এইমাত্র
  • ‘বাবা’র ব্যবসা করবেন আর বিএনপি করবেন, তা হবে না: সালাম পিন্টু
  • শার্শায় আদালতের আইন অমান্য করে বসতভিটা দখলের অভিযোগ
  • মনপুরায় সংবাদ প্রকাশের জের, সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে যুবদল নেতার মামলা
  • নতুন পে স্কেলে বেতন অনেক বেশি বাড়বে, তেমনটা নয়: তথ্য উপদেষ্টা
  • শার্শায় দুই দিনে কুকুরের কামড়ে আহত অর্ধশতাধিক
  • বেতনের আগেই নিঃশেষ পকেট, নিম্নবিত্তের ভরসা বাকির কেনাকাটা
  • বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক অতীতে আটকে থাকার সুযোগ নেই: ভারতের হাইকমিশনার
  • কিশোরগঞ্জে ‘কিডন্যাপ’ হওয়া নববধূর ভিডিও বার্তা: ‘আমি আইছি, এনেই থাকবাম’
  • সালমান এফ রহমানের পক্ষে লড়তে চান ব্রিটিশ আইনজীবী
  • শাহজালালে অরক্ষিত শত কোটি টাকার পণ্য, নির্বিকার কর্তৃপক্ষ!
  • আজ মঙ্গলবার, ১৭ ভাদ্র, ১৪৩৩ | ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
    আন্তর্জাতিক

    আকাশসীমা সুরক্ষায় ৩ হাজার ৮০০ স্থানে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েন ইরানের

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক প্রকাশ: ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৫৩ পিএম
    আন্তর্জাতিক ডেস্ক প্রকাশ: ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৫৩ পিএম

    আকাশসীমা সুরক্ষায় ৩ হাজার ৮০০ স্থানে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েন ইরানের

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক প্রকাশ: ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৫৩ পিএম
    সংগৃহীত ছবি

    ইরানের সেনাবাহিনীর বিমান প্রতিরক্ষা বাহিনীর উপ-সমন্বয়ক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ সাদেঘিয়ান বলেছেন, দেশজুড়ে ৩ হাজার ৮০০টিরও বেশি স্থানে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েন করা হয়েছে।

    মঙ্গলবার (০১ সেপ্টেম্বর) টেলিভিশনে সম্প্রচারিত এক সাক্ষাৎকারে খাতাম আল-আনবিয়া এয়ার ডিফেন্স বেস প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও জাতীয় বিমান প্রতিরক্ষা দিবস উপলক্ষে এসব তথ্য জানান তিনি।

    সাদেঘিয়ান জানান, ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার প্রধান চারটি দায়িত্ব হলো আকাশপথে আসা লক্ষ্যবস্তু শনাক্ত করা, নজরদারি চালানো, বাধা প্রদান এবং প্রয়োজনে তা ধ্বংস করা। তার ভাষ্য অনুযায়ী, আকাশ প্রতিরক্ষার মূল কাজ হলো ইরানের আকাশসীমা এবং এর বাইরেও যেকোনো উড়ন্ত বস্তুকে শনাক্ত করা। এরপর সেগুলোর পরিচয় নির্ধারণ করা হয় এবং প্রয়োজন হলে যুদ্ধবিমান বা ক্ষেপণাস্ত্রভিত্তিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে পদক্ষেপ নেওয়া হয়।

    তিনি বলেন, প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার চূড়ান্ত লক্ষ্য হলো শত্রুপক্ষের বিমানকে তাদের মিশন সম্পন্ন করতে বাধা দেওয়া এবং প্রয়োজনে তা ধ্বংস করা।   

    যুদ্ধকালীন পরিস্থিতির পাশাপাশি শান্তিকালেও আকাশ প্রতিরক্ষা বাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে উল্লেখ করে সাদেঘিয়ান বলেন, ইরানের আকাশসীমায় প্রবেশকারী সব যাত্রীবাহী বিমান, বিভিন্ন শহরের মধ্যে চলাচলকারী উড়োজাহাজ এবং উদ্ধার কার্যক্রমসহ বিভিন্ন কাজে ব্যবহৃত হেলিকপ্টার ও বিমান আকাশ প্রতিরক্ষা কর্তৃপক্ষের সমন্বয় ও অনুমতির আওতায় পরিচালিত হয়।

    তিনি বলেন, মরুভূমি, উপকূল, দ্বীপাঞ্চল এবং পার্বত্য এলাকাসহ দেশের বিভিন্ন ভৌগোলিক অঞ্চলে প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্যরা মোতায়েন রয়েছেন।

    সাদেঘিয়ান আরও বলেন, উন্নত রাডার নেটওয়ার্ক, ইলেক্ট্রো-অপটিক্যাল ব্যবস্থা এবং আধুনিক প্রযুক্তিতে সজ্জিত নজরদারি ইউনিটগুলো ২৪ ঘণ্টা ইরানের আকাশসীমা ও এর বাইরের আকাশপথ পর্যবেক্ষণ ও নিয়ন্ত্রণ করে যাচ্ছে।

    এমআর-২

    সম্পর্কিত:

    সম্পর্কিত তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি

    সর্বশেষ প্রকাশিত

    Loading…