post_image/sa_1745360324-6a966a0047a3c.webp" width="200" /><br>&lt;p&gt;অভিনয় ও শিল্পী পরিচয় নিয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন ছোট পর্দার অভিনেত্রী সাদিয়া জাহান প্রভা। সোমবার (৩১ আগস্ট) নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে তিনি শিল্পচর্চায় শিক্ষা, মূল্যবোধ ও সংস্কৃতিবোধের গুরুত্ব তুলে ধরেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;প্রভা বলেন, কোনো পরিচয় যদি একজন মানুষকে সম্মান, যশ, খ্যাতি, অর্থ ও ভালোবাসা এনে দেয়, তাহলে সেই পরিচয়ের জন্য লজ্জিত হওয়ার আগে নিজের মূল্যবোধ নিয়ে প্রশ্ন করা উচিত।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;তিনি আরও বলেন, শিল্প কোনো পাপ নয়। শিল্প একটি পরিচয়, শিল্প একটি সংস্কৃতি। আর একজন শিল্পীকে অসম্মান করা কোনোভাবেই সভ্যতার শিক্ষা নয়।”&lt;/p&gt;&lt;p&gt;যদিও পোস্টে প্রভা কারও নাম উল্লেখ করেননি, সাম্প্রতিক সময়ে অভিনেত্রী সাদিকা পারভীন পপির অভিনয়জীবন নিয়ে করা মন্তব্যের পরপরই তার এই বক্তব্য সামনে আসায় বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা শুরু হয়েছে।&amp;nbsp;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;তবে এটি পপির বক্তব্যের সরাসরি প্রতিক্রিয়া কি না, সে বিষয়ে প্রভা নিশ্চিতভাবে কিছু বলেননি।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;আরএ&lt;/p&gt;]]></description>
			<pubDate>2026-09-01 12:02:36</pubDate>
		</item>
				<item>
			<guid>122376</guid>
			<link>https://www.somoyerkonthosor.com.ambalamedia.com/post/2026/09/01/6a96681990764</link>
			<title>‘ইরান যুদ্ধে ইসরায়েলের ১ হাজারের বেশি সেনা নিহত হয়েছে’</title>
			<image>https://www.somoyerkonthosor.com.ambalamedia.com/admin/post_image/iran33221-6a9668143e1f4.webp</image>
			<description>&lt;p&gt;গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যৌথ হামলা চালিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। এরপর পাল্টা হামলা হিসেবে ইসরায়েল ও উপসাগরীয় আরব দেশগুলোতে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের অবকাঠামোকে টার্গেট করে হামলা চালায়&amp;nbsp;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;ইরান&lt;/span&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;ইরানের সেনাবাহিনীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আব্দুলফজল শেখারচি দাবি করেছেন, তাদের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের ১ হাজারের বেশি সেনা নিহত হয়েছে। তিনি বলেন, যুদ্ধের সময় ইসরায়েলের দখলকৃত অঞ্চলে থাকা গোয়েন্দা কেন্দ্র অন্যান্য স্থাপনায় হামলা চালিয়েছেন তারা।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;সেনাবাহিনীর মুখপাত্র জানান, ইসরায়েলের পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রেরও কয়েকশ সেনা নিহত ও কয়েক হাজার সেনা আহত হয়েছেন। কিন্তু ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র এগুলো গোপন রেখেছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;গতকাল সোমবার (৩১ আগস্ট) দেওয়া বক্তব্যে তিনি উল্লেখ করেন, আফগানিস্তান ও ইরাকে যুক্তরাষ্ট্রের যেসব সেনা নিহত হয়েছিলেন তাদের মৃত্যুর তথ্য কয়েক বছর পর্যন্ত গোপন রেখেছিল দেশটি।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী হলো ‘হলিউড আর প্রোপাগান্ডা আর্মি’। যাদের কাজ হলো মুসলিম দেশগুলো থেকে লুট করা।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;ইরানি সেনাবাহিনীর উচ্চপদস্থ এ কর্মকর্তা আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের ঘাঁটি আছে এমন দেশসহ বিশ্বের সব দেশ বুঝতে পেরেছে যুক্তরাষ্ট্র তাদের সামরিক হামলা থেকে রক্ষা করতে পারবে না এবং তারা মার্কিনিদের ওপর থেকে বিশ্বাস হারিয়ে ফেলেছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;এছাড়া হরমুজ নিয়েও সতর্কতা দিয়েছেন তিনি। ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আব্দুলফজল শেখারচি বলেছেন, “হরমুজ প্রণালিকে নিজেদের ভূখণ্ড হিসেবে শুধুমাত্র স্বপ্নেই ভাবতে পারবে যুক্তরাষ্ট্র ও তার প্রেসিডেন্ট।”&lt;/p&gt;&lt;p&gt;ডোনাল্ড ট্রাম্প বেশ কয়েকবার হরমুজ প্রণালিকে যুক্তরাষ্ট্রের ভূখণ্ড হিসেবে ঘোষণা দিয়েছেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;এমআর-২&lt;/p&gt;</description>
			<description><![CDATA[<img src="https://www.somoyerkonthosor.com.ambalamedia.com/admin/post_image/iran33221-6a9668143e1f4.webp" width="200" /><br>&lt;p&gt;গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যৌথ হামলা চালিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। এরপর পাল্টা হামলা হিসেবে ইসরায়েল ও উপসাগরীয় আরব দেশগুলোতে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের অবকাঠামোকে টার্গেট করে হামলা চালায়&amp;nbsp;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;ইরান&lt;/span&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;ইরানের সেনাবাহিনীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আব্দুলফজল শেখারচি দাবি করেছেন, তাদের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের ১ হাজারের বেশি সেনা নিহত হয়েছে। তিনি বলেন, যুদ্ধের সময় ইসরায়েলের দখলকৃত অঞ্চলে থাকা গোয়েন্দা কেন্দ্র অন্যান্য স্থাপনায় হামলা চালিয়েছেন তারা।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;সেনাবাহিনীর মুখপাত্র জানান, ইসরায়েলের পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রেরও কয়েকশ সেনা নিহত ও কয়েক হাজার সেনা আহত হয়েছেন। কিন্তু ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র এগুলো গোপন রেখেছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;গতকাল সোমবার (৩১ আগস্ট) দেওয়া বক্তব্যে তিনি উল্লেখ করেন, আফগানিস্তান ও ইরাকে যুক্তরাষ্ট্রের যেসব সেনা নিহত হয়েছিলেন তাদের মৃত্যুর তথ্য কয়েক বছর পর্যন্ত গোপন রেখেছিল দেশটি।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী হলো ‘হলিউড আর প্রোপাগান্ডা আর্মি’। যাদের কাজ হলো মুসলিম দেশগুলো থেকে লুট করা।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;ইরানি সেনাবাহিনীর উচ্চপদস্থ এ কর্মকর্তা আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের ঘাঁটি আছে এমন দেশসহ বিশ্বের সব দেশ বুঝতে পেরেছে যুক্তরাষ্ট্র তাদের সামরিক হামলা থেকে রক্ষা করতে পারবে না এবং তারা মার্কিনিদের ওপর থেকে বিশ্বাস হারিয়ে ফেলেছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;এছাড়া হরমুজ নিয়েও সতর্কতা দিয়েছেন তিনি। ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আব্দুলফজল শেখারচি বলেছেন, “হরমুজ প্রণালিকে নিজেদের ভূখণ্ড হিসেবে শুধুমাত্র স্বপ্নেই ভাবতে পারবে যুক্তরাষ্ট্র ও তার প্রেসিডেন্ট।”&lt;/p&gt;&lt;p&gt;ডোনাল্ড ট্রাম্প বেশ কয়েকবার হরমুজ প্রণালিকে যুক্তরাষ্ট্রের ভূখণ্ড হিসেবে ঘোষণা দিয়েছেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;এমআর-২&lt;/p&gt;]]></description>
			<pubDate>2026-09-01 11:52:25</pubDate>
		</item>
				<item>
			<guid>122375</guid>
			<link>https://www.somoyerkonthosor.com.ambalamedia.com/post/2026/09/01/6a9665b7496f6</link>
			<title>প্রিপেইড মিটার ও বিদ্যুৎ বিল নিয়ে জরুরি বার্তা দিল ডিপিডিসি</title>
			<image>https://www.somoyerkonthosor.com.ambalamedia.com/admin/post_image/DPDC-69b508367b3af.webp</image>
			<description>&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;প্রিপেইড বিদ্যুৎ মিটার রিচার্জের সময় অতিরিক্ত টাকা কেটে নেওয়া, অস্বাভাবিক বা কথিত ‘ভূতুড়ে বিল’, ছুটির দিন কিংবা মধ্যরাতে হঠাৎ বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়া এবং ট্যারিফ পরিবর্তনের পর দীর্ঘ টোকেন পাওয়া নিয়ে গ্রাহকদের মধ্যে নানা ধরনের উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এসব বিষয়ে গ্রাহকদের বিভ্রান্ত না হওয়ার পরামর্শ দিয়ে বেশ কিছু বিষয় পরিষ্কার করেছে ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি (ডিপিডিসি)।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;ডিপিডিসি জানিয়েছে, অনুমোদিত লোডের ভিত্তিতে প্রতি মাসে একবার ডিমান্ড চার্জ নেওয়া হয়। কোনো মাসে মিটার রিচার্জ না করলে পরবর্তী রিচার্জের সময় আগের বকেয়া মাসগুলোর ডিমান্ড চার্জের পাশাপাশি চলতি মাসের চার্জও কেটে নেওয়া হয়।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;উদাহরণ হিসেবে সংস্থাটি জানিয়েছে, ‘এলটি-আবাসিক’ শ্রেণির কোনো গ্রাহকের অনুমোদিত লোড ২ কিলোওয়াট হলে এবং তিনি টানা তিন মাস রিচার্জ না করলে, প্রতি কিলোওয়াটে ৪২ টাকা হারে তিন মাসের ডিমান্ড চার্জ হবে ২৫২ টাকা।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;এই নিয়ম পোস্টপেইড গ্রাহকদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;গ্রাহক নিজ অর্থে প্রিপেইড মিটার কিনে স্থাপন করলে কোনো মিটার ভাড়া দিতে হয় না। তবে ডিপিডিসির সরবরাহ করা মিটারের ক্ষেত্রে প্রতি মাসে মিটার ভাড়া কাটা হয়।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;ডিপিডিসির তথ্য অনুযায়ী, সিঙ্গেল-ফেজ মিটারের মাসিক ভাড়া ৪০ টাকা এবং থ্রি-ফেজ মিটারের ভাড়া ২৫০ টাকা।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;নতুন সংযোগ নেওয়ার সময় গ্রাহক নিজে মিটার কিনলে কিংবা নষ্ট মিটারের পরিবর্তে নিজ অর্থে নতুন মিটার স্থাপন করলে ওই মিটারের জন্য ভাড়া নেওয়া হবে না।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;সরকারি নিয়ম অনুযায়ী বিদ্যুৎ বিলের ওপর ভ্যাট প্রযোজ্য। প্রিপেইড মিটার রিচার্জের সময় মোট রিচার্জের অর্থের ওপর ৫ শতাংশ ভ্যাট কেটে সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;ট্যারিফ বা বিদ্যুতের মূল্যহার পরিবর্তনের পর প্রথমবার প্রিপেইড মিটার রিচার্জ করলে অনেক গ্রাহক ২০০ থেকে ২২০ ডিজিটের দীর্ঘ টোকেন পান। এ নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই বলে জানিয়েছে ডিপিডিসি।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;সংস্থাটির ব্যাখ্যা অনুযায়ী, নতুন মূল্যহার মিটারে সক্রিয় করার জন্য ট্যারিফ পরিবর্তনের পর প্রথম রিচার্জে দীর্ঘ টোকেন তৈরি হয়। পরবর্তী রিচার্জে আবার স্বাভাবিক ২০ ডিজিটের টোকেন পাওয়া যাবে।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;দীর্ঘ টোকেন মিটারে ম্যানুয়ালি প্রবেশ করানোর ঝামেলা কমাতে ডিপিডিসি ধাপে ধাপে মিটারগুলোকে অনলাইন নেটওয়ার্কের আওতায় আনছে। বর্তমানে এএমআই প্রিপেইড মিটার স্থাপন করা হচ্ছে। এসব মিটারে ম্যানুয়ালি টোকেন প্রবেশ করানোর প্রয়োজন নেই। বিকাশ, রকেটসহ বিভিন্ন অনলাইন মাধ্যমেও রিচার্জ করা যায়।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;ডিপিডিসির দাবি, প্রকৃত বিদ্যুৎ ব্যবহারের তুলনায় অতিরিক্ত বিল বা তথাকথিত ‘ভূতুড়ে বিল’ কাটার কোনো কারিগরি সুযোগ প্রিপেইড মিটারে নেই। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) নির্ধারিত মূল্যহার অনুযায়ী ব্যবহৃত বিদ্যুতের ইউনিটের দাম মিটার থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে কেটে নেওয়া হয়।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;তবে কমন নিউট্রালজনিত ত্রুটি বা অন্য কোনো কারিগরি সমস্যার কারণে অস্বাভাবিক বিলিংয়ের ঘটনা ঘটতে পারে বলে জানিয়েছে ডিপিডিসি।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;গ্রাহকদের সুবিধার জন্য সাপ্তাহিক ছুটির দিন এবং প্রতিদিন বিকাল ৪টা থেকে পরদিন সকাল ১০টা পর্যন্ত সময়কে ‘ফ্রেন্ডলি আওয়ার’ হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে। এ সময়ে মিটারের ব্যালেন্স শেষ হয়ে গেলেও তাৎক্ষণিকভাবে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয় না।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;এ সময় মিটার নেগেটিভ ব্যালেন্সে সচল থাকে এবং পরবর্তী রিচার্জের সময় ওই অর্থ সমন্বয় করা হয়।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;এ ছাড়া মিটারের এনার্জি ব্যালেন্স শেষ হয়ে গেলে গ্রাহক ‘ইমার্জেন্সি ব্যালেন্স’ চালু করে জরুরি প্রয়োজনে বিদ্যুৎ ব্যবহার করতে পারেন। পরবর্তী রিচার্জের সময় ব্যবহৃত অর্থ সমন্বয় করা হবে।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;প্রিপেইড মিটারে অস্বাভাবিক অর্থ কেটে নেওয়া, বিলিংয়ে অসঙ্গতি, কারিগরি ত্রুটি কিংবা আকস্মিক সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার মতো সমস্যা হলে আতঙ্কিত না হয়ে দ্রুত অভিযোগ করার পরামর্শ দিয়েছে ডিপিডিসি।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;এ জন্য সংশ্লিষ্ট গ্রাহকসেবা কেন্দ্র, অভিযোগ কেন্দ্র অথবা ডিপিডিসির হটলাইন ১৬১১৬-এ যোগাযোগ করা যাবে।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;অভিযোগের সময় গ্রাহক নম্বর ও মিটার নম্বর দিলে বিষয়টি যাচাই করে প্রয়োজনীয় সংশোধন ও প্রতিকারমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে ডিপিডিসি।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;i&gt;ইখা&lt;/i&gt;&lt;/p&gt;</description>
			<description><![CDATA[<img src="https://www.somoyerkonthosor.com.ambalamedia.com/admin/post_image/DPDC-69b508367b3af.webp" width="200" /><br>&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;প্রিপেইড বিদ্যুৎ মিটার রিচার্জের সময় অতিরিক্ত টাকা কেটে নেওয়া, অস্বাভাবিক বা কথিত ‘ভূতুড়ে বিল’, ছুটির দিন কিংবা মধ্যরাতে হঠাৎ বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়া এবং ট্যারিফ পরিবর্তনের পর দীর্ঘ টোকেন পাওয়া নিয়ে গ্রাহকদের মধ্যে নানা ধরনের উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এসব বিষয়ে গ্রাহকদের বিভ্রান্ত না হওয়ার পরামর্শ দিয়ে বেশ কিছু বিষয় পরিষ্কার করেছে ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি (ডিপিডিসি)।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;ডিপিডিসি জানিয়েছে, অনুমোদিত লোডের ভিত্তিতে প্রতি মাসে একবার ডিমান্ড চার্জ নেওয়া হয়। কোনো মাসে মিটার রিচার্জ না করলে পরবর্তী রিচার্জের সময় আগের বকেয়া মাসগুলোর ডিমান্ড চার্জের পাশাপাশি চলতি মাসের চার্জও কেটে নেওয়া হয়।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;উদাহরণ হিসেবে সংস্থাটি জানিয়েছে, ‘এলটি-আবাসিক’ শ্রেণির কোনো গ্রাহকের অনুমোদিত লোড ২ কিলোওয়াট হলে এবং তিনি টানা তিন মাস রিচার্জ না করলে, প্রতি কিলোওয়াটে ৪২ টাকা হারে তিন মাসের ডিমান্ড চার্জ হবে ২৫২ টাকা।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;এই নিয়ম পোস্টপেইড গ্রাহকদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;গ্রাহক নিজ অর্থে প্রিপেইড মিটার কিনে স্থাপন করলে কোনো মিটার ভাড়া দিতে হয় না। তবে ডিপিডিসির সরবরাহ করা মিটারের ক্ষেত্রে প্রতি মাসে মিটার ভাড়া কাটা হয়।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;ডিপিডিসির তথ্য অনুযায়ী, সিঙ্গেল-ফেজ মিটারের মাসিক ভাড়া ৪০ টাকা এবং থ্রি-ফেজ মিটারের ভাড়া ২৫০ টাকা।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;নতুন সংযোগ নেওয়ার সময় গ্রাহক নিজে মিটার কিনলে কিংবা নষ্ট মিটারের পরিবর্তে নিজ অর্থে নতুন মিটার স্থাপন করলে ওই মিটারের জন্য ভাড়া নেওয়া হবে না।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;সরকারি নিয়ম অনুযায়ী বিদ্যুৎ বিলের ওপর ভ্যাট প্রযোজ্য। প্রিপেইড মিটার রিচার্জের সময় মোট রিচার্জের অর্থের ওপর ৫ শতাংশ ভ্যাট কেটে সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;ট্যারিফ বা বিদ্যুতের মূল্যহার পরিবর্তনের পর প্রথমবার প্রিপেইড মিটার রিচার্জ করলে অনেক গ্রাহক ২০০ থেকে ২২০ ডিজিটের দীর্ঘ টোকেন পান। এ নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই বলে জানিয়েছে ডিপিডিসি।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;সংস্থাটির ব্যাখ্যা অনুযায়ী, নতুন মূল্যহার মিটারে সক্রিয় করার জন্য ট্যারিফ পরিবর্তনের পর প্রথম রিচার্জে দীর্ঘ টোকেন তৈরি হয়। পরবর্তী রিচার্জে আবার স্বাভাবিক ২০ ডিজিটের টোকেন পাওয়া যাবে।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;দীর্ঘ টোকেন মিটারে ম্যানুয়ালি প্রবেশ করানোর ঝামেলা কমাতে ডিপিডিসি ধাপে ধাপে মিটারগুলোকে অনলাইন নেটওয়ার্কের আওতায় আনছে। বর্তমানে এএমআই প্রিপেইড মিটার স্থাপন করা হচ্ছে। এসব মিটারে ম্যানুয়ালি টোকেন প্রবেশ করানোর প্রয়োজন নেই। বিকাশ, রকেটসহ বিভিন্ন অনলাইন মাধ্যমেও রিচার্জ করা যায়।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;ডিপিডিসির দাবি, প্রকৃত বিদ্যুৎ ব্যবহারের তুলনায় অতিরিক্ত বিল বা তথাকথিত ‘ভূতুড়ে বিল’ কাটার কোনো কারিগরি সুযোগ প্রিপেইড মিটারে নেই। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) নির্ধারিত মূল্যহার অনুযায়ী ব্যবহৃত বিদ্যুতের ইউনিটের দাম মিটার থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে কেটে নেওয়া হয়।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;তবে কমন নিউট্রালজনিত ত্রুটি বা অন্য কোনো কারিগরি সমস্যার কারণে অস্বাভাবিক বিলিংয়ের ঘটনা ঘটতে পারে বলে জানিয়েছে ডিপিডিসি।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;গ্রাহকদের সুবিধার জন্য সাপ্তাহিক ছুটির দিন এবং প্রতিদিন বিকাল ৪টা থেকে পরদিন সকাল ১০টা পর্যন্ত সময়কে ‘ফ্রেন্ডলি আওয়ার’ হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে। এ সময়ে মিটারের ব্যালেন্স শেষ হয়ে গেলেও তাৎক্ষণিকভাবে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয় না।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;এ সময় মিটার নেগেটিভ ব্যালেন্সে সচল থাকে এবং পরবর্তী রিচার্জের সময় ওই অর্থ সমন্বয় করা হয়।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;এ ছাড়া মিটারের এনার্জি ব্যালেন্স শেষ হয়ে গেলে গ্রাহক ‘ইমার্জেন্সি ব্যালেন্স’ চালু করে জরুরি প্রয়োজনে বিদ্যুৎ ব্যবহার করতে পারেন। পরবর্তী রিচার্জের সময় ব্যবহৃত অর্থ সমন্বয় করা হবে।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;প্রিপেইড মিটারে অস্বাভাবিক অর্থ কেটে নেওয়া, বিলিংয়ে অসঙ্গতি, কারিগরি ত্রুটি কিংবা আকস্মিক সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার মতো সমস্যা হলে আতঙ্কিত না হয়ে দ্রুত অভিযোগ করার পরামর্শ দিয়েছে ডিপিডিসি।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;এ জন্য সংশ্লিষ্ট গ্রাহকসেবা কেন্দ্র, অভিযোগ কেন্দ্র অথবা ডিপিডিসির হটলাইন ১৬১১৬-এ যোগাযোগ করা যাবে।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;অভিযোগের সময় গ্রাহক নম্বর ও মিটার নম্বর দিলে বিষয়টি যাচাই করে প্রয়োজনীয় সংশোধন ও প্রতিকারমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে ডিপিডিসি।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;i&gt;ইখা&lt;/i&gt;&lt;/p&gt;]]></description>
			<pubDate>2026-09-01 11:42:15</pubDate>
		</item>
				<item>
			<guid>122374</guid>
			<link>https://www.somoyerkonthosor.com.ambalamedia.com/post/2026/09/01/6a96657a6abc0</link>
			<title>নেপালে বোনকে পিঠে নিয়ে মা-বাবার খোঁজে বালক, মনে করাল নাগাসাকির সেই ছবি</title>
			<image>https://www.somoyerkonthosor.com.ambalamedia.com/admin/post_image/sknews33221-6a966576e90d9.webp</image>
			<description>&lt;p&gt;পিঠে ছোট বোনকে বেঁধে কাদামাখা পথে হেঁটে চলছে এক বালক। চোখে-মুখে ক্লান্তি, শরীরজুড়ে কাদা। তবু থামছে না তার পথচলা। খুঁজছে মা-বাবাকে। নেপালের সাম্প্রতিক বিপর্যয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত বলে দাবি করা এমন একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। দৃশ্যটি অনেকের মনে করিয়ে দিয়েছে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জাপানের নাগাসাকিতে ধারণ করা এক ঐতিহাসিক ছবির কথা।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;রবিবার (৩০ আগস্ট) থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিওটি ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওতে দেখা গেছে, এক বালক তার ছোট বোনকে পিঠে বেঁধে নিয়ে হাঁটছে। পিঠে থাকা শিশুটিকে দুধের শিশু বলেই মনে হচ্ছে। সে চিৎকার করে কাঁদছিল। তবে ক্ষুধা, ভয় নাকি অসুস্থতার কারণে সে কাঁদছিল, তা ভিডিওতে স্পষ্ট নয়।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;বালকটির চোখে-মুখে কাদা লেগে আছে। দীর্ঘ সময় হাঁটার কারণে তাকে ক্লান্তও মনে হচ্ছে। এরপরও ছোট ছোট পায়ে এগিয়ে যাচ্ছে সে। মাঝে মধ্যে চারপাশে তাকাচ্ছে। যেন ভিড়ের মধ্যে কিংবা ধ্বংসস্তূপের পাশে মা-বাবার দেখা মিলবে—এমন আশাতেই পথ চলছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;এখন পর্যন্ত ওই দুই শিশুর নাম-পরিচয় জানা যায়নি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের এক ব্যবহারকারী ভিডিওটি প্রকাশ করে দাবি করেছেন, এটি নেপালের হৃদয়বিদারক দৃশ্য। তার পোস্টে বলা হয়, ছোট ছেলেটি বোনকে পিঠে নিয়ে মা-বাবাকে খুঁজছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর অনেকেই আবেগাপ্লুত হয়েছেন। দুই শিশুর নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অনেকে। তারা দ্রুত মা-বাবাকে খুঁজে পাক—এমন প্রার্থনাও করেছেন কেউ কেউ। আবার অনেকেই শিশুটির সাহসের প্রশংসা করেছেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;তবে ভিডিওটি নেপালের সাম্প্রতিক বিপর্যয়েরই দৃশ্য কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়। ভিডিওটির স্থান, সময় ও শিশু দুটির পরিচয়ও স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। ফলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া দাবির সত্যতা নিয়ে সতর্ক থাকার প্রয়োজন রয়েছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;ভিডিওটির দৃশ্য দেখে অনেকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জাপানের নাগাসাকিতে তোলা একটি ঐতিহাসিক ছবির কথা স্মরণ করছেন। পারমাণবিক বোমা হামলার প্রায় দুই মাস পর মার্কিন সেনা কর্মকর্তা জো ও’ডনেল একটি ছবি তুলেছিলেন। সেখানে এক খুদে বালককে পিঠে তার মৃত ছোট বোনকে নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। পরবর্তী সময়ে ছবিটি যুদ্ধের ভয়াবহতার অন্যতম প্রতীক হয়ে ওঠে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;তবে নেপালের ভিডিওতে দেখা বালকটির পরিস্থিতি ওই ঐতিহাসিক ছবির বালকের সঙ্গে এক নয়। পিঠে ছোট বোনকে নিয়ে এক শিশুর অসহায় পথচলার দৃশ্যই শুধু অনেকের মনে নাগাসাকির সেই ছবির স্মৃতি ফিরিয়ে এনেছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকে জাপানের অ্যানিমেটেড সিনেমা ‘গ্রেভ অব দ্য ফায়ারফ্লাইজ’-এর কথাও উল্লেখ করেছেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জাপানের দুই ভাইবোন সেতা ও সেতসুকোর জীবন ও সংগ্রামকে কেন্দ্র করে নির্মিত চলচ্চিত্রটি বিশ্বজুড়ে প্রশংসিত। নেপালের ভিডিওতে দেখা দুই শিশুর দৃশ্যের সঙ্গে ওই গল্পের কিছুটা মিল খুঁজে পেয়েছেন অনেকে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;ভিডিওটির সত্যতা নিশ্চিত না হলেও পিঠে ছোট বোনকে নিয়ে মা-বাবার সন্ধানে ঘুরে বেড়ানো শিশুটির অসহায় মুখ ও ক্লান্ত শরীর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মানুষের মনে গভীর ছাপ ফেলেছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;i&gt;এমআর-২&lt;/i&gt;&lt;/p&gt;</description>
			<description><![CDATA[<img src="https://www.somoyerkonthosor.com.ambalamedia.com/admin/post_image/sknews33221-6a966576e90d9.webp" width="200" /><br>&lt;p&gt;পিঠে ছোট বোনকে বেঁধে কাদামাখা পথে হেঁটে চলছে এক বালক। চোখে-মুখে ক্লান্তি, শরীরজুড়ে কাদা। তবু থামছে না তার পথচলা। খুঁজছে মা-বাবাকে। নেপালের সাম্প্রতিক বিপর্যয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত বলে দাবি করা এমন একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। দৃশ্যটি অনেকের মনে করিয়ে দিয়েছে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জাপানের নাগাসাকিতে ধারণ করা এক ঐতিহাসিক ছবির কথা।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;রবিবার (৩০ আগস্ট) থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিওটি ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওতে দেখা গেছে, এক বালক তার ছোট বোনকে পিঠে বেঁধে নিয়ে হাঁটছে। পিঠে থাকা শিশুটিকে দুধের শিশু বলেই মনে হচ্ছে। সে চিৎকার করে কাঁদছিল। তবে ক্ষুধা, ভয় নাকি অসুস্থতার কারণে সে কাঁদছিল, তা ভিডিওতে স্পষ্ট নয়।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;বালকটির চোখে-মুখে কাদা লেগে আছে। দীর্ঘ সময় হাঁটার কারণে তাকে ক্লান্তও মনে হচ্ছে। এরপরও ছোট ছোট পায়ে এগিয়ে যাচ্ছে সে। মাঝে মধ্যে চারপাশে তাকাচ্ছে। যেন ভিড়ের মধ্যে কিংবা ধ্বংসস্তূপের পাশে মা-বাবার দেখা মিলবে—এমন আশাতেই পথ চলছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;এখন পর্যন্ত ওই দুই শিশুর নাম-পরিচয় জানা যায়নি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের এক ব্যবহারকারী ভিডিওটি প্রকাশ করে দাবি করেছেন, এটি নেপালের হৃদয়বিদারক দৃশ্য। তার পোস্টে বলা হয়, ছোট ছেলেটি বোনকে পিঠে নিয়ে মা-বাবাকে খুঁজছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর অনেকেই আবেগাপ্লুত হয়েছেন। দুই শিশুর নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অনেকে। তারা দ্রুত মা-বাবাকে খুঁজে পাক—এমন প্রার্থনাও করেছেন কেউ কেউ। আবার অনেকেই শিশুটির সাহসের প্রশংসা করেছেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;তবে ভিডিওটি নেপালের সাম্প্রতিক বিপর্যয়েরই দৃশ্য কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়। ভিডিওটির স্থান, সময় ও শিশু দুটির পরিচয়ও স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। ফলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া দাবির সত্যতা নিয়ে সতর্ক থাকার প্রয়োজন রয়েছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;ভিডিওটির দৃশ্য দেখে অনেকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জাপানের নাগাসাকিতে তোলা একটি ঐতিহাসিক ছবির কথা স্মরণ করছেন। পারমাণবিক বোমা হামলার প্রায় দুই মাস পর মার্কিন সেনা কর্মকর্তা জো ও’ডনেল একটি ছবি তুলেছিলেন। সেখানে এক খুদে বালককে পিঠে তার মৃত ছোট বোনকে নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। পরবর্তী সময়ে ছবিটি যুদ্ধের ভয়াবহতার অন্যতম প্রতীক হয়ে ওঠে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;তবে নেপালের ভিডিওতে দেখা বালকটির পরিস্থিতি ওই ঐতিহাসিক ছবির বালকের সঙ্গে এক নয়। পিঠে ছোট বোনকে নিয়ে এক শিশুর অসহায় পথচলার দৃশ্যই শুধু অনেকের মনে নাগাসাকির সেই ছবির স্মৃতি ফিরিয়ে এনেছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকে জাপানের অ্যানিমেটেড সিনেমা ‘গ্রেভ অব দ্য ফায়ারফ্লাইজ’-এর কথাও উল্লেখ করেছেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জাপানের দুই ভাইবোন সেতা ও সেতসুকোর জীবন ও সংগ্রামকে কেন্দ্র করে নির্মিত চলচ্চিত্রটি বিশ্বজুড়ে প্রশংসিত। নেপালের ভিডিওতে দেখা দুই শিশুর দৃশ্যের সঙ্গে ওই গল্পের কিছুটা মিল খুঁজে পেয়েছেন অনেকে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;ভিডিওটির সত্যতা নিশ্চিত না হলেও পিঠে ছোট বোনকে নিয়ে মা-বাবার সন্ধানে ঘুরে বেড়ানো শিশুটির অসহায় মুখ ও ক্লান্ত শরীর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মানুষের মনে গভীর ছাপ ফেলেছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;i&gt;এমআর-২&lt;/i&gt;&lt;/p&gt;]]></description>
			<pubDate>2026-09-01 11:41:14</pubDate>
		</item>
				<item>
			<guid>122373</guid>
			<link>https://www.somoyerkonthosor.com.ambalamedia.com/post/2026/09/01/6a9662a79cb7d</link>
			<title>নাটোরে রেললাইন ভেঙে ট্রেন চলাচল বন্ধ, ৪ ঘণ্টা পর স্বাভাবিক</title>
			<image>https://www.somoyerkonthosor.com.ambalamedia.com/admin/post_image/New Project (3)-6a9662881349c.webp</image>
			<description>&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;নাটোরের বাগাতিপাড়ায় রেললাইন ভেঙে প্রায় চার ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর রাজশাহীর সঙ্গে সারাদেশের রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক হয়েছে। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সকালে লোকমানপুর স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় রেললাইন ভাঙা শনাক্ত হলে বন্ধ হয়ে যায় ট্রেন চলাচল। এতে আব্দুলপুর ও রাজশাহী স্টেশনে আটকা পড়ে অন্তত ছয়টি ট্রেন। পরে জরুরি মেরামত শেষে ধীরগতিতে ট্রেন চলাচল শুরু হয়। সকাল সাড়ে ১০টার পর স্বাভাবিক হয় রেল যোগাযোগ।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;জানা যায়, মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে নাটোরের বাগাতিপাড়া উপজেলার লোকমানপুর স্টেশন সংলগ্ন ২২৭/০ নম্বর রেল পিলারের কাছে রেললাইন ভাঙা দেখতে পান কর্তব্যরত রেলকর্মীরা।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;নিয়মিত পরিদর্শনের সময় বিষয়টি শনাক্ত হওয়ার পর তাৎক্ষণিকভাবে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে মেরামত কাজ শুরু করেন রেলওয়ের কর্মীরা।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;এ সময় রাজশাহীর সঙ্গে সারাদেশের রেল যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। ফলে আব্দুলপুর ও রাজশাহী স্টেশনে আটকা পড়ে সাগরদাঁড়ি এক্সপ্রেস, তিতুমীর এক্সপ্রেস, বনলতা এক্সপ্রেস, সিল্কসিটি এক্সপ্রেস, কমিউটার ও মধুমতি এক্সপ্রেসসহ অন্তত ছয়টি ট্রেন। এতে ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রীরা।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;রেলওয়ের কর্তৃপক্ষ জানান, ভাঙা অংশ শনাক্ত হওয়ার পরপরই ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে জরুরি মেরামত শুরু করা হয়। প্রাথমিক মেরামত শেষে ওই অংশ দিয়ে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ২০ কিলোমিটার গতিতে ট্রেন চলাচলের নির্দেশনা দেওয়া হয়।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;আব্দুলপুর রেলওয়ে স্টেশনের স্টেশন মাস্টার মাসুদ রানা জানান, সকাল ৬টা ৪০ মিনিটের দিকে রেললাইন ভাঙার খবর পাওয়ার পর ট্রেন চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়। প্রায় দুই ঘণ্টা পর আংশিক মেরামত শেষে ধীরগতিতে ট্রেন চলাচল শুরু হয়।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;পরে সকাল সাড়ে ১০টার পর মেরামত কাজ শেষ হলে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়। বর্তমানে আটকে পড়া ট্রেনগুলো পর্যায়ক্রমে গন্তব্যের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাচ্ছে।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;প্রায় চার ঘণ্টার ভোগান্তির পর রাজশাহীর সঙ্গে সারাদেশের রেল যোগাযোগ এখন স্বাভাবিক রয়েছে।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;i&gt;ইখা&lt;/i&gt;&lt;/p&gt;</description>
			<description><![CDATA[<img src="https://www.somoyerkonthosor.com.ambalamedia.com/admin/post_image/New Project (3)-6a9662881349c.webp" width="200" /><br>&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;নাটোরের বাগাতিপাড়ায় রেললাইন ভেঙে প্রায় চার ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর রাজশাহীর সঙ্গে সারাদেশের রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক হয়েছে। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সকালে লোকমানপুর স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় রেললাইন ভাঙা শনাক্ত হলে বন্ধ হয়ে যায় ট্রেন চলাচল। এতে আব্দুলপুর ও রাজশাহী স্টেশনে আটকা পড়ে অন্তত ছয়টি ট্রেন। পরে জরুরি মেরামত শেষে ধীরগতিতে ট্রেন চলাচল শুরু হয়। সকাল সাড়ে ১০টার পর স্বাভাবিক হয় রেল যোগাযোগ।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;জানা যায়, মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে নাটোরের বাগাতিপাড়া উপজেলার লোকমানপুর স্টেশন সংলগ্ন ২২৭/০ নম্বর রেল পিলারের কাছে রেললাইন ভাঙা দেখতে পান কর্তব্যরত রেলকর্মীরা।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;নিয়মিত পরিদর্শনের সময় বিষয়টি শনাক্ত হওয়ার পর তাৎক্ষণিকভাবে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে মেরামত কাজ শুরু করেন রেলওয়ের কর্মীরা।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;এ সময় রাজশাহীর সঙ্গে সারাদেশের রেল যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। ফলে আব্দুলপুর ও রাজশাহী স্টেশনে আটকা পড়ে সাগরদাঁড়ি এক্সপ্রেস, তিতুমীর এক্সপ্রেস, বনলতা এক্সপ্রেস, সিল্কসিটি এক্সপ্রেস, কমিউটার ও মধুমতি এক্সপ্রেসসহ অন্তত ছয়টি ট্রেন। এতে ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রীরা।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;রেলওয়ের কর্তৃপক্ষ জানান, ভাঙা অংশ শনাক্ত হওয়ার পরপরই ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে জরুরি মেরামত শুরু করা হয়। প্রাথমিক মেরামত শেষে ওই অংশ দিয়ে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ২০ কিলোমিটার গতিতে ট্রেন চলাচলের নির্দেশনা দেওয়া হয়।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;আব্দুলপুর রেলওয়ে স্টেশনের স্টেশন মাস্টার মাসুদ রানা জানান, সকাল ৬টা ৪০ মিনিটের দিকে রেললাইন ভাঙার খবর পাওয়ার পর ট্রেন চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়। প্রায় দুই ঘণ্টা পর আংশিক মেরামত শেষে ধীরগতিতে ট্রেন চলাচল শুরু হয়।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;পরে সকাল সাড়ে ১০টার পর মেরামত কাজ শেষ হলে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়। বর্তমানে আটকে পড়া ট্রেনগুলো পর্যায়ক্রমে গন্তব্যের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাচ্ছে।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;প্রায় চার ঘণ্টার ভোগান্তির পর রাজশাহীর সঙ্গে সারাদেশের রেল যোগাযোগ এখন স্বাভাবিক রয়েছে।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;i&gt;ইখা&lt;/i&gt;&lt;/p&gt;]]></description>
			<pubDate>2026-09-01 11:29:11</pubDate>
		</item>
				<item>
			<guid>122372</guid>
			<link>https://www.somoyerkonthosor.com.ambalamedia.com/post/2026/09/01/6a9661a41f088</link>
			<title>ইন্দোনেশিয়ার ভয়াবহ দাবানলের ধোঁয়ায় বিপর্যস্ত মালয়েশিয়া</title>
			<image>https://www.somoyerkonthosor.com.ambalamedia.com/admin/post_image/maloysia332-6a9661a08ff09.webp</image>
			<description>&lt;p&gt;ইন্দোনেশিয়ায় ভয়াবহ দাবানলের ধোঁয়ায় বিষাক্ত হয়ে উঠেছে মালয়েশিয়ার বোর্নিও দ্বীপের বিভিন্ন এলাকার বাতাস। বায়ুদূষণের কারণে বেড়েছে শ্বাসযন্ত্রের নানা রোগ। একই সঙ্গে বাতিল করতে হয়েছে দেশটির স্বাধীনতা দিবসের বেশ কিছু বহিরাঙ্গন আয়োজন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;মঙ্গলবার (০১ সেপ্টেম্বর) সারাওয়াকের ছয়টি এলাকায় বায়ুর মান বিপজ্জনক পর্যায়ে পৌঁছায়। মালয়েশিয়ার এয়ার পলিউট্যান্ট ইনডেক্সে ১০০-এর বেশি স্কোরকে অস্বাস্থ্যকর হিসেবে ধরা হয়। কিন্তু রাজ্যের রাজধানী কুচিংয়ে সূচক ৪০৭ এবং কালিমানতান সীমান্তবর্তী সেরিয়ানে ৪০৮-এ পৌঁছে যায়।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;ইন্দোনেশিয়ার অংশের বোর্নিও দ্বীপ, যা কালিমানতান নামে পরিচিত, সেখানকার দাবানলের ধোঁয়া আগস্টজুড়ে মালয়েশিয়ার সারাওয়াক রাজ্যের আকাশে ছড়িয়ে পড়েছে। ধোঁয়ার প্রভাব পড়েছে মালয়েশিয়ার উপদ্বীপীয় অঞ্চল, ব্রুনেই ও সিঙ্গাপুরেও।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;২০১৫ সালের পর এটিকে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সবচেয়ে ভয়াবহ ধোঁয়াশা পরিস্থিতি হিসেবে দেখা হচ্ছে। ওই বছর ইন্দোনেশিয়ার দাবানলের বিষাক্ত ধোঁয়ায় কয়েক কোটি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিলেন এবং পাঁচ লাখের বেশি মানুষ শ্বাসযন্ত্রের সমস্যায় ভুগেছিলেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;কুচিংয়ের বাসিন্দা ৩৩ বছর বয়সি মিয়া এমিলিয়া হাসান জানান, চারদিকে ধোঁয়ার গন্ধ এবং ঘন কুয়াশার মতো পরিবেশ। এক মাসের বেশি সময় ধরে তিনি নীল আকাশ দেখতে পাননি। তার ১০ মাস বয়সি মেয়ে সম্প্রতি ফুসফুসের সংক্রমণের চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরেছে। কিন্তু ধোঁয়ায় শিশুটির শারীরিক অবস্থার উন্নতি হচ্ছে না। তাকে নিয়মিত ওষুধ খাওয়াতে হচ্ছে এবং কাশি ও বমিতে ভুগছে। শ্বাস নিতে না পারায় দুইবার তাকে জরুরি বিভাগে নিতে হয়েছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;মালয়েশিয়ার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানায়, ২৩ থেকে ২৯ আগস্টের সপ্তাহে দেশটিতে হাঁপানির রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ১ হাজার ৮১১ জনে। এর আগের সপ্তাহে এই সংখ্যা ছিল মাত্র ২১৯। একই সময়ে চোখের প্রদাহ বা কনজাংটিভাইটিসের ঘটনাও ১৪৬ থেকে বেড়ে ৭২০-এ পৌঁছেছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আঞ্চলিক জোট আসিয়ান দক্ষিণাঞ্চলে সর্বোচ্চ মাত্রার আন্তঃসীমান্ত ধোঁয়াশা সতর্কতা জারি করেছে। দীর্ঘস্থায়ী শুষ্ক আবহাওয়া ও বাড়তে থাকা দাবানলের হটস্পটের কারণে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;বায়ুদূষণের কারণে সারাওয়াকে সোমবার স্বাধীনতা দিবসের বহিরাঙ্গন অনুষ্ঠান বাতিল করা হয়। সূচক ৫০০ ছাড়িয়ে গেলে স্থানীয় জরুরি অবস্থা জারি এবং সরকারি-বেসরকারি সব অফিস বন্ধ করে দেওয়ার পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছেন রাজ্যের উপপ্রধানমন্ত্রী ডগলাস উগাহ এমবাস। তখন শুধু জরুরি পরিষেবা চালু থাকবে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;দূষণের প্রভাব পড়েছে শিক্ষা ও খেলাধুলাতেও। বায়ুর মানের সূচক ১০০ ছাড়ালে স্কুলের বাইরের কার্যক্রম বন্ধ রাখার নিয়ম রয়েছে। ২০০ ছাড়ালে স্কুল বন্ধ করতে হয়। গত ২০ ও ২১ আগস্ট কুচিং ও আশপাশের প্রায় ৬০০ স্কুল বন্ধ ছিল। এতে প্রায় দুই লাখ শিক্ষার্থী ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ২৮ আগস্ট সারাওয়াকে আরও ৩০টি স্কুল বন্ধ করা হয়।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;ধোঁয়াশার মূল উৎস ইন্দোনেশিয়া। দেশটির উপস্বাস্থ্যমন্ত্রী দান্তে সাকসোনো হারবুওনো জানিয়েছেন, জুলাই ও আগস্টে প্রায় ১৩ হাজার ৫০০ মানুষ শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণের চিকিৎসা নিয়েছেন। বোর্নিও ও সুমাত্রা দ্বীপে প্রায় ৫৫ লাখ মানুষ সরাসরি ধোঁয়ার সংস্পর্শে এসেছেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;ইন্দোনেশিয়া সরকারের তথ্য অনুযায়ী, জানুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত বোর্নিও ও সুমাত্রায় দুই লাখ হেক্টরের বেশি জমি আগুনে পুড়েছে। শুধু জুলাইয়েই পুড়েছে প্রায় ৯৫ হাজার হেক্টর।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;i&gt;এমআর-২&lt;/i&gt;&lt;/p&gt;</description>
