মাগুরায় শ্যাম সুন্দর (৬৫) নামে এক কবিরাজের বিরুদ্ধে নারী কেলেঙ্কারির অভিযোগ উঠেছে। কবিরাজির নামে এমন কেলেঙ্কারি বা হয়রানির বিষয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে মাগুরা সদর উপজেলার শত্রুজিৎপুর মহাশ্বশান ঘাট এলাকায়।
স্থানীয়রা জানান, শুক্রবার (১৫ মে) দুপুরে এক নারীকে চিকিৎসা সেবা দেওয়ার নাম করে ওই নারীর সঙ্গে অনৈতিক কাজের চেষ্টা করেন। এসময় স্থানীয় লোকজন টের পেয়ে ওই ঘরের বাইরে দরজা লাগিয়ে দেন। এসময় ওই কবিরাজ ঘরের দরজা খুলতে অনুরোধ করেন। পরে দরজা খুলে দিলে দৌড়ে সরে পড়েন ওই নারী। এঘটনা এলাকায় জানাজানি হলে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। কবিরাজির নামে এধরনের আপত্তিকর কাজের জন্য শ্যাম সুন্দর নামে ওই ব্যাক্তির বিচার দাবি করা হয়।
শ্যাম সুন্দর কৃষ্ণ দাসের বাড়ি ফরিদপুরে। তিনি শত্রুজিৎপুর মহা শ্বশানের গোবিন্দ মন্দিরের দায়িত্বে আছে বলে জানায় স্থানীয়রা।
এবিষয়ে শ্যাম সুন্দর নামে ওই ব্যাক্তির সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, এটি একটি ষড়যন্ত্র। দীর্ঘ দিন ধরে তিনি কবিরাজি করে আসছে। তিন মাস মত হয়েছে তিনি এই মহাশ্বশান ঘাট মন্দির সেবাশ্রমের দায়িত্বে রয়েছেন।
ঘটনার সময়ে উপস্থিত ব্যাক্তিরা নাম প্রকাশ না করা শর্তে জানান, শুক্রবার দুপুরে গোসল করার উদ্দেশ্যে তারা শশ্বানঘাটে যান। হঠাৎ দেখতে পান এক নারী শ্যাম সুন্দর নামের ওই কবিরাজের ঘরে ঢুকেছেন। কিছু সময় পর তারা কাছে গিয়ে দেখেন ঘরের ভিতরে আপত্তিকর অবস্থায় দুজন। পরে তারা বাইরে থেকে ঘরের দরজা লাগিয়ে দেন, যাতে দরজা খুলে দৌড়ে পালাতে না পারে কেউ। এরপর লোকজন জড় হলে দরজা খুলে তাদেরকে সরিয়ে দেওয়া হয়। একজন কবিরাজ হয়ে এমন কান্ডে রীতিমতো হতবাক হয়েছেন এলাকার লোকজন।
সচেতন মহল বলছে, এঘটনায় ওই এলাকার শ্বশান দেখাশোনার দায়িত্ব থেকে তাকে অব্যহতি দেওয়া উচিত। একইসাথে ঘটনার তদন্ত দাবি করে বিচার করারও দাবি উঠেছে।
প্রশাসন বলছে, ভুক্তভোগী ওই নারীর পক্ষ থেকে আজ শনিবার (১৬ মে) পর্যন্তও কোনো অভিযোগ আসেনি। যদি ওই নারীর পক্ষ থেকে কোনো লিখিত বা মৌখিক অভিযোগ পাওয়া যায় তবে এঘটনার সুষ্ঠ তদন্তের মাধ্যমে বিচার হবে।
ইখা