পূর্ণ মন্ত্রীর পদমর্যাদা ও প্রটোকল সুবিধা নিয়ে কমনওয়েলথ সরকারপ্রধানদের বৈঠকে (সিএইচওজিএম ২০২৬) বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিতে অ্যান্টিগুয়া ও বারবুডার উদ্দেশে ঢাকা ছেড়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির।
আজ রবিবার (১ নভেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, অ্যান্টিগুয়া ও বারবুডার রাজধানী সেন্ট জনসে চার দিনের কমনওয়েলথ সম্মেলন আজ শুরু হচ্ছে। এর আগে গতকাল শনিবার সকালে সেন্ট জনসের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়েন তিনি। দুবাই ও লন্ডন হয়ে আজই তার সেন্ট জনসে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, সম্মেলন চলাকালে পূর্ণ মন্ত্রীর পদমর্যাদা, ক্ষমতা ও প্রটোকল সুবিধায় ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্বে এই উচ্চপর্যায়ের সমাবেশে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী। তিনি কমনওয়েলথ সরকার প্রধানদের বৈঠকের (সিএইচওজিএম) উদ্বোধন ও কার্যনির্বাহী অধিবেশনে যোগ দেবেন। এ ছাড়া পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের বেশ কয়েকটি সভা এবং অন্য দেশের মন্ত্রীদের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকেও অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে তার।
কমনওয়েলথ অংশীদারদের সঙ্গে পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে আলোচনা এবং কূটনৈতিক সম্পর্ক আরও জোরালো করার সুযোগ তৈরি হবে বলে এই বৈঠকগুলো থেকে আশা করা হচ্ছে।
গত ২৫ অক্টোবর মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, সিএইচওজিএম ২০২৬-এ বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেওয়া এবং সম্মেলনের সময় পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব পালনের জন্য হুমায়ুন কবিরকে বিশেষভাবে পূর্ণ মন্ত্রীর পদমর্যাদা দেওয়া হয়।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনির সই করা ওই প্রজ্ঞাপনে ১৯৯৬ সালের রুলস অব বিজনেস-এর ৪(৩) ধারার ক্ষমতাবলে হুমায়ুন কবিরকে এই দায়িত্ব দেওয়া হয়।
এই ব্যবস্থার আওতায় মন্ত্রিসভার সদস্যের পদমর্যাদা ও প্রটোকল সুবিধা নিয়ে কমনওয়েলথের সর্বোচ্চ রাজনৈতিক সমাবেশে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।
সেন্ট জনসে ১ থেকে ৪ নভেম্বর পর্যন্ত নির্ধারিত এই সম্মেলনে কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলোর সরকার প্রধান, মন্ত্রী ও জ্যেষ্ঠ প্রতিনিধিরা অংশ নিচ্ছেন।
এবারের এই বৈঠকটি হচ্ছে ‘অ্যাকসিলারেটিং পার্টনারশিপস অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট ফর আ প্রসপারাস কমনওয়েলথ’ প্রতিপাদ্যের আলোকে।
বৈঠকে সদস্য দেশগুলোর মধ্যে অংশীদারত্ব জোরদার করা, টেকসই বিনিয়োগকে উৎসাহিত করা এবং জলবায়ু সহনশীলতা, বাণিজ্য, উদ্ভাবন ও টেকসই উন্নয়নের মতো অভিন্ন চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলা করার ওপর জোর দেওয়া হবে।
এইচএ