১০ মিনিটে ইরানের দুটি স্থাপনা ধ্বংস করতে চান ট্রাম্প
ইরানের সঙ্গে আলোচনা ভালোভাবেই এগোচ্ছে বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে তেহরানের ওপর পুরোপুরি আস্থা রাখা যায় না বলেও মন্তব্য করেন তিনি। একই সঙ্গে ইরানের এক বা দুটি স্থাপনাতে হামলা চালানোর প্রয়োজনীয়তার কথা জানিয়েছেন ট্রাম্প। খবর দ্য টাইমস অব ইসরায়েলের।ফ্লোরিডার পাম বিচে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, ‘আলোচনা ভালোভাবেই চলছে। তবে ইরান খুব একটা নির্ভরযোগ্য নয়।’তিনি জানান, ‘আমাদের এখনো একটি বা দুটি স্থাপনার বিষয়টি দেখে নিতে হবে। তবে সেটি আমরা ১০ মিনিটের মধ্যেই করতে পারি। আপনারা সম্ভবত পিকঅ্যাক্স মাউন্টেনের কথা বলতে পারেন। ওই স্থাপনাটির বিষয়েও ব্যবস্থা নিতে হবে।’পিকঅ্যাক্স মাউন্টেনকে পারমাণবিক উপাদান মজুতের সম্ভাব্য স্থান হিসেবে চিহ্নিত করেছে পশ্চিমা গোয়েন্দা সংস্থাগুলো। চলমান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র এখনো এ স্থাপনাটিতে হামলা চালায়নি।এদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল নতুন করে হামলা চালালে ভৌগোলিক কোনো সীমারেখা ছাড়াই পাল্টা জবাব দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি। তার ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এ হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।বিবৃতিতে খামেনি বলেন, ‘শত্রুরা আবারও সামরিক বা সন্ত্রাসী হামলা চালালে কখন এবং কীভাবে তার অবসান ঘটবে, তা নির্ধারণ করবে ইসলামি প্রজাতন্ত্রের সশস্ত্র বাহিনী ও ইরানি জনগণ।’বিবৃতিটি প্রকাশের সময় খামেনির সঙ্গে দেশটির জ্যেষ্ঠ সামরিক কর্মকর্তাদের একটি বৈঠক চলছিল বলে জানানো হয়েছে। এতে সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অব স্টাফ আলী আবদোল্লাহি, সেনাপ্রধান আমির হাতামি এবং ইসলামী বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) প্রধান আহমদ ওয়াহিদি উপস্থিত ছিলেন। সর্বোচ্চ নেতা হওয়ার পর সামরিক বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে এটিই তার প্রথম প্রকাশিত বৈঠকের খবর।বিবৃতিতে বলা হয়, খামেনি সামরিক কমান্ডারদের নির্দেশ দিয়েছেন, ‘যে কোনো মাত্রা বা ধরনের হুমকির তাৎক্ষণিক, কার্যকর এবং ভৌগোলিক সীমাবদ্ধতাহীন জবাব নিশ্চিত করতে হবে।’এমআর-২
মিরপুরে আজও পোশাক শ্রমিকদের অবরোধ
ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা করার দাবিতে রাজধানীর মিরপুর-১০ নম্বর গোলচত্ত্বর অবরোধ করেছেন পোশাক শ্রমিকরা।রবিবার (০১ নভেম্বর) সকাল ৯ টার দিকে মিরপুরের বিভিন্ন পোশাক কারখানার শ্রমিকরা গোলচত্ত্বরে অবস্থান নিয়ে সড়ক অবরোধ করেন।এতে মিরপুর-১০ গোল চত্ত্বর দিয়ে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। মিরপুর ট্রাফিক বিভাগ বিকল্প রাস্তায় ড্রাইভারশন দিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক করার চেষ্টা করছে বলে জানা গেছে।বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মিরপুর ট্রাফিক বিভাগের সহকারী পুলিশ কমিশনার মাহফুজুল হক বকশী।তিনি জানান, পোশাক শ্রমিকরা আজও সড়ক অবরোধ করেছেন। বর্তমানে মিরপুর-১০ নম্বর দিয়ে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। আমরা ড্রাইভারশন নিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক করার চেষ্টা করছি।এর আগে গত বৃহস্পতিবার ও শনিবার প্রায় ৫ ঘণ্টা করে মিরপুরের বিভিন্ন সড়ক অবরোধ করেন পোশাক শ্রমিকরা। তারা নূন্যতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা করার দাবি জানান। শনিবার অবরোধ শেষে বিভিন্ন গার্মেন্টস কারখানা ও শপিং মলেও ভাঙচুর চালান তারা।এমআর-২
জাতীয়
সব দেখুন
পোশাক শ্রমিকদের নতুন বেতন নির্ধারণে মজুরি বোর্ড ঘোষণা
পোশাক শ্রমিকদের নতুন বেতন নির্ধারণে ৬ সদস্যের মজুরি বোর্ড ঘোষণা করেছে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়। রবিবার (০১ নভেম্বর) এ বোর্ড গঠন করা হয়।ন্যূনতম মাসিক বেতন ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণের দাবিতে পোশাক কারখানার শ্রমিকদের লাগাতার আন্দোলনের মধ্যেই নতুন মজুরি বোর্ড গঠনের সিদ্ধান্ত নিল সরকার।আজই এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন বা গেজেট প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছেন শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী।শনিবার (৩১ অক্টোবর) মালিক, শ্রমিক ও মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি এ ঘোষণা দেন। মজুরি বোর্ড গঠনের সিদ্ধান্তের বিষয়ে শ্রমমন্ত্রী বলেন, আমরা শ্রমিক সংগঠনগুলোর, বিশেষ করে গার্মেন্টস শ্রমিক নেতাদের সঙ্গে দীর্ঘ চার ঘণ্টা আলোচনা করেছি। আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে ঘোষণা দিয়েছি, রোববার আমরা মজুরি বোর্ড গঠন করবো।এদিকে, ন্যূনতম মাসিক বেতন ৩০ হাজার টাকা করার দাবিতে আজও (রোববার) রাজধানীর মিরপুর ও গাজীপুরে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছেন পোশাক কারখানার শ্রমিকরা।এমআর-২
মিরপুরে আজও পোশাক শ্রমিকদের অবরোধ
ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা করার দাবিতে রাজধানীর মিরপুর-১০ নম্বর গোলচত্ত্বর অবরোধ করেছেন পোশাক শ্রমিকরা।রবিবার (০১ নভেম্বর) সকাল ৯ টার দিকে মিরপুরের বিভিন্ন পোশাক কারখানার শ্রমিকরা গোলচত্ত্বরে অবস্থান নিয়ে সড়ক অবরোধ করেন।এতে মিরপুর-১০ গোল চত্ত্বর দিয়ে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। মিরপুর ট্রাফিক বিভাগ বিকল্প রাস্তায় ড্রাইভারশন দিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক করার চেষ্টা করছে বলে জানা গেছে।বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মিরপুর ট্রাফিক বিভাগের সহকারী পুলিশ কমিশনার মাহফুজুল হক বকশী।তিনি জানান, পোশাক শ্রমিকরা আজও সড়ক অবরোধ করেছেন। বর্তমানে মিরপুর-১০ নম্বর দিয়ে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। আমরা ড্রাইভারশন নিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক করার চেষ্টা করছি।এর আগে গত বৃহস্পতিবার ও শনিবার প্রায় ৫ ঘণ্টা করে মিরপুরের বিভিন্ন সড়ক অবরোধ করেন পোশাক শ্রমিকরা। তারা নূন্যতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা করার দাবি জানান। শনিবার অবরোধ শেষে বিভিন্ন গার্মেন্টস কারখানা ও শপিং মলেও ভাঙচুর চালান তারা।এমআর-২
সাবেক সেনা কর্মকর্তা হাফিজ গ্রেফতার
সাবেক সেনা কর্মকর্তা আব্দুল হাফিজকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)।শনিবার (৩১ অক্টোবর) দিনগত রাতে তাকে গ্রেফতার করা হয়। ডিএমপির ডিবিপ্রধান শফিকুল ইসলাম গ্রেফতার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।শফিকুল ইসলাম জানান, রাজধানীর বনানী থেকে অবসরপ্রাপ্ত মেজর আব্দুল হাফিজকে গ্রেফতার করা হয়।তবে কোন মামলায় আব্দুল হাফিজকে গ্রেফতার করা হয়েছে, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।এমআর-২