			<description><![CDATA[<img src="https://www.somoyerkonthosor.com.ambalamedia.com/admin/post_image/maloysia332-6a9661a08ff09.webp" width="200" /><br>&lt;p&gt;ইন্দোনেশিয়ায় ভয়াবহ দাবানলের ধোঁয়ায় বিষাক্ত হয়ে উঠেছে মালয়েশিয়ার বোর্নিও দ্বীপের বিভিন্ন এলাকার বাতাস। বায়ুদূষণের কারণে বেড়েছে শ্বাসযন্ত্রের নানা রোগ। একই সঙ্গে বাতিল করতে হয়েছে দেশটির স্বাধীনতা দিবসের বেশ কিছু বহিরাঙ্গন আয়োজন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;মঙ্গলবার (০১ সেপ্টেম্বর) সারাওয়াকের ছয়টি এলাকায় বায়ুর মান বিপজ্জনক পর্যায়ে পৌঁছায়। মালয়েশিয়ার এয়ার পলিউট্যান্ট ইনডেক্সে ১০০-এর বেশি স্কোরকে অস্বাস্থ্যকর হিসেবে ধরা হয়। কিন্তু রাজ্যের রাজধানী কুচিংয়ে সূচক ৪০৭ এবং কালিমানতান সীমান্তবর্তী সেরিয়ানে ৪০৮-এ পৌঁছে যায়।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;ইন্দোনেশিয়ার অংশের বোর্নিও দ্বীপ, যা কালিমানতান নামে পরিচিত, সেখানকার দাবানলের ধোঁয়া আগস্টজুড়ে মালয়েশিয়ার সারাওয়াক রাজ্যের আকাশে ছড়িয়ে পড়েছে। ধোঁয়ার প্রভাব পড়েছে মালয়েশিয়ার উপদ্বীপীয় অঞ্চল, ব্রুনেই ও সিঙ্গাপুরেও।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;২০১৫ সালের পর এটিকে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সবচেয়ে ভয়াবহ ধোঁয়াশা পরিস্থিতি হিসেবে দেখা হচ্ছে। ওই বছর ইন্দোনেশিয়ার দাবানলের বিষাক্ত ধোঁয়ায় কয়েক কোটি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিলেন এবং পাঁচ লাখের বেশি মানুষ শ্বাসযন্ত্রের সমস্যায় ভুগেছিলেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;কুচিংয়ের বাসিন্দা ৩৩ বছর বয়সি মিয়া এমিলিয়া হাসান জানান, চারদিকে ধোঁয়ার গন্ধ এবং ঘন কুয়াশার মতো পরিবেশ। এক মাসের বেশি সময় ধরে তিনি নীল আকাশ দেখতে পাননি। তার ১০ মাস বয়সি মেয়ে সম্প্রতি ফুসফুসের সংক্রমণের চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরেছে। কিন্তু ধোঁয়ায় শিশুটির শারীরিক অবস্থার উন্নতি হচ্ছে না। তাকে নিয়মিত ওষুধ খাওয়াতে হচ্ছে এবং কাশি ও বমিতে ভুগছে। শ্বাস নিতে না পারায় দুইবার তাকে জরুরি বিভাগে নিতে হয়েছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;মালয়েশিয়ার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানায়, ২৩ থেকে ২৯ আগস্টের সপ্তাহে দেশটিতে হাঁপানির রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ১ হাজার ৮১১ জনে। এর আগের সপ্তাহে এই সংখ্যা ছিল মাত্র ২১৯। একই সময়ে চোখের প্রদাহ বা কনজাংটিভাইটিসের ঘটনাও ১৪৬ থেকে বেড়ে ৭২০-এ পৌঁছেছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আঞ্চলিক জোট আসিয়ান দক্ষিণাঞ্চলে সর্বোচ্চ মাত্রার আন্তঃসীমান্ত ধোঁয়াশা সতর্কতা জারি করেছে। দীর্ঘস্থায়ী শুষ্ক আবহাওয়া ও বাড়তে থাকা দাবানলের হটস্পটের কারণে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;বায়ুদূষণের কারণে সারাওয়াকে সোমবার স্বাধীনতা দিবসের বহিরাঙ্গন অনুষ্ঠান বাতিল করা হয়। সূচক ৫০০ ছাড়িয়ে গেলে স্থানীয় জরুরি অবস্থা জারি এবং সরকারি-বেসরকারি সব অফিস বন্ধ করে দেওয়ার পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছেন রাজ্যের উপপ্রধানমন্ত্রী ডগলাস উগাহ এমবাস। তখন শুধু জরুরি পরিষেবা চালু থাকবে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;দূষণের প্রভাব পড়েছে শিক্ষা ও খেলাধুলাতেও। বায়ুর মানের সূচক ১০০ ছাড়ালে স্কুলের বাইরের কার্যক্রম বন্ধ রাখার নিয়ম রয়েছে। ২০০ ছাড়ালে স্কুল বন্ধ করতে হয়। গত ২০ ও ২১ আগস্ট কুচিং ও আশপাশের প্রায় ৬০০ স্কুল বন্ধ ছিল। এতে প্রায় দুই লাখ শিক্ষার্থী ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ২৮ আগস্ট সারাওয়াকে আরও ৩০টি স্কুল বন্ধ করা হয়।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;ধোঁয়াশার মূল উৎস ইন্দোনেশিয়া। দেশটির উপস্বাস্থ্যমন্ত্রী দান্তে সাকসোনো হারবুওনো জানিয়েছেন, জুলাই ও আগস্টে প্রায় ১৩ হাজার ৫০০ মানুষ শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণের চিকিৎসা নিয়েছেন। বোর্নিও ও সুমাত্রা দ্বীপে প্রায় ৫৫ লাখ মানুষ সরাসরি ধোঁয়ার সংস্পর্শে এসেছেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;ইন্দোনেশিয়া সরকারের তথ্য অনুযায়ী, জানুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত বোর্নিও ও সুমাত্রায় দুই লাখ হেক্টরের বেশি জমি আগুনে পুড়েছে। শুধু জুলাইয়েই পুড়েছে প্রায় ৯৫ হাজার হেক্টর।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;i&gt;এমআর-২&lt;/i&gt;&lt;/p&gt;]]></description>
			<pubDate>2026-09-01 11:24:52</pubDate>
		</item>
				<item>
			<guid>122371</guid>
			<link>https://www.somoyerkonthosor.com.ambalamedia.com/post/2026/09/01/6a96607672c7b</link>
			<title>প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে উৎসবের আমেজ, জিয়া উদ্যানে নেতাকর্মীদের ঢল</title>
			<image>https://www.somoyerkonthosor.com.ambalamedia.com/admin/post_image/New Project (2)-6a96604560e02.webp</image>
			<description>&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;আজ ১ সেপ্টেম্বর, মঙ্গলবার, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। এ উপলক্ষে ঢাকার জিয়া উদ্যানে নেতাকর্মীদের ঢল নেমেছে। সকাল থেকেই বিভিন্ন এলাকা থেকে খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে নেতাকর্মীরা জিয়া উদ্যানে জড়ো হতে থাকেন।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;ব্যানার, ফেস্টুন ও দলীয় স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে জিয়া উদ্যান ও এর আশপাশের এলাকা। বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মীরা পৃথক মিছিল নিয়ে কর্মসূচিতে যোগ দেন। অনেকের হাতে ছিল দলীয় ও জাতীয় পতাকা। নেতাকর্মীদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতিতে সেখানে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;দলীয় নেতাকর্মীরা জানান, বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে কেন্দ্রীয়ভাবে পাঁচ দিনের কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। এসব কর্মসূচিতে অংশ নিতে রাজধানীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে সকাল থেকেই নেতাকর্মীরা জিয়া উদ্যানে আসেন।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে জিয়া উদ্যান এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদেরও সতর্ক অবস্থানে থাকতে দেখা গেছে।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;এর আগে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সকাল ৬টায় বিএনপির নয়াপল্টন কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ দেশব্যাপী দলীয় কার্যালয়ে দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। পরে সকাল ৯টার পরে বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীসহ কেন্দ্রীয় নেতারা এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতারা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং দলটির সাবেক চেয়ারপারসন ও প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিস্থলে উপস্থিত হয়ে সূরা ফাতেহা পাঠ ও পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;i&gt;ইখা&lt;/i&gt;&lt;/p&gt;</description>
			<description><![CDATA[<img src="https://www.somoyerkonthosor.com.ambalamedia.com/admin/post_image/New Project (2)-6a96604560e02.webp" width="200" /><br>&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;আজ ১ সেপ্টেম্বর, মঙ্গলবার, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। এ উপলক্ষে ঢাকার জিয়া উদ্যানে নেতাকর্মীদের ঢল নেমেছে। সকাল থেকেই বিভিন্ন এলাকা থেকে খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে নেতাকর্মীরা জিয়া উদ্যানে জড়ো হতে থাকেন।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;ব্যানার, ফেস্টুন ও দলীয় স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে জিয়া উদ্যান ও এর আশপাশের এলাকা। বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মীরা পৃথক মিছিল নিয়ে কর্মসূচিতে যোগ দেন। অনেকের হাতে ছিল দলীয় ও জাতীয় পতাকা। নেতাকর্মীদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতিতে সেখানে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;দলীয় নেতাকর্মীরা জানান, বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে কেন্দ্রীয়ভাবে পাঁচ দিনের কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। এসব কর্মসূচিতে অংশ নিতে রাজধানীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে সকাল থেকেই নেতাকর্মীরা জিয়া উদ্যানে আসেন।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে জিয়া উদ্যান এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদেরও সতর্ক অবস্থানে থাকতে দেখা গেছে।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;এর আগে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সকাল ৬টায় বিএনপির নয়াপল্টন কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ দেশব্যাপী দলীয় কার্যালয়ে দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। পরে সকাল ৯টার পরে বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীসহ কেন্দ্রীয় নেতারা এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতারা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং দলটির সাবেক চেয়ারপারসন ও প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিস্থলে উপস্থিত হয়ে সূরা ফাতেহা পাঠ ও পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;i&gt;ইখা&lt;/i&gt;&lt;/p&gt;]]></description>
			<pubDate>2026-09-01 11:19:50</pubDate>
		</item>
				<item>
			<guid>122370</guid>
			<link>https://www.somoyerkonthosor.com.ambalamedia.com/post/2026/09/01/6a965ee06ad73</link>
			<title>পুতিনকে যুদ্ধ বন্ধের আহ্বান জানালেন মোদি</title>
			<image>https://www.somoyerkonthosor.com.ambalamedia.com/admin/post_image/putin3322-6a965edba2827.webp</image>
			<description>&lt;p&gt;সাংহাই কো-অপারেশন সম্মেলনের ফাঁকে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে বৈঠক করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এ সময় তিনি ইউক্রেনে ‘অন্তহীন যুদ্ধ থেকে সরে এসে যুদ্ধ বন্ধের’ আহ্বান জানান পুতিনকে। জবাবে রুশ প্রেসিডেন্ট বলেন, তারা সেদিকেই এগোচ্ছেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;সোমবার (৩১ আগস্ট) কিরগিজস্তানের বিসকেকে তাদের মধ্যে বৈঠকটি হয়। সাংহাই কো-অপারেশনের উল্লেখযোগ্য সদস্য দেশগুলো হলো রাশিয়া, চীন, ভারত, পাকিস্তান বেলারুশ।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;পুতিনের সঙ্গে বৈঠকের সময় মোদি বলেন, “আমাদের অন্তহীন যুদ্ধ থেকে সরে এসে যুদ্ধ বন্ধের দিকে এগোতে হবে।” এ সময় পুতিন বলেন, “প্রধানমন্ত্রী মোদি আপনাকে ধন্যবাদ। আমরা সেদিকেই এগোচ্ছি।”&lt;/p&gt;&lt;p&gt;২০২২ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে হামলা চালায় রাশিয়া। এরপর চার বছরের বেশি সময় কেটে গেছে। কিন্তু যুদ্ধ এখনো থামেনি। গত কয়েকদিনে উল্টো যুদ্ধের তীব্রতা বেড়েছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;মোদি পুতিনকে বলেন যুদ্ধের কারণে মানবতা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তিনি বলেন, “যুদ্ধের প্রতিটি দিন মানবতাকে পেছনে নিয়ে যায়। অপরদিকে শান্তির দিকে প্রতিটি পদক্ষেপ মানবতাকে নতুন আশা ও উদ্দীপনার মাধ্যমে পূর্ণ করে।”&lt;/p&gt;&lt;p&gt;মোদি বলেন যুদ্ধ বন্ধ করা মানবতার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;গত কয়েকদিন ধরে রাশিয়ার বাণিজ্যিক অবকাঠামোতে হামলা চালিয়ে আসছে ইউক্রেন। এমন পরিস্থিতিতে পুতিন হুমকি দিয়ে বলেন, ইউক্রেনের অর্থনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ সবকিছুতে পাল্টা হামলা চালানো হবে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;i&gt;এমআর-২&lt;/i&gt;&lt;/p&gt;</description>
			<description><![CDATA[<img src="https://www.somoyerkonthosor.com.ambalamedia.com/admin/post_image/putin3322-6a965edba2827.webp" width="200" /><br>&lt;p&gt;সাংহাই কো-অপারেশন সম্মেলনের ফাঁকে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে বৈঠক করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এ সময় তিনি ইউক্রেনে ‘অন্তহীন যুদ্ধ থেকে সরে এসে যুদ্ধ বন্ধের’ আহ্বান জানান পুতিনকে। জবাবে রুশ প্রেসিডেন্ট বলেন, তারা সেদিকেই এগোচ্ছেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;সোমবার (৩১ আগস্ট) কিরগিজস্তানের বিসকেকে তাদের মধ্যে বৈঠকটি হয়। সাংহাই কো-অপারেশনের উল্লেখযোগ্য সদস্য দেশগুলো হলো রাশিয়া, চীন, ভারত, পাকিস্তান বেলারুশ।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;পুতিনের সঙ্গে বৈঠকের সময় মোদি বলেন, “আমাদের অন্তহীন যুদ্ধ থেকে সরে এসে যুদ্ধ বন্ধের দিকে এগোতে হবে।” এ সময় পুতিন বলেন, “প্রধানমন্ত্রী মোদি আপনাকে ধন্যবাদ। আমরা সেদিকেই এগোচ্ছি।”&lt;/p&gt;&lt;p&gt;২০২২ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে হামলা চালায় রাশিয়া। এরপর চার বছরের বেশি সময় কেটে গেছে। কিন্তু যুদ্ধ এখনো থামেনি। গত কয়েকদিনে উল্টো যুদ্ধের তীব্রতা বেড়েছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;মোদি পুতিনকে বলেন যুদ্ধের কারণে মানবতা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তিনি বলেন, “যুদ্ধের প্রতিটি দিন মানবতাকে পেছনে নিয়ে যায়। অপরদিকে শান্তির দিকে প্রতিটি পদক্ষেপ মানবতাকে নতুন আশা ও উদ্দীপনার মাধ্যমে পূর্ণ করে।”&lt;/p&gt;&lt;p&gt;মোদি বলেন যুদ্ধ বন্ধ করা মানবতার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;গত কয়েকদিন ধরে রাশিয়ার বাণিজ্যিক অবকাঠামোতে হামলা চালিয়ে আসছে ইউক্রেন। এমন পরিস্থিতিতে পুতিন হুমকি দিয়ে বলেন, ইউক্রেনের অর্থনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ সবকিছুতে পাল্টা হামলা চালানো হবে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;i&gt;এমআর-২&lt;/i&gt;&lt;/p&gt;]]></description>
			<pubDate>2026-09-01 11:13:04</pubDate>
		</item>
				<item>
			<guid>122368</guid>
			<link>https://www.somoyerkonthosor.com.ambalamedia.com/post/2026/09/01/6a965afe5dce9</link>
			<title>টেস্ট বাণিজ্যের রোষানলে চিকিৎসক, বাধ্য হয়ে ছাড়লেন চেম্বার!</title>
			<image>https://www.somoyerkonthosor.com.ambalamedia.com/admin/post_image/New Project-6a965acea2c15.webp</image>
			<description>&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;‎চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে ডায়াগনস্টিক সেন্টারের টেস্ট বাণিজ্যের রোষানলে পড়ে গিয়াস উদ্দিন টিপু নামের এক চিকিৎসক বাধ্য হয়ে ছেড়ে দিলেন চেম্বার। ঘটনাটি ঘটেছে সীতাকুণ্ড পৌর সদরের&amp;nbsp; মা প্যাথলজি নামক ডায়াগনস্টিক সেন্টারে। তিনি শিশু, ডায়াবেটিস ও হরমোন বিশেষজ্ঞ ছিলেন। তার চিকিৎসাসেবা ভালো হওয়াতে প্রতিদিন সেবা নেন অর্ধশত রোগী। হঠাৎ তিনি চেম্বার ছেড়ে দেওয়াতে দীর্ঘদিন ধরে তার থেকে চিকিৎসা নেওয়ার রোগীরা বিপাকে পড়েছেন এবং রোগী ও স্বজনরা এইসব ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে বয়কট করা আহ্বান জানান।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;‎চিকিৎসক গিয়াস উদ্দিন টিপু তার ডা: গিয়াস উদ্দিন টিপু নামক পেইজে লিখেন, সীতাকুণ্ড পৌরসদরের চেম্বার অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ থাকবে। ‎একটি ল্যাবে সপ্তাহে ২ দিন চেম্বার করতাম। রোগীদের অপ্রয়োজনীয় টেস্ট না দেওয়ার কারণে মালিকপক্ষ আমার উপর সন্তুষ্ট না। তাই সম্মান বজায় রেখেই জমজমাট চেম্বারকে বিদায় জানালাম। ‎জনবান্ধব চিকিৎসা—এ দেশে আসলে অনেকটা অসম্ভব। দালাল নির্ভর সবকিছু। বাচ্চাদের জীবন এবং স্বাস্থ্য নিয়ে কখনোই আপোষ করিনি সামেনও করবো না ইনশাআল্লাহ।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;‎এ বিষয়ে ডাক্তার গিয়াস উদ্দিন টিপুর সাথে কথা বললে তিনি জানান, মানুষকে সেবাই দেওয়ায় আমার মূল লক্ষ্য। অহেতুক ডায়াগনস্টিক সেন্টারে চাপে পড়ে শিশুদের টেস্ট দেওয়া একজন আদর্শ ডাক্তারের মধ্যে পড়ে না। টাকার চেয়ে আমার কাছে একজন রোগীর জীবন অনেক বেশি মূল্যবান।‎&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;তার এ সিদ্ধান্তের পর থেকে স্থানীয়রা মা প্যাথলজিকে বয়কট করার আহ্বান জানান।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;‎সামাজিক ব্যক্তিত্ব মো: কাইসার আলী চৌধুরী তার ফেসবুকে লিখেন, ল্যাবে চাচ্ছে অপ্রয়োজনীয় টেস্ট কিন্তু সেই ল্যাবের সাথে আপোষ না করে ডা: গিয়াস উদ্দিন টিপু ল্যাবকে বিদায় বলে দিল, ডাক্তার সমাজের জন্য উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত সৃষ্টি করলো।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;‎রনি চৌধুরী নামের আরেক ব্যক্তি তার ফেসবুক আইডিতে লিখেন, মা প্যাথলজিকে&amp;nbsp; সবাই বয়কট করুন।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;‎মা প্যাথলজি এর পরিচালক নুপুর কান্তির সাথে কথা বললে তিনি বলেন, তিনি আমাদের ডায়াগনস্টিক সেন্টারের চেম্বারে চিকিৎসা দেন হিসাবে আমরা অনুরোধ করেছি তিনি রোগীদের যেই টেস্টগুলো দেন সেগুলো যেন আমাদের এখান থেকে করার জন্য বলেন। যদি না পারেন তাহলে মাসোয়ারা আমাদেরকে একটি খরচ দেওয়ার জন্য বলি।‎&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;‎সীতাকুণ্ড উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর কর্মকর্তার ডাক্তার মো: আলতাফ হোসেন বলেন, কোন ডায়গনস্টিক সেন্টারের কর্তৃপক্ষ একজন চিকিৎসককে চাপ দিয়ে টেস্ট করানোর সুযোগ নেই। যে চিকিৎসক রোগীর চিন্তা করে ডায়াগনস্টিক সেন্টারের রোষানাল থেকে মুক্তি পেতে চেম্বার ছেড়ে দিয়েছেন তাকে আমি ধন্যবাদ জানাই। তিনি যদি কোন লিখিত অভিযোগ জানান তাহলে আমি আইনগত ব্যবস্থা নিব।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;i&gt;ইখা&lt;/i&gt;&lt;/p&gt;</description>
			<description><![CDATA[<img src="https://www.somoyerkonthosor.com.ambalamedia.com/admin/post_image/New Project-6a965acea2c15.webp" width="200" /><br>&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;‎চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে ডায়াগনস্টিক সেন্টারের টেস্ট বাণিজ্যের রোষানলে পড়ে গিয়াস উদ্দিন টিপু নামের এক চিকিৎসক বাধ্য হয়ে ছেড়ে দিলেন চেম্বার। ঘটনাটি ঘটেছে সীতাকুণ্ড পৌর সদরের&amp;nbsp; মা প্যাথলজি নামক ডায়াগনস্টিক সেন্টারে। তিনি শিশু, ডায়াবেটিস ও হরমোন বিশেষজ্ঞ ছিলেন। তার চিকিৎসাসেবা ভালো হওয়াতে প্রতিদিন সেবা নেন অর্ধশত রোগী। হঠাৎ তিনি চেম্বার ছেড়ে দেওয়াতে দীর্ঘদিন ধরে তার থেকে চিকিৎসা নেওয়ার রোগীরা বিপাকে পড়েছেন এবং রোগী ও স্বজনরা এইসব ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে বয়কট করা আহ্বান জানান।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;‎চিকিৎসক গিয়াস উদ্দিন টিপু তার ডা: গিয়াস উদ্দিন টিপু নামক পেইজে লিখেন, সীতাকুণ্ড পৌরসদরের চেম্বার অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ থাকবে। ‎একটি ল্যাবে সপ্তাহে ২ দিন চেম্বার করতাম। রোগীদের অপ্রয়োজনীয় টেস্ট না দেওয়ার কারণে মালিকপক্ষ আমার উপর সন্তুষ্ট না। তাই সম্মান বজায় রেখেই জমজমাট চেম্বারকে বিদায় জানালাম। ‎জনবান্ধব চিকিৎসা—এ দেশে আসলে অনেকটা অসম্ভব। দালাল নির্ভর সবকিছু। বাচ্চাদের জীবন এবং স্বাস্থ্য নিয়ে কখনোই আপোষ করিনি সামেনও করবো না ইনশাআল্লাহ।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;‎এ বিষয়ে ডাক্তার গিয়াস উদ্দিন টিপুর সাথে কথা বললে তিনি জানান, মানুষকে সেবাই দেওয়ায় আমার মূল লক্ষ্য। অহেতুক ডায়াগনস্টিক সেন্টারে চাপে পড়ে শিশুদের টেস্ট দেওয়া একজন আদর্শ ডাক্তারের মধ্যে পড়ে না। টাকার চেয়ে আমার কাছে একজন রোগীর জীবন অনেক বেশি মূল্যবান।‎&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;তার এ সিদ্ধান্তের পর থেকে স্থানীয়রা মা প্যাথলজিকে বয়কট করার আহ্বান জানান।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;‎সামাজিক ব্যক্তিত্ব মো: কাইসার আলী চৌধুরী তার ফেসবুকে লিখেন, ল্যাবে চাচ্ছে অপ্রয়োজনীয় টেস্ট কিন্তু সেই ল্যাবের সাথে আপোষ না করে ডা: গিয়াস উদ্দিন টিপু ল্যাবকে বিদায় বলে দিল, ডাক্তার সমাজের জন্য উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত সৃষ্টি করলো।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;‎রনি চৌধুরী নামের আরেক ব্যক্তি তার ফেসবুক আইডিতে লিখেন, মা প্যাথলজিকে&amp;nbsp; সবাই বয়কট করুন।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;‎মা প্যাথলজি এর পরিচালক নুপুর কান্তির সাথে কথা বললে তিনি বলেন, তিনি আমাদের ডায়াগনস্টিক সেন্টারের চেম্বারে চিকিৎসা দেন হিসাবে আমরা অনুরোধ করেছি তিনি রোগীদের যেই টেস্টগুলো দেন সেগুলো যেন আমাদের এখান থেকে করার জন্য বলেন। যদি না পারেন তাহলে মাসোয়ারা আমাদেরকে একটি খরচ দেওয়ার জন্য বলি।‎&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;‎সীতাকুণ্ড উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর কর্মকর্তার ডাক্তার মো: আলতাফ হোসেন বলেন, কোন ডায়গনস্টিক সেন্টারের কর্তৃপক্ষ একজন চিকিৎসককে চাপ দিয়ে টেস্ট করানোর সুযোগ নেই। যে চিকিৎসক রোগীর চিন্তা করে ডায়াগনস্টিক সেন্টারের রোষানাল থেকে মুক্তি পেতে চেম্বার ছেড়ে দিয়েছেন তাকে আমি ধন্যবাদ জানাই। তিনি যদি কোন লিখিত অভিযোগ জানান তাহলে আমি আইনগত ব্যবস্থা নিব।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;i&gt;ইখা&lt;/i&gt;&lt;/p&gt;]]></description>
			<pubDate>2026-09-01 10:56:30</pubDate>
		</item>
				<item>
			<guid>122367</guid>
			<link>https://www.somoyerkonthosor.com.ambalamedia.com/post/2026/09/01/6a965aeec6dcd</link>
			<title>ইরানে পরমাণু হামলার সম্ভাবনা নাকচ করলেন ট্রাম্প</title>
			<image>https://www.somoyerkonthosor.com.ambalamedia.com/admin/post_image/trump334444-69bbc5d335ed3.webp</image>
			<description>&lt;p&gt;ইরানের বিরুদ্ধে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের সম্ভাবনা নাকচ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এ বিষয়ে এক সাংবাদিকের প্রশ্নকে ‘অযৌক্তিক’ বলে মন্তব্য করেন তিনি।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;সোমবার (৩১ অগাস্ট) হোয়াইট হাউসের ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় ট্রাম্পকে জিজ্ঞাসা করা হয়, তিনি ইরানের বিরুদ্ধে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের বিষয়টি নাকচ করছেন কি না।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;ট্রাম্প জানান, ‘আমি সাধারণত এ বিষয়ে এমন কিছু বলি না, তবে উত্তর হলো—হ্যাঁ। এর কোনো কারণ নেই। কী অযৌক্তিক প্রশ্ন!’&lt;/p&gt;&lt;p&gt;ট্রাম্প আরও বলেন, ‘তারা সামরিকভাবে পুরোপুরি পরাজিত। আর এখন আমি তাদের বিরুদ্ধে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করব? কী অযৌক্তিক প্রশ্ন!’&lt;/p&gt;&lt;p&gt;ইরানের বিরুদ্ধে চলমান সামরিক উত্তেজনার মধ্যেই ট্রাম্পের এই মন্তব্য এলো। এর আগে তিনি ইরানের বিরুদ্ধে কঠোর সামরিক পদক্ষেপের হুমকি দিলেও দেশটির বিরুদ্ধে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের হুমকি দেননি।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;তবে, সম্প্রতি এক পডকাস্টে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাবেক সন্ত্রাসবাদবিরোধী উপদেষ্টা জো কেন্ট বলেছিলেন, ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাতের কূটনৈতিক অচলাবস্থা না কাটলে যুক্তরাষ্ট্র দেশটির বিরুদ্ধে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করতে পারে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন আরটির প্রতিবেদনে বলা হয়, পডকাস্টার টাকার কার্লসনের অনুষ্ঠানে দেওয়া সাক্ষাৎকারে কেন্ট বলেন, প্রচলিত সামরিক শক্তি ব্যবহার করে ইরানের নেতৃত্বকে ক্ষমতাচ্যুত করতে ব্যর্থ হওয়ার পরও যদি ওয়াশিংটন সম্পূর্ণ আত্মসমর্পণে বাধ্য করার লক্ষ্য ধরে রাখে, তাহলে পারমাণবিক হামলার মতো পদক্ষেপ সামনে আসতে পারে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;কেন্ট বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে এমন সম্ভাবনাকে অসম্ভব ভাবা বোকামি হবে। বিশেষ করে ট্রাম্প প্রশাসন সংঘাত থেকে বের হওয়ার পথ খুঁজতে হিমশিম খাচ্ছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;i&gt;এমআর-২&lt;/i&gt;&lt;/p&gt;</description>
			<description><![CDATA[<img src="https://www.somoyerkonthosor.com.ambalamedia.com/admin/post_image/trump334444-69bbc5d335ed3.webp" width="200" /><br>&lt;p&gt;ইরানের বিরুদ্ধে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের সম্ভাবনা নাকচ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এ বিষয়ে এক সাংবাদিকের প্রশ্নকে ‘অযৌক্তিক’ বলে মন্তব্য করেন তিনি।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;সোমবার (৩১ অগাস্ট) হোয়াইট হাউসের ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় ট্রাম্পকে জিজ্ঞাসা করা হয়, তিনি ইরানের বিরুদ্ধে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের বিষয়টি নাকচ করছেন কি না।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;ট্রাম্প জানান, ‘আমি সাধারণত এ বিষয়ে এমন কিছু বলি না, তবে উত্তর হলো—হ্যাঁ। এর কোনো কারণ নেই। কী অযৌক্তিক প্রশ্ন!’&lt;/p&gt;&lt;p&gt;ট্রাম্প আরও বলেন, ‘তারা সামরিকভাবে পুরোপুরি পরাজিত। আর এখন আমি তাদের বিরুদ্ধে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করব? কী অযৌক্তিক প্রশ্ন!’&lt;/p&gt;&lt;p&gt;ইরানের বিরুদ্ধে চলমান সামরিক উত্তেজনার মধ্যেই ট্রাম্পের এই মন্তব্য এলো। এর আগে তিনি ইরানের বিরুদ্ধে কঠোর সামরিক পদক্ষেপের হুমকি দিলেও দেশটির বিরুদ্ধে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের হুমকি দেননি।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;তবে, সম্প্রতি এক পডকাস্টে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাবেক সন্ত্রাসবাদবিরোধী উপদেষ্টা জো কেন্ট বলেছিলেন, ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাতের কূটনৈতিক অচলাবস্থা না কাটলে যুক্তরাষ্ট্র দেশটির বিরুদ্ধে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করতে পারে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন আরটির প্রতিবেদনে বলা হয়, পডকাস্টার টাকার কার্লসনের অনুষ্ঠানে দেওয়া সাক্ষাৎকারে কেন্ট বলেন, প্রচলিত সামরিক শক্তি ব্যবহার করে ইরানের নেতৃত্বকে ক্ষমতাচ্যুত করতে ব্যর্থ হওয়ার পরও যদি ওয়াশিংটন সম্পূর্ণ আত্মসমর্পণে বাধ্য করার লক্ষ্য ধরে রাখে, তাহলে পারমাণবিক হামলার মতো পদক্ষেপ সামনে আসতে পারে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;কেন্ট বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে এমন সম্ভাবনাকে অসম্ভব ভাবা বোকামি হবে। বিশেষ করে ট্রাম্প প্রশাসন সংঘাত থেকে বের হওয়ার পথ খুঁজতে হিমশিম খাচ্ছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;i&gt;এমআর-২&lt;/i&gt;&lt;/p&gt;]]></description>
			<pubDate>2026-09-01 10:56:14</pubDate>
		</item>
				<item>
			<guid>122366</guid>
			<link>https://www.somoyerkonthosor.com.ambalamedia.com/post/2026/09/01/6a965742bf7a0</link>
			<title>সড়কে ঝুঁকিপূর্ণ অর্ধশত গাছ: পথচারী ও চালকদের নীরব আতঙ্ক</title>
			<image>https://www.somoyerkonthosor.com.ambalamedia.com/admin/post_image/sknews3332211-6a96573d1efe8.webp</image>
			<description>&lt;p&gt;একটি দুর্ঘটনা মুহূর্তেই একটি পরিবারকে নিঃস্ব করে দিতে পারে। অথচ সেই দুর্ঘটনার আশঙ্কার কথা জেনেও প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন হাজারো মানুষ। ময়মনসিংহের ত্রিশাল-পোড়াবাড়ি সড়কের দুই পাশে দাঁড়িয়ে থাকা প্রায় ৫০টি ঝুঁকিপূর্ণ ও মরা গাছ এখন পথচারী ও চালকদের জন্য নীরব আতঙ্ক হয়ে উঠেছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;​সম্প্রতি ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক থেকে পোড়াবাড়ি পর্যন্ত প্রায় আট কিলোমিটার আঞ্চলিক সড়ক ঘুরে দেখা যায়, বিভিন্ন স্থানে শুকনো গাছের ছাল ও ডালপালা খসে পড়ছে। বহু গাছের বড় বড় ডাল সড়কের ওপর বিপজ্জনকভাবে ঝুঁকে রয়েছে। মালবাহী ট্রাক কিংবা উঁচু যানবাহন চলাচলের সময় এসব ডালে ধাক্কা লাগায় কয়েকটি গাছে আঘাতের স্পষ্ট চিহ্ন দেখা গেছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;​এছাড়া কোথাও কোথাও শুকিয়ে যাওয়া গাছ বিদ্যুতের তারের ওপর হেলে রয়েছে। ফলে সামান্য ঝড়-বৃষ্টিতেই গাছ বা ডাল ভেঙে পড়ে বিদ্যুতায়িত হয়ে বড় ধরনের প্রাণহানি ও পথঘাট বিচ্ছিন্ন হওয়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;​স্থানীয় মোটরসাইকেল আরোহী সোহেল মিয়া জানান, সড়কে মরা ও হেলে পড়া গাছ নিয়ে প্রতিনিয়ত আতঙ্কের মধ্য দিয়ে চলতে হয়। তিনি বলেন, “গাছ কাটার কঠোর আইনের কারণে কেউ নিজ দায়িত্বে গাছ সরাতে চায় না। কর্তৃপক্ষের উচিত দ্রুত এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া।”&lt;/p&gt;&lt;p&gt;​একই সড়কের ভ্যানচালক হারুন রশীদ বলেন, “কয়দিন আগেই মরা গাছের ডাল পইড়া দুইজন আঘাত পাইছে। গাড়ির ওপরে পইড়া কাঁচও ভাঙছে। গাছগুলা দ্রুত কেটে ফেলা দরকার।”&lt;/p&gt;&lt;p&gt;​অন্য এক পথচারী সোহাগ ফরাজি বলেন, “কয়েক বছর ধরে মরা গাছগুলো এখন পচে পচে পড়ছে। কোন সময় গায়ে এসে পড়ে সেই ভয়ে রাস্তার এক পাশ দিয়ে সতর্ক হয়ে হাঁটতে হয়।”&lt;/p&gt;&lt;p&gt;​গাছগুলোর কারণে জানমালের ঝুঁকি তৈরির বিষয়ে জানতে চাইলে ত্রিশাল উপজেলা প্রকৌশলী যুবায়েত হোসেন জানান, গাছগুলো ঠিক কতটা ঝুঁকিপূর্ণ তা নিরূপণ করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;​এ বিষয়ে ত্রিশাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হাসনাত জাহান খান বলেন, “আমাদের প্রধান অগ্রাধিকার হলো মানুষের জানমালের নিরাপত্তা। গাছগুলো কার নিয়ন্ত্রণে রয়েছে তা খোঁজ নিয়ে এবং বন বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে আমরা দ্রুত সরেজমিন পরিদর্শন করব। পরিদর্শন শেষে গাছগুলো অপসারণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;i&gt;এমআর-২&lt;/i&gt;&lt;/p&gt;</description>
			<description><![CDATA[<img src="https://www.somoyerkonthosor.com.ambalamedia.com/admin/post_image/sknews3332211-6a96573d1efe8.webp" width="200" /><br>&lt;p&gt;একটি দুর্ঘটনা মুহূর্তেই একটি পরিবারকে নিঃস্ব করে দিতে পারে। অথচ সেই দুর্ঘটনার আশঙ্কার কথা জেনেও প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন হাজারো মানুষ। ময়মনসিংহের ত্রিশাল-পোড়াবাড়ি সড়কের দুই পাশে দাঁড়িয়ে থাকা প্রায় ৫০টি ঝুঁকিপূর্ণ ও মরা গাছ এখন পথচারী ও চালকদের জন্য নীরব আতঙ্ক হয়ে উঠেছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;​সম্প্রতি ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক থেকে পোড়াবাড়ি পর্যন্ত প্রায় আট কিলোমিটার আঞ্চলিক সড়ক ঘুরে দেখা যায়, বিভিন্ন স্থানে শুকনো গাছের ছাল ও ডালপালা খসে পড়ছে। বহু গাছের বড় বড় ডাল সড়কের ওপর বিপজ্জনকভাবে ঝুঁকে রয়েছে। মালবাহী ট্রাক কিংবা উঁচু যানবাহন চলাচলের সময় এসব ডালে ধাক্কা লাগায় কয়েকটি গাছে আঘাতের স্পষ্ট চিহ্ন দেখা গেছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;​এছাড়া কোথাও কোথাও শুকিয়ে যাওয়া গাছ বিদ্যুতের তারের ওপর হেলে রয়েছে। ফলে সামান্য ঝড়-বৃষ্টিতেই গাছ বা ডাল ভেঙে পড়ে বিদ্যুতায়িত হয়ে বড় ধরনের প্রাণহানি ও পথঘাট বিচ্ছিন্ন হওয়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;​স্থানীয় মোটরসাইকেল আরোহী সোহেল মিয়া জানান, সড়কে মরা ও হেলে পড়া গাছ নিয়ে প্রতিনিয়ত আতঙ্কের মধ্য দিয়ে চলতে হয়। তিনি বলেন, “গাছ কাটার কঠোর আইনের কারণে কেউ নিজ দায়িত্বে গাছ সরাতে চায় না। কর্তৃপক্ষের উচিত দ্রুত এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া।”&lt;/p&gt;&lt;p&gt;​একই সড়কের ভ্যানচালক হারুন রশীদ বলেন, “কয়দিন আগেই মরা গাছের ডাল পইড়া দুইজন আঘাত পাইছে। গাড়ির ওপরে পইড়া কাঁচও ভাঙছে। গাছগুলা দ্রুত কেটে ফেলা দরকার।”&lt;/p&gt;&lt;p&gt;​অন্য এক পথচারী সোহাগ ফরাজি বলেন, “কয়েক বছর ধরে মরা গাছগুলো এখন পচে পচে পড়ছে। কোন সময় গায়ে এসে পড়ে সেই ভয়ে রাস্তার এক পাশ দিয়ে সতর্ক হয়ে হাঁটতে হয়।”&lt;/p&gt;&lt;p&gt;​গাছগুলোর কারণে জানমালের ঝুঁকি তৈরির বিষয়ে জানতে চাইলে ত্রিশাল উপজেলা প্রকৌশলী যুবায়েত হোসেন জানান, গাছগুলো ঠিক কতটা ঝুঁকিপূর্ণ তা নিরূপণ করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;​এ বিষয়ে ত্রিশাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হাসনাত জাহান খান বলেন, “আমাদের প্রধান অগ্রাধিকার হলো মানুষের জানমালের নিরাপত্তা। গাছগুলো কার নিয়ন্ত্রণে রয়েছে তা খোঁজ নিয়ে এবং বন বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে আমরা দ্রুত সরেজমিন পরিদর্শন করব। পরিদর্শন শেষে গাছগুলো অপসারণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;i&gt;এমআর-২&lt;/i&gt;&lt;/p&gt;]]></description>
			<pubDate>2026-09-01 10:40:34</pubDate>
		</item>
				<item>
			<guid>122365</guid>
			<link>https://www.somoyerkonthosor.com.ambalamedia.com/post/2026/09/01/6a9655a085f94</link>
			<title>মেসির বিদায়ে ভেঙে পড়েছেন বিশ্বকাপজয়ী সতীর্থরা</title>
			<image>https://www.somoyerkonthosor.com.ambalamedia.com/admin/post_image/messi33322-6a96559c91c7c.webp</image>
