এইমাত্র
  • মিরপুরে শ্রমিকদের আন্দোলন নিয়ন্ত্রণে: পুলিশ
  • গাজীপুরে ঝুট গুদামে আগুন, বিজিবির পাহারায় যাচ্ছে ফায়ার সার্ভিস
  • ভালুকায় দপ্তরীর বিরুদ্ধে পরকীয়ার অভিযোগ!
  • সুনামগঞ্জে ছাত্রলীগ নেতাসহ আটজন গ্রেপ্তার
  • মিরসরাইয়ে গাছচাপা পড়ে যুবকের মৃত্যু
  • জন্মের ১৫৩ বছর পরও শেরেবাংলার জন্মভবনে হয়নি জাদুঘর
  • ‘করব কাজ গড়ব দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ-এটা একটা হাদিস'
  • রাজধানীতে ৬ রুটে ৮৬১ বাস নিয়ে চালু হলো ‘বাস রুট রেশনালাইজেশন’
  • পোশাক শ্রমিকদের বিক্ষোভ, মিরপুরে ৫ মেট্রোস্টেশন বন্ধ
  • আশুলিয়ায় শ্রমিক অসন্তোষ: ৪৮ কারখানা বন্ধ ঘোষণা
  • আজ রবিবার, ১৭ কার্তিক, ১৪৩৩ | ১ নভেম্বর, ২০২৬
    আন্তর্জাতিক

    ইরানের হামলায় মধ্যপ্রাচ্যে ২৬ মার্কিন ঘাঁটি-স্থাপনা ধ্বংস

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক প্রকাশ: ১ নভেম্বর ২০২৬, ০২:৪৬ পিএম
    আন্তর্জাতিক ডেস্ক প্রকাশ: ১ নভেম্বর ২০২৬, ০২:৪৬ পিএম

    ইরানের হামলায় মধ্যপ্রাচ্যে ২৬ মার্কিন ঘাঁটি-স্থাপনা ধ্বংস

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক প্রকাশ: ১ নভেম্বর ২০২৬, ০২:৪৬ পিএম
    সংগৃহীত ছবি

    মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন দুই ডজনেরও বেশি সামরিক ঘাঁটিতে ইরানের হামলায় প্রথমে প্রাথমিক সতর্কতা ব্যবস্থা ধ্বংস করা হয় এবং পরবর্তীতে বিমান ও ভবন লক্ষ্য করে হামলা চালিয়ে শত শত কোটি ডলারের সরঞ্জামের ক্ষতি করা হয়েছে। 

    রবিবার (০১ নভেম্বর) একাধিক প্রোভাইডারের উপগ্রহ চিত্র এবং চারজন আঞ্চলিক কর্মকর্তার সঙ্গে পর্যালোচনার মাধ্যমে বার্তা সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (এপি) এই তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছে।

    এপির বিশ্লেষণে দেখা যায়, আগস্ট মাস পর্যন্ত ইরান বা ইরানি সমর্থিত মিলিশিয়াদের দাবি করা ১১৫টিরও বেশি ড্রোন বা ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ২৬টি সামরিক ঘাঁটি ও মার্কিন সরঞ্জাম সংবলিত স্থাপনা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়েছে। ক্ষতির ভয়াবহতার কারণে মার্কিন বহর তাদের অনেক বিমান, আকাশ প্রতিরক্ষা ও যোগাযোগ ব্যবস্থা পারস্য উপসাগর থেকে অন্যত্র সরিয়ে নিয়েছে।

    ক্ষয়ক্ষতির তথ্যের বিষয়ে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড বা সেন্টকম কোনো মন্তব্য করেনি। তবে পেন্টাগনের মুখপাত্র শন পার্নেল বলেন, ‘বাহিনী এবং ঘাঁটিগুলো ভালোভাবে সুরক্ষিত এবং আমেরিকার সামরিক বাহিনী আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে শক্তিশালী।’ তিনি আরও যোগ করেন, ‘সেন্টকমের আমাদের সদস্যদের সবকিছুই রয়েছে যা দিয়ে তারা ইরান যাতে কখনো পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে না পারে তা নিশ্চিত করতে ঐতিহাসিক সাফল্য বজায় রাখতে পারে।’