ঢাকার ৬ রুটে আজ থেকে চলবে কোম্পানিভিত্তিক বাস
ঢাকায় বাস চলাচলে শৃঙ্খলা ফেরানো, যানজট কমানো এবং গণপরিবহন ব্যবস্থাকে আরও যাত্রীবান্ধব করতে বাস রুট রেশনালাইজেশন কার্যক্রম বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ কার্যক্রমের আওতায় বর্তমানে চালু থাকা ৯৮টি বাস রুট পুনর্বিন্যাস করে ৩২টি সমন্বিত রুটে রূপান্তরের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।রবিবার (০১ নভেম্বর) প্রাথমিক পর্যায়ে ৩২টি প্রস্তাবিত রুটের মধ্যে ৬টি রুটের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হবে। পর্যায়ক্রমে বাকি রুটগুলোও এই ব্যবস্থার আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে।সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন ধরে রাজধানীর গণপরিবহন ব্যবস্থায় একই সড়কে একাধিক কোম্পানির বাসের অসুস্থ প্রতিযোগিতা, যত্রতত্র যাত্রী ওঠানামা, অতিরিক্ত বাস চলাচল, নির্ধারিত স্টপেজ না মানা এবং যাত্রীদের ভোগান্তি বড় সমস্যা হয়ে রয়েছে। একই এলাকার বিভিন্ন বাস কোম্পানি একই সড়কে যাত্রী সংগ্রহের প্রতিযোগিতায় নামায় সড়কে বিশৃঙ্খলা ও যানজট বাড়ছে।অন্যদিকে অনেক এলাকায় প্রয়োজনের তুলনায় পর্যাপ্ত বাস নেই। এ পরিস্থিতি পরিবর্তনে যাত্রী চাহিদা, সড়কের ধারণক্ষমতা ও যানবাহন চলাচলের বাস্তব পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে বাস রুট পুনর্বিন্যাসের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষের (ডিটিসিএ) বাস রুট রেশনালাইজেশন প্রকল্পের আওতায় এ পরিকল্পনা প্রস্তুত করা হয়েছে।পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রতিটি নির্ধারিত রুটে একটি কোম্পানির মাধ্যমে বাস পরিচালনার বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে। এতে বিভিন্ন কোম্পানির মধ্যে যাত্রী তোলার প্রতিযোগিতা কমবে, বাস চলাচলে শৃঙ্খলা ফিরবে এবং যাত্রীসেবার মান উন্নত হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষের (ডিটিসিএ) নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ মসিউর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, ‘রাজধানীর গণপরিবহন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে যে বিশৃঙ্খলা চলে আসছে, তা দূর করতেই বাস রুট রেশনালাইজেশন কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। বর্তমানে ঢাকায় ৯৮টি সচল বাস রুট রয়েছে। এসব রুটকে পুনর্বিন্যাস করে ৩২টি সমন্বিত রুটে নিয়ে আসার পরিকল্পনা করা হয়েছে।’তিনি বলেন, যাত্রীদের প্রকৃত চাহিদা, সড়কের ধারণক্ষমতা এবং যানবাহন চলাচলের তথ্য বিশ্লেষণ করেই এ পরিকল্পনা তৈরি করা হয়েছে। আমরা চাই, রাজধানীর গণপরিবহন ব্যবস্থা একটি পরিকল্পিত, নিরাপদ ও যাত্রীবান্ধব কাঠামোর মধ্যে পরিচালিত হোক।বাস রুট রেশনালাইজেশন বলতে যাত্রীদের চাহিদা, সড়কের ধারণক্ষমতা এবং যানজটের বিষয় বিবেচনা করে বাসের রুটগুলোকে পরিকল্পিতভাবে পুনর্বিন্যাস ও সমন্বয় করাকে বোঝায়। এটি শুধু বাসের সংখ্যা কমানো বা রুট পরিবর্তনের বিষয় নয়; বরং বাসের সংখ্যা, চলাচলের পথ, স্টপেজ, সময়সূচি এবং পরিচালনাপদ্ধতিকে একটি সমন্বিত কাঠামোর মধ্যে নিয়ে আসার প্রক্রিয়া।ডিটিসিএ সূত্রে জানা যায়, রাজধানীর বাস রুট পুনর্বিন্যাসের উদ্যোগ প্রথম নেওয়া হয় ২০১১ সালে। সে সময় ঢাকা পরিবহন সমন্বয় বোর্ডের (ডিটিসিবি) মাধ্যমে বাস রুট পুনর্বিন্যাসের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হলেও তা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়নি। পরে ২০১৯ সাল থেকে ডিটিসিএ পূর্ববর্তী বিভিন্ন সমীক্ষা পর্যালোচনা করে একটি হালনাগাদ পরিকল্পনা তৈরির কাজ শুরু করে। প্রাথমিকভাবে ৪২টি রুটের প্রস্তাব করা হয়।পরবর্তী সময়ে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি), বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ), ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন, বাস মালিক এবং শ্রমিক সংগঠনগুলোর সঙ্গে আলোচনা ও পর্যালোচনার ভিত্তিতে ৩২টি রুটের বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছানো সম্ভব হয়।বাংলাদেশ বিনিয়োগএ পরিকল্পনা তৈরিতে ব্যাপক তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করা হয়েছে। ২০২৪ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত সচল থাকা ৯৮টি বাস রুটের প্রতিটিতে ১৮টি ট্রিপের যাত্রীদের ওঠানামা পর্যবেক্ষণ করে বোর্ডিং-অ্যালাইটিং সার্ভে পরিচালনা করা হয়েছে। এতে ১০ হাজারের বেশি যাত্রীর তথ্য সংগ্রহ করা হয়। পাশাপাশি ৩৫ হাজারের বেশি বাসযাত্রীর অরিজিন-ডেস্টিনেশন সার্ভে করা হয়েছে। অর্থাৎ যাত্রীরা কোথা থেকে যাত্রা শুরু করছেন এবং কোথায় যাচ্ছেন, সে তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়েছে।এছাড়া ঢাকা মহানগরীর ৭২টি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে একনাগাড়ে ৭২ ঘণ্টা যানবাহন গণনা বা ট্রাফিক কাউন্ট করা হয়েছে। প্রায় ৪০০ কিলোমিটার বাস নেটওয়ার্কের বর্তমান অবস্থা নিরূপণে ড্রোন ব্যবহার করে ছবি সংগ্রহ, রাস্তার অবকাঠামোগত পর্যালোচনা এবং ইঞ্জিনিয়ারিং ড্রয়িং প্রস্তুত করা হয়েছে।এসব তথ্য-উপাত্ত ব্যবহার করে সফটওয়্যারের মাধ্যমে একটি পাবলিক ট্রান্সপোর্ট মডেল তৈরি করা হয়েছে। এর ভিত্তিতে যাত্রী চলাচলের প্রবণতা, রুটের প্রয়োজনীয়তা এবং পরিবহন নেটওয়ার্কের কার্যকারিতা বিশ্লেষণ করা হয়েছে।ডিটিসিএর পরিকল্পনায় প্রস্তাবিত ৩২টি রুটের মাধ্যমে প্রতিদিন প্রায় ৩৭ থেকে ৩৮ লাখ যাত্রীর যাতায়াতের সুযোগ তৈরির হিসাব করা হয়েছে। এটি মোট পার্সন ট্রিপের প্রায় ৮ শতাংশ। প্রস্তাবিত রুটগুলোর গড়ে প্রায় ৭০ শতাংশ বিদ্যমান কোনো না কোনো বাস রুটের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। ফলে বিদ্যমান বাস চলাচলের পথ ও পরিবহন অবকাঠামো ব্যবহার করেই নতুন ব্যবস্থাটি বাস্তবায়নের সুযোগ রয়েছে বলে মনে করছেন পরিকল্পনা সংশ্লিষ্টরা।ঢাকার বাস রুট রেশনালাইজেশন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ধ্রুব আলম বলেন, ‘এই পরিকল্পনা কোনো অনুমাননির্ভর সিদ্ধান্ত নয়। আমরা ২০২৪ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত সচল ৯৮টি বাস রুটের ওপর বিভিন্ন ধরনের জরিপ পরিচালনা করেছি। ১০ হাজারের বেশি যাত্রীর বোর্ডিং-অ্যালাইটিং তথ্য এবং ৩৫ হাজারের বেশি যাত্রীর অরিজিন-ডেস্টিনেশন তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। এছাড়া মহানগরীর ৭২টি স্থানে একটানা ৭২ ঘণ্টা যানবাহন গণনা করা হয়েছে।