			<description>&lt;p&gt;আর্জেন্টিনার হয়ে লিওনেল মেসির দীর্ঘ ও গৌরবময় অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটেছে। আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের সিদ্ধান্ত জানিয়েছেন এই মহাতারকা। তার এই সিদ্ধান্তে আবেগাপ্লুত সতীর্থরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একের পর এক হৃদয়স্পর্শী বার্তায় বিদায় জানিয়েছেন কিংবদন্তি অধিনায়ককে। প্রতিবেদন টিওয়াইসি স্পোর্টসের।&amp;nbsp;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;২১ বছরের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে মেসি আর্জেন্টিনাকে এনে দিয়েছেন কোপা আমেরিকা, ফিনালিসিমা ও বিশ্বকাপের মতো ঐতিহাসিক সাফল্য। ২০২২ সালে কাতার বিশ্বকাপ জয়ের মধ্য দিয়ে পূর্ণতা পেয়েছিল তার দীর্ঘ অপেক্ষা। সতীর্থদের কাছে মেসি শুধু একজন ফুটবলার নন; তিনি একজন নেতা, অনুপ্রেরণা এবং প্রিয় বন্ধু।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;মেসির সবচেয়ে কাছের সতীর্থদের একজন রদ্রিগো দে পল আবেগঘন দীর্ঘ বার্তায় লিখেন, জাতীয় দলের জন্য মেসির নিঃশর্ত ভালোবাসা, কঠিন সময়েও হাল না ছাড়ার মানসিকতা এবং প্রতিটি সতীর্থ ও স্টাফকে আপন করে নেওয়ার কথা।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;দে পলের ভাষায়, ‘মেসি কখনো ক্যামেরার সামনে নিজের কথা বলতে পছন্দ করতেন না। তার বুটই ছিল তার কথা বলার মাধ্যম। মাঠের বাইরের মেসিকে খুব কাছ থেকে দেখেছেন দে পল; চাপ, ভয়, সংশয়, সমালোচনা কিংবা পরাজয়ের পরও পরদিন উঠে দাঁড়িয়ে আবার লড়াই করার মেসিকে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;তিনি লিখেন, ‘মেসির জন্য জাতীয় দলের হয়ে অর্জন করা গোল ও শিরোপার চেয়েও বড় ছিল দেশের প্রতি তার ভালোবাসা। তুমি আমাদের এবং আর্জেন্টিনার জন্য যা করেছ, তার জন্য ধন্যবাদ। তোমার কাছ থেকে আমি সেই লিওকে চিনেছি, যাকে সবাইকে চেনাতে চেয়েছিলাম। ১০ নম্বর জার্সি, অধিনায়কের আর্মব্যান্ড কিংবা বিশাল কোনো মাঠ ছাড়াও যে মানুষটি একজন দৈত্য। আমি তোমাকে ভালোবাসি, ভাই।’&lt;/p&gt;&lt;p&gt;দে পল আরও বলেন, ‘মেসির পাশে থেকে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার অভিজ্ঞতা তার জীবনের অন্যতম বড় সৌভাগ্য।’&lt;/p&gt;&lt;p&gt;লিয়ান্দ্রো পারেদেস লিখেছেন, ‘আমি ভেবেছিলাম এই খবরের জন্য প্রস্তুত ছিলাম। কিন্তু স্পষ্টতই ছিলাম না।’&lt;/p&gt;&lt;p&gt;মেসির প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘একজন আর্জেন্টাইন, জাতীয় দলের সমর্থক, সতীর্থ এবং বন্ধু হিসেবে মেসি তার জীবনে যে প্রভাব ফেলেছেন, তা ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন।’&lt;/p&gt;&lt;p&gt;মেসির উদ্দেশে লিখেন, ‘তোমার উত্তরাধিকার ও মহানুভবতার কথা বলার মতো শব্দ আমার কাছে নেই। একজন খেলোয়াড় হিসেবে নয়, সর্বোপরি একজন মানুষ হিসেবে তুমি অসাধারণ। তোমার সঙ্গে জাতীয় দলের এই অসাধারণ সময়টা কাটাতে পেরে আমি অত্যন্ত ভাগ্যবান।’&lt;/p&gt;&lt;p&gt;আর্জেন্টিনার রক্ষণভাগের অন্যতম স্তম্ভ ক্রিস্তিয়ান রোমেরো সংক্ষিপ্ত কিন্তু আবেগঘন বার্তায় লিখেছেন, ‘আমি তোমাকে ভালোবাসি, তোমাকে শ্রদ্ধা করি এবং তুমি আমার জন্য ও আমাদের দেশের জন্য যা করেছ, তার জন্য চিরকাল কৃতজ্ঞ থাকব। সবকিছুর জন্য ধন্যবাদ, অধিনায়ক।’&lt;/p&gt;&lt;p&gt;মেসির দীর্ঘদিনের বন্ধু ও জাতীয় দলের সতীর্থ আনহেল দি মারিয়ার বার্তাতেও ছিল গভীর আবেগ। তিনি লিখেছেন, ‘তুমি অবসর নিচ্ছ; এটা পড়া কতটা কঠিন, তা ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব নয়। আর আকাশি-সাদা জার্সিতে তোমাকে আর দেখতে পাব না; এই ভাবনাটাও কঠিন।’&lt;/p&gt;&lt;p&gt;দি মারিয়া মনে করেন, তিনি যেন সঠিক সময়েই জন্মেছিলেন; মেসিকে দেখার, উপভোগ করার এবং তার সঙ্গে জাতীয় দলে বছরের পর বছর খেলার সুযোগ পাওয়ার জন্য।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;মেসিকে উদ্দেশ্য করে দি মারিয়ার ভাষ্য, ‘তোমার সব স্বপ্ন পূরণ হতে দেখেছি, বিশেষ করে সবচেয়ে কাঙ্ক্ষিত স্বপ্ন; বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়া। আজ তুমি এমন একটি সিদ্ধান্ত নিয়েছ, যেটা তুমি কিংবা কোনো আর্জেন্টাইনই চাইত না। কিন্তু সেটাই বাস্তবতা। সবকিছুর জন্য তোমাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। তুমি চিরন্তন এবং ইতিহাসের সর্বকালের সেরা।’&lt;/p&gt;&lt;p&gt;মেসির সঙ্গে খেলার স্বপ্ন দেখা ছোট্ট এনজো ফের্নান্দেজের গল্পটি সবচেয়ে আবেগঘন। এনজো লিখেছেন, মেসি যখন একবার জাতীয় দল ছাড়ার কথা জানিয়েছিলেন, তখন তিনি খুব কষ্ট পেয়েছিলেন। তখন তিনি ছিলেন কেবল একজন কিশোর। নিজের বয়সের সঙ্গে মেসির বয়স মিলিয়ে হিসাব করতেন; তিনি আদৌ কখনো মেসির সঙ্গে আর্জেন্টিনার হয়ে খেলতে পারবেন কি না।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;ফের্নান্দেজের ভাষ্য, ‘সেটা হয়তো বোকামির মতো শোনায়, কিন্তু আমি সত্যিই হিসাব করতাম। ভাবতাম, তোমার আর কত বছর বাকি, আমার প্রথম বিভাগে উঠতে কত বছর লাগবে; আর স্বপ্ন দেখতাম, অন্তত একবার হলেও তোমার সঙ্গে আর্জেন্টিনার হয়ে খেলব।’&lt;/p&gt;&lt;p&gt;শেষ পর্যন্ত সেই স্বপ্নের চেয়েও বেশি কিছু পেয়েছেন এনজো। মেসির সঙ্গে শুধু মাঠেই খেলেননি; ভাগ করেছেন অনুশীলন, ড্রেসিংরুম, কথোপকথন, আলিঙ্গন, কঠিন সময় এবং বিশ্বকাপ জয়ের আনন্দ।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;ফের্নান্দেজ আরও বলেন, ‘আমি আমার আইডলের সঙ্গে মাঠ ভাগ করার স্বপ্ন নিয়ে এসেছিলাম। কিন্তু তার বদলে এমন একজন মানুষকে পেয়েছি, যিনি প্রথম দিন থেকেই আমাকে দলের একজন মনে করিয়েছেন।’&lt;/p&gt;&lt;p&gt;আগামী দিনে জাতীয় দলের অনুশীলনে মেসিকে ছাড়া মাঠে নামার কথা ভাবতেই কষ্ট হচ্ছে এনজোর।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;মেসির কাছ থেকে মাঠের বাইরের শিক্ষার কথাই বেশি স্মরণ করেছেন লাওতারো। কখনো হাল না ছাড়া, প্রতিটি ব্যর্থতার পর আবার চেষ্টা করা, নীরবে কঠোর পরিশ্রম করা এবং নিজের ওপর বিশ্বাস রাখার শিক্ষা পেয়েছেন তিনি।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;মেসিকে নিয়ে বার্তায় তিনি বলেন, ‘তোমার নেতৃত্ব শুধু গোল, অ্যাসিস্ট কিংবা শিরোপায় সীমাবদ্ধ ছিল না। এত বছর জাতীয় দলের প্রতিনিধিত্ব করতে গিয়ে তুমি যে উদাহরণ তৈরি করেছ, সেটাই ছিল তোমার আসল নেতৃত্ব।’&lt;/p&gt;&lt;p&gt;প্রতিটি পরামর্শ, কথোপকথন, অনুশীলন ও আলিঙ্গনের জন্য মেসিকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন লাউতারো, ‘তুমি আমাদের সঙ্গে ইতিহাস তৈরি করেছ এবং তোমার গল্পের অংশ হওয়ার সুযোগ দিয়েছ। আমরা তোমাকে খুব মিস করব, অধিনায়ক।’&lt;/p&gt;&lt;p&gt;লিসান্দ্রো মার্তিনেজ লিখেছেন, এই দিনটি আসবে, এটা সবাই জানতেন। কিন্তু কেউই গভীরে গিয়ে সেটি মেনে নিতে চাননি। মেসির সঙ্গে বছরের পর বছর কাটানো সময়, জয়, কঠিন মুহূর্ত, জাতীয় দলের ক্যাম্পের হাসি-আনন্দ এবং স্মৃতিগুলো তুলে ধরে তিনি লিখেছেন, ‘তোমার মহানুভবতা শুধু মাঠে ছিল না। ছিল তোমার প্রতিটি অঙ্গভঙ্গি, প্রতিটি কথা এবং প্রতিটি উদাহরণে।’&lt;/p&gt;&lt;p&gt;মেসির কাছ থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা, বিশ্বাস রাখা এবং কখনো হাল না ছাড়ার শিক্ষা পেয়েছেন বলেও জানান লিসান্দ্রো, ‘তুমি জাতীয় দল ছাড়ছ, কিন্তু তোমার উত্তরাধিকার চিরন্তন। সবকিছুর জন্য ধন্যবাদ, অধিনায়ক।’&lt;/p&gt;&lt;p&gt;নিকোলাস তালিয়াফিকো মেসির সঙ্গে জাতীয় দলের হয়ে দীর্ঘ সময় কাটানোর স্মৃতিচারণ করে লিখেছেন, ‘তোমার পাশে এত বছর কাটানো এবং এত অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেয়া—এটা যে কত বড় সম্মানের ছিল! তোমার সঙ্গে এই জার্সি ডিফেন্ড করতে পারা এবং জাতীয় দলের হয়ে তোমার খেলা, তা কাছ থেকে দেখার সুযোগ পাওয়া ছিল অসাধারণ।’&lt;/p&gt;&lt;p&gt;মাঠে অর্জন এবং মাঠের বাইরের মানুষ হিসেবে মেসিকে সতীর্থদের জন্য উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন তালিয়াফিকো। শেষে মজার ছলে তিনি লিখেছেন, ‘আর হ্যাঁ… একই দিনে ৩৪ বছরে পা রাখার সঙ্গে এমন খবরও আসবে; এটা আমার পরিকল্পনায় ছিল না।’&lt;/p&gt;&lt;p&gt;আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপজয়ী গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেজও অধিনায়কের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। তিনি লিখেছেন, ‘তুমি আমাদের এবং পুরো আর্জেন্টাইন জনগণের জন্য যা করেছ, তা ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। শুধু তোমাকে ধন্যবাদ জানাতে চাই, তুমি আমাকে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার সুযোগ দিয়েছ এবং এমন উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছ, যা আমি কখনো কল্পনাও করিনি।’&lt;/p&gt;&lt;p&gt;শেষে মেসির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে দিবুর সংক্ষিপ্ত বার্তা, তোমার প্রতি আমার শ্রদ্ধা চিরকাল। ধন্যবাদ।’&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;i&gt;এমআর-২&lt;/i&gt;&lt;/p&gt;</description>
			<description><![CDATA[<img src="https://www.somoyerkonthosor.com.ambalamedia.com/admin/post_image/messi33322-6a96559c91c7c.webp" width="200" /><br>&lt;p&gt;আর্জেন্টিনার হয়ে লিওনেল মেসির দীর্ঘ ও গৌরবময় অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটেছে। আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের সিদ্ধান্ত জানিয়েছেন এই মহাতারকা। তার এই সিদ্ধান্তে আবেগাপ্লুত সতীর্থরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একের পর এক হৃদয়স্পর্শী বার্তায় বিদায় জানিয়েছেন কিংবদন্তি অধিনায়ককে। প্রতিবেদন টিওয়াইসি স্পোর্টসের।&amp;nbsp;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;২১ বছরের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে মেসি আর্জেন্টিনাকে এনে দিয়েছেন কোপা আমেরিকা, ফিনালিসিমা ও বিশ্বকাপের মতো ঐতিহাসিক সাফল্য। ২০২২ সালে কাতার বিশ্বকাপ জয়ের মধ্য দিয়ে পূর্ণতা পেয়েছিল তার দীর্ঘ অপেক্ষা। সতীর্থদের কাছে মেসি শুধু একজন ফুটবলার নন; তিনি একজন নেতা, অনুপ্রেরণা এবং প্রিয় বন্ধু।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;মেসির সবচেয়ে কাছের সতীর্থদের একজন রদ্রিগো দে পল আবেগঘন দীর্ঘ বার্তায় লিখেন, জাতীয় দলের জন্য মেসির নিঃশর্ত ভালোবাসা, কঠিন সময়েও হাল না ছাড়ার মানসিকতা এবং প্রতিটি সতীর্থ ও স্টাফকে আপন করে নেওয়ার কথা।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;দে পলের ভাষায়, ‘মেসি কখনো ক্যামেরার সামনে নিজের কথা বলতে পছন্দ করতেন না। তার বুটই ছিল তার কথা বলার মাধ্যম। মাঠের বাইরের মেসিকে খুব কাছ থেকে দেখেছেন দে পল; চাপ, ভয়, সংশয়, সমালোচনা কিংবা পরাজয়ের পরও পরদিন উঠে দাঁড়িয়ে আবার লড়াই করার মেসিকে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;তিনি লিখেন, ‘মেসির জন্য জাতীয় দলের হয়ে অর্জন করা গোল ও শিরোপার চেয়েও বড় ছিল দেশের প্রতি তার ভালোবাসা। তুমি আমাদের এবং আর্জেন্টিনার জন্য যা করেছ, তার জন্য ধন্যবাদ। তোমার কাছ থেকে আমি সেই লিওকে চিনেছি, যাকে সবাইকে চেনাতে চেয়েছিলাম। ১০ নম্বর জার্সি, অধিনায়কের আর্মব্যান্ড কিংবা বিশাল কোনো মাঠ ছাড়াও যে মানুষটি একজন দৈত্য। আমি তোমাকে ভালোবাসি, ভাই।’&lt;/p&gt;&lt;p&gt;দে পল আরও বলেন, ‘মেসির পাশে থেকে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার অভিজ্ঞতা তার জীবনের অন্যতম বড় সৌভাগ্য।’&lt;/p&gt;&lt;p&gt;লিয়ান্দ্রো পারেদেস লিখেছেন, ‘আমি ভেবেছিলাম এই খবরের জন্য প্রস্তুত ছিলাম। কিন্তু স্পষ্টতই ছিলাম না।’&lt;/p&gt;&lt;p&gt;মেসির প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘একজন আর্জেন্টাইন, জাতীয় দলের সমর্থক, সতীর্থ এবং বন্ধু হিসেবে মেসি তার জীবনে যে প্রভাব ফেলেছেন, তা ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন।’&lt;/p&gt;&lt;p&gt;মেসির উদ্দেশে লিখেন, ‘তোমার উত্তরাধিকার ও মহানুভবতার কথা বলার মতো শব্দ আমার কাছে নেই। একজন খেলোয়াড় হিসেবে নয়, সর্বোপরি একজন মানুষ হিসেবে তুমি অসাধারণ। তোমার সঙ্গে জাতীয় দলের এই অসাধারণ সময়টা কাটাতে পেরে আমি অত্যন্ত ভাগ্যবান।’&lt;/p&gt;&lt;p&gt;আর্জেন্টিনার রক্ষণভাগের অন্যতম স্তম্ভ ক্রিস্তিয়ান রোমেরো সংক্ষিপ্ত কিন্তু আবেগঘন বার্তায় লিখেছেন, ‘আমি তোমাকে ভালোবাসি, তোমাকে শ্রদ্ধা করি এবং তুমি আমার জন্য ও আমাদের দেশের জন্য যা করেছ, তার জন্য চিরকাল কৃতজ্ঞ থাকব। সবকিছুর জন্য ধন্যবাদ, অধিনায়ক।’&lt;/p&gt;&lt;p&gt;মেসির দীর্ঘদিনের বন্ধু ও জাতীয় দলের সতীর্থ আনহেল দি মারিয়ার বার্তাতেও ছিল গভীর আবেগ। তিনি লিখেছেন, ‘তুমি অবসর নিচ্ছ; এটা পড়া কতটা কঠিন, তা ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব নয়। আর আকাশি-সাদা জার্সিতে তোমাকে আর দেখতে পাব না; এই ভাবনাটাও কঠিন।’&lt;/p&gt;&lt;p&gt;দি মারিয়া মনে করেন, তিনি যেন সঠিক সময়েই জন্মেছিলেন; মেসিকে দেখার, উপভোগ করার এবং তার সঙ্গে জাতীয় দলে বছরের পর বছর খেলার সুযোগ পাওয়ার জন্য।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;মেসিকে উদ্দেশ্য করে দি মারিয়ার ভাষ্য, ‘তোমার সব স্বপ্ন পূরণ হতে দেখেছি, বিশেষ করে সবচেয়ে কাঙ্ক্ষিত স্বপ্ন; বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়া। আজ তুমি এমন একটি সিদ্ধান্ত নিয়েছ, যেটা তুমি কিংবা কোনো আর্জেন্টাইনই চাইত না। কিন্তু সেটাই বাস্তবতা। সবকিছুর জন্য তোমাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। তুমি চিরন্তন এবং ইতিহাসের সর্বকালের সেরা।’&lt;/p&gt;&lt;p&gt;মেসির সঙ্গে খেলার স্বপ্ন দেখা ছোট্ট এনজো ফের্নান্দেজের গল্পটি সবচেয়ে আবেগঘন। এনজো লিখেছেন, মেসি যখন একবার জাতীয় দল ছাড়ার কথা জানিয়েছিলেন, তখন তিনি খুব কষ্ট পেয়েছিলেন। তখন তিনি ছিলেন কেবল একজন কিশোর। নিজের বয়সের সঙ্গে মেসির বয়স মিলিয়ে হিসাব করতেন; তিনি আদৌ কখনো মেসির সঙ্গে আর্জেন্টিনার হয়ে খেলতে পারবেন কি না।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;ফের্নান্দেজের ভাষ্য, ‘সেটা হয়তো বোকামির মতো শোনায়, কিন্তু আমি সত্যিই হিসাব করতাম। ভাবতাম, তোমার আর কত বছর বাকি, আমার প্রথম বিভাগে উঠতে কত বছর লাগবে; আর স্বপ্ন দেখতাম, অন্তত একবার হলেও তোমার সঙ্গে আর্জেন্টিনার হয়ে খেলব।’&lt;/p&gt;&lt;p&gt;শেষ পর্যন্ত সেই স্বপ্নের চেয়েও বেশি কিছু পেয়েছেন এনজো। মেসির সঙ্গে শুধু মাঠেই খেলেননি; ভাগ করেছেন অনুশীলন, ড্রেসিংরুম, কথোপকথন, আলিঙ্গন, কঠিন সময় এবং বিশ্বকাপ জয়ের আনন্দ।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;ফের্নান্দেজ আরও বলেন, ‘আমি আমার আইডলের সঙ্গে মাঠ ভাগ করার স্বপ্ন নিয়ে এসেছিলাম। কিন্তু তার বদলে এমন একজন মানুষকে পেয়েছি, যিনি প্রথম দিন থেকেই আমাকে দলের একজন মনে করিয়েছেন।’&lt;/p&gt;&lt;p&gt;আগামী দিনে জাতীয় দলের অনুশীলনে মেসিকে ছাড়া মাঠে নামার কথা ভাবতেই কষ্ট হচ্ছে এনজোর।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;মেসির কাছ থেকে মাঠের বাইরের শিক্ষার কথাই বেশি স্মরণ করেছেন লাওতারো। কখনো হাল না ছাড়া, প্রতিটি ব্যর্থতার পর আবার চেষ্টা করা, নীরবে কঠোর পরিশ্রম করা এবং নিজের ওপর বিশ্বাস রাখার শিক্ষা পেয়েছেন তিনি।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;মেসিকে নিয়ে বার্তায় তিনি বলেন, ‘তোমার নেতৃত্ব শুধু গোল, অ্যাসিস্ট কিংবা শিরোপায় সীমাবদ্ধ ছিল না। এত বছর জাতীয় দলের প্রতিনিধিত্ব করতে গিয়ে তুমি যে উদাহরণ তৈরি করেছ, সেটাই ছিল তোমার আসল নেতৃত্ব।’&lt;/p&gt;&lt;p&gt;প্রতিটি পরামর্শ, কথোপকথন, অনুশীলন ও আলিঙ্গনের জন্য মেসিকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন লাউতারো, ‘তুমি আমাদের সঙ্গে ইতিহাস তৈরি করেছ এবং তোমার গল্পের অংশ হওয়ার সুযোগ দিয়েছ। আমরা তোমাকে খুব মিস করব, অধিনায়ক।’&lt;/p&gt;&lt;p&gt;লিসান্দ্রো মার্তিনেজ লিখেছেন, এই দিনটি আসবে, এটা সবাই জানতেন। কিন্তু কেউই গভীরে গিয়ে সেটি মেনে নিতে চাননি। মেসির সঙ্গে বছরের পর বছর কাটানো সময়, জয়, কঠিন মুহূর্ত, জাতীয় দলের ক্যাম্পের হাসি-আনন্দ এবং স্মৃতিগুলো তুলে ধরে তিনি লিখেছেন, ‘তোমার মহানুভবতা শুধু মাঠে ছিল না। ছিল তোমার প্রতিটি অঙ্গভঙ্গি, প্রতিটি কথা এবং প্রতিটি উদাহরণে।’&lt;/p&gt;&lt;p&gt;মেসির কাছ থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা, বিশ্বাস রাখা এবং কখনো হাল না ছাড়ার শিক্ষা পেয়েছেন বলেও জানান লিসান্দ্রো, ‘তুমি জাতীয় দল ছাড়ছ, কিন্তু তোমার উত্তরাধিকার চিরন্তন। সবকিছুর জন্য ধন্যবাদ, অধিনায়ক।’&lt;/p&gt;&lt;p&gt;নিকোলাস তালিয়াফিকো মেসির সঙ্গে জাতীয় দলের হয়ে দীর্ঘ সময় কাটানোর স্মৃতিচারণ করে লিখেছেন, ‘তোমার পাশে এত বছর কাটানো এবং এত অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেয়া—এটা যে কত বড় সম্মানের ছিল! তোমার সঙ্গে এই জার্সি ডিফেন্ড করতে পারা এবং জাতীয় দলের হয়ে তোমার খেলা, তা কাছ থেকে দেখার সুযোগ পাওয়া ছিল অসাধারণ।’&lt;/p&gt;&lt;p&gt;মাঠে অর্জন এবং মাঠের বাইরের মানুষ হিসেবে মেসিকে সতীর্থদের জন্য উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন তালিয়াফিকো। শেষে মজার ছলে তিনি লিখেছেন, ‘আর হ্যাঁ… একই দিনে ৩৪ বছরে পা রাখার সঙ্গে এমন খবরও আসবে; এটা আমার পরিকল্পনায় ছিল না।’&lt;/p&gt;&lt;p&gt;আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপজয়ী গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেজও অধিনায়কের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। তিনি লিখেছেন, ‘তুমি আমাদের এবং পুরো আর্জেন্টাইন জনগণের জন্য যা করেছ, তা ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। শুধু তোমাকে ধন্যবাদ জানাতে চাই, তুমি আমাকে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার সুযোগ দিয়েছ এবং এমন উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছ, যা আমি কখনো কল্পনাও করিনি।’&lt;/p&gt;&lt;p&gt;শেষে মেসির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে দিবুর সংক্ষিপ্ত বার্তা, তোমার প্রতি আমার শ্রদ্ধা চিরকাল। ধন্যবাদ।’&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;i&gt;এমআর-২&lt;/i&gt;&lt;/p&gt;]]></description>
			<pubDate>2026-09-01 10:33:36</pubDate>
		</item>
				<item>
			<guid>122364</guid>
			<link>https://www.somoyerkonthosor.com.ambalamedia.com/post/2026/09/01/6a96526479d52</link>
			<title>যুক্তরাষ্ট্রকে বিনিয়োগের প্রস্তাব দিলো আফগানিস্তান</title>
			<image>https://www.somoyerkonthosor.com.ambalamedia.com/admin/post_image/afgan3332-6a96526111d08.webp</image>
			<description>&lt;p&gt;যুক্তরাষ্ট্রকে দেশটির খনিজ সম্পদে বিনিয়োগের সুযোগ দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে আফগানিস্তান।&amp;nbsp;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ফিন্যান্সিয়াল টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়, তালেবানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আমির খান মুত্তাকি বলেন, খনি, অবকাঠামো, কৃষি ও বাণিজ্যসহ বিভিন্ন খাতে যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগকে আফগানিস্তান ‘অবশ্যই’ স্বাগত জানাবে।&amp;nbsp;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;সোমবার (৩১ আগস্ট) কাবুলে নিজের কার্যালয়ে ফাইন্যান্সিয়াল টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মুত্তাকি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র ও আফগানিস্তানের সম্পর্ককে গত ২০ বছরের যুদ্ধের দৃষ্টিকোণ থেকে মূল্যায়ন করা উচিত নয়। বরং ভবিষ্যৎ সহযোগিতার ভিত্তিতে এই সম্পর্ককে দেখা উচিত। আমাদের অর্থনৈতিক নীতি উন্মুক্ত।’&lt;/p&gt;&lt;p&gt;তবে এই বিনিয়োগের প্রস্তাব সরাসরি হোয়াইট হাউসে দেওয়া হয়েছে কি না, সে বিষয়ে মুত্তাকি কিছু বলেননি। যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমা-সমর্থিত আফগান সরকার পরিচালিত ভূতাত্ত্বিক জরিপে বলা হয়েছে, আফগানিস্তানে অন্তত ১ ট্রিলিয়ন ডলারের খনিজ সম্পদ রয়েছে। এর মধ্যে তামা, লৌহ আকরিক, নিওবিয়াম, কোবাল্ট, সোনা ও লিথিয়ামের উল্লেখযোগ্য মজুত রয়েছে। তবে কয়েক দশকের সংঘাতের কারণে এসব সম্পদের বড় অংশ এখনো উত্তোলন করা হয়নি।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;২০২১ সালে তালেবান ক্ষমতায় ফেরার পর থেকে চীন ও ইরানসহ বিভিন্ন দেশের সঙ্গে ৭ বিলিয়ন ডলারের বেশি মূল্যের খনি বিনিয়োগের চুক্তির ঘোষণা দিয়েছে তারা। এসব বিনিয়োগের মধ্যে রয়েছে সোনা, মূল্যবান পাথর ও ক্রোমাইট উত্তোলন। ক্রোমাইট ইস্পাত তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;এদিকে, আগস্টের মাঝামাঝি তালেবানের হাজার হাজার সমর্থক কাবুলের কেন্দ্রীয় এলাকায় জড়ো হয়। ইসলামপন্থী এই গোষ্ঠীর ক্ষমতায় ফেরার এবং যুক্তরাষ্ট্র-সমর্থিত সরকারের পতনের পাঁচ বছর পূর্তি উপলক্ষে তারা সেখানে সমাবেশ করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ন্যাটো যুদ্ধ শেষ হওয়ার পর আফগানিস্তানে নিরাপত্তা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। তবে দেশটি এখনো বিশ্বের অন্যতম দরিদ্র রাষ্ট্র। ১৪ মিলিয়নেরও বেশি মানুষ, অর্থাৎ মোট জনসংখ্যার প্রায় এক-তৃতীয়াংশ, তীব্র খাদ্যসংকটের মুখে রয়েছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;তালেবান শরিয়াহ আইন কার্যকর করেছে। এর ফলে নারী ও মেয়েদের শিক্ষা, ব্যবসা এবং জনজীবনে অংশগ্রহণের ওপর কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। গত বছর আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত তালেবানের নেতা হাইবাতুল্লাহ আখুন্দজাদার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে। তার বিরুদ্ধে লিঙ্গভিত্তিক নিপীড়নের অভিযোগ আনা হয়েছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;এ মাসে জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, মানবাধিকার পরিস্থিতির নির্দিষ্ট মানদণ্ড, বিশেষ করে নারী ও মেয়েদের অধিকার বিষয়ে দৃশ্যমান ও পরিমাপযোগ্য অগ্রগতি না হওয়া পর্যন্ত তালেবানের কার্যত কর্তৃপক্ষকে স্বীকৃতি দেওয়ার মতো কোনো পদক্ষেপ নেওয়া উচিত নয়। এর মধ্যে কূটনীতিক গ্রহণ করা বা বিভিন্ন রাজধানীতে তালেবানের সঙ্গে বৈঠক করাও অন্তর্ভুক্ত।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;কাবুলে অবস্থানরত বিদেশি কূটনীতিকরা বলেছেন, সম্ভাব্য বিনিয়োগকারীদের জাতিসংঘ ও পশ্চিমা দেশগুলোর আরোপ করা নিষেধাজ্ঞার বিষয়টিও মোকাবিলা করতে হবে। এসব নিষেধাজ্ঞার আওতায় তালেবানের শীর্ষ কর্মকর্তারাও রয়েছেন। তাদের মধ্যে মুত্তাকিও আছেন, যিনি কয়েক দশক ধরে ইসলামপন্থী এই গোষ্ঠীর শীর্ষ নেতৃত্বের বিভিন্ন পর্যায়ে রয়েছেন। কূটনীতিকরা আরও আশঙ্কা করছেন, আফগানিস্তানে অর্থের প্রবাহ বাড়লে তা তালেবান সরকারকে আরও শক্তিশালী করতে পারে এবং তাদের কঠোর নীতিগুলো পরিবর্তনের জন্য আন্তর্জাতিক চাপ প্রয়োগের সক্ষমতা দুর্বল হয়ে যেতে পারে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;তবে গত এক বছরে কাবুল ধীরে ধীরে কূটনৈতিক বিচ্ছিন্নতা থেকে বেরিয়ে আসতে শুরু করেছে। চীন, ভারত, ইরান, কাতার এবং মধ্য এশিয়ার কয়েকটি দেশ তালেবান কর্মকর্তাদের স্বাগত জানিয়েছে অথবা তাদের সঙ্গে যোগাযোগের পথ খুলেছে। গত বছর রাশিয়া তালেবান সরকারকে স্বীকৃতি দেয়। এরপর মে মাসে দেশটি তালেবানের সঙ্গে একটি সামরিক সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষর করে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;জুন মাসে ইউরোপীয় ইউনিয়ন প্রথমবারের মতো ব্রাসেলসে তালেবান কর্মকর্তাদের আমন্ত্রণ জানায়। সেখানে সম্ভাব্য অভিবাসী প্রত্যাবাসন নিয়ে আলোচনা হয়। জার্মান কর্মকর্তারাও একই ধরনের আলোচনা আয়োজনের প্রস্তাব দিয়েছেন। তালেবান আশা করছে, এসব কূটনৈতিক উদ্যোগ শেষ পর্যন্ত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের পথ তৈরি করবে এবং বিদেশে আটকে থাকা আফগান কেন্দ্রীয় ব্যাংকের রিজার্ভ দেশে ফেরত আনা সম্ভব হবে। মুত্তাকি বলেন, নিষেধাজ্ঞাগুলো ‘তাদের কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জন করতে পারেনি।’&lt;/p&gt;&lt;p&gt;আফগানিস্তানের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হিসাব অনুযায়ী, দেশটির ৯.৫ বিলিয়ন ডলারের রিজার্ভ এখনো দেশের বাইরে রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৭ বিলিয়ন ডলার রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে। ২০২২ সালে যুক্তরাষ্ট্র ৩ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার একটি ‘আফগান ফান্ডে’ স্থানান্তর করে। সুদসহ বর্তমানে ওই অর্থের মূল্য ৪ বিলিয়ন ডলারের বেশি। সুইজারল্যান্ডভিত্তিক এই তহবিলের উদ্দেশ্য ছিল আফগানিস্তানের আর্থিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা, যাতে সরাসরি তালেবান সরকার ওই অর্থের সুবিধা না পায়।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;মুত্তাকি বলেন, ‘আফগান জনগণের সম্পদ কোনো ব্যক্তি, সরকার বা প্রতিষ্ঠান রাজনৈতিক চাপ প্রয়োগের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা উচিত নয়।’ তিনি জানান, এসব জব্দ থাকা সম্পদ নিয়ে কাবুল সংশ্লিষ্ট সরকারগুলোর সঙ্গে আলোচনা করছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;তবে তালেবানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তোলার বিষয়ে ট্রাম্প এখন পর্যন্ত খুব বেশি আগ্রহ দেখাননি। বরং তিনি কাবুলের উত্তরে অবস্থিত বাগরাম বিমানঘাঁটি আবার যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে ফিরিয়ে নেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছেন। তালেবান সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে। মুত্তাকি বলেন, ‘বাগরামসহ আফগানিস্তানের সব সামরিক ও বেসামরিক স্থাপনা আফগানিস্তানের জাতীয় সম্পদ।’ তবে একই সঙ্গে তিনি হোয়াইট হাউসকে ২০২১ সালে পরিত্যক্ত মার্কিন দূতাবাস আবার খুলে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;মুত্তাকি আরও জানান, তালেবান দূতাবাসটির নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছে, সড়ক পুনর্নির্মাণ করেছে এবং সেখানে নতুন গাছ লাগিয়েছে। তার ভাষায়, ‘এলাকাটি এখন বেশ প্রাণবন্ত ও আকর্ষণীয় দেখায়।’&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;i&gt;এমআর-২&lt;/i&gt;&lt;/p&gt;</description>
			<description><![CDATA[<img src="https://www.somoyerkonthosor.com.ambalamedia.com/admin/post_image/afgan3332-6a96526111d08.webp" width="200" /><br>&lt;p&gt;যুক্তরাষ্ট্রকে দেশটির খনিজ সম্পদে বিনিয়োগের সুযোগ দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে আফগানিস্তান।&amp;nbsp;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ফিন্যান্সিয়াল টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়, তালেবানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আমির খান মুত্তাকি বলেন, খনি, অবকাঠামো, কৃষি ও বাণিজ্যসহ বিভিন্ন খাতে যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগকে আফগানিস্তান ‘অবশ্যই’ স্বাগত জানাবে।&amp;nbsp;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;সোমবার (৩১ আগস্ট) কাবুলে নিজের কার্যালয়ে ফাইন্যান্সিয়াল টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মুত্তাকি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র ও আফগানিস্তানের সম্পর্ককে গত ২০ বছরের যুদ্ধের দৃষ্টিকোণ থেকে মূল্যায়ন করা উচিত নয়। বরং ভবিষ্যৎ সহযোগিতার ভিত্তিতে এই সম্পর্ককে দেখা উচিত। আমাদের অর্থনৈতিক নীতি উন্মুক্ত।’&lt;/p&gt;&lt;p&gt;তবে এই বিনিয়োগের প্রস্তাব সরাসরি হোয়াইট হাউসে দেওয়া হয়েছে কি না, সে বিষয়ে মুত্তাকি কিছু বলেননি। যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমা-সমর্থিত আফগান সরকার পরিচালিত ভূতাত্ত্বিক জরিপে বলা হয়েছে, আফগানিস্তানে অন্তত ১ ট্রিলিয়ন ডলারের খনিজ সম্পদ রয়েছে। এর মধ্যে তামা, লৌহ আকরিক, নিওবিয়াম, কোবাল্ট, সোনা ও লিথিয়ামের উল্লেখযোগ্য মজুত রয়েছে। তবে কয়েক দশকের সংঘাতের কারণে এসব সম্পদের বড় অংশ এখনো উত্তোলন করা হয়নি।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;২০২১ সালে তালেবান ক্ষমতায় ফেরার পর থেকে চীন ও ইরানসহ বিভিন্ন দেশের সঙ্গে ৭ বিলিয়ন ডলারের বেশি মূল্যের খনি বিনিয়োগের চুক্তির ঘোষণা দিয়েছে তারা। এসব বিনিয়োগের মধ্যে রয়েছে সোনা, মূল্যবান পাথর ও ক্রোমাইট উত্তোলন। ক্রোমাইট ইস্পাত তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;এদিকে, আগস্টের মাঝামাঝি তালেবানের হাজার হাজার সমর্থক কাবুলের কেন্দ্রীয় এলাকায় জড়ো হয়। ইসলামপন্থী এই গোষ্ঠীর ক্ষমতায় ফেরার এবং যুক্তরাষ্ট্র-সমর্থিত সরকারের পতনের পাঁচ বছর পূর্তি উপলক্ষে তারা সেখানে সমাবেশ করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ন্যাটো যুদ্ধ শেষ হওয়ার পর আফগানিস্তানে নিরাপত্তা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। তবে দেশটি এখনো বিশ্বের অন্যতম দরিদ্র রাষ্ট্র। ১৪ মিলিয়নেরও বেশি মানুষ, অর্থাৎ মোট জনসংখ্যার প্রায় এক-তৃতীয়াংশ, তীব্র খাদ্যসংকটের মুখে রয়েছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;তালেবান শরিয়াহ আইন কার্যকর করেছে। এর ফলে নারী ও মেয়েদের শিক্ষা, ব্যবসা এবং জনজীবনে অংশগ্রহণের ওপর কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। গত বছর আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত তালেবানের নেতা হাইবাতুল্লাহ আখুন্দজাদার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে। তার বিরুদ্ধে লিঙ্গভিত্তিক নিপীড়নের অভিযোগ আনা হয়েছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;এ মাসে জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, মানবাধিকার পরিস্থিতির নির্দিষ্ট মানদণ্ড, বিশেষ করে নারী ও মেয়েদের অধিকার বিষয়ে দৃশ্যমান ও পরিমাপযোগ্য অগ্রগতি না হওয়া পর্যন্ত তালেবানের কার্যত কর্তৃপক্ষকে স্বীকৃতি দেওয়ার মতো কোনো পদক্ষেপ নেওয়া উচিত নয়। এর মধ্যে কূটনীতিক গ্রহণ করা বা বিভিন্ন রাজধানীতে তালেবানের সঙ্গে বৈঠক করাও অন্তর্ভুক্ত।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;কাবুলে অবস্থানরত বিদেশি কূটনীতিকরা বলেছেন, সম্ভাব্য বিনিয়োগকারীদের জাতিসংঘ ও পশ্চিমা দেশগুলোর আরোপ করা নিষেধাজ্ঞার বিষয়টিও মোকাবিলা করতে হবে। এসব নিষেধাজ্ঞার আওতায় তালেবানের শীর্ষ কর্মকর্তারাও রয়েছেন। তাদের মধ্যে মুত্তাকিও আছেন, যিনি কয়েক দশক ধরে ইসলামপন্থী এই গোষ্ঠীর শীর্ষ নেতৃত্বের বিভিন্ন পর্যায়ে রয়েছেন। কূটনীতিকরা আরও আশঙ্কা করছেন, আফগানিস্তানে অর্থের প্রবাহ বাড়লে তা তালেবান সরকারকে আরও শক্তিশালী করতে পারে এবং তাদের কঠোর নীতিগুলো পরিবর্তনের জন্য আন্তর্জাতিক চাপ প্রয়োগের সক্ষমতা দুর্বল হয়ে যেতে পারে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;তবে গত এক বছরে কাবুল ধীরে ধীরে কূটনৈতিক বিচ্ছিন্নতা থেকে বেরিয়ে আসতে শুরু করেছে। চীন, ভারত, ইরান, কাতার এবং মধ্য এশিয়ার কয়েকটি দেশ তালেবান কর্মকর্তাদের স্বাগত জানিয়েছে অথবা তাদের সঙ্গে যোগাযোগের পথ খুলেছে। গত বছর রাশিয়া তালেবান সরকারকে স্বীকৃতি দেয়। এরপর মে মাসে দেশটি তালেবানের সঙ্গে একটি সামরিক সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষর করে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;জুন মাসে ইউরোপীয় ইউনিয়ন প্রথমবারের মতো ব্রাসেলসে তালেবান কর্মকর্তাদের আমন্ত্রণ জানায়। সেখানে সম্ভাব্য অভিবাসী প্রত্যাবাসন নিয়ে আলোচনা হয়। জার্মান কর্মকর্তারাও একই ধরনের আলোচনা আয়োজনের প্রস্তাব দিয়েছেন। তালেবান আশা করছে, এসব কূটনৈতিক উদ্যোগ শেষ পর্যন্ত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের পথ তৈরি করবে এবং বিদেশে আটকে থাকা আফগান কেন্দ্রীয় ব্যাংকের রিজার্ভ দেশে ফেরত আনা সম্ভব হবে। মুত্তাকি বলেন, নিষেধাজ্ঞাগুলো ‘তাদের কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জন করতে পারেনি।’&lt;/p&gt;&lt;p&gt;আফগানিস্তানের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হিসাব অনুযায়ী, দেশটির ৯.৫ বিলিয়ন ডলারের রিজার্ভ এখনো দেশের বাইরে রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৭ বিলিয়ন ডলার রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে। ২০২২ সালে যুক্তরাষ্ট্র ৩ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার একটি ‘আফগান ফান্ডে’ স্থানান্তর করে। সুদসহ বর্তমানে ওই অর্থের মূল্য ৪ বিলিয়ন ডলারের বেশি। সুইজারল্যান্ডভিত্তিক এই তহবিলের উদ্দেশ্য ছিল আফগানিস্তানের আর্থিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা, যাতে সরাসরি তালেবান সরকার ওই অর্থের সুবিধা না পায়।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;মুত্তাকি বলেন, ‘আফগান জনগণের সম্পদ কোনো ব্যক্তি, সরকার বা প্রতিষ্ঠান রাজনৈতিক চাপ প্রয়োগের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা উচিত নয়।’ তিনি জানান, এসব জব্দ থাকা সম্পদ নিয়ে কাবুল সংশ্লিষ্ট সরকারগুলোর সঙ্গে আলোচনা করছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;তবে তালেবানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তোলার বিষয়ে ট্রাম্প এখন পর্যন্ত খুব বেশি আগ্রহ দেখাননি। বরং তিনি কাবুলের উত্তরে অবস্থিত বাগরাম বিমানঘাঁটি আবার যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে ফিরিয়ে নেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছেন। তালেবান সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে। মুত্তাকি বলেন, ‘বাগরামসহ আফগানিস্তানের সব সামরিক ও বেসামরিক স্থাপনা আফগানিস্তানের জাতীয় সম্পদ।’ তবে একই সঙ্গে তিনি হোয়াইট হাউসকে ২০২১ সালে পরিত্যক্ত মার্কিন দূতাবাস আবার খুলে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;মুত্তাকি আরও জানান, তালেবান দূতাবাসটির নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছে, সড়ক পুনর্নির্মাণ করেছে এবং সেখানে নতুন গাছ লাগিয়েছে। তার ভাষায়, ‘এলাকাটি এখন বেশ প্রাণবন্ত ও আকর্ষণীয় দেখায়।’&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;i&gt;এমআর-২&lt;/i&gt;&lt;/p&gt;]]></description>
			<pubDate>2026-09-01 10:22:08</pubDate>
		</item>
				<item>
			<guid>122363</guid>
			<link>https://www.somoyerkonthosor.com.ambalamedia.com/post/2026/09/01/6a964eec14699</link>
			<title>জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা</title>
			<image>https://www.somoyerkonthosor.com.ambalamedia.com/admin/post_image/tareq222-6a964ee2c0dc9.webp</image>
			<description>&lt;p&gt;বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।&amp;nbsp;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;মঙ্গলবার (০১ সেপ্টেম্বর) সকালে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত ও শ্রদ্ধা নিবেদন করেন প্রধানমন্ত্রী।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;এদিকে, প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচির অংশ নিতে সকাল থেকে জিয়া উদ্যান এলাকায় দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়। খণ্ড খণ্ড মিছিলের জড়ো হয়ে তারা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;নেতারা জানান, প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের আদর্শ ও রাজনৈতিক দর্শনকে সামনে রেখে দলকে আরও সুসংগঠিত ও শক্তিশালী করতে হবে। একইসঙ্গে দেশের গণতন্ত্র, সার্বভৌমত্ব ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, জাতীয় সংসদের চিফ হু্ইপ নুরুল ইসলাম মনি, পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানিসহ আরও অনেকে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;i&gt;এমআর-২&lt;/i&gt;&lt;/p&gt;</description>
			<description><![CDATA[<img src="https://www.somoyerkonthosor.com.ambalamedia.com/admin/post_image/tareq222-6a964ee2c0dc9.webp" width="200" /><br>&lt;p&gt;বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।&amp;nbsp;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;মঙ্গলবার (০১ সেপ্টেম্বর) সকালে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত ও শ্রদ্ধা নিবেদন করেন প্রধানমন্ত্রী।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;এদিকে, প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচির অংশ নিতে সকাল থেকে জিয়া উদ্যান এলাকায় দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়। খণ্ড খণ্ড মিছিলের জড়ো হয়ে তারা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;নেতারা জানান, প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের আদর্শ ও রাজনৈতিক দর্শনকে সামনে রেখে দলকে আরও সুসংগঠিত ও শক্তিশালী করতে হবে। একইসঙ্গে দেশের গণতন্ত্র, সার্বভৌমত্ব ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, জাতীয় সংসদের চিফ হু্ইপ নুরুল ইসলাম মনি, পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানিসহ আরও অনেকে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;i&gt;এমআর-২&lt;/i&gt;&lt;/p&gt;]]></description>
			<pubDate>2026-09-01 10:05:00</pubDate>
		</item>
				<item>
			<guid>122362</guid>
			<link>https://www.somoyerkonthosor.com.ambalamedia.com/post/2026/09/01/6a964e9ca548a</link>
			<title>নেত্রকোনায় ট্রাকচাপায় অটোরিকশাচালকসহ নিহত ২, আহত ৩</title>
			<image>https://www.somoyerkonthosor.com.ambalamedia.com/admin/post_image/1000219718-6a964e709f6ed.webp</image>
			<description>&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় ট্রাকের চাপায় অটোরিকশাচালকসহ দুজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও তিনজন।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;সোমবার (৩১ আগস্ট) রাতে কেন্দুয়া–নেত্রকোনা সড়কের চান্দপাড়া কলেজের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;নিহতরা হলেন-কেন্দুয়া উপজেলার গড়াডোবা ইউনিয়নের বান্দনাল গ্রামের মৃত মফিজ উদ্দিনের ছেলে অটোরিকশাচালক ওয়াজেদ মিয়া (৪০) এবং আশুজিয়া ইউনিয়নের চান্দপাড়া গ্রামের বাবু মিয়ার স্ত্রী লিজা আক্তার (৪০)।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;স্থানীয়রা জানান, সন্ধ্যায় অটোরিকশাটি রামপুর বাজার থেকে যাত্রী নিয়ে কেন্দুয়ার দিকে যাচ্ছিল। পথে চান্দপাড়া কলেজের সামনে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি দ্রুতগতির ট্রাক অটোরিকশাটিকে চাপা দিয়ে চলে যায়। এতে অটোরিকশাটি দুমড়েমুচড়ে যায়। ঘটনাস্থলেই চালক ওয়াজেদ মিয়া ও যাত্রী লিজা আক্তার মারা যান।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;এ সময় অটোরিকশায় থাকা শিশুসহ আরও তিন যাত্রী আহত হন। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে নেত্রকোনা সদর হাসপাতালে পাঠান। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। দুর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। নিহতদের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নেত্রকোনা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। দুর্ঘটনার পর ট্রাকটি পালিয়ে গেছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।&lt;/p&gt;&lt;br&gt;&lt;br&gt;&lt;i&gt;এবি&amp;nbsp;&lt;/i&gt;</description>
			<description><![CDATA[<img src="https://www.somoyerkonthosor.com.ambalamedia.com/admin/post_image/1000219718-6a964e709f6ed.webp" width="200" /><br>&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় ট্রাকের চাপায় অটোরিকশাচালকসহ দুজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও তিনজন।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;সোমবার (৩১ আগস্ট) রাতে কেন্দুয়া–নেত্রকোনা সড়কের চান্দপাড়া কলেজের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;নিহতরা হলেন-কেন্দুয়া উপজেলার গড়াডোবা ইউনিয়নের বান্দনাল গ্রামের মৃত মফিজ উদ্দিনের ছেলে অটোরিকশাচালক ওয়াজেদ মিয়া (৪০) এবং আশুজিয়া ইউনিয়নের চান্দপাড়া গ্রামের বাবু মিয়ার স্ত্রী লিজা আক্তার (৪০)।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;স্থানীয়রা জানান, সন্ধ্যায় অটোরিকশাটি রামপুর বাজার থেকে যাত্রী নিয়ে কেন্দুয়ার দিকে যাচ্ছিল। পথে চান্দপাড়া কলেজের সামনে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি দ্রুতগতির ট্রাক অটোরিকশাটিকে চাপা দিয়ে চলে যায়। এতে অটোরিকশাটি দুমড়েমুচড়ে যায়। ঘটনাস্থলেই চালক ওয়াজেদ মিয়া ও যাত্রী লিজা আক্তার মারা যান।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;এ সময় অটোরিকশায় থাকা শিশুসহ আরও তিন যাত্রী আহত হন। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে নেত্রকোনা সদর হাসপাতালে পাঠান। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। দুর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। নিহতদের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নেত্রকোনা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। দুর্ঘটনার পর ট্রাকটি পালিয়ে গেছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।&lt;/p&gt;&lt;br&gt;&lt;br&gt;&lt;i&gt;এবি&amp;nbsp;&lt;/i&gt;]]></description>
			<pubDate>2026-09-01 10:03:40</pubDate>
		</item>
				<item>
			<guid>122361</guid>
			<link>https://www.somoyerkonthosor.com.ambalamedia.com/post/2026/09/01/6a964de887317</link>
			<title>রাফিনহা-ইয়ামালের জোড়া গোলে রায়োকে হারিয়ে বার্সার টানা তৃতীয় জয়</title>
			<image>https://www.somoyerkonthosor.com.ambalamedia.com/admin/post_image/Screenshot 2026-09-01 091106-6a964dca3e6e8.webp</image>
