পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলায় আজও নির্মাণ হয়নি ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশন। ফলে অগ্নিকাণ্ডের মতো জরুরি পরিস্থিতিতে চরম ঝুঁকির মধ্যে রয়েছেন উপজেলার মানুষ।
প্রথম শ্রেণীর ১টি পৌরসভা ও ৬টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত ভাঙ্গুড়া উপজেলার মধ্যে রয়েছে- ৪টি রেলস্টেশন, সরকারি-বেসরকারি ব্যাংক-বীমা, হাসপাতাল, বিভিন্ন আর্থ সামাজিক উন্নয়ন সহযোগী এনজিও, হাট, ব্যবসা বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান, দুগ্ধ খামার, পোল্ট্রি খামার, গবাদি খামার, সোনালী আশ ক্রয় বিক্রয় কেন্দ্র, গুদামঘর, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক প্রতিষ্ঠান।
স্বাধীনতার ৫৫ বছর পরেও ফায়ার সার্ভিস স্টেশন না থাকায় ভাঙ্গুড়া উপজেলার বাসিন্দারা অত্যন্ত ঝুঁকি নিয়ে বসবাস করছে। অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটলে পার্শ্ববর্তী চাটমোহর ও ফরিদপুর উপজেলা থেকে ফায়ার সার্ভিস কর্মীদের ঘটনাস্থলে পৌঁছার আগেই আগুনে পুড়ে সবকিছু ছাই হয়ে যায়। অগ্নিকান্ডের ভয়াবহ থাবায় কোটি কোটি টাকার সম্পদ পুড়ে মাটি হয়ে যাচ্ছে। বিষয়টি উপজেলাবাসীর জন্য আতঙ্কের।
ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের প্রত্যশায় নদীবেষ্টিত ও কৃষিনির্ভর ভাঙ্গুড়া উপজেলার লক্ষাধিক মানুষের অগ্নিনিরাপত্তা আজও অনিশ্চিত। ক্ষোভ প্রকাশ করে উপজেলাবাসীরা মনে করেন অনেক আগেই এখানে ফায়ার সার্ভিস স্টেশন হওয়া উচিত ছিল। তাঁরা দ্রুত বিষয়টি সমাধানের দাবি জানিয়েছেন।
চলনবিল সাহিত্য সংসদের সভাপতি মো. নুরুজ্জামান সবুজ মাষ্টার সময়ের কণ্ঠস্বরকে বলেন, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশন নির্মাণ ভাঙ্গুড়াবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি। প্রতিবছরই কোনো না কোনোভাবে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ব্যবসায়ী ও সাধারণ জনগণ। নিকট অতীতে অগ্নিকান্ডে অনেক পরিবার একেবারে নিঃস্ব হতেও দেখা গেছে। দূর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেতে আমরা দ্রুত ফায়ার সার্ভিস স্টেশন নির্মাণের দাবি জানাচ্ছি।
এইচএ