এইমাত্র
  • এবার তড়িঘড়ি যুক্তরাষ্ট্র থেকে সরিয়ে নেয়া হলো নেতানিয়াহুর ছেলেকে
  • মমতা ব্যানার্জির ভাতিজির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
  • খোঁজ নেই টানেলে কর্মরত ৯০০ শ্রমিকের, পাহাড়ে বিস্ফোরণ ঘটিয়ে সন্ধানের চেষ্টা
  • যুদ্ধের সময় পাশে থাকায় পুতিনকে ইরানের প্রেসিডেন্টের ধন্যবাদ
  • শিক্ষায় বরাদ্দ ৫ শতাংশে উন্নীত করতে চান প্রধানমন্ত্রী: শিক্ষামন্ত্রী
  • প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে শিগগিরই সাক্ষাতের প্রত্যাশা ট্রাম্পের
  • ছাদভিত্তিক সৌর বিদ্যুতে বিশেষ প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা
  • স্কুল ফিডিংয়ের প্যাকেটজাত দুধে জ্যান্ত পোকা পাওয়ার অভিযোগ
  • সীমান্তে ডিজিটাল সার্ভিল্যান্স ও থার্মাল ড্রোনে নজরদারি করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
  • পাবিপ্রবিতে ‘ক্যারিয়ার হাব’ স্থাপনে ব্র্যাকের সঙ্গে চুক্তি
  • আজ মঙ্গলবার, ১৭ ভাদ্র, ১৪৩৩ | ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
    দেশজুড়ে

    অপহরণের ২৭ দিন পর স্কুলছাত্রী উদ্ধার, কনটেন্ট ক্রিয়েটর গ্রেপ্তার

    মো. সানোয়ার হোসেন, মির্জাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:০৬ পিএম
    মো. সানোয়ার হোসেন, মির্জাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:০৬ পিএম

    অপহরণের ২৭ দিন পর স্কুলছাত্রী উদ্ধার, কনটেন্ট ক্রিয়েটর গ্রেপ্তার

    মো. সানোয়ার হোসেন, মির্জাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:০৬ পিএম

    টাঙ্গাইলের বাসাইলে আলোচিত অপহরণের ২৭ দিন পর এক স্কুলছাত্রীকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় অপহরণের মূল হোতা কনটেন্ট ক্রিয়েটর ইমন মিয়া (২৩)কে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

    মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ইমনকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এর আগে সোমবার (৩১ আগস্ট) ভোরে ঢাকার দক্ষিণখান থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে কসাইবাড়ি এলাকার একটি বাসা থেকে স্কুলছাত্রীকে উদ্ধার ও ইমনকে গ্রেপ্তার করে।

    গ্রেপ্তার ইমন মিয়া বাসাইল উপজেলার কাউলজানী ইউনিয়নের কলিয়া মধ্যপাড়া এলাকার ইদ্রিস আলী মিয়ার ছেলে। এ ঘটনায় মামলার আসামি ইমনের বাবা ইদ্রিস আলী মিয়া, মা নাজমা বেগম ও বড় বোন ছাবিনা আক্তার পলাতক রয়েছেন। অপহরণের শিকার ওই ছাত্রী বাসাইল পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী।

    মামলা ও ভুক্তভোগীর পরিবার সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি বিদ্যালয়ে যাওয়া-আসার পথে গ্রেপ্তার ইমন ওই ছাত্রীকে উত্ত্যক্ত করে আসছিলেন। বিষয়টি ইমনের পরিবারকে জানানো হলেও তারা কোনো ব্যবস্থা নেয়নি।

    একপর্যায়ে গত ৪ আগস্ট বিদ্যালয়ে যাওয়ার পথে বাসাইল সাহাপাড়া ব্রিজের কাছে পৌঁছালে ইমন তাঁর বাবা ইদ্রিস আলী, মা নাজমা বেগম ও বড় বোন ছাবিনা আক্তারের সহযোগিতায় ওই ছাত্রীকে একটি অজ্ঞাত গাড়িতে তুলে নিয়ে অপহরণ করেন বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে।

    ঘটনার পরপরই বাসাইল থানা পুলিশকে জানানো হয়। পরে ১০ আগস্ট ইমন মিয়াকে প্রধান আসামি করে চারজনের নাম উল্লেখ এবং অজ্ঞাতপরিচয় আরও একজনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। মামলার পর পুলিশ ও র‌্যাব ওই ছাত্রীকে উদ্ধার এবং আসামিদের গ্রেপ্তারে তৎপরতা শুরু করে।

    একপর্যায়ে ঢাকার দক্ষিণখান থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে অপহৃত ছাত্রীকে উদ্ধার ও মামলার প্রধান আসামি ইমনকে গ্রেপ্তার করে।

    স্থানীয়দের অভিযোগ, ইমন একটি কিশোর গ্যাংয়ের সক্রিয় সদস্য। তাঁর বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীসহ পর্যটন এলাকা বাসুলিয়ায় নারীদের উত্ত্যক্ত করা এবং বিভিন্ন এলাকায় মারামারিতে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। এ ছাড়া তিনি মাদকাসক্ত ও মাদক ব্যবসায়ী হিসেবেও এলাকায় পরিচিত বলে স্থানীয়রা দাবি করেছেন।

    বাসাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলমগীর কবির বলেন, ‘অপহৃত স্কুলছাত্রীকে ঢাকার দক্ষিণখান থানা পুলিশ উদ্ধার এবং মামলার প্রধান আসামি ইমনকে গ্রেপ্তার করে। পরে সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশ তাদের বাসাইল থানায় হস্তান্তর করে। গ্রেপ্তার ইমনকে মঙ্গলবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ওই ছাত্রীকে শারীরিক পরীক্ষা ও জবানবন্দি রেকর্ডের জন্য পাঠানো হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।’


    এইচএসএস

    সম্পর্কিত:

    সম্পর্কিত তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি

    সর্বশেষ প্রকাশিত

    Loading…