			<description>&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;রাফিনহা ও লামিনে ইয়ামাল দুজনেই জোড়া গোল করেছেন। তাদের নৈপুণ্যে রায়ো ভায়েকানোকে হারিয়ে লা লিগায় টানা তিন ম্যাচে জয় পেয়েছে বার্সেলোনা।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড রাফিনহা চলতি মৌসুমের প্রথম তিন লা লিগা ম্যাচে পাঁচ গোল করেছেন। ২০১৭ সালে বার্সেলোনার হয়ে লিওনেল মেসির পর তিনিই প্রথম খেলোয়াড়, যিনি মৌসুমের প্রথম তিন ম্যাচে পাঁচ গোল করলেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;এদিকে, ১৯ বছর বয়সী লামিনে ইয়ামালের জোড়া গোলে বার্সেলোনার হয়ে তার গোলসংখ্যা ৫০ ছাড়িয়েছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া খেলোয়াড়দের সংখ্যা বেশি থাকায় দেরিতে মৌসুম শুরু করেছিল বার্সেলোনা। ফলে মাত্র ৯ দিনের মধ্যে প্রথম তিনটি ম্যাচ খেলতে হয়েছে তাদের।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;সোমবারের ম্যাচে অবশ্য শুরুতে এগিয়ে যায় রায়ো। সার্জিও কামেয়োর দুর্দান্ত প্রথমবারের শটে গোল পায় তারা। তবে রাফিনহা দুর্দান্ত পায়ের কারিকুরি দেখিয়ে নিচের কোণে বল পাঠিয়ে বার্সাকে সমতায় ফেরান।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;এরপর বক্সের ঠিক ভেতর থেকে শক্তিশালী শটে গোল করে বার্সাকে এগিয়ে দেন ইয়ামাল।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;ফ্লোরিয়ান লেজুন নিজের দলের জালে বল পাঠালে ব্যবধান আরও বাড়ে। পরে কামেয়োর হেডে আবারও ম্যাচে ফেরার আশা জাগায় রায়ো।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;তবে ইংল্যান্ডের ফরোয়ার্ড অ্যান্থনি গর্ডনের ব্যাকহিল থেকে পাওয়া বলে রাফিনহা নিজের দ্বিতীয় গোল করে বার্সার জয় নিশ্চিত করেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;ইনজুরি সময়ে ইয়ামালও নিজের দ্বিতীয় গোল করেন। ২০ গজ দূর থেকে নিচের কোণে নিখুঁত শটে পাওয়া এই গোলটি বার্সেলোনার হয়ে তার ৫১তম গোল।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;তিন ম্যাচে পূর্ণ ৯ পয়েন্ট নিয়ে বার্সেলোনা ও রিয়াল মাদ্রিদই এখন লা লিগার শীর্ষে রয়েছে। অন্যদিকে, তিন ম্যাচে রায়ো ভায়েকানোর সংগ্রহ মাত্র ১ পয়েন্ট।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;i&gt;এবি&amp;nbsp;&lt;/i&gt;&lt;/p&gt;</description>
			<description><![CDATA[<img src="https://www.somoyerkonthosor.com.ambalamedia.com/admin/post_image/Screenshot 2026-09-01 091106-6a964dca3e6e8.webp" width="200" /><br>&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;রাফিনহা ও লামিনে ইয়ামাল দুজনেই জোড়া গোল করেছেন। তাদের নৈপুণ্যে রায়ো ভায়েকানোকে হারিয়ে লা লিগায় টানা তিন ম্যাচে জয় পেয়েছে বার্সেলোনা।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড রাফিনহা চলতি মৌসুমের প্রথম তিন লা লিগা ম্যাচে পাঁচ গোল করেছেন। ২০১৭ সালে বার্সেলোনার হয়ে লিওনেল মেসির পর তিনিই প্রথম খেলোয়াড়, যিনি মৌসুমের প্রথম তিন ম্যাচে পাঁচ গোল করলেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;এদিকে, ১৯ বছর বয়সী লামিনে ইয়ামালের জোড়া গোলে বার্সেলোনার হয়ে তার গোলসংখ্যা ৫০ ছাড়িয়েছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া খেলোয়াড়দের সংখ্যা বেশি থাকায় দেরিতে মৌসুম শুরু করেছিল বার্সেলোনা। ফলে মাত্র ৯ দিনের মধ্যে প্রথম তিনটি ম্যাচ খেলতে হয়েছে তাদের।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;সোমবারের ম্যাচে অবশ্য শুরুতে এগিয়ে যায় রায়ো। সার্জিও কামেয়োর দুর্দান্ত প্রথমবারের শটে গোল পায় তারা। তবে রাফিনহা দুর্দান্ত পায়ের কারিকুরি দেখিয়ে নিচের কোণে বল পাঠিয়ে বার্সাকে সমতায় ফেরান।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;এরপর বক্সের ঠিক ভেতর থেকে শক্তিশালী শটে গোল করে বার্সাকে এগিয়ে দেন ইয়ামাল।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;ফ্লোরিয়ান লেজুন নিজের দলের জালে বল পাঠালে ব্যবধান আরও বাড়ে। পরে কামেয়োর হেডে আবারও ম্যাচে ফেরার আশা জাগায় রায়ো।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;তবে ইংল্যান্ডের ফরোয়ার্ড অ্যান্থনি গর্ডনের ব্যাকহিল থেকে পাওয়া বলে রাফিনহা নিজের দ্বিতীয় গোল করে বার্সার জয় নিশ্চিত করেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;ইনজুরি সময়ে ইয়ামালও নিজের দ্বিতীয় গোল করেন। ২০ গজ দূর থেকে নিচের কোণে নিখুঁত শটে পাওয়া এই গোলটি বার্সেলোনার হয়ে তার ৫১তম গোল।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;তিন ম্যাচে পূর্ণ ৯ পয়েন্ট নিয়ে বার্সেলোনা ও রিয়াল মাদ্রিদই এখন লা লিগার শীর্ষে রয়েছে। অন্যদিকে, তিন ম্যাচে রায়ো ভায়েকানোর সংগ্রহ মাত্র ১ পয়েন্ট।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;i&gt;এবি&amp;nbsp;&lt;/i&gt;&lt;/p&gt;]]></description>
			<pubDate>2026-09-01 10:00:40</pubDate>
		</item>
				<item>
			<guid>122360</guid>
			<link>https://www.somoyerkonthosor.com.ambalamedia.com/post/2026/09/01/6a9641b12a001</link>
			<title>টিভিতে আজকের খেলা</title>
			<image>https://www.somoyerkonthosor.com.ambalamedia.com/admin/post_image/Ajker Khela Fi (1)-68720b3681401.webp</image>
			<description>&lt;p&gt;&lt;b style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;ক্রিকেট&lt;/b&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;চার দিনের ম্যাচ&lt;/p&gt;&lt;p&gt;বাংলাদেশ ‘এ’-দক্ষিণ আফ্রিকা ‘এ’&lt;/p&gt;&lt;p&gt;বেলা ১টা ৩০ মিনিট&lt;/p&gt;&lt;p&gt;ইউটিউব/ক্রিকেটএসএটিভি&lt;/p&gt;&lt;p&gt;নারী এশিয়ান কাপ ক্রিকেট&lt;/p&gt;&lt;p&gt;পাকিস্তান-থাইল্যান্ড&lt;/p&gt;&lt;p&gt;রাত ৮টা ৩০ মিনিট&lt;/p&gt;&lt;p&gt;টি স্পোর্টস&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;b&gt;টেনিস&lt;/b&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;ইউএস ওপেন&lt;/p&gt;&lt;p&gt;১ম রাউন্ড&lt;/p&gt;&lt;p&gt;রাত ৯টা&lt;/p&gt;&lt;p&gt;স্টার স্পোর্টস ১ ও ২&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;b&gt;ফুটবল&lt;/b&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;জার্মান কাপ&lt;/p&gt;&lt;p&gt;এইচইবিসি-ডর্টমুন্ড&lt;/p&gt;&lt;p&gt;রাত ১২টা ৪৫ মিনিট&lt;/p&gt;&lt;p&gt;ফ্যানকোড&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;i&gt;এবি&amp;nbsp;&amp;nbsp;&lt;/i&gt;&lt;/p&gt;</description>
			<description><![CDATA[<img src="https://www.somoyerkonthosor.com.ambalamedia.com/admin/post_image/Ajker Khela Fi (1)-68720b3681401.webp" width="200" /><br>&lt;p&gt;&lt;b style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;ক্রিকেট&lt;/b&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;চার দিনের ম্যাচ&lt;/p&gt;&lt;p&gt;বাংলাদেশ ‘এ’-দক্ষিণ আফ্রিকা ‘এ’&lt;/p&gt;&lt;p&gt;বেলা ১টা ৩০ মিনিট&lt;/p&gt;&lt;p&gt;ইউটিউব/ক্রিকেটএসএটিভি&lt;/p&gt;&lt;p&gt;নারী এশিয়ান কাপ ক্রিকেট&lt;/p&gt;&lt;p&gt;পাকিস্তান-থাইল্যান্ড&lt;/p&gt;&lt;p&gt;রাত ৮টা ৩০ মিনিট&lt;/p&gt;&lt;p&gt;টি স্পোর্টস&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;b&gt;টেনিস&lt;/b&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;ইউএস ওপেন&lt;/p&gt;&lt;p&gt;১ম রাউন্ড&lt;/p&gt;&lt;p&gt;রাত ৯টা&lt;/p&gt;&lt;p&gt;স্টার স্পোর্টস ১ ও ২&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;b&gt;ফুটবল&lt;/b&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;জার্মান কাপ&lt;/p&gt;&lt;p&gt;এইচইবিসি-ডর্টমুন্ড&lt;/p&gt;&lt;p&gt;রাত ১২টা ৪৫ মিনিট&lt;/p&gt;&lt;p&gt;ফ্যানকোড&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;i&gt;এবি&amp;nbsp;&amp;nbsp;&lt;/i&gt;&lt;/p&gt;]]></description>
			<pubDate>2026-09-01 09:08:33</pubDate>
		</item>
				<item>
			<guid>122359</guid>
			<link>https://www.somoyerkonthosor.com.ambalamedia.com/post/2026/09/01/6a96412d48f3d</link>
			<title>যুক্তরাষ্ট্রে যেতে চাওয়া বাংলাদেশিদের জন্য বড় সুখবর</title>
			<image>https://www.somoyerkonthosor.com.ambalamedia.com/admin/post_image/Screenshot 2026-09-01 090440-6a96411899faf.webp</image>
			<description>&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের নাগরিকদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসী ভিসা দেওয়ার ওপর স্থগিতাদেশ তুলে নেওয়া হয়েছে। মার্কিন ফেডারেল আদালতের সাম্প্রতিক এক রায়ের পর এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়েছে।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;গত জানুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর ৭৫ দেশের নাগরিকদের অভিবাসী ভিসা দেওয়া সাময়িকভাবে বন্ধ করেছিল। এসব ভিসা সাধারণত যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে বসবাসের সুযোগ তৈরি করে এবং পরবর্তী সময়ে গ্রিন কার্ড পাওয়ার পথ খুলে দেয়।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;যুক্তরাষ্ট্র সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, যেসব আবেদনকারীর দেশটিতে গিয়ে সরকারি সহায়তার ওপর নির্ভর করার সম্ভাবনা বেশি, তাদের বিষয়ে অতিরিক্ত যাচাইয়ের অংশ হিসেবে এই স্থগিতাদেশ দেওয়া হয়েছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;তবে নিউইয়র্কের সাউদার্ন ডিস্ট্রিক্টের ফেডারেল বিচারক জেনেট ভার্গাস এই নীতির বিরুদ্ধে রায় দেন। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর বিরুদ্ধে মামলাটি করেছিল ক্যাথলিক লিগ্যাল ইমিগ্রেশন নেটওয়ার্ক (CLINIC)।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;আদালত বলেন, শুধু কোনো দেশের নাগরিক হওয়ার কারণে অভিবাসী ভিসা আটকে দেওয়া অভিবাসন ও জাতীয়তা আইনের (Immigration and Nationality Act) অধীনে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ক্ষমতার সীমা ছাড়িয়ে গেছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;আদালতের রায়ের পর গত ২১ আগস্ট থেকে অভিবাসী ভিসা দেওয়ার ওপর স্থগিতাদেশ আর কার্যকর নেই। ২৮ আগস্ট হালনাগাদ করা যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের ওয়েবসাইটেও বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;এর ফলে বাংলাদেশসহ ওই ৭৫ দেশের নাগরিকদের অভিবাসী ভিসা দেওয়া আবার শুরু করা যাবে। তবে আবেদনকারীদের স্বাভাবিক ভিসা-সংক্রান্ত সব শর্ত পূরণ করতে হবে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;স্থগিতাদেশ চলাকালে যেসব ভিসা আগে থেকেই দেওয়া হয়েছিল, সেগুলো বাতিল করা হয়নি। একই সময়ে নতুন আবেদন জমা দেওয়া এবং সাক্ষাৎকারে অংশ নেওয়ার সুযোগও ছিল। মূলত ভিসা আবেদনের চূড়ান্ত পর্যায়ে ভিসা ইস্যু করার ওপরই স্থগিতাদেশটি কার্যকর ছিল।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;এই নীতির আওতায় থাকা দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ ছাড়াও রয়েছে আফগানিস্তান, আলবেনিয়া, আলজেরিয়া, অ্যান্টিগুয়া ও বারবুডা, আর্মেনিয়া, আজারবাইজান, বাহামাস, বার্বাডোস, বেলারুশ, বেলিজ, ভুটান, বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা, ব্রাজিল, বার্মা (মিয়ানমার), কম্বোডিয়া, ক্যামেরুন, কেপ ভার্দে, কলম্বিয়া, কোত দিভোয়ার (আইভরি কোস্ট), কিউবা, গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্র, ডোমিনিকা, মিশর, ইরিত্রিয়া, ইথিওপিয়া, ফিজি, গাম্বিয়া, জর্জিয়া, ঘানা, গ্রেনাডা, গুয়াতেমালা, গিনি, হাইতি, ইরান, ইরাক, জ্যামাইকা, জর্ডান, কাজাখস্তান, কসোভো, কুয়েত, কিরগিজ প্রজাতন্ত্র, লাওস, লেবানন, লাইবেরিয়া, লিবিয়া, মলদোভা, মঙ্গোলিয়া, মন্টিনিগ্রো, মরক্কো, নেপাল, নিকারাগুয়া, নাইজেরিয়া, উত্তর ম্যাসেডোনিয়া, পাকিস্তান, কঙ্গো প্রজাতন্ত্র, রাশিয়া, রুয়ান্ডা, সেন্ট কিটস ও নেভিস, সেন্ট লুসিয়া, সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইনস, সেনেগাল, সিয়েরা লিওন সোমালিয়া, দক্ষিণ সুদান, সুদান, সিরিয়া, তানজানিয়া, থাইল্যান্ড, টোগো, তিউনিসিয়া, উগান্ডা, উরুগুয়ে, উজবেকিস্তান এবং ইয়েমেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;সূত্র: যুক্তরাষ্ট্র সরকার, এনডিটিভি&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;i&gt;এবি&amp;nbsp;&amp;nbsp;&lt;/i&gt;&lt;/p&gt;</description>
			<description><![CDATA[<img src="https://www.somoyerkonthosor.com.ambalamedia.com/admin/post_image/Screenshot 2026-09-01 090440-6a96411899faf.webp" width="200" /><br>&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের নাগরিকদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসী ভিসা দেওয়ার ওপর স্থগিতাদেশ তুলে নেওয়া হয়েছে। মার্কিন ফেডারেল আদালতের সাম্প্রতিক এক রায়ের পর এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়েছে।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;গত জানুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর ৭৫ দেশের নাগরিকদের অভিবাসী ভিসা দেওয়া সাময়িকভাবে বন্ধ করেছিল। এসব ভিসা সাধারণত যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে বসবাসের সুযোগ তৈরি করে এবং পরবর্তী সময়ে গ্রিন কার্ড পাওয়ার পথ খুলে দেয়।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;যুক্তরাষ্ট্র সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, যেসব আবেদনকারীর দেশটিতে গিয়ে সরকারি সহায়তার ওপর নির্ভর করার সম্ভাবনা বেশি, তাদের বিষয়ে অতিরিক্ত যাচাইয়ের অংশ হিসেবে এই স্থগিতাদেশ দেওয়া হয়েছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;তবে নিউইয়র্কের সাউদার্ন ডিস্ট্রিক্টের ফেডারেল বিচারক জেনেট ভার্গাস এই নীতির বিরুদ্ধে রায় দেন। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর বিরুদ্ধে মামলাটি করেছিল ক্যাথলিক লিগ্যাল ইমিগ্রেশন নেটওয়ার্ক (CLINIC)।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;আদালত বলেন, শুধু কোনো দেশের নাগরিক হওয়ার কারণে অভিবাসী ভিসা আটকে দেওয়া অভিবাসন ও জাতীয়তা আইনের (Immigration and Nationality Act) অধীনে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ক্ষমতার সীমা ছাড়িয়ে গেছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;আদালতের রায়ের পর গত ২১ আগস্ট থেকে অভিবাসী ভিসা দেওয়ার ওপর স্থগিতাদেশ আর কার্যকর নেই। ২৮ আগস্ট হালনাগাদ করা যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের ওয়েবসাইটেও বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;এর ফলে বাংলাদেশসহ ওই ৭৫ দেশের নাগরিকদের অভিবাসী ভিসা দেওয়া আবার শুরু করা যাবে। তবে আবেদনকারীদের স্বাভাবিক ভিসা-সংক্রান্ত সব শর্ত পূরণ করতে হবে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;স্থগিতাদেশ চলাকালে যেসব ভিসা আগে থেকেই দেওয়া হয়েছিল, সেগুলো বাতিল করা হয়নি। একই সময়ে নতুন আবেদন জমা দেওয়া এবং সাক্ষাৎকারে অংশ নেওয়ার সুযোগও ছিল। মূলত ভিসা আবেদনের চূড়ান্ত পর্যায়ে ভিসা ইস্যু করার ওপরই স্থগিতাদেশটি কার্যকর ছিল।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;এই নীতির আওতায় থাকা দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ ছাড়াও রয়েছে আফগানিস্তান, আলবেনিয়া, আলজেরিয়া, অ্যান্টিগুয়া ও বারবুডা, আর্মেনিয়া, আজারবাইজান, বাহামাস, বার্বাডোস, বেলারুশ, বেলিজ, ভুটান, বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা, ব্রাজিল, বার্মা (মিয়ানমার), কম্বোডিয়া, ক্যামেরুন, কেপ ভার্দে, কলম্বিয়া, কোত দিভোয়ার (আইভরি কোস্ট), কিউবা, গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্র, ডোমিনিকা, মিশর, ইরিত্রিয়া, ইথিওপিয়া, ফিজি, গাম্বিয়া, জর্জিয়া, ঘানা, গ্রেনাডা, গুয়াতেমালা, গিনি, হাইতি, ইরান, ইরাক, জ্যামাইকা, জর্ডান, কাজাখস্তান, কসোভো, কুয়েত, কিরগিজ প্রজাতন্ত্র, লাওস, লেবানন, লাইবেরিয়া, লিবিয়া, মলদোভা, মঙ্গোলিয়া, মন্টিনিগ্রো, মরক্কো, নেপাল, নিকারাগুয়া, নাইজেরিয়া, উত্তর ম্যাসেডোনিয়া, পাকিস্তান, কঙ্গো প্রজাতন্ত্র, রাশিয়া, রুয়ান্ডা, সেন্ট কিটস ও নেভিস, সেন্ট লুসিয়া, সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইনস, সেনেগাল, সিয়েরা লিওন সোমালিয়া, দক্ষিণ সুদান, সুদান, সিরিয়া, তানজানিয়া, থাইল্যান্ড, টোগো, তিউনিসিয়া, উগান্ডা, উরুগুয়ে, উজবেকিস্তান এবং ইয়েমেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;সূত্র: যুক্তরাষ্ট্র সরকার, এনডিটিভি&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;i&gt;এবি&amp;nbsp;&amp;nbsp;&lt;/i&gt;&lt;/p&gt;]]></description>
			<pubDate>2026-09-01 09:06:21</pubDate>
		</item>
				<item>
			<guid>122358</guid>
			<link>https://www.somoyerkonthosor.com.ambalamedia.com/post/2026/09/01/6a963df69b7ac</link>
			<title>নেপালে বন্যার ধ্বংসযজ্ঞ, এক বাড়ি থেকেই উদ্ধার ২৪ মরদেহ</title>
			<image>https://www.somoyerkonthosor.com.ambalamedia.com/admin/post_image/Screenshot 2026-09-01 085059-6a963de891e59.webp</image>
			<description>&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;নেপাল ও চীনের তিব্বত সীমান্তে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যায় প্রাণহানি বেড়েই চলেছে। গত বুধবারের দুর্যোগে নিহতের সংখ্যা ইতোমধ্যেই ৯৫০ ছাড়িয়ে গেছে এবং এখনও প্রায় চার হাজার মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। আর এর মধ্যেই নেপালের বিদুর এলাকায় একটি বাড়ি থেকে ২৪টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশ বলছে, ওই বাড়ির মাটির নিচে আরও মরদেহ চাপা পড়ে থাকতে পারে।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;সংবাদমাধ্যম সিএনএন বলছে, নেপালের বন্যাকবলিত বিদুর এলাকায় একটি বাড়ি থেকে ২৪টি মরদেহ উদ্ধার করার বিষয়টি পুলিশ সুপার বিপিন রেগমি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘আমাদের ধারণা, সেখানে মাটির নিচে আরও মরদেহ চাপা পড়ে থাকতে পারে’।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে ওই এলাকায় আবারও উদ্ধার অভিযান চালানো হবে বলেও জানান তিনি।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;এদিকে বেত্রাবতী পৌরসভার কর্মকর্তা মঙ্গল তামাং জানান, কাদামাটির নিচে চাপা পড়া মরদেহগুলোর মধ্যে একটি মরদেহ শিশুর। বাকি সবাই প্রাপ্তবয়স্ক। তিনি বলেন, ছয়টি মরদেহ হেলিকপ্টারে করে কাঠমান্ডুতে নেয়া হয়েছে। অন্য মরদেহগুলো আপাতত ওই শহরেই রয়েছে। সেগুলোও পরে নেপালের রাজধানীতে নেয়া হবে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;মঙ্গল তামাং বলেন, ‘আমরা ওই একই জায়গা এবং আশপাশের বাড়িগুলোতে আবারও তল্লাশি চালানোর পরিকল্পনা করছি।’&lt;/p&gt;&lt;p&gt;অন্যদিকে নেপাল-চীনে ভয়াবহ বন্যায় মৃতের সংখ্যা ৯৫০ ছাড়িয়ে গেছে। নেপালের জাতীয় দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের (এনডিআরআরএমএ) তথ্য অনুযায়ী, দেশটিতে বন্যায় অন্তত ৯৩৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। আর চীনের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম সিসিটিভি জানিয়েছে, দেশটিতে বন্যায় অন্তত ১৬ জন মারা গেছেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;এনডিআরআরএমএ জানিয়েছে, নেপালে এই দুর্যোগে আরও ৩ হাজার ৯২৫ জন নিখোঁজ রয়েছেন। আর সিসিটিভির তথ্য অনুযায়ী, চীনে নিখোঁজ রয়েছেন অন্তত ৫৪৬ জন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুতে ঘটনাস্থলে থাকা সিএনএনের সাংবাদিক অ্যান্ডারসন কুপার গত সপ্তাহের বন্যার পানিকে ‘অনেকটা তরল সিমেন্টের মতো’ বলে বর্ণনা করেছেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;i&gt;এবি&amp;nbsp;&amp;nbsp;&lt;/i&gt;&lt;/p&gt;</description>
			<description><![CDATA[<img src="https://www.somoyerkonthosor.com.ambalamedia.com/admin/post_image/Screenshot 2026-09-01 085059-6a963de891e59.webp" width="200" /><br>&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;নেপাল ও চীনের তিব্বত সীমান্তে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যায় প্রাণহানি বেড়েই চলেছে। গত বুধবারের দুর্যোগে নিহতের সংখ্যা ইতোমধ্যেই ৯৫০ ছাড়িয়ে গেছে এবং এখনও প্রায় চার হাজার মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। আর এর মধ্যেই নেপালের বিদুর এলাকায় একটি বাড়ি থেকে ২৪টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশ বলছে, ওই বাড়ির মাটির নিচে আরও মরদেহ চাপা পড়ে থাকতে পারে।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;সংবাদমাধ্যম সিএনএন বলছে, নেপালের বন্যাকবলিত বিদুর এলাকায় একটি বাড়ি থেকে ২৪টি মরদেহ উদ্ধার করার বিষয়টি পুলিশ সুপার বিপিন রেগমি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘আমাদের ধারণা, সেখানে মাটির নিচে আরও মরদেহ চাপা পড়ে থাকতে পারে’।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে ওই এলাকায় আবারও উদ্ধার অভিযান চালানো হবে বলেও জানান তিনি।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;এদিকে বেত্রাবতী পৌরসভার কর্মকর্তা মঙ্গল তামাং জানান, কাদামাটির নিচে চাপা পড়া মরদেহগুলোর মধ্যে একটি মরদেহ শিশুর। বাকি সবাই প্রাপ্তবয়স্ক। তিনি বলেন, ছয়টি মরদেহ হেলিকপ্টারে করে কাঠমান্ডুতে নেয়া হয়েছে। অন্য মরদেহগুলো আপাতত ওই শহরেই রয়েছে। সেগুলোও পরে নেপালের রাজধানীতে নেয়া হবে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;মঙ্গল তামাং বলেন, ‘আমরা ওই একই জায়গা এবং আশপাশের বাড়িগুলোতে আবারও তল্লাশি চালানোর পরিকল্পনা করছি।’&lt;/p&gt;&lt;p&gt;অন্যদিকে নেপাল-চীনে ভয়াবহ বন্যায় মৃতের সংখ্যা ৯৫০ ছাড়িয়ে গেছে। নেপালের জাতীয় দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের (এনডিআরআরএমএ) তথ্য অনুযায়ী, দেশটিতে বন্যায় অন্তত ৯৩৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। আর চীনের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম সিসিটিভি জানিয়েছে, দেশটিতে বন্যায় অন্তত ১৬ জন মারা গেছেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;এনডিআরআরএমএ জানিয়েছে, নেপালে এই দুর্যোগে আরও ৩ হাজার ৯২৫ জন নিখোঁজ রয়েছেন। আর সিসিটিভির তথ্য অনুযায়ী, চীনে নিখোঁজ রয়েছেন অন্তত ৫৪৬ জন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুতে ঘটনাস্থলে থাকা সিএনএনের সাংবাদিক অ্যান্ডারসন কুপার গত সপ্তাহের বন্যার পানিকে ‘অনেকটা তরল সিমেন্টের মতো’ বলে বর্ণনা করেছেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;i&gt;এবি&amp;nbsp;&amp;nbsp;&lt;/i&gt;&lt;/p&gt;]]></description>
			<pubDate>2026-09-01 08:52:38</pubDate>
		</item>
				<item>
			<guid>122357</guid>
			<link>https://www.somoyerkonthosor.com.ambalamedia.com/post/2026/09/01/6a963c6072334</link>
			<title>ভারতে আতশবাজির কারখানায় বিস্ফোরণে নিহত ১১</title>
			<image>https://www.somoyerkonthosor.com.ambalamedia.com/admin/post_image/Screenshot 2026-09-01 084413-6a963c43171d5.webp</image>
			<description>&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;ভারতের উত্তরপ্রদেশের কোশাম্বী জেলায় একটি আতশবাজি কারখানায় বিস্ফোরণে ১১ জন নিহত এবং অন্তত ৫ জন গুরুতর আহত হয়েছেন। স্থানীয় প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে হিন্দুস্তান টাইমস জানিয়েছে, সোমবার (৩১ আগস্ট) বিকেলে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নিহত সবাই কারখানা-সংলগ্ন এলাকায় বসবাস করতেন। বিস্ফোরণের ভয়াবহ মাত্রা দেখে ধারণা করা হচ্ছে, নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। এ ছাড়া আরও অন্তত ১৮ জনের বেশি মানুষ আহত হয়েছেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;স্থানীয় মনোরি পাওয়ার হাউসের কাছে এই বিস্ফোরণ ঘটে। বিস্ফোরণের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে, পুরো কারখানাটি এবং আশপাশের একাধিক স্থাপনা ধসে পড়ে। কারখানা সংলগ্ন অন্তত ৫ থেকে ৬টি বাড়ি বিস্ফোরণের ধাক্কায় পুরোপুরি মাটির সঙ্গে মিশে যায়।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;বিস্ফোরণের পর নিরাপত্তার স্বার্থে নিকটবর্তী দিল্লি-হাওড়া ট্রেন লাইনে প্রায় এক ঘণ্টা ট্রেন চলাচল বন্ধ রাখা হয়। আজমির-শিয়ালদহ এক্সপ্রেস ট্রেনটি দুর্ঘটনাস্থলের কাছাকাছি পৌঁছে গেলেও পরে এটিকে ঘুরিয়ে মনোরি রেলওয়ে স্টেশনে ফিরিয়ে নেয়া হয়। অন্যদিকে দিল্লি থেকে বারাণসীগামী বন্দে ভারত এক্সপ্রেসকে দুর্ঘটনাস্থলের আগের স্টেশন সাইয়াদ সারওয়ানে থামিয়ে দেয়া হয়।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;i&gt;এবি&amp;nbsp;&amp;nbsp;&lt;/i&gt;&lt;/p&gt;</description>
			<description><![CDATA[<img src="https://www.somoyerkonthosor.com.ambalamedia.com/admin/post_image/Screenshot 2026-09-01 084413-6a963c43171d5.webp" width="200" /><br>&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;ভারতের উত্তরপ্রদেশের কোশাম্বী জেলায় একটি আতশবাজি কারখানায় বিস্ফোরণে ১১ জন নিহত এবং অন্তত ৫ জন গুরুতর আহত হয়েছেন। স্থানীয় প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে হিন্দুস্তান টাইমস জানিয়েছে, সোমবার (৩১ আগস্ট) বিকেলে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নিহত সবাই কারখানা-সংলগ্ন এলাকায় বসবাস করতেন। বিস্ফোরণের ভয়াবহ মাত্রা দেখে ধারণা করা হচ্ছে, নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। এ ছাড়া আরও অন্তত ১৮ জনের বেশি মানুষ আহত হয়েছেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;স্থানীয় মনোরি পাওয়ার হাউসের কাছে এই বিস্ফোরণ ঘটে। বিস্ফোরণের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে, পুরো কারখানাটি এবং আশপাশের একাধিক স্থাপনা ধসে পড়ে। কারখানা সংলগ্ন অন্তত ৫ থেকে ৬টি বাড়ি বিস্ফোরণের ধাক্কায় পুরোপুরি মাটির সঙ্গে মিশে যায়।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;বিস্ফোরণের পর নিরাপত্তার স্বার্থে নিকটবর্তী দিল্লি-হাওড়া ট্রেন লাইনে প্রায় এক ঘণ্টা ট্রেন চলাচল বন্ধ রাখা হয়। আজমির-শিয়ালদহ এক্সপ্রেস ট্রেনটি দুর্ঘটনাস্থলের কাছাকাছি পৌঁছে গেলেও পরে এটিকে ঘুরিয়ে মনোরি রেলওয়ে স্টেশনে ফিরিয়ে নেয়া হয়। অন্যদিকে দিল্লি থেকে বারাণসীগামী বন্দে ভারত এক্সপ্রেসকে দুর্ঘটনাস্থলের আগের স্টেশন সাইয়াদ সারওয়ানে থামিয়ে দেয়া হয়।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;i&gt;এবি&amp;nbsp;&amp;nbsp;&lt;/i&gt;&lt;/p&gt;]]></description>
			<pubDate>2026-09-01 08:45:52</pubDate>
		</item>
				<item>
			<guid>122356</guid>
			<link>https://www.somoyerkonthosor.com.ambalamedia.com/post/2026/09/01/6a963ad1ca08e</link>
			<title>দেশের গণতন্ত্রকামী জনগণই বিএনপির সব রাজনৈতিক ক্ষমতার উৎস : প্রধানমন্ত্রী</title>
			<image>https://www.somoyerkonthosor.com.ambalamedia.com/admin/post_image/Screenshot 2026-09-01 083105-6a963aa1f2a8d.webp</image>
			<description>&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, দেশের গণতন্ত্রকামী জনগণই বিএনপির সব রাজনৈতিক ক্ষমতার উৎস। বিএনপির অপর নাম- একটি জনকল্যাণমূলক, গণতান্ত্রিক ও স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ার সংগ্রাম।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে দেওয়া এক বাণীতে সোমবার (৩১ আগস্ট) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এসব কথা বলেন।&amp;nbsp;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে দেওয়া বাণীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মী, শুভানুধ্যায়ী এবং দেশবাসীকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির সাহস, সংগ্রাম, ত্যাগ আর সাফল্যের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে দিনটি বাংলাদেশি মানুষের জন্য আনন্দ, উদ্দীপনা ও প্রেরণার।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;বাণীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ১৯৭৮ সালের এই দিনে বিকেলে ঢাকার রমনা বটমূলের খোলা চত্বরে (রমনা রেস্তোরাঁ প্রাঙ্গণে) বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক, সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমান বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। বাংলাদেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার ইতিহাসে বিএনপির প্রতিষ্ঠা ছিল একটি যুগান্তকারী ঘটনা।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;তিনি বলেন, মানুষের বাকস্বাধীনতা, ব্যক্তিস্বাধীনতা এবং গণতন্ত্রের পথ রুদ্ধ করে ১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারি অভিশপ্ত একদলীয় ‘বাকশাল’ প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল। রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে এসে প্রথমেই দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেছিলেন। নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দলগুলোর রাজনীতি করার অধিকার ফিরিয়ে দিয়েছিলেন। এরই ধারাবাহিকতায় সময়ের প্রয়োজনে নতুন রাজনৈতিক দল বিএনপি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। ফলে, বাংলাদেশে বহুমাত্রিক গণতন্ত্রের নতুন করে পথচলা শুরু হয়।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এই দিনে স্বাধীনতার ঘোষক, রাষ্ট্রনায়ক ও আধুনিক বাংলাদেশের রূপকার শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে বিনম্র শ্রদ্ধায় স্মরণ করেন তারেক রহমান।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;একই সঙ্গে তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন মরহুমা খালেদা জিয়াকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। তিনি বলেন, বেগম খালেদা জিয়া তার সম্মোহনী ব্যক্তিত্ব ও নেতৃত্ব দিয়ে বিএনপিকে বাংলাদেশের প্রতিটি ঘরে পৌঁছে দিয়েছিলেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, গণতন্ত্র কিংবা সুশাসন প্রতিষ্ঠাই নয়, দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষায়ও জনগণকে সঙ্গে নিয়ে বিএনপি অতন্দ্র প্রহরীর ভূমিকা পালন করেছে। দেশে যতবারই স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং গণতন্ত্র হুমকির সম্মুখীন হয়েছে, ততবারই গণতন্ত্রকামী জনগণকে সঙ্গে নিয়ে বিএনপির নেতাকর্মী, শুভার্থী ও সমর্থকগণ অকাতরে জীবন বিলিয়ে দিয়েছেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;তিনি বলেন, দেশে গণতন্ত্র এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে বিএনপি প্রতিষ্ঠার পর থেকে আজ পর্যন্ত যারা প্রাণোৎসর্গ করেছেন, আহত হয়েছেন, তিনি সব পর্যায়ের সেই নেতাকর্মীর অবদানকেও গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;বাণীতে তিনি বলেন, দেশে যতবারই জনগণ নির্ভয়ে অবাধ এবং সুষ্ঠু নির্বাচনে ভোট দেওয়ার সুযোগ পেয়েছে, ততবারই বিএনপি রাষ্ট্র পরিচালনার সুযোগ পেয়েছে। বিভিন্ন মেয়াদে সরকার পরিচালনার সময় দেশে গণতন্ত্রকে শক্তিশালী ও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার লক্ষ্যে সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রবর্তন, নারীশিক্ষার প্রসারসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ বিএনপি সরকারের আমলে নেওয়া হয়েছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;দেশে গণতন্ত্র সমুন্নত রাখা ও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির জন্য বিএনপির উদ্যম ও উদ্যোগের ফলে দলটি দেশবাসীর কাছে এখন সর্বাধিক জনপ্রিয় রাজনৈতিক দল।&amp;nbsp;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;তারেক রহমান বলেন, দীর্ঘ দেড় দশকের ফ্যাসিবাদী শাসন-শোষণের অবসানের পর একটি অবাধ, সুষ্ঠু এবং নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে দেশের জনগণ আবারও বিএনপিকে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছে। দেশের জনগণের কাছে জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার মাধ্যমেই বিএনপি জনগণের ভালোবাসার প্রতিদান দিতে চায়। সেই লক্ষ্যেই বাংলাদেশকে একটি জনকল্যাণমূলক রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠার জন্য বিএনপি সরকার নিরলসভাবে কাজ করে চলছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;তিনি বলেন, জনগণের আস্থা ও বিশ্বাস অক্ষুণ্ন রেখে বিএনপির প্রতিটি নেতাকর্মী, সমর্থক ও শুভার্থী দেশমাতৃকার সেবায় নিজেদের নিবেদন করে আগামী দিনগুলোতেও বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখবে, ইনশাআল্লাহ।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;‘বিএনপি বিশ্বাস করে, দেশের গণতন্ত্রকামী জনগণই বিএনপির সব রাজনৈতিক ক্ষমতার উৎস। বিএনপির অপর নাম- একটি জনকল্যাণমূলক, গণতান্ত্রিক ও স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ার সংগ্রাম। বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এই দিনে আমি আবারও গণতন্ত্রকামী, স্বাধীনতাপ্রিয় দেশবাসীকে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর শুভেচ্ছা জানাই।’&lt;/p&gt;&lt;p&gt;সূত্র : বাসস&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;i&gt;এবি&amp;nbsp;&lt;/i&gt;&lt;/p&gt;</description>
			<description><![CDATA[<img src="https://www.somoyerkonthosor.com.ambalamedia.com/admin/post_image/Screenshot 2026-09-01 083105-6a963aa1f2a8d.webp" width="200" /><br>&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, দেশের গণতন্ত্রকামী জনগণই বিএনপির সব রাজনৈতিক ক্ষমতার উৎস। বিএনপির অপর নাম- একটি জনকল্যাণমূলক, গণতান্ত্রিক ও স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ার সংগ্রাম।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে দেওয়া এক বাণীতে সোমবার (৩১ আগস্ট) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এসব কথা বলেন।&amp;nbsp;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে দেওয়া বাণীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মী, শুভানুধ্যায়ী এবং দেশবাসীকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির সাহস, সংগ্রাম, ত্যাগ আর সাফল্যের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে দিনটি বাংলাদেশি মানুষের জন্য আনন্দ, উদ্দীপনা ও প্রেরণার।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;বাণীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ১৯৭৮ সালের এই দিনে বিকেলে ঢাকার রমনা বটমূলের খোলা চত্বরে (রমনা রেস্তোরাঁ প্রাঙ্গণে) বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক, সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমান বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। বাংলাদেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার ইতিহাসে বিএনপির প্রতিষ্ঠা ছিল একটি যুগান্তকারী ঘটনা।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;তিনি বলেন, মানুষের বাকস্বাধীনতা, ব্যক্তিস্বাধীনতা এবং গণতন্ত্রের পথ রুদ্ধ করে ১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারি অভিশপ্ত একদলীয় ‘বাকশাল’ প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল। রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে এসে প্রথমেই দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেছিলেন। নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দলগুলোর রাজনীতি করার অধিকার ফিরিয়ে দিয়েছিলেন। এরই ধারাবাহিকতায় সময়ের প্রয়োজনে নতুন রাজনৈতিক দল বিএনপি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। ফলে, বাংলাদেশে বহুমাত্রিক গণতন্ত্রের নতুন করে পথচলা শুরু হয়।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এই দিনে স্বাধীনতার ঘোষক, রাষ্ট্রনায়ক ও আধুনিক বাংলাদেশের রূপকার শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে বিনম্র শ্রদ্ধায় স্মরণ করেন তারেক রহমান।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;একই সঙ্গে তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন মরহুমা খালেদা জিয়াকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। তিনি বলেন, বেগম খালেদা জিয়া তার সম্মোহনী ব্যক্তিত্ব ও নেতৃত্ব দিয়ে বিএনপিকে বাংলাদেশের প্রতিটি ঘরে পৌঁছে দিয়েছিলেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, গণতন্ত্র কিংবা সুশাসন প্রতিষ্ঠাই নয়, দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষায়ও জনগণকে সঙ্গে নিয়ে বিএনপি অতন্দ্র প্রহরীর ভূমিকা পালন করেছে। দেশে যতবারই স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং গণতন্ত্র হুমকির সম্মুখীন হয়েছে, ততবারই গণতন্ত্রকামী জনগণকে সঙ্গে নিয়ে বিএনপির নেতাকর্মী, শুভার্থী ও সমর্থকগণ অকাতরে জীবন বিলিয়ে দিয়েছেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;তিনি বলেন, দেশে গণতন্ত্র এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে বিএনপি প্রতিষ্ঠার পর থেকে আজ পর্যন্ত যারা প্রাণোৎসর্গ করেছেন, আহত হয়েছেন, তিনি সব পর্যায়ের সেই নেতাকর্মীর অবদানকেও গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;বাণীতে তিনি বলেন, দেশে যতবারই জনগণ নির্ভয়ে অবাধ এবং সুষ্ঠু নির্বাচনে ভোট দেওয়ার সুযোগ পেয়েছে, ততবারই বিএনপি রাষ্ট্র পরিচালনার সুযোগ পেয়েছে। বিভিন্ন মেয়াদে সরকার পরিচালনার সময় দেশে গণতন্ত্রকে শক্তিশালী ও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার লক্ষ্যে সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রবর্তন, নারীশিক্ষার প্রসারসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ বিএনপি সরকারের আমলে নেওয়া হয়েছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;দেশে গণতন্ত্র সমুন্নত রাখা ও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির জন্য বিএনপির উদ্যম ও উদ্যোগের ফলে দলটি দেশবাসীর কাছে এখন সর্বাধিক জনপ্রিয় রাজনৈতিক দল।&amp;nbsp;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;তারেক রহমান বলেন, দীর্ঘ দেড় দশকের ফ্যাসিবাদী শাসন-শোষণের অবসানের পর একটি অবাধ, সুষ্ঠু এবং নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে দেশের জনগণ আবারও বিএনপিকে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছে। দেশের জনগণের কাছে জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার মাধ্যমেই বিএনপি জনগণের ভালোবাসার প্রতিদান দিতে চায়। সেই লক্ষ্যেই বাংলাদেশকে একটি জনকল্যাণমূলক রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠার জন্য বিএনপি সরকার নিরলসভাবে কাজ করে চলছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;তিনি বলেন, জনগণের আস্থা ও বিশ্বাস অক্ষুণ্ন রেখে বিএনপির প্রতিটি নেতাকর্মী, সমর্থক ও শুভার্থী দেশমাতৃকার সেবায় নিজেদের নিবেদন করে আগামী দিনগুলোতেও বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখবে, ইনশাআল্লাহ।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;‘বিএনপি বিশ্বাস করে, দেশের গণতন্ত্রকামী জনগণই বিএনপির সব রাজনৈতিক ক্ষমতার উৎস। বিএনপির অপর নাম- একটি জনকল্যাণমূলক, গণতান্ত্রিক ও স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ার সংগ্রাম। বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এই দিনে আমি আবারও গণতন্ত্রকামী, স্বাধীনতাপ্রিয় দেশবাসীকে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর শুভেচ্ছা জানাই।’&lt;/p&gt;&lt;p&gt;সূত্র : বাসস&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;i&gt;এবি&amp;nbsp;&lt;/i&gt;&lt;/p&gt;]]></description>