তিনি বলেন, প্রায় ৪০০ কিলোমিটার বাস নেটওয়ার্কের অবকাঠামোগত অবস্থাও পর্যালোচনা করা হয়েছে। এসব তথ্য সফটওয়্যারের মাধ্যমে বিশ্লেষণ করে ৩২টি রুটের প্রস্তাব তৈরি করা হয়েছে। আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে, যেখানে যাত্রীর চাহিদা বেশি সেখানে পর্যাপ্ত বাস নিশ্চিত করা এবং অপ্রয়োজনীয় রুটের পুনরাবৃত্তি কমিয়ে আনা।বিমানবন্দর, মিরপুর-১০, কুড়িল, গাবতলী, মহাখালী, ফার্মগেট, বাড্ডা ও যাত্রাবাড়ীকে কেন্দ্র করে একাধিক রুটের সংযোগ পরিকল্পনা করা হয়েছে।৬টি নতুন বাসরুটের মধ্যে রয়েছে- ১.গাজীপুরের শিববাড়ী চৌরাস্তা থেকে আজিমপুরের ডাকেশ্বরী মন্দির ভায়া আব্দুল্লাহপুর; ২.মিরপুর চিড়িয়াখানা থেকে চুলকুটিয়া ভাইয়া সাইন্সল্যাব; ৩. মোহাম্মদপুরের বসিলার ঘাটার চর থেকে ডেমরা স্টাফ কোয়ার্টার পর্যন্ত ভায়া শাহবাগ মৎস্য ভবন; ৪.মোহাম্মদপুরের বসিলা থেকে নারায়ণগঞ্জের চিটাগাং রোড কাঁচপুর ব্রিজ পর্যন্ত ভায়া সাইন্সল্যাব জিগাতলা; ৫. মোহাম্মদপুরের ঘাটারচর থেকে আব্দুল্লাহপুরের ধউর ব্রিজ পর্যন্ত ভায়া মিরপুর ১০; ৬. টঙ্গী কলেজ গেট থেকে আজিমপুরের ঢাকেশ্বরী মন্দির পর্যন্ত ভায়া আব্দুল্লাহপুর।প্রস্তাবিত প্রধান রুটগুলোর মধ্যে রয়েছে গাজীপুরের শিববাড়ী থেকে আজিমপুর, মিরপুর চিড়িয়াখানা থেকে কেরানীগঞ্জ, ঘাটারচর থেকে ডেমরা ও কাঁচপুর এবং ঘাটারচর থেকে মিরপুর হয়ে আব্দুল্লাহপুরের ধউর পর্যন্ত। এসব রুটে ৭০ থেকে ২৫০টি পর্যন্ত নন-এসি বাস পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি টঙ্গী কলেজগেট থেকে আজিমপুর পর্যন্ত ২২ দশমিক ৮৯ কিলোমিটার রুটে ২০টি এসি বাস চালুর প্রস্তাব করা হয়েছে।এছাড়া ফার্মগেট-পলাশী, মোহাম্মদপুরকেন্দ্রিক এবং উত্তরা এলাকায় তিনটি চক্রাকার বাস সার্ভিস চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। প্রতিটি রুটে ২০টি করে বাস পরিচালনার প্রস্তাব করা হয়েছে।পরিকল্পনায় ঢাকা চাকা, রমজান আলী এন্টারপ্রাইজ, ফোর স্টার বাস লাইন, পিএনপি সিটি সার্ভিসসহ কয়েকটি পরিবহন প্রতিষ্ঠানের নাম উল্লেখ রয়েছে। বাস রাখার জন্যও বিভিন্ন স্থানে নির্দিষ্ট জায়গা নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়েছে।এমআর-২
লাইভে সংবাদপত্র ছেঁড়ার ব্যাখ্যা দিলেন রাশেদ খাঁন
ফেসবুক লাইভে এসে সংবাদপত্র ছেঁড়ার ব্যাখ্যা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন। তিনি বলেন, আমি একটি মিথ্যা ন্যারেটিভকে ছিঁড়েছি। হাসিনাপুত্রের সঙ্গে আমি এক হয়েছি মর্মে ‘আমার দেশ’ পত্রিকা যে মিথ্যাচার করেছে, আমি সেই অসত্যকে ছিঁড়ে ফেলেছি। শনিবার দিনগত রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক স্ট্যাটাসে রাশেদ খাঁন এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, আমি শেখ হাসিনাকে কটূক্তির মামলায় জেল খেটেছি। আমার কোনো বক্তব্য অপছন্দ হলে, সেটিকে রাজনৈতিক ভাষায় সমালোচনা করতে পারে প্রতিপক্ষ রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা। সেই সমালোচনাকে আমি অবশ্যই সাধুবাদ জানাবো।‘কিন্তু আমার দেশ যদি একটি পত্রিকা হয়ে থাকে আমাকে ‘নব্য বিএনপি বলতে পারে না’। এই অধিকার সম্পাদক মাহমুদুর রহমানের নেই। তিনি আমাকে বলতে পারেন না যে, আমি শেখ হাসিনার পুত্রের সঙ্গে এক হয়েছি। অর্থাৎ আমি যেহেতু জামায়াত নেতা মিয়া গোলাম পরওয়ারের ভারতীয় গোয়েন্দা কর্মকর্তার সঙ্গে বৈঠকের তথ্য সামনে এনেছি। সেহেতু পালটা ন্যারেটিভ হিসেবে আমার দেশ পত্রিকা সামনে এনেছে, আমি হাসিনাপুত্র সজীব ওয়াজেদ জয়ের সঙ্গে এক হয়েছি!’প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী আরও বলেন, এই অভিযোগ যদি জামায়াত কিংবা জামায়াত নেতা গোলাম পরওয়ার করতেন, আমি রাজনৈতিক ভাষায় জবাব দিতাম। যেহেতু জামায়াত আমার দেশ পত্রিকার মাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা ন্যারেটিভ দাঁড় করাতে অপচেষ্টা করেছে; আমি একজন সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি হিসেবে বিষয়টিকে রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করেছি, মিথ্যা ও অপবাদকে ছিঁড়ে ফেলেছি।তিনি বলেন, আমার দেশ কোনো পত্রিকা না, আমি কোনো পত্রিকা ছেঁড়ার মতো ভুল করতে পারি না। এটা জামায়াতের পক্ষে ন্যারেটিভ দাঁড় করানোর একটি হাতিয়ার। এই হাতিয়ার ব্যবহার করে কারও চরিত্র হনন করার কোনো সুযোগ নেই। পত্রিকা হতে হলে সম্পাদকীয় ও সাংবাদিকতার নীতিমালা মেনে চলা উচিত। আমার দেশ সেটির কোনোকিছু অনুসরণ করে না।এনআই
আজ জাতীয় যুব দিবস
দেশের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রায় তরুণদের মেধা, সৃজনশীলতা ও কর্মক্ষমতাকে কাজে লাগানোর প্রত্যয় নিয়ে আজ ১ নভেম্বর পালিত হচ্ছে জাতীয় যুব দিবস। দক্ষতা উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, আত্মকর্মসংস্থানে উৎসাহ এবং তরুণদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলার গুরুত্ব তুলে ধরতে প্রতিবছর দিবসটি পালন করা হয়। এবারের আয়োজনে চাকরি মেলা, যুব পুরস্কার প্রদানসহ নানা কর্মসূচি রাখা হয়েছে। যুব দিবসে এবারের প্রতিপাদ্য- ‘দক্ষ যুব গড়বে দেশ, সবার জন্য বাংলাদেশ’। দিবসটি উপলক্ষে বাণী দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।রাষ্ট্রপতি বলেন, যুবসমাজ একটি জাতির প্রাণশক্তি এবং উন্নয়নের প্রধান নির্ধারক। দেশের সব বড় গণতান্ত্রিক অর্জনে তরুণরা অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন।তিনি বলেন, যুবসমাজকে দক্ষ ও উৎপাদনশীল মানবসম্পদে পরিণত করা গেলে স্বনির্ভর, উন্নত ও আধুনিক বাংলাদেশ গড়ার অগ্রযাত্রা ত্বরান্বিত হবে।তিনি আরও বলেন, সংগঠিত, দক্ষ ও অঙ্গীকারবদ্ধ যুবসমাজ দেশের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ। তরুণদের মানসম্মত শিক্ষা, আধুনিক প্রযুক্তিগত দক্ষতা ও টেকসই কর্মসংস্থানের সুযোগ নিশ্চিত করতে সম্মিলিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, যুবসমাজ যেকোনো জাতির প্রাণশক্তি ও অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি। স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা, জাতীয় সংকট উত্তরণ এবং দেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় যুবসমাজের অবদান অনস্বীকার্য।তিনি বলেন, প্রচলিত শিক্ষার পাশাপাশি কারিগরি ও প্রযুক্তিগত দক্ষতা অর্জন বর্তমান বিশ্বে যুবসমাজের প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার জন্য অপরিহার্য হয়ে উঠেছে। দ্রুত পরিবর্তনশীল বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে তরুণদের আধুনিক জ্ঞান ও দক্ষতায় সমৃদ্ধ হতে হবে।এবারের জাতীয় যুব দিবসের অন্যতম আকর্ষণ চাকরি মেলা। এতে ৫৫টি প্রতিষ্ঠান অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে। মেলার মাধ্যমে পর্যায়ক্রমে তিন হাজার থেকে পাঁচ হাজার কর্মপ্রত্যাশী তরুণের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির পরিকল্পনা করা হয়েছে। এ ছাড়া জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সারা দেশে ১২ হাজার পরিবেশবান্ধব ও টেকসই বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট স্থাপনের কার্যক্রম উদ্বোধন করা হবে।