এইমাত্র
  • উদ্বোধনের সাড়ে তিন বছরের মাথায় ক্ষত রাজবাড়ীর ২ সেতুতে
  • ফুলবাড়ীর সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান নজির আর নেই
  • নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের দায়িত্ব নিলেন ড. মোশারফ
  • বাকৃবিতে থ্যালাসেমিয়া রোগ বিষয়ক সচেতনতামূলক কার্যক্রম
  • ভূঞাপুরে ‘টিকে থাকতে পারলেন না’ আলোচিত সেই এসিল্যান্ড!
  • গাজায় হামাস কমান্ডারকে লক্ষ্য করে ইসরায়েলি বিমান হামলা, নিহত ৮
  • নেত্রকোনায় সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পে লে-আউট পরিবর্তনের অভিযোগ
  • সরিষাবাড়ীতে বিএনপির কার্যালয়ে দুর্বৃত্তদের আগুন
  • ফারাক্কা দেশের মানুষের কাছে প্রতিরোধের প্রতীক: মির্জা ফখরুল
  • শরীয়তপুরে চিকিৎসার অবহেলায় রোগী মৃত্যুর অভিযোগ, হামলা-ভাঙচুর
  • আজ শনিবার, ২ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ | ১৬ মে, ২০২৬
    জাতীয়

    প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্টদের জরুরি নির্দেশনা

    সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা প্রকাশ: ১৬ মে ২০২৬, ০৪:৫০ পিএম
    সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা প্রকাশ: ১৬ মে ২০২৬, ০৪:৫০ পিএম

    প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্টদের জরুরি নির্দেশনা

    সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা প্রকাশ: ১৬ মে ২০২৬, ০৪:৫০ পিএম
    ছবি: সংগৃহীত

    সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ফিডিং কর্মসূচি শীর্ষক প্রকল্পের খাবার বিতরণে কোনো ধরনের অনিয়ম, গাফিলতি বা শৈথিল্য পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলাসহ কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেবে সরকার। 

    আজ শনিবার (১৬ মে) প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে দেশের সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য এই জরুরি নির্দেশনা জারি করা হয়।

    মন্ত্রণালয়ের গত ১৩ মে জারি করা এক অফিস আদেশের সূত্র ধরে এই নির্দেশনা প্রকাশ করা হয়। এতে বিদ্যালয়গুলোতে সরবরাহ করা খাবার কঠোরভাবে যাচাই করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিতরণের জন্য প্রধান শিক্ষকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। 

    অফিস আদেশে বলা হয়েছে, দেশের বিভিন্ন উপজেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে পচা বনরুটি, পচা ডিম এবং আকারে ছোট ও পচা কলা বিতরণ করা হচ্ছে বলে নানা ধরনের অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। মানসম্মত খাদ্য সরবরাহে এমন ঘাটতির কারণে এই প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য যেমন ব্যাহত হচ্ছে, তেমনি কোমলমতি শিশুদের স্বাস্থ্যঝুঁকিও তৈরি হচ্ছে। এই পরিস্থিতি এড়াতে খাবারের মান নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি।

    নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিতরণের আগে সরবরাহ করা খাদ্যের মান ও পরিমাণ নির্ধারিত শর্তানুযায়ী সঠিক আছে কিনা তা নিশ্চিত করতে হবে। নির্ধারিত তারিখ ও সময়ে খাবার গ্রহণ ও বিতরণ করতে হবে। খাবার যাতে নষ্ট না হয়, সে জন্য বিদ্যালয় পর্যায়ে উপযুক্ত সংরক্ষণ ব্যবস্থা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    বিশেষ নির্দেশনায় বলা হয়েছে, সরবরাহ করা বনরুটি তাজা, নরম ও সঠিকভাবে মোড়কজাত কিনা তা পরীক্ষা করতে হবে। প্যাকেজিং অক্ষত ও ফাঙ্গাসমুক্ত হতে হবে এবং প্যাকেটের গায়ে উৎপাদন ও মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ এবং ১২০ গ্রাম ওজন উল্লেখ থাকতে হবে। ডিমের ক্ষেত্রে তা ফাটা বা দুর্গন্ধযুক্ত কিনা তা দেখতে হবে। কলা অবশ্যই দাগ বা পোকামুক্ত হতে হবে এবং কোনোভাবেই বেশি পাকা বা পচা কলা গ্রহণ করা যাবে না।

    এছাড়া ইউএইচটি মিল্ক ও ফর্টিফাইড বিস্কুটের প্যাকেট অক্ষত থাকা এবং মেয়াদ উল্লেখ থাকার বিষয়টি যাচাই করতে বলা হয়েছে। 

    মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, কোনোক্রমেই নিম্নমানের ও ত্রুটিপূর্ণ খাবার সরবরাহকারীদের কাছ থেকে গ্রহণ করা যাবে না। যদি কোনো প্রতিষ্ঠান এমন খাবার সরবরাহ করে, তবে তা গ্রহণ না করে তাৎক্ষণিকভাবে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানাতে হবে। শিশুদের পুষ্টি ও স্বাস্থ্য সুরক্ষায় এই কর্মসূচিতে যেকোনো অনিয়মের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বজায় থাকবে।

    এইচএ

    সম্পর্কিত:

    সম্পর্কিত তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি

    সর্বশেষ প্রকাশিত

    Loading…