			<pubDate>2026-09-01 08:39:13</pubDate>
		</item>
				<item>
			<guid>122355</guid>
			<link>https://www.somoyerkonthosor.com.ambalamedia.com/post/2026/09/01/6a963887a7b17</link>
			<title>মেসিকে ডি মারিয়ার বিদায় বার্তা, ‘ধন্যবাদ, কালজয়ী অধিনায়ক’</title>
			<image>https://www.somoyerkonthosor.com.ambalamedia.com/admin/post_image/Screenshot 2026-09-01 082840-6a9638646dde5.webp</image>
			<description>&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;​লিওনেল মেসি আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষণা দেওয়ার পর তার উদ্দেশ্যে এক শ্রদ্ধাপূর্ণ বার্তা পাঠিয়েছেন অ্যাঞ্জেল ডি মারিয়া।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;​আর্জেন্টিনার এই ফুটবল কিংবদন্তি মেসির বিদায়ী বার্তাটি নিজের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে শেয়ার করে উপরে লিখেছেন, ‘ধন্যবাদ, কালজয়ী অধিনায়ক।’ ডি মারিয়া এবং মেসি ২০২২ সালে একসঙ্গে বিশ্বকাপ জয় করেন।&amp;nbsp;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;এর আগে ২০২১ সালে কোপা আমেরিকা এবং পরবর্তীতে ২০২৪ সালে আরও একটি কোপা আমেরিকা ট্রফি অর্জনের গৌরব ভাগ করে নেন তারা।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;২০২৪ সালের সেই কোপা আমেরিকা জয়ের পরেই ডি মারিয়া নিজেও আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানিয়েছিলেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;ইনস্টাগ্রামে দেওয়া মেসি অবসরের বার্তায় লিখেছেন, ‘ফাইনালে খেলার পর এতগুলো দিন কেটে যাওয়ার পর এবং দীর্ঘ চিন্তাভাবনার পর, আমি সবাইকে জানাতে চাই যে আমি জাতীয় দল থেকে অবসর নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’&lt;/p&gt;&lt;p&gt;​তিনি আরও যোগ করেন, ‘এটি অত্যন্ত কষ্টদায়ক একটি সিদ্ধান্ত ছিল এবং এখনও আমার হৃদয়ের গভীরে আঘাত করছে, তবে আমি অনুধাবন করতে পারছি যে উপযুক্ত সময় এসে গেছে।&amp;nbsp;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;তিনি বলেন, আমি আপনাদের কসম খেয়ে বলছি, আমি সবসময় আমার সর্বস্ব দিয়ে খেলেছি। কেবল সাম্প্রতিক বছরগুলোতে নয় যখন আমরা সবকিছু জিতেছি, বরং তার আগের দিনগুলোতেও। আমি সবসময় লড়াই করেছি এবং এই জার্সিটার জন্য আমার সবটুকু উজার করে দিয়েছি, যাতে ফুটবলের মাধ্যমে আপনাদের মুখে হাসি ফোটাতে পারি এবং একজন আর্জেন্টাইন হিসেবে গর্বিত অনুভব করাতে পারি।’&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;i&gt;এবি&amp;nbsp;&amp;nbsp;&lt;/i&gt;&lt;/p&gt;</description>
			<description><![CDATA[<img src="https://www.somoyerkonthosor.com.ambalamedia.com/admin/post_image/Screenshot 2026-09-01 082840-6a9638646dde5.webp" width="200" /><br>&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;​লিওনেল মেসি আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষণা দেওয়ার পর তার উদ্দেশ্যে এক শ্রদ্ধাপূর্ণ বার্তা পাঠিয়েছেন অ্যাঞ্জেল ডি মারিয়া।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;​আর্জেন্টিনার এই ফুটবল কিংবদন্তি মেসির বিদায়ী বার্তাটি নিজের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে শেয়ার করে উপরে লিখেছেন, ‘ধন্যবাদ, কালজয়ী অধিনায়ক।’ ডি মারিয়া এবং মেসি ২০২২ সালে একসঙ্গে বিশ্বকাপ জয় করেন।&amp;nbsp;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;এর আগে ২০২১ সালে কোপা আমেরিকা এবং পরবর্তীতে ২০২৪ সালে আরও একটি কোপা আমেরিকা ট্রফি অর্জনের গৌরব ভাগ করে নেন তারা।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;২০২৪ সালের সেই কোপা আমেরিকা জয়ের পরেই ডি মারিয়া নিজেও আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানিয়েছিলেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;ইনস্টাগ্রামে দেওয়া মেসি অবসরের বার্তায় লিখেছেন, ‘ফাইনালে খেলার পর এতগুলো দিন কেটে যাওয়ার পর এবং দীর্ঘ চিন্তাভাবনার পর, আমি সবাইকে জানাতে চাই যে আমি জাতীয় দল থেকে অবসর নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’&lt;/p&gt;&lt;p&gt;​তিনি আরও যোগ করেন, ‘এটি অত্যন্ত কষ্টদায়ক একটি সিদ্ধান্ত ছিল এবং এখনও আমার হৃদয়ের গভীরে আঘাত করছে, তবে আমি অনুধাবন করতে পারছি যে উপযুক্ত সময় এসে গেছে।&amp;nbsp;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;তিনি বলেন, আমি আপনাদের কসম খেয়ে বলছি, আমি সবসময় আমার সর্বস্ব দিয়ে খেলেছি। কেবল সাম্প্রতিক বছরগুলোতে নয় যখন আমরা সবকিছু জিতেছি, বরং তার আগের দিনগুলোতেও। আমি সবসময় লড়াই করেছি এবং এই জার্সিটার জন্য আমার সবটুকু উজার করে দিয়েছি, যাতে ফুটবলের মাধ্যমে আপনাদের মুখে হাসি ফোটাতে পারি এবং একজন আর্জেন্টাইন হিসেবে গর্বিত অনুভব করাতে পারি।’&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;i&gt;এবি&amp;nbsp;&amp;nbsp;&lt;/i&gt;&lt;/p&gt;]]></description>
			<pubDate>2026-09-01 08:29:27</pubDate>
		</item>
				<item>
			<guid>122354</guid>
			<link>https://www.somoyerkonthosor.com.ambalamedia.com/post/2026/09/01/6a96374e9e885</link>
			<title>৬ জেলায় ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়ার আভাস</title>
			<image>https://www.somoyerkonthosor.com.ambalamedia.com/admin/post_image/Screenshot 2026-06-22 085959-6a96372e89b82.webp</image>
			<description>&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;দেশের ছয়টি জেলায় দুপুরের মধ্যে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। এ কারণে এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর ভোর ৫টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেওয়া পূর্বাভাসে এ তথ্য জানিয়েছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার অঞ্চলের ওপর দিয়ে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। একইসঙ্গে এসব এলাকায় বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এ কারণে এসব এলাকার নদীবন্দরকে ১ নম্বর সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। এসব ঝোড়ো হাওয়া দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে আসতে পারে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;এদিকে, আজ সকাল ৭টা থেকে পরবর্তী ৬ ঘণ্টার জন্য ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আবহাওয়ার পূর্বাভাসেও বৃষ্টির আভাস দেওয়া হয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, এ সময়ে আকাশ আংশিক মেঘলা থেকে মেঘলা থাকতে পারে। কোথাও কোথাও বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ১০ থেকে ১৫ কিলোমিটার বেগে বাতাস প্রবাহিত হতে পারে। দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, আজ সকাল ৬টায় ঢাকায় তাপমাত্রা ছিল ২৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৮৩ শতাংশ। সোমবার ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৩ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আজকের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৭ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকায় ১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;আজ সূর্যাস্ত হবে সন্ধ্যা ৬টা ১৭ মিনিটে এবং আগামীকাল সূর্যোদয় হবে ভোর ৫টা ৪০ মিনিটে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;অন্যদিকে, সোমবার রাতে আবহাওয়া অধিদপ্তর থেকে প্রকাশিত সারাদেশের সম্ভাব্য পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আজ সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত রংপুর, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী, ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে। এ সময়ে সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে বলেও জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;i&gt;এবি&amp;nbsp;&lt;/i&gt;&lt;/p&gt;</description>
			<description><![CDATA[<img src="https://www.somoyerkonthosor.com.ambalamedia.com/admin/post_image/Screenshot 2026-06-22 085959-6a96372e89b82.webp" width="200" /><br>&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;দেশের ছয়টি জেলায় দুপুরের মধ্যে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। এ কারণে এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর ভোর ৫টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেওয়া পূর্বাভাসে এ তথ্য জানিয়েছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার অঞ্চলের ওপর দিয়ে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। একইসঙ্গে এসব এলাকায় বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এ কারণে এসব এলাকার নদীবন্দরকে ১ নম্বর সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। এসব ঝোড়ো হাওয়া দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে আসতে পারে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;এদিকে, আজ সকাল ৭টা থেকে পরবর্তী ৬ ঘণ্টার জন্য ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আবহাওয়ার পূর্বাভাসেও বৃষ্টির আভাস দেওয়া হয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, এ সময়ে আকাশ আংশিক মেঘলা থেকে মেঘলা থাকতে পারে। কোথাও কোথাও বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ১০ থেকে ১৫ কিলোমিটার বেগে বাতাস প্রবাহিত হতে পারে। দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, আজ সকাল ৬টায় ঢাকায় তাপমাত্রা ছিল ২৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৮৩ শতাংশ। সোমবার ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৩ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আজকের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৭ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকায় ১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;আজ সূর্যাস্ত হবে সন্ধ্যা ৬টা ১৭ মিনিটে এবং আগামীকাল সূর্যোদয় হবে ভোর ৫টা ৪০ মিনিটে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;অন্যদিকে, সোমবার রাতে আবহাওয়া অধিদপ্তর থেকে প্রকাশিত সারাদেশের সম্ভাব্য পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আজ সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত রংপুর, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী, ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে। এ সময়ে সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে বলেও জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;i&gt;এবি&amp;nbsp;&lt;/i&gt;&lt;/p&gt;]]></description>
			<pubDate>2026-09-01 08:24:14</pubDate>
		</item>
				<item>
			<guid>122369</guid>
			<link>https://www.somoyerkonthosor.com.ambalamedia.com/post/2026/09/01/6a965ce5c795e</link>
			<title>বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ</title>
			<image>https://www.somoyerkonthosor.com.ambalamedia.com/admin/post_image/New Project (1)-6a965cca41493.webp</image>
			<description>&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ। ১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দলটি প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি ছিলেন দলের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;১৯৭৫ সালে একদলীয় বাকশাল প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে দেশে যে রাজনৈতিক শূন্যতা সৃষ্টি করা হয়েছিল, তা পূরণে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর ঢাকার রমনা বটমূলে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি নামের একটি নতুন রাজনৈতিক দল গঠন করেন মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও স্বাধীনতার ঘোষক তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;দেশকে সমৃদ্ধ ও মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তনে নেওয়া নানা কর্মসূচির মাধ্যমে দ্রুতই জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। তাঁর ১৯ দফা কর্মসূচি ছিল সমৃদ্ধ দেশ গঠনে যুগান্তকারী পদক্ষেপ। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ এবং দূরদর্শী বিভিন্ন কর্মসূচি তাঁকে দেশবাসীর কাছে ভীষণ জনপ্রিয় করে তোলে।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;দেশের স্বাধীনতার জন্য বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান জাতিকে উজ্জীবিত করেছিলেন। ছাত্র, শিক্ষক, কৃষক ও শ্রমিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষকে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণে তিনি প্রেরণা জুগিয়েছিলেন। তিনি স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্বের সুরক্ষা ও গণতন্ত্র- এই তিনটি প্রত্যয় সামনে রেখে বিএনপি প্রতিষ্ঠা করেন। এ চেতনাকে ধারণ করে তিনি দেশকে উন্নয়ন ও উৎপাদনের পথে এগিয়ে নিয়ে যান।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে এক বাণীতে বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মী, শুভানুধ্যায়ী এবং দেশবাসীকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;তিনি বলেন, বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি’র সাহস, সংগ্রাম, ত্যাগ আর সাফল্যের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে দিনটি বাংলাদেশের মানুষের জন্য আনন্দ, উদ্দীপনা ও প্রেরণার।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;বাণীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ১৯৭৮ সালের এই দিনে এক শুভ বিকেলে ঢাকার রমনা বটমূলের খোলা চত্বরে (রমনা রেস্তোরাঁ প্রাঙ্গণে) বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক, সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমান বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। বাংলাদেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার ইতিহাসে বিএনপির প্রতিষ্ঠা ছিল একটি যুগান্তকারী ঘটনা।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;তিনি বলেন, মানুষের বাকস্বাধীনতা, ব্যক্তিস্বাধীনতা এবং গণতন্ত্রের পথ রুদ্ধ করে ১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারি অভিশপ্ত একদলীয় ‘বাকশাল’ প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল। রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে এসে প্রথমেই দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেছিলেন। নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দলগুলোর রাজনীতি করার অধিকার ফিরিয়ে দিয়েছিলেন। এরই ধারাবাহিকতায় সময়ের প্রয়োজনে নতুন রাজনৈতিক দল বিএনপি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। ফলে, বাংলাদেশে বহুমাত্রিক গণতন্ত্রের নতুন করে পথচলা শুরু হয়।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এই দিনে স্বাধীনতার মহান ঘোষক, সফল রাষ্ট্রনায়ক ও আধুনিক বাংলাদেশের রূপকার শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে বিনম্র শ্রদ্ধায় স্মরণ করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;একই সঙ্গে তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপার্সন মরহুমা বেগম খালেদা জিয়াকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। তিনি বলেন, বেগম খালেদা জিয়া তাঁর সম্মোহনী ব্যক্তিত্ব ও নেতৃত্ব দিয়ে বিএনপিকে বাংলাদেশের প্রতিটি ঘরে পৌঁছে দিয়েছিলেন।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, গণতন্ত্র কিংবা সুশাসন প্রতিষ্ঠাই নয়, দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষায়ও জনগণকে সঙ্গে নিয়ে বিএনপি অতন্দ্র প্রহরীর ভূমিকা পালন করেছে। দেশে যতবারই স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং গণতন্ত্র হুমকির সম্মুখীন হয়েছে, ততবারই গণতন্ত্রকামী জনগণকে সঙ্গে নিয়ে বিএনপির নেতাকর্মী, শুভার্থী ও সমর্থকগণ অকাতরে জীবন বিলিয়ে দিয়েছেন।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;দেশে গণতন্ত্র এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে বিএনপি প্রতিষ্ঠার পর থেকে আজ পর্যন্ত যাঁরা প্রাণোৎসর্গ করেছেন, আহত হয়েছেন, সেসব নেতাকর্মীর অবদানকেও গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করেন দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;তিনি বলেন, দেশে যতবারই জনগণ নির্ভয়ে অবাধ এবং সুষ্ঠু নির্বাচনে ভোট দেওয়ার সুযোগ পেয়েছে, ততবারই বিএনপি রাষ্ট্র পরিচালনার সুযোগ পেয়েছে। বিভিন্ন মেয়াদে সরকার পরিচালনার সময় দেশে গণতন্ত্রকে শক্তিশালী ও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার লক্ষ্যে সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রবর্তন, নারীশিক্ষার প্রসারসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ বিএনপি সরকারের আমলে নেওয়া হয়েছে।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;দেশে গণতন্ত্র সমুন্নত রাখা ও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির জন্য বিএনপির উদ্যম ও উদ্যোগের ফলে দলটি দেশবাসীর কাছে এখন সর্বাধিক জনপ্রিয় রাজনৈতিক দল।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেন, দীর্ঘ দেড় দশকের ফ্যাসিবাদী শাসন-শোষণের অবসানের পর একটি অবাধ, সুষ্ঠু এবং নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে দেশের জনগণ আবারও বিএনপিকে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছে। দেশের জনগণের কাছে জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার মাধ্যমেই বিএনপি জনগণের ভালোবাসার প্রতিদান দিতে চায়। সেই লক্ষ্যেই বাংলাদেশকে একটি জনকল্যাণমূলক রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠার জন্য বিএনপি সরকার নিরলসভাবে কাজ করে চলছে।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;তিনি বলেন, জনগণের আস্থা ও বিশ্বাস অক্ষুণ্ন রেখে বিএনপির প্রতিটি নেতাকর্মী, সমর্থক ও শুভার্থী দেশমাতৃকার সেবায় নিজেদের নিবেদন করে আগামী দিনগুলোতেও বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখবে, ইনশাআল্লাহ।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;দেশের গণতন্ত্রকামী জনগণই বিএনপির সকল রাজনৈতিক ক্ষমতার উৎস উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিএনপির অপর নাম একটি জনকল্যাণমূলক, গণতান্ত্রিক ও স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ার সংগ্রাম।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;এদিকে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে পাঁচ দিনব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করেছে দলটি। গত বুধবার বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;কর্মসূচির অংশ হিসেবে আজ ১ সেপ্টেম্বর সকাল ৬টায় বিএনপির নয়াপল্টনস্থ কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ দেশব্যাপী দলটির বিভিন্ন কার্যালয়ে দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়েছে।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে- আজ সকাল ৯টায় বিএনপি চেয়ারম্যান ও&amp;nbsp; প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবসহ দলের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ ও সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের মহান স্বাধীনতার ঘোষক, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা ও আধুনিক বাংলাদেশের রূপকার, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তম এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী ‘গণতন্ত্রের মা’ মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিস্থলে ফাতেহা পাঠ ও পুষ্পস্তবক অর্পণ ।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;আগামী ৫ সেপ্টেম্বর বেলা ৩টায় কৃষিবিদ ইন্সটিটিউশন-বাংলাদেশ মিলনায়তনে বিএনপি প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য ও তাৎপর্য শীর্ষক আলোচনা সভা হবে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। দলের জ্যেষ্ঠ নেতৃবৃন্দসহ দেশের বরেণ্য বুদ্ধিজীবীগণ এতে অংশগ্রহণ করবেন। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে পোস্টার প্রকাশ করা হবে।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;এছাড়া বৃক্ষরোপণ ও মৎস্য অবমুক্তকরণ কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। মৎস্য অবমুক্তকরণ কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেবেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল। বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেবেন দলের যুগ্ম মহাসচিব ও পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;অনুরূপভাবে আজ সারা দেশে জেলা ও মহানগর বিএনপি এবং এর ইউনিটগুলো দলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা এবং অন্যান্য কর্মসূচি পালন করছে।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;i&gt;ইখা&lt;/i&gt;&lt;/p&gt;</description>
			<description><![CDATA[<img src="https://www.somoyerkonthosor.com.ambalamedia.com/admin/post_image/New Project (1)-6a965cca41493.webp" width="200" /><br>&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ। ১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দলটি প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি ছিলেন দলের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;১৯৭৫ সালে একদলীয় বাকশাল প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে দেশে যে রাজনৈতিক শূন্যতা সৃষ্টি করা হয়েছিল, তা পূরণে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর ঢাকার রমনা বটমূলে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি নামের একটি নতুন রাজনৈতিক দল গঠন করেন মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও স্বাধীনতার ঘোষক তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;দেশকে সমৃদ্ধ ও মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তনে নেওয়া নানা কর্মসূচির মাধ্যমে দ্রুতই জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। তাঁর ১৯ দফা কর্মসূচি ছিল সমৃদ্ধ দেশ গঠনে যুগান্তকারী পদক্ষেপ। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ এবং দূরদর্শী বিভিন্ন কর্মসূচি তাঁকে দেশবাসীর কাছে ভীষণ জনপ্রিয় করে তোলে।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;দেশের স্বাধীনতার জন্য বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান জাতিকে উজ্জীবিত করেছিলেন। ছাত্র, শিক্ষক, কৃষক ও শ্রমিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষকে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণে তিনি প্রেরণা জুগিয়েছিলেন। তিনি স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্বের সুরক্ষা ও গণতন্ত্র- এই তিনটি প্রত্যয় সামনে রেখে বিএনপি প্রতিষ্ঠা করেন। এ চেতনাকে ধারণ করে তিনি দেশকে উন্নয়ন ও উৎপাদনের পথে এগিয়ে নিয়ে যান।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে এক বাণীতে বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মী, শুভানুধ্যায়ী এবং দেশবাসীকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;তিনি বলেন, বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি’র সাহস, সংগ্রাম, ত্যাগ আর সাফল্যের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে দিনটি বাংলাদেশের মানুষের জন্য আনন্দ, উদ্দীপনা ও প্রেরণার।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;বাণীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ১৯৭৮ সালের এই দিনে এক শুভ বিকেলে ঢাকার রমনা বটমূলের খোলা চত্বরে (রমনা রেস্তোরাঁ প্রাঙ্গণে) বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক, সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমান বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। বাংলাদেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার ইতিহাসে বিএনপির প্রতিষ্ঠা ছিল একটি যুগান্তকারী ঘটনা।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;তিনি বলেন, মানুষের বাকস্বাধীনতা, ব্যক্তিস্বাধীনতা এবং গণতন্ত্রের পথ রুদ্ধ করে ১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারি অভিশপ্ত একদলীয় ‘বাকশাল’ প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল। রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে এসে প্রথমেই দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেছিলেন। নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দলগুলোর রাজনীতি করার অধিকার ফিরিয়ে দিয়েছিলেন। এরই ধারাবাহিকতায় সময়ের প্রয়োজনে নতুন রাজনৈতিক দল বিএনপি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। ফলে, বাংলাদেশে বহুমাত্রিক গণতন্ত্রের নতুন করে পথচলা শুরু হয়।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এই দিনে স্বাধীনতার মহান ঘোষক, সফল রাষ্ট্রনায়ক ও আধুনিক বাংলাদেশের রূপকার শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে বিনম্র শ্রদ্ধায় স্মরণ করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;একই সঙ্গে তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপার্সন মরহুমা বেগম খালেদা জিয়াকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। তিনি বলেন, বেগম খালেদা জিয়া তাঁর সম্মোহনী ব্যক্তিত্ব ও নেতৃত্ব দিয়ে বিএনপিকে বাংলাদেশের প্রতিটি ঘরে পৌঁছে দিয়েছিলেন।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, গণতন্ত্র কিংবা সুশাসন প্রতিষ্ঠাই নয়, দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষায়ও জনগণকে সঙ্গে নিয়ে বিএনপি অতন্দ্র প্রহরীর ভূমিকা পালন করেছে। দেশে যতবারই স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং গণতন্ত্র হুমকির সম্মুখীন হয়েছে, ততবারই গণতন্ত্রকামী জনগণকে সঙ্গে নিয়ে বিএনপির নেতাকর্মী, শুভার্থী ও সমর্থকগণ অকাতরে জীবন বিলিয়ে দিয়েছেন।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;দেশে গণতন্ত্র এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে বিএনপি প্রতিষ্ঠার পর থেকে আজ পর্যন্ত যাঁরা প্রাণোৎসর্গ করেছেন, আহত হয়েছেন, সেসব নেতাকর্মীর অবদানকেও গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করেন দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;তিনি বলেন, দেশে যতবারই জনগণ নির্ভয়ে অবাধ এবং সুষ্ঠু নির্বাচনে ভোট দেওয়ার সুযোগ পেয়েছে, ততবারই বিএনপি রাষ্ট্র পরিচালনার সুযোগ পেয়েছে। বিভিন্ন মেয়াদে সরকার পরিচালনার সময় দেশে গণতন্ত্রকে শক্তিশালী ও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার লক্ষ্যে সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রবর্তন, নারীশিক্ষার প্রসারসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ বিএনপি সরকারের আমলে নেওয়া হয়েছে।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;দেশে গণতন্ত্র সমুন্নত রাখা ও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির জন্য বিএনপির উদ্যম ও উদ্যোগের ফলে দলটি দেশবাসীর কাছে এখন সর্বাধিক জনপ্রিয় রাজনৈতিক দল।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেন, দীর্ঘ দেড় দশকের ফ্যাসিবাদী শাসন-শোষণের অবসানের পর একটি অবাধ, সুষ্ঠু এবং নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে দেশের জনগণ আবারও বিএনপিকে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছে। দেশের জনগণের কাছে জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার মাধ্যমেই বিএনপি জনগণের ভালোবাসার প্রতিদান দিতে চায়। সেই লক্ষ্যেই বাংলাদেশকে একটি জনকল্যাণমূলক রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠার জন্য বিএনপি সরকার নিরলসভাবে কাজ করে চলছে।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;তিনি বলেন, জনগণের আস্থা ও বিশ্বাস অক্ষুণ্ন রেখে বিএনপির প্রতিটি নেতাকর্মী, সমর্থক ও শুভার্থী দেশমাতৃকার সেবায় নিজেদের নিবেদন করে আগামী দিনগুলোতেও বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখবে, ইনশাআল্লাহ।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;দেশের গণতন্ত্রকামী জনগণই বিএনপির সকল রাজনৈতিক ক্ষমতার উৎস উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিএনপির অপর নাম একটি জনকল্যাণমূলক, গণতান্ত্রিক ও স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ার সংগ্রাম।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;এদিকে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে পাঁচ দিনব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করেছে দলটি। গত বুধবার বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;কর্মসূচির অংশ হিসেবে আজ ১ সেপ্টেম্বর সকাল ৬টায় বিএনপির নয়াপল্টনস্থ কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ দেশব্যাপী দলটির বিভিন্ন কার্যালয়ে দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়েছে।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে- আজ সকাল ৯টায় বিএনপি চেয়ারম্যান ও&amp;nbsp; প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবসহ দলের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ ও সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের মহান স্বাধীনতার ঘোষক, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা ও আধুনিক বাংলাদেশের রূপকার, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তম এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী ‘গণতন্ত্রের মা’ মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিস্থলে ফাতেহা পাঠ ও পুষ্পস্তবক অর্পণ ।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;আগামী ৫ সেপ্টেম্বর বেলা ৩টায় কৃষিবিদ ইন্সটিটিউশন-বাংলাদেশ মিলনায়তনে বিএনপি প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য ও তাৎপর্য শীর্ষক আলোচনা সভা হবে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। দলের জ্যেষ্ঠ নেতৃবৃন্দসহ দেশের বরেণ্য বুদ্ধিজীবীগণ এতে অংশগ্রহণ করবেন। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে পোস্টার প্রকাশ করা হবে।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;এছাড়া বৃক্ষরোপণ ও মৎস্য অবমুক্তকরণ কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। মৎস্য অবমুক্তকরণ কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেবেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল। বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেবেন দলের যুগ্ম মহাসচিব ও পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;অনুরূপভাবে আজ সারা দেশে জেলা ও মহানগর বিএনপি এবং এর ইউনিটগুলো দলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা এবং অন্যান্য কর্মসূচি পালন করছে।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;i&gt;ইখা&lt;/i&gt;&lt;/p&gt;]]></description>
			<pubDate>2026-09-01 11:32:29</pubDate>
		</item>
				<item>
			<guid>122353</guid>
			<link>https://www.somoyerkonthosor.com.ambalamedia.com/post/2026/09/01/6a95d6031ac8d</link>
			<title>জনগণের অধিকার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বিএনপি নিরলসভাবে কাজ করছে: রিজভী</title>
			<image>https://www.somoyerkonthosor.com.ambalamedia.com/admin/post_image/rizvi33-698b394e363c6.webp</image>
			<description>&lt;p&gt;&lt;p&gt;বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, জাতীয় স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের সুরক্ষা, গণতন্ত্রের প্রতিষ্ঠা ও জনগণের অধিকার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠার পর থেকেই বিএনপি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।&amp;nbsp;&lt;/p&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;বিএনপি’র ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আজ সোমবার দেওয়া এক বাণীতে এসব কথা বলেন তিনি।&amp;nbsp;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;রুহুল কবির রিজভী বলেন, আজ থেকে ৪৮ বছর আগে এই দিনে দেশের এক চরম ক্রান্তিকালে মহান স্বাধীনতার ঘোষক, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা, বীর রাষ্ট্রনায়ক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) প্রতিষ্ঠিত হয়। জাতীয় স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের সুরক্ষা, গণতন্ত্রের প্রতিষ্ঠা ও জনগণের অধিকার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠার পর থেকেই বিএনপি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। দলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এই শুভক্ষণে আমি মহান আল্লাহর দরবারে শহীদ জিয়াউর রহমানের রুহের মাগফিরাত কামনা করছি।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;তিনি বলেন, দেশ ও জাতির চরম সংকটকালে দুঃশাসনের বাতাবরণের মধ্যে অসীম সাহসিকতার সঙ্গে জুলুম-নির্যাতন সহ্য করেও দুর্বার আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমানের সহধর্মিনী, ‘গণতন্ত্রের মা’ দেশনেত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া। তাঁর প্রতি জানাই আমার আন্তরিক শ্রদ্ধা এবং তাঁর রুহের মাগফেরাত কামনা করছি। বিএনপি প্রতিষ্ঠার পর থেকে এ পর্যন্ত যেসব নেতাকর্মী দলের জন্য আত্মত্যাগ করেছেন, তাঁদের প্রতিও জানাই গভীর শ্রদ্ধা। এই শুভদিনে আমি দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মী, সমর্থক, শুভানুধ্যায়ী এবং দেশবাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাই।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ’ ও বহুদলীয় গণতন্ত্র বিএনপির মূল আদর্শ। বিএনপি প্রতিষ্ঠাকালীন শহীদ জিয়াউর রহমান&amp;nbsp; প্রণীত ১৯ দফা কর্মসূচি দলের রাজনৈতিক, সামাজিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের মূল ভিত্তি। দলের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ জিয়াউর রহমানের আদর্শ ও দর্শনের ভিত্তিতে ‘বাংলাদেশী পরিচয়’কে প্রতিটি দেশপ্রেমিক নাগরিকের মর্যাদার ভিত্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা, স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং জনগণের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করাই বিএনপির প্রধান লক্ষ্য।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;রুহুল কবির রিজভী বলেন, বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এই মহান দিনে আমি দলের সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের গণতন্ত্রের পথচলা অব্যাহত রাখা ও জনগণের অধিকার স্বেচ্ছাচারী কোন শক্তি আর যেন কখনোই কেউ হরণ করতে না পারে সেজন্য ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানাচ্ছি।&amp;nbsp;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;তিনি বলেন, দীর্ঘদিনের গণতন্ত্রহীনতা ও স্বৈরাচারী শাসনের অবসান ঘটিয়ে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের ঐতিহাসিক ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে গত ১২ ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনে যে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হয়েছে তাতে জনগণের প্রত্যাশা পুরণে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। আমি তাঁর সার্বিক সাফল্য কামনা করছি। জনগণের জানমালের নিরাপত্তা বিধানের পাশাপাশি রাষ্ট্র ও সমাজে আইনের শাসন, ন্যায়বিচার, মানবিক মর্যাদা এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠাকল্পে বিএনপি তার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে আন্তরিকভাবে কাজ করছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেন, জনগণের মতামত ও ভোটাধিকারকে বিএনপি সবসময় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়। জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার নিশ্চিত করা বিএনপির অঙ্গীকার। একই সঙ্গে দেশের অর্থনীতি, প্রশাসন, বিচারব্যবস্থা ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে একটি জবাবদিহিমূলক ও জনকল্যাণমুখী রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তুলতেও বিএনপি সরকার একযোগে কাজ করে যাচ্ছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;তিনি বলেন, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা, গণতন্ত্রের বিকাশ এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠাই বিএনপির রাজনীতির মূল লক্ষ্য। ক্ষুধা, দারিদ্র্য, বেকারত্ব, বৈষম্য ও সামাজিক অনাচার দূর করে একটি সমৃদ্ধ, মানবিক ও ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার জন্য জনাব তারেক রহমানের সার্বিক পরিকল্পনা আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে। একই সঙ্গে রাষ্ট্র ও সমাজে গণতান্ত্রিক চেতনার বিকাশ এবং জনগণের মৌলিক অধিকার সুরক্ষায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে বিএনপি।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বলেন, বিএনপি জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে সবসময় তাদের অধিকার ও কল্যাণের জন্য কাজ করেছে। বিএনপি রাষ্ট্রের কৃষক, শ্রমিক, শিক্ষক, ব্যবসায়ী, পেশাজীবী এবং নারী ও শিশুসহ সমাজের সর্বস্তরের মানুষের সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে অঙ্গীকারবদ্ধ। দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, গণতন্ত্র ও জনগণের অধিকার রক্ষায় বিএনপি কখনোই পিছপা হবে না।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;রুহুল কবির রিজভী বলেন, প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এই শুভদিনে আমি বিএনপির সর্বস্তরের নেতাকর্মী এবং দেশবাসীর প্রতি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির পতাকাতলে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানাই। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শ ও দেশনেত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার গণতান্ত্রিক সংগ্রামের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে একটি স্বাধীন, সার্বভৌম, গণতান্ত্রিক, সমৃদ্ধ ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানাচ্ছি।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;i&gt;এইচএসএস&lt;/i&gt;&lt;/p&gt;</description>