দিবসটি উপলক্ষে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরসহ সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান নানা কর্মসূচি পালন করছে। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে সপ্তাহব্যাপী কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে আলোচনা সভা, র্যালি, পরিচ্ছন্নতা অভিযান, ডেঙ্গু প্রতিরোধ কার্যক্রম, খাল খনন, রক্তদান, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং যুবঋণ বিতরণ। এ ছাড়া সফল তরুণ উদ্যোক্তাদের সম্মাননা এবং প্রশিক্ষণ ও সনদ বিতরণের আয়োজনও রয়েছে।বর্তমানে বেকারত্ব, দক্ষতার ঘাটতি, প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাওয়ানো এবং কর্মসংস্থানের সীমাবদ্ধতা যুবসমাজের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। এসব মোকাবিলায় কারিগরি ও প্রযুক্তিনির্ভর প্রশিক্ষণ, শ্রমবাজারের চাহিদাভিত্তিক দক্ষতা অর্জন এবং উদ্যোক্তা তৈরিতে সহায়তা বাড়ানো জরুরি।তরুণদের শুধু চাকরিপ্রার্থী নয়, কর্মসংস্থান সৃষ্টিকারী হিসেবেও গড়ে তুলতে হবে। তাদের মেধা, উদ্ভাবনী শক্তি ও নেতৃত্বের বিকাশ ঘটাতে পারলে দেশের উন্নয়ন আরও ত্বরান্বিত হবে। জাতীয় যুব দিবস সেই সম্ভাবনা ও দায়িত্বের কথাই নতুন করে স্মরণ করিয়ে দেয়।এনআই
জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ: প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, যুবসমাজ যেকোনো জাতির প্রাণশক্তি ও অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি। স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা, জাতীয় সংকট উত্তরণ এবং দেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় যুবসমাজের অবদান অনস্বীকার্য।রবিবার (১ নভেম্বর) জাতীয় যুব দিবস-২০২৬ উপলক্ষে শনিবার (৩১ অক্টোবর) দেওয়া এক বাণীতে তিনি এ কথা বলেন।তারেক রহমান বলেন, স্বাধীনতা অর্জন থেকে শুরু করে বিভিন্ন সংকট মোকাবিলা ও উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় দেশের যুবসমাজ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।ববার কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান জাতি গঠনে যুবসমাজের বিপুল সম্ভাবনা উপলব্ধি করে তাদের সংগঠিত করার উদ্যোগ নেন। তার নির্দেশনায় ১৯৭৮ সালে যুব উন্নয়ন মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠিত হয়, যা পরবর্তী সময়ে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় নামে পরিচিতি লাভ করে।প্রধানমন্ত্রী বলেন, তৃণমূল পর্যায়ে যুব উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ১৯৮১ সালে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠা করা হয়।তিনি আরও স্মরণ করেন, প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ১৯৯১ সালে যুবসমাজের কর্মসংস্থানের সুযোগ সম্প্রসারণ এবং তাদের কারিগরি ও ব্যবহারিক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে স্বাবলম্বী করে তুলতে দেশের সব জেলায় যুব প্রশিক্ষণ কেন্দ্র প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেন।সরকার প্রধান বলেন, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর এ পর্যন্ত ৮০ লাখেরও বেশি তরুণ-তরুণীকে বিভিন্ন মেয়াদে দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ দিয়েছে। তাদের মধ্যে প্রায় ২৫ লাখ আত্মকর্মসংস্থানের মাধ্যমে স্বাবলম্বী হয়েছেন। তারা মাসে ২০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকা, কোনো কোনো ক্ষেত্রে এর চেয়েও বেশি আয় করছেন।তিনি বলেন, যুব উদ্যোক্তাদের সহায়তায় ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত ২ হাজার ৮৬১ কোটি ৮৭ লাখ টাকার যুবঋণ বিতরণ করা হয়েছে।জাতীয় যুব পুরস্কারকে প্রশংসনীয় উদ্যোগ উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, জাতি গঠনে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এ পর্যন্ত ৫৪৬ জন আত্মকর্মী নার-নারী ও যুব সংগঠককে এ সম্মাননা দেওয়া হয়েছে। এ বছর পুরস্কারপ্রাপ্তদের আমি অভিনন্দন জানাচ্ছি।প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রচলিত শিক্ষার পাশাপাশি কারিগরি ও প্রযুক্তিগত দক্ষতা অর্জন বর্তমান বিশ্বে যুবসমাজের প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার জন্য অপরিহার্য হয়ে উঠেছে। দ্রুত পরিবর্তনশীল বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে তরুণদের আধুনিক জ্ঞান ও দক্ষতায় সমৃদ্ধ হতে হবে।তিনি বলেন, সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রকল্প গ্রহণ করেছে। ফ্রিল্যান্সিং ও এআই প্রকল্পের মাধ্যমে প্রশিক্ষণার্থীরা দক্ষতা অর্জনের পাশাপাশি অনলাইনে কাজ করে বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের সুযোগ পাচ্ছেন।সরকার প্রধান পরিবেশ সংরক্ষণে যুবসমাজের অংশগ্রহণের বিষয়টি তুলে ধরে বলেন, ইমপ্যাক্ট প্রকল্পের আওতায় তরুণরা বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট স্থাপনের মাধ্যমে পরিবেশ সংরক্ষণে অবদান রাখছেন।তিনি স্মার্ট কৃষি, রপ্তানিমুখী প্যাকেজিং ও খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, বিদেশি ভাষা শিক্ষা এবং নতুন সম্ভাবনাময় খাতে আরও প্রশিক্ষণ কর্মসূচি চালুর ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি এসব উদ্যোগের মাধ্যমে আধুনিক, দক্ষ ও প্রতিযোগিতামূলক জনশক্তি গড়ে তোলা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন।প্রধানমন্ত্রী যুবসমাজকে নিজেদের প্রতিভা, উদ্ভাবনী সক্ষমতা ও প্রযুক্তিগত দক্ষতা বিকাশের মাধ্যমে জাতীয় উন্নয়নে আত্মনিয়োগ করার আহ্বান জানান।তিনি বলেন, তরুণদের উদ্ভাবনী উদ্যোগে সহায়তা দিতে সরকার ৫০০ কোটি টাকার স্টার্টআপ তহবিল ঘোষণা করেছে। সম্ভাবনাময় উদ্যোগগুলো যাতে অর্থের অভাবে ব্যর্থ না হয়, সে লক্ষ্যে দেশে প্রথমবারের মতো স্টার্টআপ বাজেট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।জাতীয় যুব দিবস-২০২৬-এর প্রতিপাদ্য ‘দক্ষ যুব গড়বে দেশ, সবার জন্য বাংলাদেশ’ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, দেশের উন্নয়ন, নেতৃত্ব এবং ভবিষ্যৎ অগ্রযাত্রায় যুবসমাজ ক্রমবর্ধমানভাবে কার্যকর ভূমিকা পালন করবে।সবশেষে বাণীতে প্রধানমন্ত্রী জাতীয় যুব দিবস-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত সব কর্মসূচির সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।এনআই
তাহসিফের মৃত্যু ঘিরে তদন্তে নতুন মোড়, কে সেই রহস্যময় তরুণী?
