মুন্সিগঞ্জের টঙ্গিবাড়ী উপজেলার হাসাইল বাজারে একটি স্বর্ণের দোকান থেকে সুমন দে (৪৫) নামের এক কর্মচারীর নগ্ন মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সকালে দোকানের শাটার খুলে তাঁর মরদেহ দেখতে পান স্থানীয় কয়েকজন ব্যবসায়ী।
নিহত সুমন দে উপজেলার আব্দুল্লাহপুর ইউনিয়নের পাইকপাড়া গ্রামের মৃত নারায়ণ দের ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে হাসাইল বাজারের অমিত সরকার গোবিন্দের স্বর্ণের দোকানে কর্মচারী হিসেবে কাজ করতেন। বাড়ি দূরে হওয়ায় সপ্তাহের শনিবার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত তিনি দোকানেই থাকতেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার (৩১ আগস্ট) রাত ৯টার দিকে দোকানের মালিক অমিত সরকার গোবিন্দ সুমনকে দোকানে রেখে বাড়িতে চলে যান। মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত দোকান না খোলায় পাশের চায়ের দোকানের মালিক মঞ্জু রায় (৫৬) সুমনের মুঠোফোনে কল করেন। তবে ফোনে সাড়া না পাওয়ায় আশপাশের ব্যবসায়ীদের নিয়ে তাঁরা দোকানের শাটারে ধাক্কা দেন। এ সময় শাটারের এক পাশ খোলা দেখতে পান তাঁরা।
পরে শাটার উঠিয়ে দোকানের ভেতরে সুমন দেকে নগ্ন অবস্থায় মেঝেতে পড়ে থাকতে দেখা যায়। স্থানীয়রা বিষয়টি দোকানের মালিক ও স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মো. নুরুজ্জামান দেওয়ানকে জানান। পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।
খবর পেয়ে দুপুরে টঙ্গিবাড়ী থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে। পরে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মুন্সিগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
এ ঘটনায় দোকানের মালিক ও নিহতের পরিবারের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।
টঙ্গিবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামীম আহমেদ বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। নিহতের শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। এটি হত্যা, নাকি অন্য কোনো কারণে মৃত্যু হয়েছে, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। দোকানের মালিক ও আশপাশের লোকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
এসআর