			<description><![CDATA[<img src="https://www.somoyerkonthosor.com.ambalamedia.com/admin/post_image/rizvi33-698b394e363c6.webp" width="200" /><br>&lt;p&gt;&lt;p&gt;বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, জাতীয় স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের সুরক্ষা, গণতন্ত্রের প্রতিষ্ঠা ও জনগণের অধিকার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠার পর থেকেই বিএনপি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।&amp;nbsp;&lt;/p&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;বিএনপি’র ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আজ সোমবার দেওয়া এক বাণীতে এসব কথা বলেন তিনি।&amp;nbsp;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;রুহুল কবির রিজভী বলেন, আজ থেকে ৪৮ বছর আগে এই দিনে দেশের এক চরম ক্রান্তিকালে মহান স্বাধীনতার ঘোষক, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা, বীর রাষ্ট্রনায়ক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) প্রতিষ্ঠিত হয়। জাতীয় স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের সুরক্ষা, গণতন্ত্রের প্রতিষ্ঠা ও জনগণের অধিকার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠার পর থেকেই বিএনপি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। দলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এই শুভক্ষণে আমি মহান আল্লাহর দরবারে শহীদ জিয়াউর রহমানের রুহের মাগফিরাত কামনা করছি।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;তিনি বলেন, দেশ ও জাতির চরম সংকটকালে দুঃশাসনের বাতাবরণের মধ্যে অসীম সাহসিকতার সঙ্গে জুলুম-নির্যাতন সহ্য করেও দুর্বার আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমানের সহধর্মিনী, ‘গণতন্ত্রের মা’ দেশনেত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া। তাঁর প্রতি জানাই আমার আন্তরিক শ্রদ্ধা এবং তাঁর রুহের মাগফেরাত কামনা করছি। বিএনপি প্রতিষ্ঠার পর থেকে এ পর্যন্ত যেসব নেতাকর্মী দলের জন্য আত্মত্যাগ করেছেন, তাঁদের প্রতিও জানাই গভীর শ্রদ্ধা। এই শুভদিনে আমি দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মী, সমর্থক, শুভানুধ্যায়ী এবং দেশবাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাই।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ’ ও বহুদলীয় গণতন্ত্র বিএনপির মূল আদর্শ। বিএনপি প্রতিষ্ঠাকালীন শহীদ জিয়াউর রহমান&amp;nbsp; প্রণীত ১৯ দফা কর্মসূচি দলের রাজনৈতিক, সামাজিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের মূল ভিত্তি। দলের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ জিয়াউর রহমানের আদর্শ ও দর্শনের ভিত্তিতে ‘বাংলাদেশী পরিচয়’কে প্রতিটি দেশপ্রেমিক নাগরিকের মর্যাদার ভিত্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা, স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং জনগণের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করাই বিএনপির প্রধান লক্ষ্য।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;রুহুল কবির রিজভী বলেন, বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এই মহান দিনে আমি দলের সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের গণতন্ত্রের পথচলা অব্যাহত রাখা ও জনগণের অধিকার স্বেচ্ছাচারী কোন শক্তি আর যেন কখনোই কেউ হরণ করতে না পারে সেজন্য ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানাচ্ছি।&amp;nbsp;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;তিনি বলেন, দীর্ঘদিনের গণতন্ত্রহীনতা ও স্বৈরাচারী শাসনের অবসান ঘটিয়ে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের ঐতিহাসিক ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে গত ১২ ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনে যে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হয়েছে তাতে জনগণের প্রত্যাশা পুরণে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। আমি তাঁর সার্বিক সাফল্য কামনা করছি। জনগণের জানমালের নিরাপত্তা বিধানের পাশাপাশি রাষ্ট্র ও সমাজে আইনের শাসন, ন্যায়বিচার, মানবিক মর্যাদা এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠাকল্পে বিএনপি তার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে আন্তরিকভাবে কাজ করছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেন, জনগণের মতামত ও ভোটাধিকারকে বিএনপি সবসময় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়। জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার নিশ্চিত করা বিএনপির অঙ্গীকার। একই সঙ্গে দেশের অর্থনীতি, প্রশাসন, বিচারব্যবস্থা ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে একটি জবাবদিহিমূলক ও জনকল্যাণমুখী রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তুলতেও বিএনপি সরকার একযোগে কাজ করে যাচ্ছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;তিনি বলেন, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা, গণতন্ত্রের বিকাশ এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠাই বিএনপির রাজনীতির মূল লক্ষ্য। ক্ষুধা, দারিদ্র্য, বেকারত্ব, বৈষম্য ও সামাজিক অনাচার দূর করে একটি সমৃদ্ধ, মানবিক ও ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার জন্য জনাব তারেক রহমানের সার্বিক পরিকল্পনা আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে। একই সঙ্গে রাষ্ট্র ও সমাজে গণতান্ত্রিক চেতনার বিকাশ এবং জনগণের মৌলিক অধিকার সুরক্ষায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে বিএনপি।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বলেন, বিএনপি জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে সবসময় তাদের অধিকার ও কল্যাণের জন্য কাজ করেছে। বিএনপি রাষ্ট্রের কৃষক, শ্রমিক, শিক্ষক, ব্যবসায়ী, পেশাজীবী এবং নারী ও শিশুসহ সমাজের সর্বস্তরের মানুষের সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে অঙ্গীকারবদ্ধ। দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, গণতন্ত্র ও জনগণের অধিকার রক্ষায় বিএনপি কখনোই পিছপা হবে না।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;রুহুল কবির রিজভী বলেন, প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এই শুভদিনে আমি বিএনপির সর্বস্তরের নেতাকর্মী এবং দেশবাসীর প্রতি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির পতাকাতলে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানাই। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শ ও দেশনেত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার গণতান্ত্রিক সংগ্রামের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে একটি স্বাধীন, সার্বভৌম, গণতান্ত্রিক, সমৃদ্ধ ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানাচ্ছি।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;i&gt;এইচএসএস&lt;/i&gt;&lt;/p&gt;]]></description>
			<pubDate>2026-09-01 01:35:32</pubDate>
		</item>
				<item>
			<guid>122352</guid>
			<link>https://www.somoyerkonthosor.com.ambalamedia.com/post/2026/09/01/6a95d03f36770</link>
			<title>বিমানবন্দর এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় বিমানবাহিনীর ৩ সদস্য নিহত</title>
			<image>https://www.somoyerkonthosor.com.ambalamedia.com/admin/post_image/21046-6a95cff30b574.webp</image>
			<description>&lt;p&gt;রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর তিন সদস্য নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় বিমানবাহিনীর আরও এক সদস্য গুরুতর আহত হয়েছেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;সোমবার (৩১ আগস্ট) রাতে বিমানবন্দর এলাকায় এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল সামি-উদ-দৌলা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;দুর্ঘটনার কারণ এবং হতাহতদের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি। ঘটনাটি তদন্তে কাজ করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;b&gt;&lt;i&gt;এইচএসএস&lt;/i&gt;&lt;/b&gt;&lt;/p&gt;&lt;br&gt;</description>
			<description><![CDATA[<img src="https://www.somoyerkonthosor.com.ambalamedia.com/admin/post_image/21046-6a95cff30b574.webp" width="200" /><br>&lt;p&gt;রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর তিন সদস্য নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় বিমানবাহিনীর আরও এক সদস্য গুরুতর আহত হয়েছেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;সোমবার (৩১ আগস্ট) রাতে বিমানবন্দর এলাকায় এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল সামি-উদ-দৌলা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;দুর্ঘটনার কারণ এবং হতাহতদের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি। ঘটনাটি তদন্তে কাজ করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;b&gt;&lt;i&gt;এইচএসএস&lt;/i&gt;&lt;/b&gt;&lt;/p&gt;&lt;br&gt;]]></description>
			<pubDate>2026-09-01 01:04:31</pubDate>
		</item>
				<item>
			<guid>122351</guid>
			<link>https://www.somoyerkonthosor.com.ambalamedia.com/post/2026/08/31/6a95bf127047a</link>
			<title>মোহনপুরে সড়ক নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ, ঘুষের প্রস্তাব ঠিকাদার-কর্মকর্তার</title>
			<image>https://www.somoyerkonthosor.com.ambalamedia.com/admin/post_image/photo-output-6a95bedced9ba.webp</image>
			<description>&lt;p&gt;রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলার সইপারা থেকে গোল্লাপাড়া পর্যন্ত ৬ হাজার ৮৫০ মিটার রাস্তা পাকা করার কাজে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। নির্ধারিত দুই বছর মেয়াদের ৯ মাস পার হয়ে গেলেও কাজের তেমন কোনো অগ্রগতি নেই। উল্টো নিম্নমানের উপকরণ ব্যবহার করে দায়সারাভাবে কাজ চালানোর অভিযোগ করছেন ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, রাস্তার কাজে নিয়মকানুনের তোয়াক্কা না করে ব্যবহার করা হচ্ছে অত্যন্ত কমদামি ও নিম্নমানের ইট। অনেক জায়গায় ইটের খোয়ার বদলে ইট-পাথরের গুঁড়া ও রাবিশ দিয়ে গর্ত ভরাট করা হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দারা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, এভাবে কাজ চললে কিছুদিন যেতে না যেতেই রাস্তাটি আবার ভেঙে চুরে একাকার হয়ে যাবে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;এ বিষয়ে জানতে কাজের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান রাজশাহীর ভেরিপাড়া মোড়ের ঠিকাদার মামুনের ম্যানেজার শামীমের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি অনিয়মের বিষয়টি একপ্রকার স্বীকার করে বলেন, &quot;জিনিসপত্রের দাম অনেক বেশি, চাইলেই এত দামী জিনিস দিয়ে কাজ করা যায় না। তারপরেও চেষ্টা করবো ভালো জিনিস দেওয়ার।&quot;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;পরবর্তীতে ঠিকাদার মামুনের বক্তব্য নিতে রাজশাহীর ভেরিপাড়া মোড়ে অবস্থিত তাঁর কার্যালয়ে যান প্রতিবেদক। সেখানে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি ও মামুনের সহযোগীরা সাংবাদিকদের নিয়ে একের পর এক কুরুচিপূর্ণ ও বাজে মন্তব্য করতে থাকেন। একপর্যায়ে মামুনের এক সহযোগী ঔদ্ধত্য দেখিয়ে বলেন, &quot;ওসব ৪ আনার সাংবাদিক দিয়ে কি হবে? আমরা ঠিকাদাররাও খুব খারাপ।&quot; বক্তব্য সংগ্রহ শেষে প্রতিবেদক বেরিয়ে আসতে চাইলে তাঁরা নগদ অর্থ দিয়ে বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা চালান।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;দুর্নীতির এই জালে ঠিকাদারের পাশাপাশি স্থানীয় প্রকৌশল দপ্তরেরও জড়িত থাকার ইঙ্গিত মিলেছে। মোহনপুর উপজেলা এলজিইডির উপ-সহকারী প্রকৌশলী রিপন আলী সরকারের সঙ্গে এ বিষয়ে কথা বলতে গেলে তিনি কোনো ইতিবাচক পদক্ষেপ না নিয়ে উল্টো ঘুষের প্রসঙ্গ টেনে আনেন। তিনি বলেন, &quot;আপনি তো গেছিলেন মনে হয় মামুন ভাই টাকা দেয়নি? আমিতো বলে দিছিলাম টাকা দেওয়ার জন্য।&quot;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;সরকারি কর্মকর্তা হয়ে কীভাবে তিনি ঠিকাদারকে টাকা দেওয়ার পরামর্শ দেন—এমন প্রশ্নের স্পষ্ট জবাব জানতে আবার সশরীরে তাঁর অফিসে যাওয়া হলে বাঁধে নতুন নাটকীয়তা। তিনি মোহনপুর প্রেসক্লাবের সভাপতিসহ স্থানীয় কয়েকজন সাংবাদিককে অফিসে ডেকে আনেন এবং উক্ত অনিয়মের সংবাদটি প্রকাশ না করার অনুরোধ জানিয়ে প্রতিবেদককে মোটা অঙ্কের টাকার অফার দেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;সরকারি প্রকল্পের অর্থ নয়ছয় এবং ঠিকাদার ও কর্মকর্তার এমন প্রকাশ্য অনৈতিক প্রস্তাবের পর সইপারা-গোল্লাপাড়া এলাকার ক্ষুব্ধ জনতা অবিলম্বে এই কাজের সঠিক তদন্ত এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।&lt;/p&gt;&lt;br&gt;&lt;br&gt;&lt;b&gt;&lt;i&gt;এইচএসএস&lt;/i&gt;&lt;/b&gt;</description>
			<description><![CDATA[<img src="https://www.somoyerkonthosor.com.ambalamedia.com/admin/post_image/photo-output-6a95bedced9ba.webp" width="200" /><br>&lt;p&gt;রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলার সইপারা থেকে গোল্লাপাড়া পর্যন্ত ৬ হাজার ৮৫০ মিটার রাস্তা পাকা করার কাজে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। নির্ধারিত দুই বছর মেয়াদের ৯ মাস পার হয়ে গেলেও কাজের তেমন কোনো অগ্রগতি নেই। উল্টো নিম্নমানের উপকরণ ব্যবহার করে দায়সারাভাবে কাজ চালানোর অভিযোগ করছেন ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, রাস্তার কাজে নিয়মকানুনের তোয়াক্কা না করে ব্যবহার করা হচ্ছে অত্যন্ত কমদামি ও নিম্নমানের ইট। অনেক জায়গায় ইটের খোয়ার বদলে ইট-পাথরের গুঁড়া ও রাবিশ দিয়ে গর্ত ভরাট করা হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দারা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, এভাবে কাজ চললে কিছুদিন যেতে না যেতেই রাস্তাটি আবার ভেঙে চুরে একাকার হয়ে যাবে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;এ বিষয়ে জানতে কাজের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান রাজশাহীর ভেরিপাড়া মোড়ের ঠিকাদার মামুনের ম্যানেজার শামীমের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি অনিয়মের বিষয়টি একপ্রকার স্বীকার করে বলেন, &quot;জিনিসপত্রের দাম অনেক বেশি, চাইলেই এত দামী জিনিস দিয়ে কাজ করা যায় না। তারপরেও চেষ্টা করবো ভালো জিনিস দেওয়ার।&quot;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;পরবর্তীতে ঠিকাদার মামুনের বক্তব্য নিতে রাজশাহীর ভেরিপাড়া মোড়ে অবস্থিত তাঁর কার্যালয়ে যান প্রতিবেদক। সেখানে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি ও মামুনের সহযোগীরা সাংবাদিকদের নিয়ে একের পর এক কুরুচিপূর্ণ ও বাজে মন্তব্য করতে থাকেন। একপর্যায়ে মামুনের এক সহযোগী ঔদ্ধত্য দেখিয়ে বলেন, &quot;ওসব ৪ আনার সাংবাদিক দিয়ে কি হবে? আমরা ঠিকাদাররাও খুব খারাপ।&quot; বক্তব্য সংগ্রহ শেষে প্রতিবেদক বেরিয়ে আসতে চাইলে তাঁরা নগদ অর্থ দিয়ে বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা চালান।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;দুর্নীতির এই জালে ঠিকাদারের পাশাপাশি স্থানীয় প্রকৌশল দপ্তরেরও জড়িত থাকার ইঙ্গিত মিলেছে। মোহনপুর উপজেলা এলজিইডির উপ-সহকারী প্রকৌশলী রিপন আলী সরকারের সঙ্গে এ বিষয়ে কথা বলতে গেলে তিনি কোনো ইতিবাচক পদক্ষেপ না নিয়ে উল্টো ঘুষের প্রসঙ্গ টেনে আনেন। তিনি বলেন, &quot;আপনি তো গেছিলেন মনে হয় মামুন ভাই টাকা দেয়নি? আমিতো বলে দিছিলাম টাকা দেওয়ার জন্য।&quot;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;সরকারি কর্মকর্তা হয়ে কীভাবে তিনি ঠিকাদারকে টাকা দেওয়ার পরামর্শ দেন—এমন প্রশ্নের স্পষ্ট জবাব জানতে আবার সশরীরে তাঁর অফিসে যাওয়া হলে বাঁধে নতুন নাটকীয়তা। তিনি মোহনপুর প্রেসক্লাবের সভাপতিসহ স্থানীয় কয়েকজন সাংবাদিককে অফিসে ডেকে আনেন এবং উক্ত অনিয়মের সংবাদটি প্রকাশ না করার অনুরোধ জানিয়ে প্রতিবেদককে মোটা অঙ্কের টাকার অফার দেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;সরকারি প্রকল্পের অর্থ নয়ছয় এবং ঠিকাদার ও কর্মকর্তার এমন প্রকাশ্য অনৈতিক প্রস্তাবের পর সইপারা-গোল্লাপাড়া এলাকার ক্ষুব্ধ জনতা অবিলম্বে এই কাজের সঠিক তদন্ত এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।&lt;/p&gt;&lt;br&gt;&lt;br&gt;&lt;b&gt;&lt;i&gt;এইচএসএস&lt;/i&gt;&lt;/b&gt;]]></description>
			<pubDate>2026-08-31 23:51:14</pubDate>
		</item>
				<item>
			<guid>122350</guid>
			<link>https://www.somoyerkonthosor.com.ambalamedia.com/post/2026/08/31/6a95bcd670bff</link>
			<title>হত্যার আগে-পরে ৮০ বার ফোনালাপ হয় আসামিদের: পুলিশ</title>
			<image>https://www.somoyerkonthosor.com.ambalamedia.com/admin/post_image/SK NEWS-6a95bcb554cad.webp</image>
			<description>&lt;p style=&quot;text-align: justify; &quot;&gt;রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়ায় অবসরপ্রাপ্ত স্কুলশিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ তার পরিবারের চার সদস্যকে হত্যার ঘটনাটি ‘পূর্বপরিকল্পিত’ বলে নতুন তথ্য পেয়েছে পুলিশ। কল ডিটেইলস রেকর্ড (সিডিআর) পর্যালোচনায় দেখা গেছে, হত্যাকাণ্ডের আগে ও পরে ৮০ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তার দুই আসামি সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাস মোট ৮০ বার পরস্পরের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন।&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify; &quot;&gt;সোমবার (৩১ আগস্ট) বিকেলে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) উপকমিশনার সনাতন চক্রবর্তী এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, ঘটনার আগের ও পরের সময় মিলিয়ে দুই আসামির মধ্যে প্রতি ঘণ্টায় গড়ে একবার করে ফোনালাপের প্রমাণ মিলেছে, যা স্বাভাবিক নয়। এই অস্বাভাবিক যোগাযোগের কারণেই পুরো ঘটনাটি পূর্বপরিকল্পিত বলে তদন্তকারীদের কাছে প্রতীয়মান হচ্ছে। গ্রেপ্তার মুগ্ধ দাস ও সিদ্ধার্থ দাস সম্পর্কে চাচাতো ভাই।&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify; &quot;&gt;এদিকে আলোচিত এই হত্যাকাণ্ডের আগে-পরে বাড়ির ছাদে বসে নয়টি ইয়াবা সেবনের স্বীকারোক্তি দিলেও ডোপ টেস্টে আসামিদের শরীরে কোনো মাদকের অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। সনাতন চক্রবর্তী জানান, আদালতের নির্দেশে রংপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে গিয়ে আসামিদের প্রস্রাবের নমুনা সংগ্রহ করে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পরীক্ষা করা হয়। তবে পরীক্ষার প্রতিবেদনে তাদের শরীরে কোনো মাদক শনাক্ত হয়নি। এ বিষয়ে চিকিৎসাবিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, ইয়াবায় থাকা অ্যামফিটামিন বা মেথামফেটামিনজাতীয় উপাদান মানবদেহে নির্দিষ্ট সময় অতিবাহিত হওয়ার পর আর পরীক্ষায় ধরা পড়ে না।&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify; &quot;&gt;অন্যদিকে মামলার অধিকতর তদন্তের স্বার্থে গ্রেপ্তার সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তিন দিনের রিমান্ড আবেদন করে পুলিশ। তবে আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় দেওয়া আসামিদের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি এবং নতুন তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে বিচারক রিমান্ড নামঞ্জুর করেন। সোমবার বিকেলে রংপুরের চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মো. রফিকুল ইসলাম আসামিদের দুই দিন প্রতিদিন তিন ঘণ্টা করে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের আদেশ দেন।&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify; &quot;&gt;গত ২২ আগস্ট মাছুয়াপাড়ার নিজ বাড়ি থেকে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী, মেয়ে ও ছেলের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ওই ঘটনায় নিহত গণপতি চক্রবর্তীর বড় ভাই গোপীনাথ চক্রবর্তী বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় অজ্ঞাতপরিচয় আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন। পরবর্তীতে মামলাটির তদন্তভার থানা থেকে মহানগর ডিবিতে হস্তান্তর করা হয় এবং ডিবির পরিদর্শক জিন্নাত আলীকে নতুন তদন্ত কর্মকর্তার দায়িত্ব দেওয়া হয়।&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify; &quot;&gt;&lt;b&gt;&lt;i&gt;এনআই&lt;/i&gt;&lt;/b&gt;&lt;/p&gt;</description>
			<description><![CDATA[<img src="https://www.somoyerkonthosor.com.ambalamedia.com/admin/post_image/SK NEWS-6a95bcb554cad.webp" width="200" /><br>&lt;p style=&quot;text-align: justify; &quot;&gt;রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়ায় অবসরপ্রাপ্ত স্কুলশিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ তার পরিবারের চার সদস্যকে হত্যার ঘটনাটি ‘পূর্বপরিকল্পিত’ বলে নতুন তথ্য পেয়েছে পুলিশ। কল ডিটেইলস রেকর্ড (সিডিআর) পর্যালোচনায় দেখা গেছে, হত্যাকাণ্ডের আগে ও পরে ৮০ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তার দুই আসামি সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাস মোট ৮০ বার পরস্পরের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন।&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify; &quot;&gt;সোমবার (৩১ আগস্ট) বিকেলে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) উপকমিশনার সনাতন চক্রবর্তী এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, ঘটনার আগের ও পরের সময় মিলিয়ে দুই আসামির মধ্যে প্রতি ঘণ্টায় গড়ে একবার করে ফোনালাপের প্রমাণ মিলেছে, যা স্বাভাবিক নয়। এই অস্বাভাবিক যোগাযোগের কারণেই পুরো ঘটনাটি পূর্বপরিকল্পিত বলে তদন্তকারীদের কাছে প্রতীয়মান হচ্ছে। গ্রেপ্তার মুগ্ধ দাস ও সিদ্ধার্থ দাস সম্পর্কে চাচাতো ভাই।&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify; &quot;&gt;এদিকে আলোচিত এই হত্যাকাণ্ডের আগে-পরে বাড়ির ছাদে বসে নয়টি ইয়াবা সেবনের স্বীকারোক্তি দিলেও ডোপ টেস্টে আসামিদের শরীরে কোনো মাদকের অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। সনাতন চক্রবর্তী জানান, আদালতের নির্দেশে রংপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে গিয়ে আসামিদের প্রস্রাবের নমুনা সংগ্রহ করে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পরীক্ষা করা হয়। তবে পরীক্ষার প্রতিবেদনে তাদের শরীরে কোনো মাদক শনাক্ত হয়নি। এ বিষয়ে চিকিৎসাবিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, ইয়াবায় থাকা অ্যামফিটামিন বা মেথামফেটামিনজাতীয় উপাদান মানবদেহে নির্দিষ্ট সময় অতিবাহিত হওয়ার পর আর পরীক্ষায় ধরা পড়ে না।&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify; &quot;&gt;অন্যদিকে মামলার অধিকতর তদন্তের স্বার্থে গ্রেপ্তার সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তিন দিনের রিমান্ড আবেদন করে পুলিশ। তবে আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় দেওয়া আসামিদের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি এবং নতুন তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে বিচারক রিমান্ড নামঞ্জুর করেন। সোমবার বিকেলে রংপুরের চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মো. রফিকুল ইসলাম আসামিদের দুই দিন প্রতিদিন তিন ঘণ্টা করে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের আদেশ দেন।&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify; &quot;&gt;গত ২২ আগস্ট মাছুয়াপাড়ার নিজ বাড়ি থেকে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী, মেয়ে ও ছেলের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ওই ঘটনায় নিহত গণপতি চক্রবর্তীর বড় ভাই গোপীনাথ চক্রবর্তী বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় অজ্ঞাতপরিচয় আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন। পরবর্তীতে মামলাটির তদন্তভার থানা থেকে মহানগর ডিবিতে হস্তান্তর করা হয় এবং ডিবির পরিদর্শক জিন্নাত আলীকে নতুন তদন্ত কর্মকর্তার দায়িত্ব দেওয়া হয়।&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify; &quot;&gt;&lt;b&gt;&lt;i&gt;এনআই&lt;/i&gt;&lt;/b&gt;&lt;/p&gt;]]></description>
			<pubDate>2026-08-31 23:41:42</pubDate>
		</item>
				<item>
			<guid>122349</guid>
			<link>https://www.somoyerkonthosor.com.ambalamedia.com/post/2026/08/31/6a95bc26d2383</link>
			<title>গাইবান্ধায় ইন্দোনেশিয়ান নাগরিক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার</title>
			<image>https://www.somoyerkonthosor.com.ambalamedia.com/admin/post_image/lash-6936a5c0c6454.webp</image>
			<description>&lt;p style=&quot;text-align: justify; &quot;&gt;গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরে ইন্দোনেশিয়ান নাগরিক ও বাংলাদেশি গৃহবধূ মাফতুখা বেগমের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify; &quot;&gt;সোমবার (৩১ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার নলডাঙ্গা বাজার এলাকা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify; &quot;&gt;স্থানীয়রা জানায়, প্রায় ১৬ বছর আগে মিজানুর রহমান ও মাফতুখা বেগম সিঙ্গাপুরে একসঙ্গে চাকরি করতেন। এসময় তাদের পরিচয় এবং পরবর্তীতে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এরই একপর্যায়ে তারা বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। তারপর থেকে দশলিয়া গ্রামের স্বামীর বাড়িতে মাফতুখা বেগম সংসার করে আসছিলেন। এই দম্পতির ১১ ও ৭ বছর বয়সী দুটি ছেলে সন্তান রয়েছে।&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify; &quot;&gt;স্বজনদের দাবি, মুফতুখা বেগম দীর্ঘদিন ধরে হৃদরোগে ভুগছিলেন। এ অবস্থায় রোববার (৩০ আগস্ট) রাত ১১টার দিকে নলডাঙ্গা বাজারের নিজস্ব সিঙ্গাপুর মার্কেটের তিনতলা ভবনের শয়নকক্ষে মাফতুখা বেগমের মৃত্যু হয়। তিনি বিদেশি নাগরিক হওয়ায় বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে সাদুল্লাপুর থানায় জানানো হয়। পরে পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে।&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify; &quot;&gt;সাদুল্লাপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সুজন সরকার বলেন, ওই নারী বিদেশি নাগরিক হওয়ায় তার মরদেহ উদ্ধার করা হয় এবং ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ গাইবান্ধা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। তার মৃত্যুর কোনো সুস্পষ্ট কারণ জানা যায়নি। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়া গেলে নিশ্চিত হওয়া যাবে। এ ঘটনায় থানায় একটি ইউডি মামলা হয়েছে।&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify; &quot;&gt;&lt;b&gt;&lt;i&gt;এনআই&lt;/i&gt;&lt;/b&gt;&lt;/p&gt;</description>
			<description><![CDATA[<img src="https://www.somoyerkonthosor.com.ambalamedia.com/admin/post_image/lash-6936a5c0c6454.webp" width="200" /><br>&lt;p style=&quot;text-align: justify; &quot;&gt;গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরে ইন্দোনেশিয়ান নাগরিক ও বাংলাদেশি গৃহবধূ মাফতুখা বেগমের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify; &quot;&gt;সোমবার (৩১ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার নলডাঙ্গা বাজার এলাকা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify; &quot;&gt;স্থানীয়রা জানায়, প্রায় ১৬ বছর আগে মিজানুর রহমান ও মাফতুখা বেগম সিঙ্গাপুরে একসঙ্গে চাকরি করতেন। এসময় তাদের পরিচয় এবং পরবর্তীতে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এরই একপর্যায়ে তারা বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। তারপর থেকে দশলিয়া গ্রামের স্বামীর বাড়িতে মাফতুখা বেগম সংসার করে আসছিলেন। এই দম্পতির ১১ ও ৭ বছর বয়সী দুটি ছেলে সন্তান রয়েছে।&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify; &quot;&gt;স্বজনদের দাবি, মুফতুখা বেগম দীর্ঘদিন ধরে হৃদরোগে ভুগছিলেন। এ অবস্থায় রোববার (৩০ আগস্ট) রাত ১১টার দিকে নলডাঙ্গা বাজারের নিজস্ব সিঙ্গাপুর মার্কেটের তিনতলা ভবনের শয়নকক্ষে মাফতুখা বেগমের মৃত্যু হয়। তিনি বিদেশি নাগরিক হওয়ায় বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে সাদুল্লাপুর থানায় জানানো হয়। পরে পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে।&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify; &quot;&gt;সাদুল্লাপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সুজন সরকার বলেন, ওই নারী বিদেশি নাগরিক হওয়ায় তার মরদেহ উদ্ধার করা হয় এবং ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ গাইবান্ধা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। তার মৃত্যুর কোনো সুস্পষ্ট কারণ জানা যায়নি। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়া গেলে নিশ্চিত হওয়া যাবে। এ ঘটনায় থানায় একটি ইউডি মামলা হয়েছে।&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify; &quot;&gt;&lt;b&gt;&lt;i&gt;এনআই&lt;/i&gt;&lt;/b&gt;&lt;/p&gt;]]></description>
			<pubDate>2026-08-31 23:38:46</pubDate>
		</item>
				<item>
			<guid>122348</guid>
			<link>https://www.somoyerkonthosor.com.ambalamedia.com/post/2026/08/31/6a95b95f11ec6</link>
			<title>মাদরাসাছাত্রীদের ‘উত্ত্যক্ত’ করায় দুই কন্যার জনকের গলায় জুতার মালা</title>
			<image>https://www.somoyerkonthosor.com.ambalamedia.com/admin/post_image/SK NEWS-6a95b94cb3aef.webp</image>
			<description>&lt;p style=&quot;text-align: justify; &quot;&gt;ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলায় মাদরাসা ছাত্রীদের উত্ত্যক্ত করার অভিযোগে সুমন হোসেন নামে এক যুবককে জুতার মালা পরানো হয়েছে।&amp;nbsp;&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify; &quot;&gt;সোমবার (৩১ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার কাষ্টভাঙ্গা ইউনিয়নের কুমারহাটি মোহাম্মাদিয়া দাখিল মাদরাসা প্রাঙ্গণে এ ঘটনা ঘটে ।&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify; &quot;&gt;অভিযুক্ত সুমন হোসেন উপজেলার মথনপুর গ্রামের বাসিন্দা। তার দুজন কন্যা সন্তান রয়েছে।&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify; &quot;&gt;স্থানীয়দের অভিযোগ, ওই যুবক বেশ কিছুদিন যাবৎ মাদরাসা শিক্ষার্থীদের আসা-যাওয়ার পথে বিভিন্ন সময় অশালীন অঙ্গভঙ্গি ও উত্ত্যক্ত করতেন। বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে আসে। সকালে সে মাদরাসার সামনে এসে শিক্ষার্থীদের উত্ত্যক্ত করলে গ্রামবাসী তাকে আটক করে মাদরাসায় নিয়ে যায়। এরপর ওই যুবকের বাবা, স্ত্রীসহ পরিবারের কয়েকজনকে মাদরাসায় ডেকে আনা হয়। এ সময় গ্রামের গণ্যমান্য ব্যক্তিরা পরিবারের সদস্যদের সাথে কথা বলে মাদরাসা থেকে জুতার মালা পরিয়ে বের করার সিদ্ধান্ত নেন। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify; &quot;&gt;মাদরাসার শিক্ষক সামাউল ইসলাম বলেন, প্রায়ই আমরা খবর পেতাম এক যুবক শিক্ষার্থীদের উত্ত্যক্ত করে। আজ তাকে গ্রামবাসী ধরে মাদরাসায় নিয়ে আসে। উত্তেজিত জনতার রোষানল থেকে বাঁচতে পরিবারের সদস্যরা তাকে মাদরাসা থেকে জুতার মালা পরিয়ে বের করার সিদ্ধান্ত নেয়।&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify; &quot;&gt;কাষ্টভাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের ২নং ওয়ার্ডের সদস্য তরিকুল ইসলাম বলেন, ঘটনা শুনে তিনি মাদরাসায় যান। ওই যুবক তার ওয়ার্ডের বাসিন্দা। স্থানীয়দের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাকে জুতার মালা পরিয়ে বের করা হয়।&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify; &quot;&gt;মাদরাসার ভারপ্রাপ্ত সুপার নুরুল ইসলাম বলেন, শিক্ষার্থীদের উত্ত্যক্ত করার অভিযোগে গ্রামবাসী ওই ছেলেকে মাদরাসায় নিয়ে আসে। এরপর তার পরিবারের সদস্যরা মাদরাসায় আসেন। এসময় গ্রামবাসী তাকে জুতার মালা পরিয়ে মাদরাসা থেকে বের করে।&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify; &quot;&gt;&lt;b&gt;&lt;i&gt;এনআই&lt;/i&gt;&lt;/b&gt;&lt;/p&gt;</description>
			<description><![CDATA[<img src="https://www.somoyerkonthosor.com.ambalamedia.com/admin/post_image/SK NEWS-6a95b94cb3aef.webp" width="200" /><br>&lt;p style=&quot;text-align: justify; &quot;&gt;ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলায় মাদরাসা ছাত্রীদের উত্ত্যক্ত করার অভিযোগে সুমন হোসেন নামে এক যুবককে জুতার মালা পরানো হয়েছে।&amp;nbsp;&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify; &quot;&gt;সোমবার (৩১ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার কাষ্টভাঙ্গা ইউনিয়নের কুমারহাটি মোহাম্মাদিয়া দাখিল মাদরাসা প্রাঙ্গণে এ ঘটনা ঘটে ।&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify; &quot;&gt;অভিযুক্ত সুমন হোসেন উপজেলার মথনপুর গ্রামের বাসিন্দা। তার দুজন কন্যা সন্তান রয়েছে।&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify; &quot;&gt;স্থানীয়দের অভিযোগ, ওই যুবক বেশ কিছুদিন যাবৎ মাদরাসা শিক্ষার্থীদের আসা-যাওয়ার পথে বিভিন্ন সময় অশালীন অঙ্গভঙ্গি ও উত্ত্যক্ত করতেন। বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে আসে। সকালে সে মাদরাসার সামনে এসে শিক্ষার্থীদের উত্ত্যক্ত করলে গ্রামবাসী তাকে আটক করে মাদরাসায় নিয়ে যায়। এরপর ওই যুবকের বাবা, স্ত্রীসহ পরিবারের কয়েকজনকে মাদরাসায় ডেকে আনা হয়। এ সময় গ্রামের গণ্যমান্য ব্যক্তিরা পরিবারের সদস্যদের সাথে কথা বলে মাদরাসা থেকে জুতার মালা পরিয়ে বের করার সিদ্ধান্ত নেন। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify; &quot;&gt;মাদরাসার শিক্ষক সামাউল ইসলাম বলেন, প্রায়ই আমরা খবর পেতাম এক যুবক শিক্ষার্থীদের উত্ত্যক্ত করে। আজ তাকে গ্রামবাসী ধরে মাদরাসায় নিয়ে আসে। উত্তেজিত জনতার রোষানল থেকে বাঁচতে পরিবারের সদস্যরা তাকে মাদরাসা থেকে জুতার মালা পরিয়ে বের করার সিদ্ধান্ত নেয়।&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify; &quot;&gt;কাষ্টভাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের ২নং ওয়ার্ডের সদস্য তরিকুল ইসলাম বলেন, ঘটনা শুনে তিনি মাদরাসায় যান। ওই যুবক তার ওয়ার্ডের বাসিন্দা। স্থানীয়দের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাকে জুতার মালা পরিয়ে বের করা হয়।&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify; &quot;&gt;মাদরাসার ভারপ্রাপ্ত সুপার নুরুল ইসলাম বলেন, শিক্ষার্থীদের উত্ত্যক্ত করার অভিযোগে গ্রামবাসী ওই ছেলেকে মাদরাসায় নিয়ে আসে। এরপর তার পরিবারের সদস্যরা মাদরাসায় আসেন। এসময় গ্রামবাসী তাকে জুতার মালা পরিয়ে মাদরাসা থেকে বের করে।&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify; &quot;&gt;&lt;b&gt;&lt;i&gt;এনআই&lt;/i&gt;&lt;/b&gt;&lt;/p&gt;]]></description>
			<pubDate>2026-08-31 23:26:55</pubDate>
		</item>
				<item>
			<guid>122347</guid>
			<link>https://www.somoyerkonthosor.com.ambalamedia.com/post/2026/08/31/6a95b7fea51c3</link>
			<title>দুই সন্তান ফেলে প্রেমিকের সঙ্গে উধাও প্রবাসীর স্ত্রী</title>
			<image>https://www.somoyerkonthosor.com.ambalamedia.com/admin/post_image/SK NEWS-6a95b7e4c7c83.webp</image>
			<description>&lt;p style=&quot;text-align: justify; &quot;&gt;ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় দুই নাবালিকা সন্তানকে রেখে এক গৃহবধূ পরকীয়া প্রেমিকের সঙ্গে পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। একই সঙ্গে প্রবাসী স্বামীর ঘর থেকে স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা নিয়ে যাওয়ার অভিযোগে ওই গৃহবধূর বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify; &quot;&gt;সোমবার (৩১ আগস্ট) বিকেলের দিকে ঘটনার বিষয়ে সাংবাদিকদের জানান প্রবাসী ছেলের বাবা বাবুল মিয়া। এর আগে বুধবার (২৬ আগস্ট) রাত আনুমানিক সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার দক্ষিণ ইউনিয়নের আব্দুল্লাহপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify; &quot;&gt;অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, আব্দুল্লাহপুর গ্রামের মো. বাবুল মিয়ার ছেলে জাফর মিয়া দীর্ঘদিন ধরে জীবিকার প্রয়োজনে দুবাই প্রবাসী। প্রায় ১২ বছর আগে তিনি সদর উপজেলার চিনাঈর চাপুইর গ্রামের বাদশা মিয়ার মেয়ে মোছা. হামিদা আক্তারের (৩০) সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। তাদের সংসারে দুটি ছেলে সন্তান রয়েছে।&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify; &quot;&gt;অভিযোগে বলা হয়, জাফর মিয়া প্রবাসে থাকার সুযোগে হামিদা আক্তার একই এলাকার মো. দিপু চৌধুরীর (২২) সঙ্গে পরকীয়া সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। ঘটনার দিন রাতে হামিদা আক্তার শ্বশুরবাড়ির ঘরের কাঠের শোকেস থেকে দুই ভরি ওজনের স্বর্ণালংকার- যার আনুমানিক মূল্য ৪ লাখ ৪০ হাজার টাকা, এবং জমি বন্ধকের জন্য রাখা নগদ ২ লাখ টাকা নিয়ে দুই সন্তানকে বাড়িতে রেখে দিপু চৌধুরীর সঙ্গে পালিয়ে যান।&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify; &quot;&gt;অভিযোগে আরও বলা হয়, হামিদা আক্তার বাড়ি থেকে বের হওয়ার সময় স্থানীয় কয়েকজন তাকে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে তিনি ভয়ভীতি ও হুমকি দেন। পরে তার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়।&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify; &quot;&gt;ঘটনার পর বিষয়টি আত্মীয়স্বজন ও স্থানীয় সর্দারদের জানানো হয়। পরে এ ঘটনায় হামিদা আক্তারের বিরুদ্ধে আখাউড়া থানায় লিখিত অভিযোগ করেন তার শ্বশুর মো. বাবুল মিয়া।&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify; &quot;&gt;স্থানীয় বাসিন্দা মনির হোসেন বলেন, মেয়েটি কীভাবে অবুঝ দুই সন্তানকে রেখে পালিয়ে গেল, সেটাই আমাদের কাছে অবাক লাগছে। একজন প্রবাসী কতটা কষ্ট করে উপার্জন করেন, সেই কষ্টের মূল্যও সে বুঝল না। দুই সন্তানকে মায়ের স্নেহ থেকে বঞ্চিত করে এভাবে চলে যাওয়া অত্যন্ত দুঃখজনক।&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify; &quot;&gt;এ বিষয়ে আখাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাবেদ উল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify; &quot;&gt;&lt;b&gt;&lt;i&gt;এনআই&lt;/i&gt;&lt;/b&gt;&lt;/p&gt;</description>