বিমানবাহিনীর বরখাস্ত হওয়া ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তাহসিফ সাউরী মৃত্যুর মামলার তদন্তে নেমে এক তরুণীকে খুঁজছে পুলিশ। তাহসিফ নিখোঁজ হওয়ার আগে উত্তরার সোনারগাঁও জনপথ রোডের ১৩ নম্বর সেক্টরে অবস্থিত ‘নেস্ট রেস্টুরেন্ট অ্যান্ড বার’-এ তাকে ওই তরুণীর সঙ্গে দেখা গিয়েছিল। শুক্রবার রাতে বাবার দায়ের করা হত্যা মামলায় তাহসিফকে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে যাওয়া জুনিয়র বন্ধু দীপকে চার দিনের রিমান্ডে নিয়েছে নৌপুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদে দীপ দাবি করেছেন, টঙ্গীর মাজার বস্তি এলাকায় পুলিশের ধাওয়া খেয়ে তাহসিফ নদীতে ঝাঁপ দেন। তবে তিনি কেন নদীতে ঝাঁপ দিয়েছিলেন, এরপর কী ঘটেছিল কিংবা তার মৃত্যু নিছক দুর্ঘটনা নাকি এর পেছনে অন্য কোনো ঘটনা রয়েছে-এসব প্রশ্নের উত্তর এখনো মেলেনি। এদিকে তাহসিফ সাউরির মৃত্যুরহস্য ঘিরে নতুন করে সামনে এসেছে আরেকটি সিসিটিভি ফুটেজ। যে ফুটেজের সূত্রে জানা যায়, ঘটনার রাতে উত্তরার একটি রেস্টুরেন্ট ও বারে এক তরুণী এবং জুনিয়র বন্ধু আহমেদ শাহরিয়ার রেজা দীপের সঙ্গে প্রায় দেড় ঘণ্টা কাটান তাহসিফ। পরে দীপকে সঙ্গে নিয়ে যান টঙ্গীর মাজার বস্তি এলাকায়। সেখান থেকে কীভাবে তাহসিফ তুরাগ নদে গেলেন, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, ২৭ অক্টোবর রাত ১০টা ১৭ মিনিটে উত্তরার ১১ নম্বর সেক্টরের নেস্ট রেস্টুরেন্ট অ্যান্ড বারে পৌঁছান তাহসিফ ও তার বান্ধবী। তারা একটি মোটরসাইকেলে সেখানে যান। ওই তরুণীকে খুঁজছেন তদন্তকারীরা।এদিকে তাহসিফের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটন ও দায়ীদের বিচারের দাবি করেছে অবসরপ্রাপ্ত সশস্ত্র বাহিনীর কর্মকর্তাদের সংগঠন ‘রাওয়া’।এর আগে তাহসিফের মৃত্যুর ঘটনায় বৃহস্পতিবার রাতে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দীপকে হেফাজতে নেয় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। সংস্থাটি তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে এবং দীপকে নিয়ে ঘটনাস্থলও পরিদর্শন করে। পরে শুক্রবার রাতে নৌপুলিশের কাছে তাকে হস্তান্তর করে পিবিআই। ওই রাতেই ডিএমপির উত্তরখান থানায় হত্যা মামলা করেন তাহসিফের বাবা এনায়েতুল করিম হেলাল। ওই মামলায় দীপকে গ্রেফতার দেখিয়ে শনিবার দুপুরে তাকে আদালতে হাজির করা হয়। মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তাকে সাত দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করেন নৌপুলিশের টঙ্গী ফাঁড়ির পরিদর্শক ফিরোজ উদ্দিন। ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট হাসিব উল্লাহ পিয়াস শুনানি শেষে দীপের চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।রিমান্ড আবেদনে বলা হয়, ২৭ অক্টোবর সন্ধ্যা ৬টার দিকে দীপের ডাকে উত্তরার ১৮ নম্বর সেক্টরের বাসা থেকে বের হন তাহসিফ। এরপর থেকে তার খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। পরদিন ২৮ অক্টোবর বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে উত্তরখান থানার রাজাবাড়ী ঘাটসংলগ্ন তুরাগ নদে একটি লাশ ভাসার খবর পায় পুলিশ। পরে নৌপুলিশ লাশটি উদ্ধার করে। সুরতহাল করার সময় তাহসিফের ট্রাউজারের পকেটে থাকা আইফোনের সূত্র ধরে তার পরিচয় শনাক্ত করা হয়।রিমান্ড আবেদনে আরও বলা হয়, তথ্যপ্রযুক্তি ও গোপন তথ্যের ভিত্তিতে তদন্তে জানা গেছে, ঘটনার দিন তাহসিফকে নিয়ে টঙ্গী পশ্চিম থানার মাজার বস্তি এলাকায় গিয়েছিলেন দীপ। প্রাথমিক তদন্তে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে দীপের সরাসরি সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়ার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। তবে কীভাবে এবং কোন পরিস্থিতিতে তাহসিফের মৃত্যু হয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।তদন্তকারীরা বলছেন, জিজ্ঞাসাবাদে দীপ জানিয়েছেন, টঙ্গীর মাজার বস্তি এলাকায় পোশাক পরা দুজন পুলিশ কর্মকর্তাকে দেখে তারা দৌড়ে দুইদিকে চলে যান। এরপর তাহসিফ নদীতে ঝাঁপ দেন বলে তার দাবি। তবে ওই দুই পুলিশ কর্মকর্তা কারা, তারা কেন ধাওয়া করেছিলেন, তাহসিফ কী কারণে নদীতে ঝাঁপ দিয়েছিলেন এবং এরপর কী ঘটেছিল-এসব বিষয় যাচাই করা হচ্ছে। ঘটনাস্থলে তাহসিফের মোটরসাইকেল কীভাবে এলো, সেটিও তদন্তের গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠেছে।নৌপুলিশের কর্মকর্তারা জানান, জিজ্ঞাসাবাদে দীপ বিভিন্ন তথ্য দিচ্ছেন। তবে তার বক্তব্যে কিছু অসংগতি ও এলোমেলো তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। সেগুলো অন্যান্য তথ্যপ্রমাণের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা হচ্ছে।নৌপুলিশ ঢাকা রেঞ্জের পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল মামুন যুগান্তরকে বলেন, দীপ পুরো ঘটনার সঙ্গে ছিলেন। ফলে তাকে জিজ্ঞাসাবাদে মৃত্যুর প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটনের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যেতে পারে। চার দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি পাওয়া গেছে। জিজ্ঞাসাবাদে বেশকিছু তথ্য সামনে আসছে। সেগুলো যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। তাহসিফ সত্যিই পুলিশের ধাওয়া খেয়ে নদীতে ঝাঁপ দিয়েছিলেন নাকি এর পেছনে অন্য কোনো ঘটনা রয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।তিনি আরও বলেন, বাসা থেকে বের হওয়ার পর তাহসিফ কোথায় কোথায় গিয়েছিলেন এবং কার কার সঙ্গে সময় কাটিয়েছিলেন, তা জানার চেষ্টা চলছে। তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনের ফরেনসিক পরীক্ষাও করা হচ্ছে। মোটরসাইকেলসহ অন্যান্য আলামত উদ্ধারের বিষয়টিও তদন্তে গুরুত্ব পাচ্ছে। সব তথ্য পর্যালোচনা করেই প্রকৃত ঘটনা বের করার চেষ্টা চলছে।বারে তরুণীর সঙ্গে তাহসিফ : মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) তাহসিফ বাসা থেকে দীপের সঙ্গে বের হলেও ওই রাতে ১০টা ১৭ মিনিটে এক তরণীকে নিয়ে উত্তরার ১১ নম্বর সেক্টরের ‘নেস্ট রেস্টুরেন্ট অ্যান্ড বারে’ গিয়েছিলেন বলে তথ্য পেয়েছে পুলিশ। ওই তরুণীর বয়স ২৪-২৫ বছর। গোয়েন্দারা তার ছবি সংগ্রহ করেছেন। পুলিশের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, ঘটনার রাতে মোটরসাইকেলে ওই বার ও রেস্টুরেন্টে যান তাহসিফ। তার সঙ্গে ছিলেন ওই তরুণী। পরে সেখান থেকে তাহসিফ টঙ্গীর মাজার বস্তি এলাকায় যান। তবে সেখানে ওই তরুণী গিয়েছিলেন কি না, সেটা এখনো জানা যায়নি। পুলিশের ধারণা, ওই এলাকায় মাদকসেবনের অভিযোগে টহল পুলিশ তাদের ধাওয়া করে থাকতে পারে। তবে এ বিষয়ে নিশ্চিত হওয়ার মতো তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি।বারের সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, তরুণী গেঞ্জি, প্যান্ট ও কেডস পরেছিলেন। বারে প্রবেশের সময় তার হাতে একটি সাদা পলিথিন ছিল। এ সময় হেলমেট পরা অবস্থায় দীপ তাহসিফের সঙ্গে ছিলেন। ওই তরুণীকে শনাক্ত ও জিজ্ঞাসাবাদ করা গেলে ঘটনার আগের সময়ের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যেতে পারে বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা।সত্য উদ্ঘাটন চায় রাওয়া : তাহসিফের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটন ও দায়ীদের বিচারের দাবি জানিয়েছে অবসরপ্রাপ্ত সশস্ত্র বাহিনীর কর্মকর্তাদের কল্যাণ সংস্থা রাওয়া। শনিবার দুপুরে উত্তরা ১৮ নম্বর সেক্টরের রাজউক অ্যাপার্টমেন্ট প্রকল্পের ‘করবী’ ভবনে তাহসিফের বাসায় গিয়ে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন সংগঠনটির নেতারা। এ সময় তারা শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান এবং প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস দেন।পরে রাওয়ার যুগ্মসম্পাদক অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট কর্নেল আবু নওরোজ খুরশিদ আলম বলেন, তাহসিফের বাবা কেএম এনায়েতুল করিমের সঙ্গে তাদের কথা হয়েছে। পরিবারকে কী ধরনের সহযোগিতা করা যায়, তা জানতে চেয়েছেন তারা। তাহসিফের বাবা জানিয়েছেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিভিন্ন সংস্থা ঘটনার অনুসন্ধান করছে। তারা প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গে কথা বলছে এবং সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে বিশ্লেষণ করছে। খুরশিদ আলম আরও বলেন, অবসরপ্রাপ্ত সশস্ত্র বাহিনীর কর্মকর্তাদের কাছে তাহসিফের মৃত্যু অত্যন্ত কষ্টের। তারা আশা করছেন, দ্রুত প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটন করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।সাবেক সেনা কর্মকর্তা মেজর আল আমিন বলেন, এ ঘটনা তারা ছেড়ে দেবেন না। তদন্ত ও বিচারপ্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করবেন। ঘটনার পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত এবং দায়ীদের বিচার চান তারা।অজ্ঞাতপরিচয় আসামি করে হত্যা মামলা: তাহসিফের বাবা কেএম এনায়েতুল করিম শুক্রবার রাত ১টার দিকে উত্তরখান থানায় অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা মামলা করেন। পরে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে থাকা দীপকে এ মামলায় সন্দেহভাজন আসামি হিসাবে গ্রেফতার দেখানো হয়।নৌপুলিশ ঢাকা রেঞ্জের পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল মামুন যুগান্তরকে বলেন, দীপ পুরো ঘটনার সঙ্গে ছিলেন। ফলে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তাহসিফের মৃত্যুর প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটনের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যেতে পারে। আদালত থেকে তাকে চার দিনের রিমান্ডে নেওয়ার অনুমতি পাওয়া গেছে। জিজ্ঞাসাবাদে বেশকিছু তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। তবে দীপের দেওয়া তথ্যগুলো যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। তাহসিফ সত্যিই পুলিশের ধাওয়া খেয়ে নদীতে ঝাঁপ দিয়েছিলেন, নাকি এর পেছনে অন্য কোনো ঘটনা রয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, বাসা থেকে বের হওয়ার পর তাহসিফ কোথায় কোথায় গিয়েছিলেন, কার কার সঙ্গে সময় কাটিয়েছিলেন, সেসব তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনের ফরেনসিক পরীক্ষাও করা হচ্ছে। পাশাপাশি মোটরসাইকেলটি কীভাবে ঘটনাস্থলে গেল, সেটিও তদন্তের আওতায় রয়েছে। সব তথ্য ও আলামত মিলিয়ে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনের চেষ্টা চলছে। রিমান্ড শেষে তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে বিস্তারিত জানানো সম্ভব হবে।এনআই
সর্বশেষ প্রকাশিত
রাজনীতি
সব দেখুন
লাইভে সংবাদপত্র ছেঁড়ার ব্যাখ্যা দিলেন রাশেদ খাঁন
ফেসবুক লাইভে এসে সংবাদপত্র ছেঁড়ার ব্যাখ্যা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন। তিনি বলেন, আমি একটি মিথ্যা ন্যারেটিভকে ছিঁড়েছি। হাসিনাপুত্রের সঙ্গে আমি এক হয়েছি মর্মে ‘আমার দেশ’ পত্রিকা যে মিথ্যাচার করেছে, আমি সেই অসত্যকে ছিঁড়ে ফেলেছি। শনিবার দিনগত রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক স্ট্যাটাসে রাশেদ খাঁন এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, আমি শেখ হাসিনাকে কটূক্তির মামলায় জেল খেটেছি। আমার কোনো বক্তব্য অপছন্দ হলে, সেটিকে রাজনৈতিক ভাষায় সমালোচনা করতে পারে প্রতিপক্ষ রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা। সেই সমালোচনাকে আমি অবশ্যই সাধুবাদ জানাবো।‘কিন্তু আমার দেশ যদি একটি পত্রিকা হয়ে থাকে আমাকে ‘নব্য বিএনপি বলতে পারে না’। এই অধিকার সম্পাদক মাহমুদুর রহমানের নেই। তিনি আমাকে বলতে পারেন না যে, আমি শেখ হাসিনার পুত্রের সঙ্গে এক হয়েছি। অর্থাৎ আমি যেহেতু জামায়াত নেতা মিয়া গোলাম পরওয়ারের ভারতীয় গোয়েন্দা কর্মকর্তার সঙ্গে বৈঠকের তথ্য সামনে এনেছি। সেহেতু পালটা ন্যারেটিভ হিসেবে আমার দেশ পত্রিকা সামনে এনেছে, আমি হাসিনাপুত্র সজীব ওয়াজেদ জয়ের সঙ্গে এক হয়েছি!’প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী আরও বলেন, এই অভিযোগ যদি জামায়াত কিংবা জামায়াত নেতা গোলাম পরওয়ার করতেন, আমি রাজনৈতিক ভাষায় জবাব দিতাম। যেহেতু জামায়াত আমার দেশ পত্রিকার মাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা ন্যারেটিভ দাঁড় করাতে অপচেষ্টা করেছে; আমি একজন সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি হিসেবে বিষয়টিকে রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করেছি, মিথ্যা ও অপবাদকে ছিঁড়ে ফেলেছি।তিনি বলেন, আমার দেশ কোনো পত্রিকা না, আমি কোনো পত্রিকা ছেঁড়ার মতো ভুল করতে পারি না। এটা জামায়াতের পক্ষে ন্যারেটিভ দাঁড় করানোর একটি হাতিয়ার। এই হাতিয়ার ব্যবহার করে কারও চরিত্র হনন করার কোনো সুযোগ নেই। পত্রিকা হতে হলে সম্পাদকীয় ও সাংবাদিকতার নীতিমালা মেনে চলা উচিত। আমার দেশ সেটির কোনোকিছু অনুসরণ করে না।এনআই
লাইভে সংবাদপত্র ছেঁড়ার ব্যাখ্যা দিলেন রাশেদ খাঁন