    উপগ্রহ চিত্র অনুযায়ী সবচেয়ে বেশি হামলা হয়েছে কুয়েতে, এ ছাড়া বাহরাইন, ইরাক, জর্ডান, ওমান, কাতার, সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের মার্কিন ঘাঁটিগুলোও আক্রান্ত হয়েছে। গত ১ মার্চ কুয়েতের পোর্ট শুআইবায় ড্রোন হামলায় ছয়জন মার্কিন সেনা নিহত হন, যা এই যুদ্ধে মার্কিন সেনাদের সবচেয়ে মারাত্মক প্রাণহানি।

    কুয়েতের আলি আল সালেম বিমান ঘাঁটিতে অন্তত ৩০ বার হামলা চালিয়ে ১৫টি বিমান হ্যাঙ্গার ও বেশ কয়েকটি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত করা হয়। একই দেশের ক্যাম্প বুহরিং-এও হামলা চালিয়ে জিমনেসিয়াম, খাবারের কক্ষ ও দোকান ধ্বংস করা হয়। স্যাটেলাইট ইমেজের তথ্য যাতে জনসমক্ষে দেরিতে আসে সে ব্যবস্থা নিয়েছে মার্কিন প্রশাসন।

    ইরান শুরুতে দূরপাল্লার রাডার ধ্বংস করে মার্কিন আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে অচল করে দেয়। জর্ডানে ধ্বংস হওয়া রাডারটির মূল্য প্রায় ৫০ কোটি ডলার যা মার্কিন সেনাবাহিনীর ব্যবহৃত অত্যন্ত বিরল প্রযুক্তি। আর কাতারে ক্ষতিগ্রস্ত একটি রাডার ২০১৩ সালে ১১০ কোটি ডলারে কেনা হয়েছিল।

    আর্মামেন্ট রিসার্চ সার্ভিসেসের প্রযুক্তিগত গোয়েন্দা বিভাগের প্রধান এন. আর. জেনজেন-জোনস বলেন, এই স্থানগুলোতে হামলা চালানো হয়েছিল ‘যুক্তরাষ্ট্র এবং তার মিত্রদের আরও পরবর্তী হামলার প্রতিক্রিয়া জানানোর ক্ষমতা ব্যাহত এবং হ্রাস করার উদ্দেশ্যে।’

    পরবর্তী হামলায় সৌদি আরবের প্রিন্স সুলতান এয়ার বেসে একটি বোয়িং ই-৩ সেন্ট্রি নজরদারি বিমান, মার্কিন সিআইএ ইউনিট এবং জ্বালানি ট্যাঙ্কার ক্ষতিগ্রস্ত হয়। অন্যদিকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের আল ধাফরা বিমান ঘাঁটিতেও হ্যাঙ্গার ও ড্রোনের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

    র‍্যান্ড স্কুলের রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা কর্মসূচির পরিচালক রাফায়েল কোহেন প্রযুক্তির পরিবর্তনের দিকে ইঙ্গিত করে বলেন, ‘এটি যুক্তরাষ্ট্রের জন্য একটি সতর্কবার্তা হওয়া উচিত।’ সামরিক কাঠামোর পরিবর্তন নিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘এটিই সেই কাজের পরিবেশ যা আমরা ভবিষ্যতে মোকাবেলা করতে যাচ্ছি। বিশ্বব্যাপী সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধের সময় আমরা যেভাবে স্থায়ী অবকাঠামোর ওপর নির্ভর করতাম সেই ধারণা শেষ হয়ে গেছে।’

    এমআর-২

    সম্পর্কিত:

    সম্পর্কিত তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি

    চলতি সপ্তাহে সর্বাধিক পঠিত

    Loading…