			<description><![CDATA[<img src="https://www.somoyerkonthosor.com.ambalamedia.com/admin/post_image/SK NEWS-6a95b7e4c7c83.webp" width="200" /><br>&lt;p style=&quot;text-align: justify; &quot;&gt;ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় দুই নাবালিকা সন্তানকে রেখে এক গৃহবধূ পরকীয়া প্রেমিকের সঙ্গে পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। একই সঙ্গে প্রবাসী স্বামীর ঘর থেকে স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা নিয়ে যাওয়ার অভিযোগে ওই গৃহবধূর বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify; &quot;&gt;সোমবার (৩১ আগস্ট) বিকেলের দিকে ঘটনার বিষয়ে সাংবাদিকদের জানান প্রবাসী ছেলের বাবা বাবুল মিয়া। এর আগে বুধবার (২৬ আগস্ট) রাত আনুমানিক সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার দক্ষিণ ইউনিয়নের আব্দুল্লাহপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify; &quot;&gt;অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, আব্দুল্লাহপুর গ্রামের মো. বাবুল মিয়ার ছেলে জাফর মিয়া দীর্ঘদিন ধরে জীবিকার প্রয়োজনে দুবাই প্রবাসী। প্রায় ১২ বছর আগে তিনি সদর উপজেলার চিনাঈর চাপুইর গ্রামের বাদশা মিয়ার মেয়ে মোছা. হামিদা আক্তারের (৩০) সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। তাদের সংসারে দুটি ছেলে সন্তান রয়েছে।&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify; &quot;&gt;অভিযোগে বলা হয়, জাফর মিয়া প্রবাসে থাকার সুযোগে হামিদা আক্তার একই এলাকার মো. দিপু চৌধুরীর (২২) সঙ্গে পরকীয়া সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। ঘটনার দিন রাতে হামিদা আক্তার শ্বশুরবাড়ির ঘরের কাঠের শোকেস থেকে দুই ভরি ওজনের স্বর্ণালংকার- যার আনুমানিক মূল্য ৪ লাখ ৪০ হাজার টাকা, এবং জমি বন্ধকের জন্য রাখা নগদ ২ লাখ টাকা নিয়ে দুই সন্তানকে বাড়িতে রেখে দিপু চৌধুরীর সঙ্গে পালিয়ে যান।&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify; &quot;&gt;অভিযোগে আরও বলা হয়, হামিদা আক্তার বাড়ি থেকে বের হওয়ার সময় স্থানীয় কয়েকজন তাকে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে তিনি ভয়ভীতি ও হুমকি দেন। পরে তার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়।&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify; &quot;&gt;ঘটনার পর বিষয়টি আত্মীয়স্বজন ও স্থানীয় সর্দারদের জানানো হয়। পরে এ ঘটনায় হামিদা আক্তারের বিরুদ্ধে আখাউড়া থানায় লিখিত অভিযোগ করেন তার শ্বশুর মো. বাবুল মিয়া।&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify; &quot;&gt;স্থানীয় বাসিন্দা মনির হোসেন বলেন, মেয়েটি কীভাবে অবুঝ দুই সন্তানকে রেখে পালিয়ে গেল, সেটাই আমাদের কাছে অবাক লাগছে। একজন প্রবাসী কতটা কষ্ট করে উপার্জন করেন, সেই কষ্টের মূল্যও সে বুঝল না। দুই সন্তানকে মায়ের স্নেহ থেকে বঞ্চিত করে এভাবে চলে যাওয়া অত্যন্ত দুঃখজনক।&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify; &quot;&gt;এ বিষয়ে আখাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাবেদ উল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify; &quot;&gt;&lt;b&gt;&lt;i&gt;এনআই&lt;/i&gt;&lt;/b&gt;&lt;/p&gt;]]></description>
			<pubDate>2026-08-31 23:21:02</pubDate>
		</item>
				<item>
			<guid>122346</guid>
			<link>https://www.somoyerkonthosor.com.ambalamedia.com/post/2026/08/31/6a95b73b38520</link>
			<title>সীতাকুণ্ডে ভক্তের ছদ্মবেশে মন্দিরে চুরি, গ্রেপ্তার ১</title>
			<image>https://www.somoyerkonthosor.com.ambalamedia.com/admin/post_image/SK NEWS-6a95b725521b3.webp</image>
			<description>&lt;p style=&quot;text-align: justify; &quot;&gt;মন্দিরে ঢোকার সময় তার বেশভূষায় ছিল ভক্তের ছাপ। স্বাভাবিকভাবেই মন্দিরে প্রবেশ করে পূজার আনুষ্ঠানিকতাও সারেন। তবে ভক্তির আড়ালে ছিল অন্য উদ্দেশ্য। সুযোগ বুঝে মন্দিরের পিতলের ত্রিশূল নিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি ভেঙে ফেলেন দানবাক্স। সেখান থেকে নিয়ে যান নগদ টাকা। পরে পালিয়ে যাওয়ার সময়ও সঙ্গে রাখেন চুরি করা ত্রিশূলের অংশ। শেষ পর্যন্ত পুলিশের অভিযানে ধরা পড়েছেন নয়ন চন্দ্র নাথ ওরফে নয়ন দেবনাথ (২৫)।&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify; &quot;&gt;রবিবার (৩০ আগস্ট) সন্ধ্যায় সীতাকুণ্ড ইকোপার্ক এলাকা থেকে তাকে একটি খণ্ডিত ত্রিশূলসহ গ্রেপ্তার করে পুলিশ।&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify; &quot;&gt;পুলিশ জানায়, রোববার দুপুরে চট্টগ্রামের ভূজপুর থানার গহিন পাহাড়ি এলাকায় অবস্থিত শ্রী শ্রী পাতাল কালী মন্দিরে চুরির ঘটনা ঘটে। দুপুর ১টা থেকে বিকেল ৪টার মধ্যে কোনো একসময় মন্দিরের পিতলের ত্রিশূলটি চুরি করা হয়। একই সময়ে দানবাক্স ভেঙে নিয়ে যাওয়া হয় আনুমানিক ২ হাজার থেকে ২ হাজার ৫০০ টাকা।&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify; &quot;&gt;চুরির বিষয়টি টের পেয়ে মন্দির কর্তৃপক্ষ পুলিশকে খবর দেয়। অভিযানে জেলা পুলিশ একপর্যায়ে রোববার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে সীতাকুণ্ড ইকোপার্ক এলাকা থেকে নয়ন চন্দ্র নাথকে আটক করে। তার কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় খণ্ডিত পিতলের ত্রিশূল। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, জিজ্ঞাসাবাদে মন্দিরে চুরির কথা স্বীকার করেছেন নয়ন।&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify; &quot;&gt;পুলিশের ভাষ্য, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে নয়ন জানিয়েছেন, ভক্তের ছদ্মবেশে মন্দিরে প্রবেশ করেছিলেন তিনি। মন্দিরে অবস্থানের একপর্যায়ে সুযোগ বুঝে ত্রিশূলটি নিয়ে যান। পাশাপাশি দানবাক্স ভেঙে টাকা চুরি করে সেখান থেকে বেরিয়ে পড়েন। তার কাছ থেকে উদ্ধার করা ত্রিশূলটি মন্দিরের বলে শনাক্ত করা হয়েছে।&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify; &quot;&gt;মন্দির পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও মামলার বাদী শিমুল কুমার নাথ বলেন, পিতলের ত্রিশূলটির আনুমানিক বাজারমূল্য ৪০ থেকে ৪৫ হাজার টাকা। রোববার ব্রাহ্মণ পূজা দিয়ে বের হওয়ার পর দুপুর ১টা থেকে বিকেল ৪টার মধ্যে চুরির ঘটনা ঘটে। পরে তারা ভূজপুর থানায় বিষয়টি জানান।&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify; &quot;&gt;তিনি বলেন, ঘটনার পর জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বিষয়টি তদারকি করেন। একপর্যায়ে সীতাকুণ্ড থানা এলাকায় সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার এবং ত্রিশূল উদ্ধারের খবর পাওয়া যায়। চুরি হয়েছে ভূজপুর থানা এলাকায়, আর গ্রেপ্তার ও উদ্ধার হয়েছে সীতাকুণ্ডে সে কারণে কোন থানায় মামলা হবে, তা নিয়ে কিছুটা জটিলতা তৈরি হয়। পরে দুই থানার ওসির মধ্যে আলোচনা করে সীতাকুণ্ড থানায় মামলা করা হয়।&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify; &quot;&gt;সীতাকুণ্ড থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মহিনুল ইসলাম বলেন, মন্দির পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক বাদী হয়ে মামলা করেছেন। ওই মামলায় নয়ন চন্দ্র নাথকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে সোমবার আদালতে সোপর্দ করা হচ্ছে।&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify; &quot;&gt;উল্লেখ্য, গ্রেপ্তার নয়ন কক্সবাজারের কুতুবদিয়া থানার উত্তর কৈয়ারবীল এলাকার সুনীল চন্দ্র নাথের ছেলে। বর্তমানে তিনি চট্টগ্রাম নগরের উত্তর কাট্টলী এলাকায় বসবাস করেন।&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify; &quot;&gt;&lt;b&gt;&lt;i&gt;এনআই&lt;/i&gt;&lt;/b&gt;&lt;/p&gt;</description>
			<description><![CDATA[<img src="https://www.somoyerkonthosor.com.ambalamedia.com/admin/post_image/SK NEWS-6a95b725521b3.webp" width="200" /><br>&lt;p style=&quot;text-align: justify; &quot;&gt;মন্দিরে ঢোকার সময় তার বেশভূষায় ছিল ভক্তের ছাপ। স্বাভাবিকভাবেই মন্দিরে প্রবেশ করে পূজার আনুষ্ঠানিকতাও সারেন। তবে ভক্তির আড়ালে ছিল অন্য উদ্দেশ্য। সুযোগ বুঝে মন্দিরের পিতলের ত্রিশূল নিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি ভেঙে ফেলেন দানবাক্স। সেখান থেকে নিয়ে যান নগদ টাকা। পরে পালিয়ে যাওয়ার সময়ও সঙ্গে রাখেন চুরি করা ত্রিশূলের অংশ। শেষ পর্যন্ত পুলিশের অভিযানে ধরা পড়েছেন নয়ন চন্দ্র নাথ ওরফে নয়ন দেবনাথ (২৫)।&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify; &quot;&gt;রবিবার (৩০ আগস্ট) সন্ধ্যায় সীতাকুণ্ড ইকোপার্ক এলাকা থেকে তাকে একটি খণ্ডিত ত্রিশূলসহ গ্রেপ্তার করে পুলিশ।&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify; &quot;&gt;পুলিশ জানায়, রোববার দুপুরে চট্টগ্রামের ভূজপুর থানার গহিন পাহাড়ি এলাকায় অবস্থিত শ্রী শ্রী পাতাল কালী মন্দিরে চুরির ঘটনা ঘটে। দুপুর ১টা থেকে বিকেল ৪টার মধ্যে কোনো একসময় মন্দিরের পিতলের ত্রিশূলটি চুরি করা হয়। একই সময়ে দানবাক্স ভেঙে নিয়ে যাওয়া হয় আনুমানিক ২ হাজার থেকে ২ হাজার ৫০০ টাকা।&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify; &quot;&gt;চুরির বিষয়টি টের পেয়ে মন্দির কর্তৃপক্ষ পুলিশকে খবর দেয়। অভিযানে জেলা পুলিশ একপর্যায়ে রোববার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে সীতাকুণ্ড ইকোপার্ক এলাকা থেকে নয়ন চন্দ্র নাথকে আটক করে। তার কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় খণ্ডিত পিতলের ত্রিশূল। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, জিজ্ঞাসাবাদে মন্দিরে চুরির কথা স্বীকার করেছেন নয়ন।&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify; &quot;&gt;পুলিশের ভাষ্য, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে নয়ন জানিয়েছেন, ভক্তের ছদ্মবেশে মন্দিরে প্রবেশ করেছিলেন তিনি। মন্দিরে অবস্থানের একপর্যায়ে সুযোগ বুঝে ত্রিশূলটি নিয়ে যান। পাশাপাশি দানবাক্স ভেঙে টাকা চুরি করে সেখান থেকে বেরিয়ে পড়েন। তার কাছ থেকে উদ্ধার করা ত্রিশূলটি মন্দিরের বলে শনাক্ত করা হয়েছে।&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify; &quot;&gt;মন্দির পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও মামলার বাদী শিমুল কুমার নাথ বলেন, পিতলের ত্রিশূলটির আনুমানিক বাজারমূল্য ৪০ থেকে ৪৫ হাজার টাকা। রোববার ব্রাহ্মণ পূজা দিয়ে বের হওয়ার পর দুপুর ১টা থেকে বিকেল ৪টার মধ্যে চুরির ঘটনা ঘটে। পরে তারা ভূজপুর থানায় বিষয়টি জানান।&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify; &quot;&gt;তিনি বলেন, ঘটনার পর জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বিষয়টি তদারকি করেন। একপর্যায়ে সীতাকুণ্ড থানা এলাকায় সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার এবং ত্রিশূল উদ্ধারের খবর পাওয়া যায়। চুরি হয়েছে ভূজপুর থানা এলাকায়, আর গ্রেপ্তার ও উদ্ধার হয়েছে সীতাকুণ্ডে সে কারণে কোন থানায় মামলা হবে, তা নিয়ে কিছুটা জটিলতা তৈরি হয়। পরে দুই থানার ওসির মধ্যে আলোচনা করে সীতাকুণ্ড থানায় মামলা করা হয়।&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify; &quot;&gt;সীতাকুণ্ড থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মহিনুল ইসলাম বলেন, মন্দির পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক বাদী হয়ে মামলা করেছেন। ওই মামলায় নয়ন চন্দ্র নাথকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে সোমবার আদালতে সোপর্দ করা হচ্ছে।&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify; &quot;&gt;উল্লেখ্য, গ্রেপ্তার নয়ন কক্সবাজারের কুতুবদিয়া থানার উত্তর কৈয়ারবীল এলাকার সুনীল চন্দ্র নাথের ছেলে। বর্তমানে তিনি চট্টগ্রাম নগরের উত্তর কাট্টলী এলাকায় বসবাস করেন।&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify; &quot;&gt;&lt;b&gt;&lt;i&gt;এনআই&lt;/i&gt;&lt;/b&gt;&lt;/p&gt;]]></description>
			<pubDate>2026-08-31 23:17:47</pubDate>
		</item>
				<item>
			<guid>122345</guid>
			<link>https://www.somoyerkonthosor.com.ambalamedia.com/post/2026/08/31/6a95b5186549c</link>
			<title>চেক প্রতারণার মামলায় সাবেক নারী ভাইস চেয়ারম্যান লতার ৬ মাসের কারাদণ্ড</title>
			<image>https://www.somoyerkonthosor.com.ambalamedia.com/admin/post_image/6229d3f4832f91dca8f654ff4127cdf1-6a958c5da0ad6-6a95b4e863d2e.webp</image>
			<description>&lt;p&gt;চেক প্রতারণার মামলায় রাজশাহীর বাঘা উপজেলা পরিষদের সাবেক নারী ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভানেত্রী ফাতেমা খাতুন লতাকে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে মামলার পাওনা ২৫ লাখ টাকা পরিশোধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;সোমবার (৩১ আগস্ট) রাজশাহীর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মামুনুর রশিদ এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত না থাকায় তাঁর বিরুদ্ধে সাজা ওয়ারেন্ট জারি করা হয়।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ১ জানুয়ারি ফাতেমা খাতুন লতা তাঁর আত্মীয় নুরুজ্জামানের কাছ থেকে ২৫ লাখ টাকা ধার নেন। এর বিপরীতে তিনি একটি চেক দেন। নির্ধারিত সময়ে চেকের টাকা পরিশোধ না হওয়ায় নুরুজ্জামান বাদী হয়ে ২০২৪ সালে আদালতে মামলা করেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;দীর্ঘ প্রায় আড়াই বছর বিচারিক কার্যক্রম শেষে সোমবার মামলাটির রায় ঘোষণা করা হয়। বাদীপক্ষের আইনজীবী জানান, মামলার বিচার চলাকালে ফাতেমা খাতুন লতা নিয়মিত আদালতে হাজির হননি। এমনকি ওয়ারেন্ট জারি থাকার পরও পরপর ছয়টি ধার্য তারিখে তিনি আদালতে অনুপস্থিত ছিলেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;এদিকে অনুসন্ধানে জানা গেছে, চাকরি দেওয়ার নামে অর্থ নেওয়া ও চেক প্রতারণার অভিযোগে ফাতেমা খাতুন লতার বিরুদ্ধে আরও দুটি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে নিলুফা ইয়াসমিনের দায়ের করা একটি মামলায় ২০২৫ সালের ১০ মার্চ তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন আদালত। পরে আপিলের মাধ্যমে জামিনে মুক্ত হন তিনি।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;নিলুফা ইয়াসমিনের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. শাম্মি হোসেন জানান, চাকরি দেওয়ার নামে অর্থ নেওয়া ও চেক সংক্রান্ত একটি মামলা উচ্চ আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। ওই মামলায় ২০ লাখ টাকা পাওনার দাবি করা হয়েছে। একই ঘটনায় নিম্ন আদালতে মামুন হোসেনের করা ১৫ লাখ টাকার আরও একটি মামলা রয়েছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;b&gt;&lt;i&gt;এইচএসএস&lt;/i&gt;&lt;/b&gt;&lt;/p&gt;</description>
			<description><![CDATA[<img src="https://www.somoyerkonthosor.com.ambalamedia.com/admin/post_image/6229d3f4832f91dca8f654ff4127cdf1-6a958c5da0ad6-6a95b4e863d2e.webp" width="200" /><br>&lt;p&gt;চেক প্রতারণার মামলায় রাজশাহীর বাঘা উপজেলা পরিষদের সাবেক নারী ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভানেত্রী ফাতেমা খাতুন লতাকে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে মামলার পাওনা ২৫ লাখ টাকা পরিশোধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;সোমবার (৩১ আগস্ট) রাজশাহীর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মামুনুর রশিদ এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত না থাকায় তাঁর বিরুদ্ধে সাজা ওয়ারেন্ট জারি করা হয়।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ১ জানুয়ারি ফাতেমা খাতুন লতা তাঁর আত্মীয় নুরুজ্জামানের কাছ থেকে ২৫ লাখ টাকা ধার নেন। এর বিপরীতে তিনি একটি চেক দেন। নির্ধারিত সময়ে চেকের টাকা পরিশোধ না হওয়ায় নুরুজ্জামান বাদী হয়ে ২০২৪ সালে আদালতে মামলা করেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;দীর্ঘ প্রায় আড়াই বছর বিচারিক কার্যক্রম শেষে সোমবার মামলাটির রায় ঘোষণা করা হয়। বাদীপক্ষের আইনজীবী জানান, মামলার বিচার চলাকালে ফাতেমা খাতুন লতা নিয়মিত আদালতে হাজির হননি। এমনকি ওয়ারেন্ট জারি থাকার পরও পরপর ছয়টি ধার্য তারিখে তিনি আদালতে অনুপস্থিত ছিলেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;এদিকে অনুসন্ধানে জানা গেছে, চাকরি দেওয়ার নামে অর্থ নেওয়া ও চেক প্রতারণার অভিযোগে ফাতেমা খাতুন লতার বিরুদ্ধে আরও দুটি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে নিলুফা ইয়াসমিনের দায়ের করা একটি মামলায় ২০২৫ সালের ১০ মার্চ তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন আদালত। পরে আপিলের মাধ্যমে জামিনে মুক্ত হন তিনি।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;নিলুফা ইয়াসমিনের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. শাম্মি হোসেন জানান, চাকরি দেওয়ার নামে অর্থ নেওয়া ও চেক সংক্রান্ত একটি মামলা উচ্চ আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। ওই মামলায় ২০ লাখ টাকা পাওনার দাবি করা হয়েছে। একই ঘটনায় নিম্ন আদালতে মামুন হোসেনের করা ১৫ লাখ টাকার আরও একটি মামলা রয়েছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;b&gt;&lt;i&gt;এইচএসএস&lt;/i&gt;&lt;/b&gt;&lt;/p&gt;]]></description>
			<pubDate>2026-08-31 23:08:40</pubDate>
		</item>
				<item>
			<guid>122344</guid>
			<link>https://www.somoyerkonthosor.com.ambalamedia.com/post/2026/08/31/6a95b18e46cf0</link>
			<title>আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানালেন মেসি</title>
			<image>https://www.somoyerkonthosor.com.ambalamedia.com/admin/post_image/mesi-6732e1ca92d89.webp</image>
			<description>&lt;p&gt;দীর্ঘ ২০ বছরের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের ইতি টেনে জাতীয় দল থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন আর্জেন্টাইন সুপারস্টার লিওনেল মেসি। আজ সোমবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করা এক আবেগঘন চিঠিতে নিজের সিদ্ধান্তের কথা জানান ৩৯ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড।&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;চিঠিতে মেসি লিখেছেন, দীর্ঘ সময় ধরে ভাবার পর তিনি জাতীয় দল থেকে অবসরের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। সিদ্ধান্তটি তার জন্য অত্যন্ত কষ্টের হলেও এটিই সঠিক সময় বলে মনে করছেন তিনি।&lt;br&gt;&lt;br&gt;জাতীয় দলের হয়ে নিজের সর্বোচ্চটা দেওয়ার কথাও স্মরণ করেছেন আর্জেন্টাইন সুপারস্টার। শুধু সাম্প্রতিক সময়ে শিরোপা জয়ের সময় নয়, তার আগেও প্রতিটি ম্যাচে আর্জেন্টিনার জার্সির জন্য নিজের সবটুকু উজাড় করে দেওয়ার কথা বলেছেন তিনি।&lt;br&gt;&lt;br&gt;মেসির ভাষায়, জাতীয় দলের হয়ে খেলা তার কাছে সবসময়ই ছিল ভালোবাসার বিষয়। তবে এখন মনে হচ্ছে, তার দেওয়ার মতো আর কিছু বাকি নেই। একই সঙ্গে তিনি আর্জেন্টিনার নতুন প্রজন্মের ফুটবলারদের জায়গা করে দেওয়ার কথাও উল্লেখ করেছেন।&lt;br&gt;&lt;br&gt;সমর্থকদের উদ্দেশে তিনি লিখেছেন, দুই দশক ধরে জাতীয় দলের হয়ে খেলার সময় সমর্থকদের যে ভালোবাসা পেয়েছেন, তা তিনি কখনো ভুলবেন না বলে জানিয়েছেন।&lt;br&gt;&lt;br&gt;মেসি জানিয়েছেন, এখন থেকে মাঠের ভেতর নয়, গ্যালারির বাইরে থেকে আর্জেন্টিনাকে সমর্থন করবেন। একজন সাধারণ সমর্থক হিসেবেই প্রিয় দলকে অনুসরণ করবেন।&lt;br&gt;&lt;br&gt;মেসি তার পরিবার, জাতীয় দলের সতীর্থ, কোচ ও কর্মকর্তাদেরও ধন্যবাদ জানিয়েছেন। তাদের সঙ্গে কাটানো সময়কে নিজের জীবনের সবচেয়ে স্মরণীয় অধ্যায়গুলোর একটি হিসেবে উল্লেখ করেছেন তিনি।&lt;br&gt;&lt;br&gt;&amp;nbsp;মেসি লিখেছেন, আর্জেন্টিনার হয়ে পাওয়া সব অর্জন ও স্মৃতি নিয়ে তিনি গর্বিত। সতীর্থদের সঙ্গে মিলে দেশকে কিছু স্বপ্নের মুহূর্ত উপহার দিতে পেরেছেন- এটাই তার সবচেয়ে বড় তৃপ্তি। ঈশ্বর তাকে আর্জেন্টাইন হিসেবে জন্ম দেওয়ায় তিনি কৃতজ্ঞ। ‘গো আর্জেন্টিনা!’ বার্তা দিয়ে চিঠিটি শেষ করেছেন মেসি।&amp;nbsp;&lt;br&gt;&lt;br&gt;ফুটবলের এ মহাতারকা জানিয়েছেন, চিঠিটি মূলত লিখেছিলেন ২১ জুলাই- বিশ্বকাপ ফাইনালের দুদিন পর। অর্থাৎ স্পেনের কাছে হারের পরই জাতীয় দল ছাড়ার সিদ্ধান্ত প্রায় নিয়ে ফেলেছিলেন তিনি। কিন্তু বাবার মৃত্যুর পর সেই সিদ্ধান্ত আরও দৃঢ় হয়েছে।&lt;br&gt;&lt;br&gt;বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেনের কাছে ১-০ গোলে হারের পর থেকেই মেসির আন্তর্জাতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে জল্পনা চলছিল। নিউইয়র্কের নিউ জার্সি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ওই ফাইনালে অতিরিক্ত সময়ে ফেরান তোরেসের গোলে শিরোপা হারায় আর্জেন্টিনা। তবে ফাইনালের পরপরই অবসরের ঘোষণা দেননি মেসি। বরং ২১ জুলাই দেওয়া এক বার্তায় তিনি জানিয়েছিলেন, ফাইনালের পরের যন্ত্রণা কাটতে সময় লাগবে এবং বিশ্বকাপে দলের অর্জন ও সমর্থকদের ভালোবাসাকে তিনি স্মরণীয় করে রাখতে চান। তখনও জাতীয় দল থেকে অবসরের বিষয়ে সরাসরি কিছু বলেননি তিনি।&lt;br&gt;&lt;br&gt;এরপর আগস্টে বাবার মৃত্যু মেসির সিদ্ধান্তকে আরও দৃঢ় করে। মেসির বাবা ও দীর্ঘদিনের এজেন্ট হোর্হে মেসি ৮ আগস্ট ৬৮ বছর বয়সে মারা যান। বাবার মৃত্যুর পর মেসি নিজের ফুটবল ভবিষ্যৎ নিয়েও গভীর অনিশ্চয়তার কথা জানিয়েছিলেন।এবার সেই অনিশ্চয়তার অবসান ঘটিয়ে আর্জেন্টিনা জাতীয় দলকে বিদায় জানালেন তিনি।&lt;br&gt;&lt;br&gt;&lt;i&gt;এফএস&lt;/i&gt;&lt;/p&gt;</description>
			<description><![CDATA[<img src="https://www.somoyerkonthosor.com.ambalamedia.com/admin/post_image/mesi-6732e1ca92d89.webp" width="200" /><br>&lt;p&gt;দীর্ঘ ২০ বছরের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের ইতি টেনে জাতীয় দল থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন আর্জেন্টাইন সুপারস্টার লিওনেল মেসি। আজ সোমবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করা এক আবেগঘন চিঠিতে নিজের সিদ্ধান্তের কথা জানান ৩৯ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড।&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;চিঠিতে মেসি লিখেছেন, দীর্ঘ সময় ধরে ভাবার পর তিনি জাতীয় দল থেকে অবসরের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। সিদ্ধান্তটি তার জন্য অত্যন্ত কষ্টের হলেও এটিই সঠিক সময় বলে মনে করছেন তিনি।&lt;br&gt;&lt;br&gt;জাতীয় দলের হয়ে নিজের সর্বোচ্চটা দেওয়ার কথাও স্মরণ করেছেন আর্জেন্টাইন সুপারস্টার। শুধু সাম্প্রতিক সময়ে শিরোপা জয়ের সময় নয়, তার আগেও প্রতিটি ম্যাচে আর্জেন্টিনার জার্সির জন্য নিজের সবটুকু উজাড় করে দেওয়ার কথা বলেছেন তিনি।&lt;br&gt;&lt;br&gt;মেসির ভাষায়, জাতীয় দলের হয়ে খেলা তার কাছে সবসময়ই ছিল ভালোবাসার বিষয়। তবে এখন মনে হচ্ছে, তার দেওয়ার মতো আর কিছু বাকি নেই। একই সঙ্গে তিনি আর্জেন্টিনার নতুন প্রজন্মের ফুটবলারদের জায়গা করে দেওয়ার কথাও উল্লেখ করেছেন।&lt;br&gt;&lt;br&gt;সমর্থকদের উদ্দেশে তিনি লিখেছেন, দুই দশক ধরে জাতীয় দলের হয়ে খেলার সময় সমর্থকদের যে ভালোবাসা পেয়েছেন, তা তিনি কখনো ভুলবেন না বলে জানিয়েছেন।&lt;br&gt;&lt;br&gt;মেসি জানিয়েছেন, এখন থেকে মাঠের ভেতর নয়, গ্যালারির বাইরে থেকে আর্জেন্টিনাকে সমর্থন করবেন। একজন সাধারণ সমর্থক হিসেবেই প্রিয় দলকে অনুসরণ করবেন।&lt;br&gt;&lt;br&gt;মেসি তার পরিবার, জাতীয় দলের সতীর্থ, কোচ ও কর্মকর্তাদেরও ধন্যবাদ জানিয়েছেন। তাদের সঙ্গে কাটানো সময়কে নিজের জীবনের সবচেয়ে স্মরণীয় অধ্যায়গুলোর একটি হিসেবে উল্লেখ করেছেন তিনি।&lt;br&gt;&lt;br&gt;&amp;nbsp;মেসি লিখেছেন, আর্জেন্টিনার হয়ে পাওয়া সব অর্জন ও স্মৃতি নিয়ে তিনি গর্বিত। সতীর্থদের সঙ্গে মিলে দেশকে কিছু স্বপ্নের মুহূর্ত উপহার দিতে পেরেছেন- এটাই তার সবচেয়ে বড় তৃপ্তি। ঈশ্বর তাকে আর্জেন্টাইন হিসেবে জন্ম দেওয়ায় তিনি কৃতজ্ঞ। ‘গো আর্জেন্টিনা!’ বার্তা দিয়ে চিঠিটি শেষ করেছেন মেসি।&amp;nbsp;&lt;br&gt;&lt;br&gt;ফুটবলের এ মহাতারকা জানিয়েছেন, চিঠিটি মূলত লিখেছিলেন ২১ জুলাই- বিশ্বকাপ ফাইনালের দুদিন পর। অর্থাৎ স্পেনের কাছে হারের পরই জাতীয় দল ছাড়ার সিদ্ধান্ত প্রায় নিয়ে ফেলেছিলেন তিনি। কিন্তু বাবার মৃত্যুর পর সেই সিদ্ধান্ত আরও দৃঢ় হয়েছে।&lt;br&gt;&lt;br&gt;বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেনের কাছে ১-০ গোলে হারের পর থেকেই মেসির আন্তর্জাতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে জল্পনা চলছিল। নিউইয়র্কের নিউ জার্সি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ওই ফাইনালে অতিরিক্ত সময়ে ফেরান তোরেসের গোলে শিরোপা হারায় আর্জেন্টিনা। তবে ফাইনালের পরপরই অবসরের ঘোষণা দেননি মেসি। বরং ২১ জুলাই দেওয়া এক বার্তায় তিনি জানিয়েছিলেন, ফাইনালের পরের যন্ত্রণা কাটতে সময় লাগবে এবং বিশ্বকাপে দলের অর্জন ও সমর্থকদের ভালোবাসাকে তিনি স্মরণীয় করে রাখতে চান। তখনও জাতীয় দল থেকে অবসরের বিষয়ে সরাসরি কিছু বলেননি তিনি।&lt;br&gt;&lt;br&gt;এরপর আগস্টে বাবার মৃত্যু মেসির সিদ্ধান্তকে আরও দৃঢ় করে। মেসির বাবা ও দীর্ঘদিনের এজেন্ট হোর্হে মেসি ৮ আগস্ট ৬৮ বছর বয়সে মারা যান। বাবার মৃত্যুর পর মেসি নিজের ফুটবল ভবিষ্যৎ নিয়েও গভীর অনিশ্চয়তার কথা জানিয়েছিলেন।এবার সেই অনিশ্চয়তার অবসান ঘটিয়ে আর্জেন্টিনা জাতীয় দলকে বিদায় জানালেন তিনি।&lt;br&gt;&lt;br&gt;&lt;i&gt;এফএস&lt;/i&gt;&lt;/p&gt;]]></description>
			<pubDate>2026-08-31 22:53:34</pubDate>
		</item>
				<item>
			<guid>122343</guid>
			<link>https://www.somoyerkonthosor.com.ambalamedia.com/post/2026/08/31/6a95b10895de8</link>
			<title>সোনারগাঁয়ে পরিবেশ দূষণ, চৈতী কম্পোজিটকে ৭৫ লাখ টাকা জরিমানা</title>
			<image>https://www.somoyerkonthosor.com.ambalamedia.com/admin/post_image/1000090090-6a95b0bdb0a52.webp</image>
			<description>&lt;p&gt;নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে পরিবেশ ও প্রতিবেশগত ক্ষতিসাধনের দায়ে চৈতী কম্পোজিট লিমিটেডকে ৭৫ লাখ ৪ হাজার টাকা পরিবেশগত ক্ষতিপূরণ ধার্য করেছে পরিবেশ অধিদপ্তরের মনিটরিং অ্যান্ড এনফোর্সমেন্ট উইং।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;সোমবার (৩১ আগস্ট) পরিবেশ অধিদপ্তরের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ৯ জুন পরিবেশ অধিদপ্তরের ঢাকা নমুনা সংগ্রহকারী দলের মাধ্যমে সোনারগাঁ পৌরসভার ছোট শীলমন্দী এলাকায় অবস্থিত চৈতী কম্পোজিট লিমিটেডে সরেজমিন পরিদর্শন করা হয়। এ সময় কারখানার প্রতিনিধির উপস্থিতিতে ইটিপির (বর্জ্য পরিশোধনাগার) নির্গমনস্থল থেকে তরল বর্জ্যের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরে নমুনাগুলো পরিবেশ অধিদপ্তরের ঢাকা গবেষণাগারে পরীক্ষা করা হয়।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;পরীক্ষায় তরল বর্জ্যে জৈব অক্সিজেন চাহিদা (বিওডি) ৭৬ মিলিগ্রাম/লিটার, রাসায়নিক অক্সিজেন চাহিদা (সিওডি) ৪২৯ মিলিগ্রাম/লিটার, মোট স্থগিত কঠিন পদার্থ (টিএসএস) ১৩৯ মিলিগ্রাম/লিটার, পিএইচ ৯ দশমিক ১৬ এবং রঙের মাত্রা ৫৩৩ পিটি-কো পাওয়া যায়।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;পরিবেশ অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পরীক্ষায় পাওয়া এসব মান পরিবেশ সংরক্ষণ বিধিমালা, ২০২৩ অনুযায়ী নির্ধারিত গ্রহণযোগ্য মাত্রার বাইরে। এর ফলে প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে পরিবেশ দূষণের অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;পরে প্রাপ্ত তথ্য-উপাত্ত ও সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র পর্যালোচনা করে বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ (সংশোধিত ২০১০)-এর ধারা ৭ অনুযায়ী পরিবেশ ও প্রতিবেশগত ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করা হয়। এর ভিত্তিতে চৈতী কম্পোজিট লিমিটেডের বিরুদ্ধে ৭৫ লাখ ৪ হাজার টাকা পরিবেশগত ক্ষতিপূরণ ধার্য করা হয়েছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;পরিবেশ অধিদপ্তর জানিয়েছে, পরিবেশ সংরক্ষণ ও দূষণ নিয়ন্ত্রণে এ ধরনের অভিযান ও আইনানুগ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;b&gt;&lt;i&gt;এইচএসএস&lt;/i&gt;&lt;/b&gt;&lt;/p&gt;</description>
			<description><![CDATA[<img src="https://www.somoyerkonthosor.com.ambalamedia.com/admin/post_image/1000090090-6a95b0bdb0a52.webp" width="200" /><br>&lt;p&gt;নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে পরিবেশ ও প্রতিবেশগত ক্ষতিসাধনের দায়ে চৈতী কম্পোজিট লিমিটেডকে ৭৫ লাখ ৪ হাজার টাকা পরিবেশগত ক্ষতিপূরণ ধার্য করেছে পরিবেশ অধিদপ্তরের মনিটরিং অ্যান্ড এনফোর্সমেন্ট উইং।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;সোমবার (৩১ আগস্ট) পরিবেশ অধিদপ্তরের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ৯ জুন পরিবেশ অধিদপ্তরের ঢাকা নমুনা সংগ্রহকারী দলের মাধ্যমে সোনারগাঁ পৌরসভার ছোট শীলমন্দী এলাকায় অবস্থিত চৈতী কম্পোজিট লিমিটেডে সরেজমিন পরিদর্শন করা হয়। এ সময় কারখানার প্রতিনিধির উপস্থিতিতে ইটিপির (বর্জ্য পরিশোধনাগার) নির্গমনস্থল থেকে তরল বর্জ্যের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরে নমুনাগুলো পরিবেশ অধিদপ্তরের ঢাকা গবেষণাগারে পরীক্ষা করা হয়।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;পরীক্ষায় তরল বর্জ্যে জৈব অক্সিজেন চাহিদা (বিওডি) ৭৬ মিলিগ্রাম/লিটার, রাসায়নিক অক্সিজেন চাহিদা (সিওডি) ৪২৯ মিলিগ্রাম/লিটার, মোট স্থগিত কঠিন পদার্থ (টিএসএস) ১৩৯ মিলিগ্রাম/লিটার, পিএইচ ৯ দশমিক ১৬ এবং রঙের মাত্রা ৫৩৩ পিটি-কো পাওয়া যায়।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;পরিবেশ অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পরীক্ষায় পাওয়া এসব মান পরিবেশ সংরক্ষণ বিধিমালা, ২০২৩ অনুযায়ী নির্ধারিত গ্রহণযোগ্য মাত্রার বাইরে। এর ফলে প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে পরিবেশ দূষণের অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;পরে প্রাপ্ত তথ্য-উপাত্ত ও সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র পর্যালোচনা করে বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ (সংশোধিত ২০১০)-এর ধারা ৭ অনুযায়ী পরিবেশ ও প্রতিবেশগত ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করা হয়। এর ভিত্তিতে চৈতী কম্পোজিট লিমিটেডের বিরুদ্ধে ৭৫ লাখ ৪ হাজার টাকা পরিবেশগত ক্ষতিপূরণ ধার্য করা হয়েছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;পরিবেশ অধিদপ্তর জানিয়েছে, পরিবেশ সংরক্ষণ ও দূষণ নিয়ন্ত্রণে এ ধরনের অভিযান ও আইনানুগ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;b&gt;&lt;i&gt;এইচএসএস&lt;/i&gt;&lt;/b&gt;&lt;/p&gt;]]></description>
			<pubDate>2026-08-31 22:51:20</pubDate>
		</item>
				<item>
			<guid>122342</guid>
			<link>https://www.somoyerkonthosor.com.ambalamedia.com/post/2026/08/31/6a95a80826208</link>
			<title>জামালপুরে বাস-অটোরিকশা সংঘর্ষে নিহত ৪, আহত ১০</title>
			<image>https://www.somoyerkonthosor.com.ambalamedia.com/admin/post_image/untitled--6a95a794da4a8.webp</image>
			<description>&lt;p&gt;জামালপুরে রাজিব পরিবহনের বাসের সঙ্গে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে চারজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ১০ জন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;সোমবার (৩১ আগস্ট) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে সদর উপজেলার লাহিড়ী কান্দা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;তাৎক্ষণিকভাবে নিহত ও আহতদের নাম-ঠিকানা পাওয়া যায়নি।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে জামালপুর-ময়মনসিংহ মহাসড়কের লাহিড়ী কান্দা এলাকায় জামালপুর থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী রাজিব পরিবহনের বাসটি একটি অটোরিকশাকে সজোরে ধাক্কা দেয়। পরে বাসটি উল্টে গিয়ে অটোরিকশার ওপর পড়ে। এ ঘটনার পর স্থানীয়রা চারজনের মরদেহ উদ্ধার করেন এবং আহতদের উদ্ধার করে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে পাঠান।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;এ ঘটনায় রাজিব পরিবহনের শাস্তির দাবিতে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী দুর্ঘটনার পর থেকেই জামালপুর-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করেন। সড়ক অবরোধের ফলে মহাসড়কের দুই পাশে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয় এবং যানবাহন চলাচল পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;এ বিষয়ে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুস সাকিব জানান, দুর্ঘটনায় একাধিক নিহত ও আরও অনেকেই আহত হয়েছেন। খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করছে। সড়ক থেকে উল্টে পড়ে থাকা বাসটি সরানোর কাজ চলছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;i&gt;&lt;b&gt;এইচএসএস&lt;/b&gt;&lt;/i&gt;&lt;/p&gt;</description>
			<description><![CDATA[<img src="https://www.somoyerkonthosor.com.ambalamedia.com/admin/post_image/untitled--6a95a794da4a8.webp" width="200" /><br>&lt;p&gt;জামালপুরে রাজিব পরিবহনের বাসের সঙ্গে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে চারজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ১০ জন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;সোমবার (৩১ আগস্ট) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে সদর উপজেলার লাহিড়ী কান্দা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;তাৎক্ষণিকভাবে নিহত ও আহতদের নাম-ঠিকানা পাওয়া যায়নি।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে জামালপুর-ময়মনসিংহ মহাসড়কের লাহিড়ী কান্দা এলাকায় জামালপুর থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী রাজিব পরিবহনের বাসটি একটি অটোরিকশাকে সজোরে ধাক্কা দেয়। পরে বাসটি উল্টে গিয়ে অটোরিকশার ওপর পড়ে। এ ঘটনার পর স্থানীয়রা চারজনের মরদেহ উদ্ধার করেন এবং আহতদের উদ্ধার করে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে পাঠান।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;এ ঘটনায় রাজিব পরিবহনের শাস্তির দাবিতে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী দুর্ঘটনার পর থেকেই জামালপুর-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করেন। সড়ক অবরোধের ফলে মহাসড়কের দুই পাশে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয় এবং যানবাহন চলাচল পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;এ বিষয়ে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুস সাকিব জানান, দুর্ঘটনায় একাধিক নিহত ও আরও অনেকেই আহত হয়েছেন। খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করছে। সড়ক থেকে উল্টে পড়ে থাকা বাসটি সরানোর কাজ চলছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;i&gt;&lt;b&gt;এইচএসএস&lt;/b&gt;&lt;/i&gt;&lt;/p&gt;]]></description>
			<pubDate>2026-08-31 22:12:56</pubDate>
		</item>
				<item>
			<guid>122341</guid>
			<link>https://www.somoyerkonthosor.com.ambalamedia.com/post/2026/08/31/6a95a5905dba7</link>
			<title>যুব অধিকার পরিষদের ৬ষ্ঠ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে কিশোরগঞ্জে দোয়া ও আলোচনা সভা</title>
			<image>https://www.somoyerkonthosor.com.ambalamedia.com/admin/post_image/62424-6a95a548dc23c.webp</image>