ফেসবুক লাইভে এসে সংবাদপত্র ছেঁড়ার ব্যাখ্যা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন। তিনি বলেন, আমি একটি মিথ্যা ন্যারেটিভকে ছিঁড়েছি। হাসিনাপুত্রের সঙ্গে আমি এক হয়েছি মর্মে ‘আমার দেশ’ পত্রিকা যে মিথ্যাচার করেছে, আমি সেই অসত্যকে ছিঁড়ে ফেলেছি। শনিবার দিনগত রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক স্ট্যাটাসে রাশেদ খাঁন এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, আমি শেখ হাসিনাকে কটূক্তির মামলায় জেল খেটেছি। আমার কোনো বক্তব্য অপছন্দ হলে, সেটিকে রাজনৈতিক ভাষায় সমালোচনা করতে পারে প্রতিপক্ষ রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা। সেই সমালোচনাকে আমি অবশ্যই সাধুবাদ জানাবো।‘কিন্তু আমার দেশ যদি একটি পত্রিকা হয়ে থাকে আমাকে ‘নব্য বিএনপি বলতে পারে না’। এই অধিকার সম্পাদক মাহমুদুর রহমানের নেই। তিনি আমাকে বলতে পারেন না যে, আমি শেখ হাসিনার পুত্রের সঙ্গে এক হয়েছি। অর্থাৎ আমি যেহেতু জামায়াত নেতা মিয়া গোলাম পরওয়ারের ভারতীয় গোয়েন্দা কর্মকর্তার সঙ্গে বৈঠকের তথ্য সামনে এনেছি। সেহেতু পালটা ন্যারেটিভ হিসেবে আমার দেশ পত্রিকা সামনে এনেছে, আমি হাসিনাপুত্র সজীব ওয়াজেদ জয়ের সঙ্গে এক হয়েছি!’প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী আরও বলেন, এই অভিযোগ যদি জামায়াত কিংবা জামায়াত নেতা গোলাম পরওয়ার করতেন, আমি রাজনৈতিক ভাষায় জবাব দিতাম। যেহেতু জামায়াত আমার দেশ পত্রিকার মাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা ন্যারেটিভ দাঁড় করাতে অপচেষ্টা করেছে; আমি একজন সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি হিসেবে বিষয়টিকে রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করেছি, মিথ্যা ও অপবাদকে ছিঁড়ে ফেলেছি।তিনি বলেন, আমার দেশ কোনো পত্রিকা না, আমি কোনো পত্রিকা ছেঁড়ার মতো ভুল করতে পারি না। এটা জামায়াতের পক্ষে ন্যারেটিভ দাঁড় করানোর একটি হাতিয়ার। এই হাতিয়ার ব্যবহার করে কারও চরিত্র হনন করার কোনো সুযোগ নেই। পত্রিকা হতে হলে সম্পাদকীয় ও সাংবাদিকতার নীতিমালা মেনে চলা উচিত। আমার দেশ সেটির কোনোকিছু অনুসরণ করে না।এনআই
যারা চাঁদাবাজি করে, তারা প্রত্যেকেই বিএনপি: হাসনাত আবদুল্লাহ
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক হাসনাত আবদুল্লাহ এমপি বলেছেন, বিএনপির সবাই চাঁদাবাজি করে না—এটা যেমন সত্য, আবার যারা চাঁদাবাজি করে, তারা প্রত্যেকেই বিএনপি—এটিও তেমন সত্য।শনিবার সন্ধ্যায় যশোর শহরের মুড়ালী মোড়ে ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা-খুলনা-যশোর-ঝিনাইদহ-কুষ্টিয়া লংমার্চের পথসভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।সরকারের উদ্দেশে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ‘বিএনপি সরকার, আপনারা যদি ক্রসফায়ার দেওয়া শুরু করেন, তাহলে আপনাদের দলের একটা লোককেও খুঁজে পাবেন না। কারণ, ক্রসফায়ার দিতে হলে চাঁদাবাজদের দিতে হবে, টেন্ডারবাজদের দিতে হবে। যারা ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান থেকে চাঁদা নেয়, যারা চাকরির কথা বলে ঘুষ নেয়, তাদের ক্রসফায়ার দিতে হবে। আর পুলিশ যখন এই ক্রসফায়ার দেবে, তখন আপনাদের নিজ দলের ব্যক্তিদেরই দিতে হবে।’তিনি বলেন, তারেক রহমানকে ফিটনেসবিহীন গাড়িতে তুলে দেওয়া হয়েছে। আওয়ামী লীগ বাংলাদেশ নামক গাড়িটির ইঞ্জিন নষ্ট করে দিয়েছে। তাই রাষ্ট্র সংস্কার ছাড়া বাংলাদেশ সঠিকভাবে চলতে পারবে না।সাম্প্রতিক সময়ে দেশে নিরাপত্তাহীনতার পরিবেশ তৈরি হয়েছে দাবি করে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ‘আজ এমন এক পরিস্থিতিতে আপনাদের সামনে কথা বলতে এসেছি, আমরা দেখতে পেয়েছি বাংলাদেশের প্রত্যেকটা প্রান্তে নিরাপত্তাহীনতার পরিবেশ বিরাজ করছে। যেখানে আমাদের মন খারাপ করার অধিকার নেই, যেখানে আমরা নিরাপত্তাহীনতা নিয়ে কথা বলি, নিরাপত্তা নিয়ে কথা বলি, তখন আমরা দেখতে পাই বিএনপি সরকার পুলিশ দিয়ে বাসা থেকে জোর করে উঠিয়ে নিয়ে যায়।’ময়মনসিংহে সাথী আক্তার নামে এক নারীকে পুলিশ কর্তৃক বাসা থেকে তুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ করে তিনি বলেন, ‘ওই নারী বিএনপিকে ভোট দিয়ে ভুল করেছেন দাবি করে বলেন, বিএনপিকে ভোট দেওয়া তার উচিত হয়নি। তিনি ফেসবুক লাইভে এসে এই বক্তব্য দেওয়ার পর বাসা থেকে পুলিশ তাকে ধরে নিয়ে গেছে। আমরা এমন এক সময়ে কথা বলছি, যখন প্রতিবাদ করলে আইজিপি আমাদের ক্রসফায়ারের ভয় দেখান।’এইচএসএস
টাকার বিনিময়ে আ. লীগ নেতাকর্মীদের আশ্রয় দিচ্ছেন বিএনপির কিছু নেতা: মির্জা আব্বাস
আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের বিএনপির কিছু নেতা-কর্মী টাকার বিনিময়ে আশ্রয়-প্রশ্রয় দিচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস।শনিবার (৩১ অক্টোবর) রাজধানীর শাহজাহানপুরে ঢাকা-৮ আসনের বিএনপি ও অঙ্গসহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ অভিযোগ করেন।মির্জা আব্বাস বলেন, ‘বিভিন্ন এলাকায় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা আসা শুরু করেছেন। আপনারা দয়া করে চোখ-কান খোলা রাখবেন, কাউকে ছাড় দেওয়ার সুযোগ নেই। টাকার বিনিময়ে আমাদের বিএনপির কিছু লোক তাদের আশ্রয় দিচ্ছেন। ইনশাআল্লাহ, সবাইকে একযোগে প্রতিহত করা হবে।’তিনি আরও বলেন, ‘আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী এবং তাদের আশ্রয়দাতা কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। আওয়ামী লীগ যাদের মিত্র, তারা বিএনপির বন্ধু হতে পারে না।’এ সময় বিরোধী দল দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে বলেও মন্তব্য করেন মির্জা আব্বাস। তিনি বলেন, ‘বিরোধী দল কোনো অপকর্ম করলে বিএনপির নেতাকর্মীরা ঘরে বসে থাকবে না।’দেশের কল্যাণে বিরোধী দলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বানও জানান তিনি।এইচএসএস
আরেকটি বিপ্লব আমাদের দরজায় কড়া নাড়ছে: জামায়াত আমির
আরেকটি বিপ্লবের পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। আজ শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকাল ৭টায় রাজধানীর জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেটে ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা-খুলনা-ঝিনাইদহ-কুষ্টিয়া লংমার্চের উদ্বোধনী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।শফিকুর রহমান বলেন, ‘আরেকটি বিপ্লব আমাদের দরজায় কড়া নাড়ছে। জনগণের দাবি আদায়ে আমরা কোনো ব্যক্তিগত বা দলীয় দাবি নিয়ে রাস্তায় নামিনি। এসব জনগণের দাবি। আমাদের আগের দুটি লংমার্চ জনগণের সহযোগিতায় সফল হয়েছে।’বিরোধীদলীয় নেতা এই নেতা বলেন, সাত দফা দাবির মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন। তার দাবি, এই দাবি মেনে নেওয়া হলে বাকি ছয়টি দাবি নিয়ে আন্দোলনের প্রয়োজন হতো না। বিএনপি সরকার জনগণের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করে তাদের আশাহত করেছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না করলে বিএনপিকে এর জন্য বড় মূল্য দিতে হবে বলে সতর্ক করেন জামায়াত আমির।সরকারের উদ্দেশে তিনি বলেন, অতীতের ভুল থেকে শিক্ষা না নিয়ে নতুন করে সংকট তৈরি করা হচ্ছে। অতীতে যারা দাসত্ব মেনে নিয়েছে, তাদের পরিণতি ভোগ করতে হয়েছে। তাই সরকারের প্রতি গণভোটের রায় বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে। যুবসমাজকে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান জানিয়ে লংমার্চ সফল করতে সবার সহযোগিতাও চান তিনি।