এইমাত্র
  • শুধু মানুষ নয়, প্রাণীদের জন্যেও নিরাপদ বাংলাদেশ গড়বে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
  • বিশ্বকাপে লাল কার্ড দেখলেই মিলছে ১২ কোটি টাকার পিজ্জা
  • নাগরপুরে ‘নজরুল বর্ষ’ উদ্বোধন
  • জীবননগরে চাঁদাবাজি-মিথ্যা সংবাদ প্রকাশের হুমকির অভিযোগ
  • দুই সিস্টেমে দুই তথ্য, হদিস নেই কোটি টাকার কন্টেইনারের!
  • দুর্গাপুরে জমি সংক্রান্ত বিরোধে এক ব্যক্তিকে কুপিয়ে জখম
  • শিক্ষকরা নির্বাচন করতে চাইলে চাকরি ছাড়তে হবে: শিক্ষামন্ত্রী
  • অর্থনৈতিক করিডরের উপকার ৩ দেশই পাবে: চীনা রাষ্ট্রদূত
  • বাংলাদেশের অভ‍্যন্তরীণ ইস্যুতে চীন কারো হস্তক্ষেপ মেনে নেবে না: রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন
  • আনুষ্ঠানিকভাবে নজরুল বর্ষ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী
  • আজ বৃহস্পতিবার, ১৮ আষাঢ়, ১৪৩৩ | ২ জুলাই, ২০২৬
    দেশজুড়ে

    ভোলায় স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

    মো. সবুজ, ভোলা প্রতিনিধি প্রকাশ: ২ জুলাই ২০২৬, ০৭:২০ পিএম
    মো. সবুজ, ভোলা প্রতিনিধি প্রকাশ: ২ জুলাই ২০২৬, ০৭:২০ পিএম

    ভোলায় স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

    মো. সবুজ, ভোলা প্রতিনিধি প্রকাশ: ২ জুলাই ২০২৬, ০৭:২০ পিএম

    ভোলার বোরহানউদ্দিনে স্ত্রীকে শ্বাসরোধ করে হত্যার দায়ে স্বামী মোক্তার হোসেনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

    বৃহস্পতিবার (০২ জুলাই) দুপুরে ভোলা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক শরীফ এ এম রেজা জাকের এ রায় ঘোষণা করেন। 

    দণ্ডপ্রাপ্ত মোক্তার হোসেন বোরহানউদ্দিন উপজেলার কাচিয়া ইউনিয়নের বাসিন্দা। তার স্ত্রীর নাম আবজুন বেগম।

    আদালত ও মামলার সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ১৫ বছর আগে পারিবারিকভাবে আফজুন বেগমের সঙ্গে মোক্তার হোসেনের বিয়ে হয়। তাদের সংসারে দুই সন্তান রয়েছে। বিয়ের কয়েক বছর পর আবজুনের ছোট বোনকে কু-প্রস্তাব দেওয়ায় স্বামী মোক্তার হোসেনের সঙ্গে আবজুনের বিরোধ সৃষ্টি হয়। অভিযোগ রয়েছে, ওই ঘটনার পর থেকে আফজুনকে নিয়মিত মারধর ও নির্যাতন করতেন স্বামী মোক্তার হোসেন।

    এরই ধারাবাহিকতায় গত ২০১৯ সালের ৩০ জুন রাতে স্বামী স্ত্রী'র মধ্যে ঝগড়া হয়। ঝগড়ার একপর্যায়ে আফজুন বেগমকে গলাটিপে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন মোক্তার হোসেন। ঘটনার পর নিহতের বাবা বাদী হয়ে জামাতা মোক্তার হোসেনকে প্রধান আসামি করে বোরহানউদ্দিন থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

    দীর্ঘ সাত বছর বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে সাক্ষ্য-প্রমাণ, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন এবং আসামির ১৬৪ ধারায় দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি পর্যালোচনা করে আদালত তাকে দোষী সাব্যস্ত করেন এবং মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন।

    রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. তৈয়ব বলেন, আসামির স্বীকারোক্তি, সাক্ষ্য-প্রমাণ ও ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে। তাই আদালত মৃত্যুদণ্ডের রায় দিয়েছেন। এই রায়ে রাষ্ট্রপক্ষ সন্তুষ্ট এবং এটিকে ন্যায়বিচারের প্রতিফলন বলে মনে করছে।

    অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. ফরিদুর রহমান বলেন, সাক্ষীদের কেউ সরাসরি হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি স্বীকার করেনি। তবে আসামির স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দির ভিত্তিতেই আদালত এই রায় দিয়েছেন। তিনি জানান, উচ্চ আদালতে আপিল করা হলে সাজা কিছুটা কমতে পারে।

    এমআর-২

    সম্পর্কিত:

    সম্পর্কিত তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি

    Loading…