			<description>&lt;p&gt;‘সবাই মিলে গড়বো দেশ, তারুণ্যের বাংলাদেশ’—এই স্লোগানকে সামনে রেখে বাংলাদেশ যুব অধিকার পরিষদের ৬ষ্ঠ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে কিশোরগঞ্জে দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;সোমবার (৩১ আগস্ট) বিকেল ৩টার দিকে বাংলাদেশ যুব অধিকার পরিষদ কিশোরগঞ্জ জেলা শাখার উদ্যোগে জেলা শহরের পুরানথানা টিনপট্টি এলাকার সংগঠনের জেলা কার্যালয়ে এসব কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এতে সংগঠনের জেলা ও বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা অংশ নেন। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত কর্মসূচিতে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের স্মরণে বিশেষ দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। পরে কেক কাটার মধ্য দিয়ে কর্মসূচির সমাপ্তি হয়।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন গণঅধিকার পরিষদ কিশোরগঞ্জ জেলা শাখার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আকন্দ মো. উজ্জ্বল, সাধারণ সম্পাদক অভি চৌধুরী, দপ্তর সম্পাদক কবি আল মোহাম্মদ মস্তফা, যুব অধিকার পরিষদ কিশোরগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি মো. সোহাগ মিয়া, সাধারণ সম্পাদক হাসান আহমেদ রমজান, সিনিয়র সহসভাপতি ইকবাল হোসেন, যুব অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মো. ইব্রাহিম মিয়া, ছাত্র অধিকার পরিষদ কিশোরগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি ইমন খান, সাধারণ সম্পাদক পায়েল চৌধুরী, শ্রমিক অধিকার পরিষদ কিশোরগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি নুরুল হক সরকারসহ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে শুধু আনুষ্ঠানিকতার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে উদযাপন করাই তাদের লক্ষ্য। পাশাপাশি দেশের কল্যাণে তরুণদের আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান তারা।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;বক্তারা ২০২৫ সালের ২৯ আগস্ট সন্ধ্যায় গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম নেতা, সাবেক ডাকসু ভিপি ও গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরসহ দলীয় নেতাকর্মীদের ওপর হামলার ঘটনায় তৎকালীন অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন জনসম্মুখে প্রকাশের দাবি জানান। একই সঙ্গে হামলায় জড়িতদের দ্রুত বিচারের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেন তারা।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;যুব অধিকার পরিষদ কিশোরগঞ্জ জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক হাসান আহমেদ রমজান বলেন, “আমরা হয়তো সংখ্যায় কম এবং অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল, কিন্তু আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি সততা, ন্যায় ও নীতি। গণঅধিকার পরিষদ ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত এক টাকার দুর্নীতি বা চাঁদাবাজির অভিযোগও ওঠেনি—জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর এটিই আমাদের সবচেয়ে বড় অর্জন। এই সততা ও আদর্শকে পুঁজি করে আমরা আগামী বাংলাদেশকে নতুনভাবে গড়ে তুলতে চাই।”&lt;/p&gt;&lt;p&gt;তিনি আরও বলেন, “কে আমাদের ছেড়ে যাচ্ছে বা কতজন আমাদের সঙ্গে আছে—তা বড় বিষয় নয়। সত্যের পথে সবসময় সংখ্যায় কম মানুষই থাকে। আমরা যদি আদর্শ ও নীতিতে অবিচল থাকি, বিজয় একদিন আমাদের আসবেই।”&lt;/p&gt;&lt;p&gt;জেলা যুব অধিকার পরিষদের সভাপতি মো. সোহাগ মিয়া বলেন, “জুলাই আন্দোলনে যারা শহীদ হয়েছেন ও আহত হয়েছেন, তাদের গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি। দীর্ঘদিনের ভুল-ত্রুটি থেকে শিক্ষা নিয়ে সেগুলো সংশোধন করে নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের প্রত্যয় নিয়ে আমরা এগিয়ে যেতে চাই। তারুণ্যের বাংলাদেশ গড়ার যে প্রতিশ্রুতি ছিল, ২০২৬ সালে এসে আমরা তা বাস্তবায়নের পথে অনেকটা এগিয়েছি।”&lt;/p&gt;&lt;p&gt;তিনি বলেন, “২০১৮ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলনের মধ্য দিয়ে গণঅধিকার পরিষদের যাত্রা শুরু হয়। এর অন্যতম সহযোগী সংগঠন যুব অধিকার পরিষদ দেশের ৬৪ জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে তরুণদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করে যাচ্ছে। ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানেও যুব, ছাত্র ও গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।”&lt;/p&gt;&lt;p&gt;সোহাগ মিয়া আরও বলেন, “জুলাই আন্দোলনের চেতনা ও বাংলাদেশের মানুষের স্বপ্নকে যারা কলঙ্কিত করার চেষ্টা করছে, তাদের বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। ভিপি নুরুল হক নুরের কণ্ঠ কখনোই দাবিয়ে রাখা যাবে না। নুরের ওপর হামলার ঘটনার সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত করার জন্য আমরা আন্দোলন চালিয়ে যাব। তরুণদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি, দেশের বিভিন্ন খাতে তাদের সম্পৃক্ত করা এবং ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠায় যুব অধিকার পরিষদ সবসময় পাশে ছিল, ভবিষ্যতেও থাকবে।”&lt;/p&gt;&lt;p&gt;গণঅধিকার পরিষদ কিশোরগঞ্জ জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক অভি চৌধুরী বলেন, “২০১৮ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলন থেকে শুরু করে দেশের বিভিন্ন ক্রান্তিলগ্নে যুব অধিকার পরিষদের নেতাকর্মীরা রাজপথে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছেন। ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানেও দেশের বিভিন্ন জেলায় তারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। ২০২৫ সালের ২৯ আগস্ট নুরুল হক নুরের ওপর হামলার ঘটনায় এখনো বিচার হয়নি। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী থেকে আমরা ওই হামলার দ্রুত ও সুষ্ঠু বিচার দাবি করছি।”&lt;/p&gt;&lt;p&gt;গণঅধিকার পরিষদ কিশোরগঞ্জ জেলা শাখার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আকন্দ মো. উজ্জ্বল বলেন, “হাসিনা সরকারের পতনের পর ভিপি নুরুল হক নুরের ওপর রাষ্ট্রীয় বাহিনীর হামলা বাংলাদেশের রাজনীতির একটি কলঙ্কজনক অধ্যায়। একটি পরিবর্তিত বাংলাদেশে কোনো রাজনৈতিক নেতার ওপর রাষ্ট্রীয় বাহিনীর হামলা জাতি ও রাজনীতির জন্য অত্যন্ত লজ্জার। ওই হামলার এক বছর পেরিয়ে গেলেও তদন্ত ও বিচারে দৃশ্যমান অগ্রগতি না হওয়ায় আমরা তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।”&lt;/p&gt;&lt;p&gt;তিনি আরও বলেন, “দ্রুত সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে হামলার বিচার নিশ্চিত করে তা জনসম্মুখে প্রকাশের দাবি জানাচ্ছি। পাশাপাশি বিভিন্ন সময়ে হামলা, নির্যাতন ও হত্যার শিকার ব্যক্তিদের ঘটনাতেও সুষ্ঠু বিচার দাবি করছি।”&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;b&gt;&lt;i&gt;এইচএসএস&lt;/i&gt;&lt;/b&gt;&lt;/p&gt;</description>
			<description><![CDATA[<img src="https://www.somoyerkonthosor.com.ambalamedia.com/admin/post_image/62424-6a95a548dc23c.webp" width="200" /><br>&lt;p&gt;‘সবাই মিলে গড়বো দেশ, তারুণ্যের বাংলাদেশ’—এই স্লোগানকে সামনে রেখে বাংলাদেশ যুব অধিকার পরিষদের ৬ষ্ঠ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে কিশোরগঞ্জে দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;সোমবার (৩১ আগস্ট) বিকেল ৩টার দিকে বাংলাদেশ যুব অধিকার পরিষদ কিশোরগঞ্জ জেলা শাখার উদ্যোগে জেলা শহরের পুরানথানা টিনপট্টি এলাকার সংগঠনের জেলা কার্যালয়ে এসব কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এতে সংগঠনের জেলা ও বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা অংশ নেন। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত কর্মসূচিতে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের স্মরণে বিশেষ দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। পরে কেক কাটার মধ্য দিয়ে কর্মসূচির সমাপ্তি হয়।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন গণঅধিকার পরিষদ কিশোরগঞ্জ জেলা শাখার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আকন্দ মো. উজ্জ্বল, সাধারণ সম্পাদক অভি চৌধুরী, দপ্তর সম্পাদক কবি আল মোহাম্মদ মস্তফা, যুব অধিকার পরিষদ কিশোরগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি মো. সোহাগ মিয়া, সাধারণ সম্পাদক হাসান আহমেদ রমজান, সিনিয়র সহসভাপতি ইকবাল হোসেন, যুব অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মো. ইব্রাহিম মিয়া, ছাত্র অধিকার পরিষদ কিশোরগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি ইমন খান, সাধারণ সম্পাদক পায়েল চৌধুরী, শ্রমিক অধিকার পরিষদ কিশোরগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি নুরুল হক সরকারসহ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে শুধু আনুষ্ঠানিকতার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে উদযাপন করাই তাদের লক্ষ্য। পাশাপাশি দেশের কল্যাণে তরুণদের আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান তারা।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;বক্তারা ২০২৫ সালের ২৯ আগস্ট সন্ধ্যায় গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম নেতা, সাবেক ডাকসু ভিপি ও গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরসহ দলীয় নেতাকর্মীদের ওপর হামলার ঘটনায় তৎকালীন অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন জনসম্মুখে প্রকাশের দাবি জানান। একই সঙ্গে হামলায় জড়িতদের দ্রুত বিচারের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেন তারা।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;যুব অধিকার পরিষদ কিশোরগঞ্জ জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক হাসান আহমেদ রমজান বলেন, “আমরা হয়তো সংখ্যায় কম এবং অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল, কিন্তু আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি সততা, ন্যায় ও নীতি। গণঅধিকার পরিষদ ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত এক টাকার দুর্নীতি বা চাঁদাবাজির অভিযোগও ওঠেনি—জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর এটিই আমাদের সবচেয়ে বড় অর্জন। এই সততা ও আদর্শকে পুঁজি করে আমরা আগামী বাংলাদেশকে নতুনভাবে গড়ে তুলতে চাই।”&lt;/p&gt;&lt;p&gt;তিনি আরও বলেন, “কে আমাদের ছেড়ে যাচ্ছে বা কতজন আমাদের সঙ্গে আছে—তা বড় বিষয় নয়। সত্যের পথে সবসময় সংখ্যায় কম মানুষই থাকে। আমরা যদি আদর্শ ও নীতিতে অবিচল থাকি, বিজয় একদিন আমাদের আসবেই।”&lt;/p&gt;&lt;p&gt;জেলা যুব অধিকার পরিষদের সভাপতি মো. সোহাগ মিয়া বলেন, “জুলাই আন্দোলনে যারা শহীদ হয়েছেন ও আহত হয়েছেন, তাদের গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি। দীর্ঘদিনের ভুল-ত্রুটি থেকে শিক্ষা নিয়ে সেগুলো সংশোধন করে নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের প্রত্যয় নিয়ে আমরা এগিয়ে যেতে চাই। তারুণ্যের বাংলাদেশ গড়ার যে প্রতিশ্রুতি ছিল, ২০২৬ সালে এসে আমরা তা বাস্তবায়নের পথে অনেকটা এগিয়েছি।”&lt;/p&gt;&lt;p&gt;তিনি বলেন, “২০১৮ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলনের মধ্য দিয়ে গণঅধিকার পরিষদের যাত্রা শুরু হয়। এর অন্যতম সহযোগী সংগঠন যুব অধিকার পরিষদ দেশের ৬৪ জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে তরুণদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করে যাচ্ছে। ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানেও যুব, ছাত্র ও গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।”&lt;/p&gt;&lt;p&gt;সোহাগ মিয়া আরও বলেন, “জুলাই আন্দোলনের চেতনা ও বাংলাদেশের মানুষের স্বপ্নকে যারা কলঙ্কিত করার চেষ্টা করছে, তাদের বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। ভিপি নুরুল হক নুরের কণ্ঠ কখনোই দাবিয়ে রাখা যাবে না। নুরের ওপর হামলার ঘটনার সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত করার জন্য আমরা আন্দোলন চালিয়ে যাব। তরুণদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি, দেশের বিভিন্ন খাতে তাদের সম্পৃক্ত করা এবং ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠায় যুব অধিকার পরিষদ সবসময় পাশে ছিল, ভবিষ্যতেও থাকবে।”&lt;/p&gt;&lt;p&gt;গণঅধিকার পরিষদ কিশোরগঞ্জ জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক অভি চৌধুরী বলেন, “২০১৮ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলন থেকে শুরু করে দেশের বিভিন্ন ক্রান্তিলগ্নে যুব অধিকার পরিষদের নেতাকর্মীরা রাজপথে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছেন। ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানেও দেশের বিভিন্ন জেলায় তারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। ২০২৫ সালের ২৯ আগস্ট নুরুল হক নুরের ওপর হামলার ঘটনায় এখনো বিচার হয়নি। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী থেকে আমরা ওই হামলার দ্রুত ও সুষ্ঠু বিচার দাবি করছি।”&lt;/p&gt;&lt;p&gt;গণঅধিকার পরিষদ কিশোরগঞ্জ জেলা শাখার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আকন্দ মো. উজ্জ্বল বলেন, “হাসিনা সরকারের পতনের পর ভিপি নুরুল হক নুরের ওপর রাষ্ট্রীয় বাহিনীর হামলা বাংলাদেশের রাজনীতির একটি কলঙ্কজনক অধ্যায়। একটি পরিবর্তিত বাংলাদেশে কোনো রাজনৈতিক নেতার ওপর রাষ্ট্রীয় বাহিনীর হামলা জাতি ও রাজনীতির জন্য অত্যন্ত লজ্জার। ওই হামলার এক বছর পেরিয়ে গেলেও তদন্ত ও বিচারে দৃশ্যমান অগ্রগতি না হওয়ায় আমরা তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।”&lt;/p&gt;&lt;p&gt;তিনি আরও বলেন, “দ্রুত সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে হামলার বিচার নিশ্চিত করে তা জনসম্মুখে প্রকাশের দাবি জানাচ্ছি। পাশাপাশি বিভিন্ন সময়ে হামলা, নির্যাতন ও হত্যার শিকার ব্যক্তিদের ঘটনাতেও সুষ্ঠু বিচার দাবি করছি।”&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;b&gt;&lt;i&gt;এইচএসএস&lt;/i&gt;&lt;/b&gt;&lt;/p&gt;]]></description>
			<pubDate>2026-08-31 22:02:24</pubDate>
		</item>
				<item>
			<guid>122340</guid>
			<link>https://www.somoyerkonthosor.com.ambalamedia.com/post/2026/08/31/6a95a2c10c31e</link>
			<title>ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি সাংবাদিক সমিতির আহবায়ক শুভ, সদস্য সচিব স্মৃতি</title>
			<image>https://www.somoyerkonthosor.com.ambalamedia.com/admin/post_image/1000264561-6a95a2a812f38.webp</image>
			<description>&lt;p style=&quot;text-align: justify; &quot;&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির সংযুক্ত সাত কলেজের সকল সাংবাদিক সমিতির সমন্বয়ে ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি সাংবাদিক সমিতি (ডিসিইউজেএ)- এর প্রথম আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে কবি নজরুল সরকারি কলেজ সাংবাদিক সমিতির সভাপতি ও বাংলা ট্রিবিউনের স্টাফ রিপোর্টার মো. আতিক হাসান শুভ আহবায়ক এবং ইডেন মহিলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির আহবায়ক ও ডেইলি ক্যাম্পাসের রিপোর্টার স্মৃতি আক্তার সদস্য সচিব নির্বাচিত হয়েছেন। আগামী ৩ মাসের জন্য এই আহবায়ক কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify; &quot;&gt;রবিবার (৩০ আগস্ট) রাতে শাহাবাগের শেফ আরবানা রেস্টুরেন্টে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির সংযুক্ত সাত কলেজের সকল সাংবাদিক সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদের প্রত্যক্ষ ভোটে এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন মোকার্রেমা খাতুন ও ফারজানা আক্তার।&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify; &quot;&gt;এই আহ্বায়ক কমিটি আগামী ৩ মাসের মধ্যে সাংবাদিক সমিতির একটি গঠনতন্ত্র প্রণয়ন, ৭ কলেজ ক্যাম্পাসের পেশাদার সাংবাদিকদের সমিতির সদস্য হিসাবে যুক্ত করা, উপদেষ্টা পরিষদ গঠন করা এবং পরবর্তী নির্বাচনের রোডম্যাপ প্রকাশ করবে। নির্বাচন কমিশন নির্বাচন দিয়ে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করবে।&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify; &quot;&gt;কমিটির যুগ্ম আহবায়ক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন ঢাকা কলেজ সাংবাদিক সমিতির সভাপতি ফরহাদ বিন নূর (স্টার নিউজ), তিতুমীর কলেজ সাংবাদিক সমিতির সভাপতি এইচ এম মাহিন (এশিয়া পোস্ট), সোহরাওয়ার্দী কলেজ সাংবাদিক সমিতির সভাপতি আমিরুল ইসলাম ফরহাদ (এশিয়া পোস্ট), বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির সভাপতি এইচ এম সাইফুল ইসলাম সাব্বির (দৈনিক গনকণ্ঠ) ও বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির সভাপতি মোসাঃ ফেরদৌসী আক্তার জিন্নাত (এশিয়া পোস্ট)।&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify; &quot;&gt;এছাড়া কমিটির সদস্যরা হলেন, কবি নজরুল সরকারি কলেজ সাংবাদিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. বাইজীদ হোসেন সা’দ, তিতুমীর কলেজ সাংবাদিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক এইচ এম ইমরান (স্টার নিউজ), বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক শিহাব আল নাসিম (এশিয়া পোস্ট), সোহরাওয়ার্দী কলেজ সাংবাদিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আবিদ হোসেন (নাগরিক টিভি), ঢাকা কলেজ সাংবাদিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল আহমেদ (দৈনিক জনকণ্ঠ), বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ফারজানা আক্তার (ডেইলি ক্যাম্পাস) ও ইডেন কলেজ সাংবাদিক সমিতির যুগ্ম আহ্বায়ক মোকার্রেমা খাতুন (আমার সংবাদ)।&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify; &quot;&gt;&lt;b&gt;&lt;i&gt;এনআই&lt;/i&gt;&lt;/b&gt;&lt;/p&gt;</description>
			<description><![CDATA[<img src="https://www.somoyerkonthosor.com.ambalamedia.com/admin/post_image/1000264561-6a95a2a812f38.webp" width="200" /><br>&lt;p style=&quot;text-align: justify; &quot;&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির সংযুক্ত সাত কলেজের সকল সাংবাদিক সমিতির সমন্বয়ে ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি সাংবাদিক সমিতি (ডিসিইউজেএ)- এর প্রথম আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে কবি নজরুল সরকারি কলেজ সাংবাদিক সমিতির সভাপতি ও বাংলা ট্রিবিউনের স্টাফ রিপোর্টার মো. আতিক হাসান শুভ আহবায়ক এবং ইডেন মহিলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির আহবায়ক ও ডেইলি ক্যাম্পাসের রিপোর্টার স্মৃতি আক্তার সদস্য সচিব নির্বাচিত হয়েছেন। আগামী ৩ মাসের জন্য এই আহবায়ক কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify; &quot;&gt;রবিবার (৩০ আগস্ট) রাতে শাহাবাগের শেফ আরবানা রেস্টুরেন্টে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির সংযুক্ত সাত কলেজের সকল সাংবাদিক সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদের প্রত্যক্ষ ভোটে এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন মোকার্রেমা খাতুন ও ফারজানা আক্তার।&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify; &quot;&gt;এই আহ্বায়ক কমিটি আগামী ৩ মাসের মধ্যে সাংবাদিক সমিতির একটি গঠনতন্ত্র প্রণয়ন, ৭ কলেজ ক্যাম্পাসের পেশাদার সাংবাদিকদের সমিতির সদস্য হিসাবে যুক্ত করা, উপদেষ্টা পরিষদ গঠন করা এবং পরবর্তী নির্বাচনের রোডম্যাপ প্রকাশ করবে। নির্বাচন কমিশন নির্বাচন দিয়ে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করবে।&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify; &quot;&gt;কমিটির যুগ্ম আহবায়ক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন ঢাকা কলেজ সাংবাদিক সমিতির সভাপতি ফরহাদ বিন নূর (স্টার নিউজ), তিতুমীর কলেজ সাংবাদিক সমিতির সভাপতি এইচ এম মাহিন (এশিয়া পোস্ট), সোহরাওয়ার্দী কলেজ সাংবাদিক সমিতির সভাপতি আমিরুল ইসলাম ফরহাদ (এশিয়া পোস্ট), বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির সভাপতি এইচ এম সাইফুল ইসলাম সাব্বির (দৈনিক গনকণ্ঠ) ও বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির সভাপতি মোসাঃ ফেরদৌসী আক্তার জিন্নাত (এশিয়া পোস্ট)।&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify; &quot;&gt;এছাড়া কমিটির সদস্যরা হলেন, কবি নজরুল সরকারি কলেজ সাংবাদিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. বাইজীদ হোসেন সা’দ, তিতুমীর কলেজ সাংবাদিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক এইচ এম ইমরান (স্টার নিউজ), বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক শিহাব আল নাসিম (এশিয়া পোস্ট), সোহরাওয়ার্দী কলেজ সাংবাদিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আবিদ হোসেন (নাগরিক টিভি), ঢাকা কলেজ সাংবাদিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল আহমেদ (দৈনিক জনকণ্ঠ), বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ফারজানা আক্তার (ডেইলি ক্যাম্পাস) ও ইডেন কলেজ সাংবাদিক সমিতির যুগ্ম আহ্বায়ক মোকার্রেমা খাতুন (আমার সংবাদ)।&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify; &quot;&gt;&lt;b&gt;&lt;i&gt;এনআই&lt;/i&gt;&lt;/b&gt;&lt;/p&gt;]]></description>
			<pubDate>2026-08-31 21:50:25</pubDate>
		</item>
				<item>
			<guid>122339</guid>
			<link>https://www.somoyerkonthosor.com.ambalamedia.com/post/2026/08/31/6a95a0ba89adc</link>
			<title>থাইল্যান্ডের তীরে আসছে ৫ হাজার মার্কিন সেনা, যৌনকর্মীদের সতর্ক করল কর্তৃপক্ষ</title>
			<image>https://www.somoyerkonthosor.com.ambalamedia.com/admin/post_image/Screenshot 2026-08-31 213455-6a95a0748c0cf.webp</image>
			<description>&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;থাইল্যান্ডের পর্যটন শহর পাতায়ায় মার্কিন নৌবাহিনীর বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন পৌঁছানোর আগে যৌন ব্যবসার বিরুদ্ধে অভিযান জোরদার করেছে স্থানীয় প্রশাসন। রণতরীটিতে প্রায় ৫ হাজার নাবিক ও মেরিন সেনা রয়েছেন। তারা টানা ২০০ দিনেরও বেশি সময় সমুদ্রে কাটানোর পর থাইল্যান্ডে বিশ্রাম ও বিনোদনের সুযোগ পাবেন।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;সোমবার (৩১ আগস্ট) ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য ইনডিপেনডেন্ট জানায়, আগামী বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) থাইল্যান্ডের রিসোর্ট শহর পাতায়ার কাছে লায়েম চাবাং বন্দরে নোঙর করার কথা রয়েছে ইউএসএস আব্রাহাম লিংকনের। এর সঙ্গে থাকবে আরও দুটি মার্কিন নৌযান।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;মার্কিন সেনাদের আগমনের আগে শহরের প্রধান সমুদ্রসৈকত ও নাইটলাইফ এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশি টহলের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এর আগে গত সপ্তাহে চালানো অভিযানে যৌন ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকার সন্দেহে ৪০ থেকে ৫০ জনকে আটক করা হয়েছে।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;পাতায়া পুলিশের প্রধান আনেক স্রাথংইউ বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে। তবে যৌনকর্মীরা কর্তৃপক্ষের অগোচরে বিভিন্ন জনসমাগমপূর্ণ এলাকায় সম্ভাব্য ক্রেতাদের আকৃষ্ট করতে পারেন—এ কারণে বিষয়টি নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;থাইল্যান্ডে পতিতাবৃত্তি আইনত নিষিদ্ধ হলেও দেশটির প্রধান পর্যটনকেন্দ্রগুলোতে, বিশেষ করে ব্যাংকক ও পাতায়ার কিছু এলাকায় যৌন ব্যবসা প্রকাশ্যেই চলে।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;গত বছরের নভেম্বরে সান দিয়েগো ঘাঁটি থেকে যাত্রা শুরু করেছিল ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন। পরে ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক অভিযানকে সহায়তার জন্য রণতরীটিকে সেখানে পাঠানো হয়। ডেমোক্র্যাট আইনপ্রণেতাদের ভাষ্য অনুযায়ী, টানা সমুদ্রে থাকার ক্ষেত্রে এটি আধুনিক সময়ে একটি রেকর্ড তৈরি করেছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;i&gt;এবি&amp;nbsp;&lt;/i&gt;&lt;/p&gt;</description>
			<description><![CDATA[<img src="https://www.somoyerkonthosor.com.ambalamedia.com/admin/post_image/Screenshot 2026-08-31 213455-6a95a0748c0cf.webp" width="200" /><br>&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;থাইল্যান্ডের পর্যটন শহর পাতায়ায় মার্কিন নৌবাহিনীর বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন পৌঁছানোর আগে যৌন ব্যবসার বিরুদ্ধে অভিযান জোরদার করেছে স্থানীয় প্রশাসন। রণতরীটিতে প্রায় ৫ হাজার নাবিক ও মেরিন সেনা রয়েছেন। তারা টানা ২০০ দিনেরও বেশি সময় সমুদ্রে কাটানোর পর থাইল্যান্ডে বিশ্রাম ও বিনোদনের সুযোগ পাবেন।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;সোমবার (৩১ আগস্ট) ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য ইনডিপেনডেন্ট জানায়, আগামী বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) থাইল্যান্ডের রিসোর্ট শহর পাতায়ার কাছে লায়েম চাবাং বন্দরে নোঙর করার কথা রয়েছে ইউএসএস আব্রাহাম লিংকনের। এর সঙ্গে থাকবে আরও দুটি মার্কিন নৌযান।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;মার্কিন সেনাদের আগমনের আগে শহরের প্রধান সমুদ্রসৈকত ও নাইটলাইফ এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশি টহলের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এর আগে গত সপ্তাহে চালানো অভিযানে যৌন ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকার সন্দেহে ৪০ থেকে ৫০ জনকে আটক করা হয়েছে।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;পাতায়া পুলিশের প্রধান আনেক স্রাথংইউ বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে। তবে যৌনকর্মীরা কর্তৃপক্ষের অগোচরে বিভিন্ন জনসমাগমপূর্ণ এলাকায় সম্ভাব্য ক্রেতাদের আকৃষ্ট করতে পারেন—এ কারণে বিষয়টি নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;থাইল্যান্ডে পতিতাবৃত্তি আইনত নিষিদ্ধ হলেও দেশটির প্রধান পর্যটনকেন্দ্রগুলোতে, বিশেষ করে ব্যাংকক ও পাতায়ার কিছু এলাকায় যৌন ব্যবসা প্রকাশ্যেই চলে।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;গত বছরের নভেম্বরে সান দিয়েগো ঘাঁটি থেকে যাত্রা শুরু করেছিল ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন। পরে ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক অভিযানকে সহায়তার জন্য রণতরীটিকে সেখানে পাঠানো হয়। ডেমোক্র্যাট আইনপ্রণেতাদের ভাষ্য অনুযায়ী, টানা সমুদ্রে থাকার ক্ষেত্রে এটি আধুনিক সময়ে একটি রেকর্ড তৈরি করেছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;i&gt;এবি&amp;nbsp;&lt;/i&gt;&lt;/p&gt;]]></description>
			<pubDate>2026-08-31 21:41:46</pubDate>
		</item>
				<item>
			<guid>122338</guid>
			<link>https://www.somoyerkonthosor.com.ambalamedia.com/post/2026/08/31/6a95a099af40c</link>
			<title>নড়াইলে গাঁজা ও ইয়াবাসহ শাশুড়ি-মেয়ের জামাই গ্রেফতার</title>
			<image>https://www.somoyerkonthosor.com.ambalamedia.com/admin/post_image/SK NEWS-6a95a08840ec4.webp</image>
			<description>&lt;p style=&quot;text-align: justify; &quot;&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;নড়াইলের লোহাগড়ায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে ১ কেজি গাঁজা ও ১০১ পিস ইয়াবাসহ শাশুড়ি ও মেয়ের জামাইকে গ্রেফতার করেছে নড়াইল জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর।&amp;nbsp;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify; &quot;&gt;সোমবার (৩১ আগস্ট) বিকেলে উপজেলার পাঁচুড়িয়া গ্রামে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify; &quot;&gt;গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন- লোহাগড়া উপজেলার পাঁচুড়িয়া গ্রামের আব্দুর রশিদ বেপারীর মেয়ে মোছা. সীমা বেগম (৩৮), একই উপজেলার নোয়াপাড়া গ্রামের আবুল কালাম আজাদের ছেলে মো. রাসেল শেখ (২১)। তারা সম্পর্কে শাশুড়ি ও মেয়ের জামাই বলে জানা গেছে।&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify; &quot;&gt;মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে লোহাগড়া উপজেলার পাঁচুড়িয়া গ্রাম থেকে শাশুড়ি সীমা বেগম ও তার মেয়ের জামাই রাসেল শেখকে আটক করা হয়। পরে তাদের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী পাঁচুড়িয়া গ্রামের মো. ইউসুফ শেখের নিজ দখলীয় বসতঘরে তল্লাশী চালানো হয়। এসময় তল্লাশী করে ১ কেজি গাঁজা ও ১০১ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify; &quot;&gt;এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক মো. আব্দুল মান্নান বাদী হয়ে লোহাগড়া থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করেছেন।&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify; &quot;&gt;&lt;b&gt;&lt;i&gt;এনআই&lt;/i&gt;&lt;/b&gt;&lt;/p&gt;</description>
			<description><![CDATA[<img src="https://www.somoyerkonthosor.com.ambalamedia.com/admin/post_image/SK NEWS-6a95a08840ec4.webp" width="200" /><br>&lt;p style=&quot;text-align: justify; &quot;&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;নড়াইলের লোহাগড়ায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে ১ কেজি গাঁজা ও ১০১ পিস ইয়াবাসহ শাশুড়ি ও মেয়ের জামাইকে গ্রেফতার করেছে নড়াইল জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর।&amp;nbsp;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify; &quot;&gt;সোমবার (৩১ আগস্ট) বিকেলে উপজেলার পাঁচুড়িয়া গ্রামে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify; &quot;&gt;গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন- লোহাগড়া উপজেলার পাঁচুড়িয়া গ্রামের আব্দুর রশিদ বেপারীর মেয়ে মোছা. সীমা বেগম (৩৮), একই উপজেলার নোয়াপাড়া গ্রামের আবুল কালাম আজাদের ছেলে মো. রাসেল শেখ (২১)। তারা সম্পর্কে শাশুড়ি ও মেয়ের জামাই বলে জানা গেছে।&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify; &quot;&gt;মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে লোহাগড়া উপজেলার পাঁচুড়িয়া গ্রাম থেকে শাশুড়ি সীমা বেগম ও তার মেয়ের জামাই রাসেল শেখকে আটক করা হয়। পরে তাদের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী পাঁচুড়িয়া গ্রামের মো. ইউসুফ শেখের নিজ দখলীয় বসতঘরে তল্লাশী চালানো হয়। এসময় তল্লাশী করে ১ কেজি গাঁজা ও ১০১ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify; &quot;&gt;এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক মো. আব্দুল মান্নান বাদী হয়ে লোহাগড়া থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করেছেন।&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify; &quot;&gt;&lt;b&gt;&lt;i&gt;এনআই&lt;/i&gt;&lt;/b&gt;&lt;/p&gt;]]></description>
			<pubDate>2026-08-31 21:41:13</pubDate>
		</item>
				<item>
			<guid>122337</guid>
			<link>https://www.somoyerkonthosor.com.ambalamedia.com/post/2026/08/31/6a95a07eb8093</link>
			<title>বদরগঞ্জে গলায় ফাঁস দেওয়া এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার</title>
			<image>https://www.somoyerkonthosor.com.ambalamedia.com/admin/post_image/lash-6936a5c0c6454.webp</image>
			<description>&lt;p&gt;রংপুরের বদরগঞ্জ উপজেলায় গলায় ফাঁস দেওয়া এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।&amp;nbsp;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;সোমবার (৩১ আগস্ট) বিকালে উপজেলার রামনাথপুর ইউনিয়নের রামকৃষ্ণপুর কুমারপাড়া গ্রামের সুমন চন্দ্র (১৭) নামের ওই কিশোর গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। তিনি ওই গ্রামের দুলাল চন্দ্রের ছেলে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;মৃতের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘ দিন ধরে সুমন চন্দ্র মানসিক রোগী ছিলেন। অনেক চিকিৎসা করার পরও সুস্থ্য হয়নি। ঘটনার দিন পরিবারের অজান্তে ঘরের ভিতরে বাঁশের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;বদরগঞ্জ থানার এসআই আবুল হোসেন জানান, &#039;পরিবারের কোন অভিযোগ না থাকায় মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।&#039;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;i&gt;এসআর&lt;/i&gt;&lt;/p&gt;</description>
			<description><![CDATA[<img src="https://www.somoyerkonthosor.com.ambalamedia.com/admin/post_image/lash-6936a5c0c6454.webp" width="200" /><br>&lt;p&gt;রংপুরের বদরগঞ্জ উপজেলায় গলায় ফাঁস দেওয়া এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।&amp;nbsp;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;সোমবার (৩১ আগস্ট) বিকালে উপজেলার রামনাথপুর ইউনিয়নের রামকৃষ্ণপুর কুমারপাড়া গ্রামের সুমন চন্দ্র (১৭) নামের ওই কিশোর গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। তিনি ওই গ্রামের দুলাল চন্দ্রের ছেলে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;মৃতের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘ দিন ধরে সুমন চন্দ্র মানসিক রোগী ছিলেন। অনেক চিকিৎসা করার পরও সুস্থ্য হয়নি। ঘটনার দিন পরিবারের অজান্তে ঘরের ভিতরে বাঁশের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;বদরগঞ্জ থানার এসআই আবুল হোসেন জানান, &#039;পরিবারের কোন অভিযোগ না থাকায় মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।&#039;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;i&gt;এসআর&lt;/i&gt;&lt;/p&gt;]]></description>
			<pubDate>2026-08-31 21:40:46</pubDate>
		</item>
				<item>
			<guid>122336</guid>
			<link>https://www.somoyerkonthosor.com.ambalamedia.com/post/2026/08/31/6a959cc755909</link>
			<title>মার্কিন বাহিনীর ওপর ইরানি হামলার জবাব দেয়া হবে: ট্রাম্প</title>
			<image>https://www.somoyerkonthosor.com.ambalamedia.com/admin/post_image/Screenshot 2026-08-31 212017-6a959c1f6c753.webp</image>
			<description>&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;মার্কিন বাহিনীর ওপর ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার কড়া জবাব দেয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। জর্ডান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে অবস্থানরত মার্কিন সেনাদের লক্ষ্য করে এসব হামলা চালানো হয়। খবর আনাদোলুর।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;সোমবার (৩১ আগস্ট) ফক্স নিউজকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা তাদের ওপর কঠোর আঘাত হানব। এর উপযুক্ত জবাব দেয়া হবে।’&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;ট্রাম্প উল্লেখ করেন, যুক্তরাষ্ট্রের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বেশিরভাগ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন আকাশেই ধ্বংস করেছে। তিনি জানান, শুধু একটি ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করা হয়নি, কারণ সেটির ‘গুরুত্বপূর্ণ কিছুতে আঘাত হানার সম্ভাবনা ছিল না’।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;এর আগে সোমবার ভোরের দিকে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) দাবি করে, তারা জর্ডানের কিং হুসেইন ও আজরাক বিমানঘাঁটিতে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের আল মিনহাদ বিমানঘাঁটিতে বিস্ফোরক ভর্তি ড্রোন দিয়ে হামলা চালিয়েছে।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;আইআরজিসি জানিয়েছে, রোববার (৩০ আগস্ট) দিবাগত রাতে লারাক দ্বীপে মার্কিন হামলার জবাবে এই পাল্টা আঘাত হানা হয়েছে। এর আগে পৃথক এক বিবৃতিতে তারা জানায়, মার্কিন হামলায় লারাক দ্বীপে হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। কয়েকজন সেনা সদস্য ও সাধারণ নাগরিক নিহত ও আহত হয়েছে বলে নিশ্চিত করে তারা।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;এদিকে নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেয়া এক পোস্টে ইরানকে একটি ‘ব্যর্থ ও মৃত রাষ্ট্র’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন ট্রাম্প। ট্রাম্প দাবি করেন, ইরানের কোনও সেনা, নৌ কিংবা বিমানবাহিনী অবশিষ্ট নেই। দেশের অর্থনীতি সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, তাদের নিজস্ব মুদ্রা ব্যবস্থা বলতে এখন আর কিছু নেই এবং তারা সৈন্য কিংবা পুলিশের বেতনও দিতে পারছে না।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;দেশটির অর্থনৈতিক পরিস্থিতির এক ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, সেখানে বর্তমানে মূল্যস্ফীতি ৩০০ শতাংশে পৌঁছেছে। ইরানের বর্তমান নেতৃত্বকে পুরোপুরি বিশৃঙ্খল উল্লেখ করে তিনি দাবি করেন, দেশের সঠিক প্রতিনিধিত্ব করার ক্ষমতা তাদের আর নেই।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;i&gt;এবি&amp;nbsp;&lt;/i&gt;&lt;/p&gt;</description>
			<description><![CDATA[<img src="https://www.somoyerkonthosor.com.ambalamedia.com/admin/post_image/Screenshot 2026-08-31 212017-6a959c1f6c753.webp" width="200" /><br>&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;মার্কিন বাহিনীর ওপর ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার কড়া জবাব দেয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। জর্ডান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে অবস্থানরত মার্কিন সেনাদের লক্ষ্য করে এসব হামলা চালানো হয়। খবর আনাদোলুর।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;সোমবার (৩১ আগস্ট) ফক্স নিউজকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা তাদের ওপর কঠোর আঘাত হানব। এর উপযুক্ত জবাব দেয়া হবে।’&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;ট্রাম্প উল্লেখ করেন, যুক্তরাষ্ট্রের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বেশিরভাগ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন আকাশেই ধ্বংস করেছে। তিনি জানান, শুধু একটি ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করা হয়নি, কারণ সেটির ‘গুরুত্বপূর্ণ কিছুতে আঘাত হানার সম্ভাবনা ছিল না’।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;এর আগে সোমবার ভোরের দিকে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) দাবি করে, তারা জর্ডানের কিং হুসেইন ও আজরাক বিমানঘাঁটিতে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের আল মিনহাদ বিমানঘাঁটিতে বিস্ফোরক ভর্তি ড্রোন দিয়ে হামলা চালিয়েছে।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;আইআরজিসি জানিয়েছে, রোববার (৩০ আগস্ট) দিবাগত রাতে লারাক দ্বীপে মার্কিন হামলার জবাবে এই পাল্টা আঘাত হানা হয়েছে। এর আগে পৃথক এক বিবৃতিতে তারা জানায়, মার্কিন হামলায় লারাক দ্বীপে হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। কয়েকজন সেনা সদস্য ও সাধারণ নাগরিক নিহত ও আহত হয়েছে বলে নিশ্চিত করে তারা।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;এদিকে নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেয়া এক পোস্টে ইরানকে একটি ‘ব্যর্থ ও মৃত রাষ্ট্র’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন ট্রাম্প। ট্রাম্প দাবি করেন, ইরানের কোনও সেনা, নৌ কিংবা বিমানবাহিনী অবশিষ্ট নেই। দেশের অর্থনীতি সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, তাদের নিজস্ব মুদ্রা ব্যবস্থা বলতে এখন আর কিছু নেই এবং তারা সৈন্য কিংবা পুলিশের বেতনও দিতে পারছে না।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 1rem;&quot;&gt;দেশটির অর্থনৈতিক পরিস্থিতির এক ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, সেখানে বর্তমানে মূল্যস্ফীতি ৩০০ শতাংশে পৌঁছেছে। ইরানের বর্তমান নেতৃত্বকে পুরোপুরি বিশৃঙ্খল উল্লেখ করে তিনি দাবি করেন, দেশের সঠিক প্রতিনিধিত্ব করার ক্ষমতা তাদের আর নেই।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;i&gt;এবি&amp;nbsp;&lt;/i&gt;&lt;/p&gt;]]></description>
			<pubDate>2026-08-31 21:24:55</pubDate>
		</item>
			</channel>
</rss>