১১ দলীয় ঐক্যের সাত দফা দাবির মধ্যে রয়েছে গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, বিদ্যুৎ, তেল, গ্যাস ও সার সংকট নিরসন, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি রোধ, দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও দখলদারি বন্ধ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং সংকীর্ণ দলীয়করণ বন্ধ।সমাবেশে এলডিপির চেয়ারম্যান ও সাবেক মন্ত্রী কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ বীর বিক্রম বলেন, দেশের সুষ্ঠু পরিচালনার জন্য কার্যকর ব্যবস্থা বা সিস্টেম প্রয়োজন। তার অভিযোগ, বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর জেলা, সিটি করপোরেশন ও বিভিন্ন করপোরেশন বিএনপির কার্যালয়ের মতো হয়ে উঠেছে। সেখান থেকে দরপত্র নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি।জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার অভিযোগ করেন, বিএনপি ভুল পথে এগিয়ে ফ্যাসিবাদের দিকে যাচ্ছে। সংবিধান সংস্কারের পরিবর্তে সংবিধান সংশোধন কমিটি গঠনের মাধ্যমে সরকার একদলীয় শাসনের পথে হাঁটছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না করায় সরকার জনগণকে অসম্মান করেছে বলে দাবি করেন গোলাম পরওয়ার। এ ছাড়া ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে ১১ দলের কর্মীদের আহত করার ঘটনার নিন্দা জানান তিনি।সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন এবি পার্টির চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান মঞ্জু, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির আমির মাওলানা আব্দুল কাইয়ুম ছোবহানী, জাগপা সহসভাপতি ইঞ্জিনিয়ার রাশেদ প্রধান, ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, জামায়াতের নির্বাহী পরিষদ সদস্য নুরুল ইসলাম বুলবুল, সংসদ সদস্য মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন, ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম ও ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম।জামায়াতের নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ এবং ঢাকা মহানগরী উত্তরের সহকারী সেক্রেটারি ডা. ফখরুদ্দিন মানিক সমাবেশ পরিচালনা করেন।এইচএ
মাতারবাড়ী বন্দর নিয়ে জাতীয় স্বার্থ বিসর্জন দেওয়া যাবে না: শফিকুর রহমান
মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর নিয়ে জাতীয় স্বার্থ, নিরাপত্তা ও ভৌগোলিক সার্বভৌমত্ব বিসর্জন দিয়ে কোনো উদ্যোগ বা সিদ্ধান্ত মেনে নেওয়া হবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, জনগণ তা মেনে নেবে না। এ বিষয়ে কী হচ্ছে, তা জনগণের সামনে স্পষ্ট করতে হবে।বৃহস্পতিবার (২৮ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে এসব কথা বলেন তিনি।জামায়াত আমির বলেন, অতীতেও বাংলাদেশের স্বার্থের কথা বলে ট্রানজিট, করিডোরসহ বিভিন্ন নামে সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হলেও কার্যত বাংলাদেশ তার কোনো সুফল পায়নি।তিনি বলেন, জাপান, চীন বা যেকোনো বন্ধুরাষ্ট্রই হোক না কেন, সবার আগে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা ও স্বার্থকে প্রাধান্য দিতে হবে।তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের স্বার্থ ও নিরাপত্তা সুরক্ষার দায়িত্ব বাংলাদেশ সরকারের। এ ক্ষেত্রে সরকারের কোনো ব্যর্থতা কিংবা আপসকামিতা জনগণ একেবারেই দেখতে চায় না।এইচএসএস
আ. লীগের সঙ্গে জামায়াতের ‘তলে তলে খাতির’ আড়াল করা যাবে না: প্রিন্স
শুধু আওয়ামী লীগের সঙ্গে নয়, তাদের ‘প্রভু’খ্যাত দেশের সঙ্গেও জামায়াতের পরকীয়া এখন ‘ওপেন সিক্রেট’ বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও ময়মনসিংহ জেলা পরিষদের প্রশাসক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স। তিনি বলেন, বিএনপির বিরুদ্ধে কল্পকাহিনি প্রচার করে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের সঙ্গে জামায়াতের ‘তলে তলে খাতির’ আড়াল করা যাবে না।বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) বিকেলে ময়মনসিংহের ধোবাউড়া উপজেলার মুন্সিরহাটে মাদ্রাসা মাঠে বাঘবেড় ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের ওয়ার্ড নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স।সভায় তিনি বলেন, ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবরের রক্তাক্ত ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিএনপির সঙ্গে আওয়ামী লীগের ‘তলে তলে খাতির’ ছিল বলে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার যে বক্তব্য দিয়েছেন, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও রাজনৈতিক অসততার বহিঃপ্রকাশ। নিজেদের রাজনৈতিক ব্যর্থতা ও ঐতিহাসিক দায় আড়াল করতে বিএনপির বিরুদ্ধে মনগড়া অভিযোগ তুলে জনগণকে বিভ্রান্ত করা যাবে না।তিনি বলেন, ২৮ অক্টোবরের হত্যাকাণ্ড বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের একটি কলঙ্কজনক অধ্যায়। প্রকাশ্য দিবালোকে সংঘটিত সেই নৃশংস সহিংসতার দায় কোনো রাজনৈতিক সমঝোতার কল্পকাহিনি দিয়ে আড়াল করা যায় না। ওই ঘটনাকে ব্যবহার করে বিএনপির বিরুদ্ধে মিথ্যা রাজনৈতিক অপবাদ দেওয়া শুধু দুঃখজনক নয়, বরং রাজনৈতিক অস্থিরতা সৃষ্টির অপচেষ্টাও।বিএনপিকে আওয়ামী লীগের সঙ্গে এক কাতারে দাঁড় করানোর অপচেষ্টা প্রকৃতপক্ষে আওয়ামী লীগের অতীত অপকর্মের দায় মুছে দেওয়ার শামিল বলে মন্তব্য করেন তিনি। প্রিন্স আরও বলেন, যারা আওয়ামী লীগের ফ্যাসিবাদী শাসনের বিরুদ্ধে বিএনপির দীর্ঘ সংগ্রামকে অস্বীকার করতে চায়, তারা ইতিহাসের সত্যকেই অস্বীকার করছে।সভায় তিনি আরও হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, বিএনপির বিরুদ্ধে কল্পিত আঁতাতের গল্প ছড়িয়ে নিজেদের রাজনৈতিক দেউলিয়াত্ব ঢাকার চেষ্টা করবেন না। ইতিহাসকে বিকৃত করা যায়, কিন্তু ইতিহাসের সত্যকে মুছে ফেলা যায় না।এইচএসএস
রাজনৈতিক সুবিধা নিতে গিয়ে বারবার হোঁচট খাচ্ছে জামায়াত: রিজভী
রাজনৈতিক সুবিধা নিতে গিয়ে জামায়াতে ইসলামী বারবার হোঁচট খাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) রাজধানীর ডেমরায় প্রয়াত বিএনপি নেতা সালাউদ্দিন আহমেদ স্মরণে আয়োজিত আলোচনা ও দোয়া মাহফিলে এ মন্তব্য করেন তিনি।ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচন প্রসঙ্গে রিজভী বলেন, বিএনপি আমলে নির্বাচন বিতর্কিত করতেই গোলাম পরওয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।তিনি বলেন, ধর্মের নামে রাজনীতি করলেও জামায়াত কখনো সরল পথ অনুসরণ করেনি।এইচএসএস
চলতি সপ্তাহে সর্বাধিক পঠিত
