জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) এক ছাত্রীকে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় একজনকে আটক করেছে পুলিশ।
রোববার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন ইসলামনগর এলাকার কাসেম আলীর বাসা থেকে তার রক্তাক্ত নিথর দেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত ছাত্রীর নাম শারমিন জাহান খাদিজা (২৫)। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের লোকপ্রশাসন বিভাগের ৫১তম ব্যাচের ছাত্রী ছিলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের বেগম রোকেয়া হলের আবাসিক এই ছাত্রীর চাঁদপুরের কচুয়া থানার তেতৈয়া মোল্লা বাড়ির শাহজাহান মোল্লার মেয়ে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক এ কে এম রাশিদুল আলম। তিনি বলেন, ‘বিষয়টি অত্যন্ত স্পর্শকাতর ও মর্মান্তিক। এ বিষয়ে এখনই মন্তব্য করার মতো পরিস্থিতি নেই।’
জানা যায়, আজ কাসেম আলীর বাসা থেকে রক্তাক্ত জখম অবস্থায় খাদিজার নিথর দেহ উদ্ধারের পর সাভারে এনাম মেডিকেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জড়িত সন্দেহে সাইফ উদ্দিন নামের এক যুবককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ।
আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রুবেল হাওলাদার জানান, এটি স্পষ্টত নৃশংস হত্যাকাণ্ড। প্রাথমিক তদন্তে নিজেকে ওই শিক্ষার্থীর স্বামী পরিচয় দিয়েছেন সাইফ উদ্দিন।
ঢাকা কলেজের ছাত্র দাবি করে সাইফ পুলিশকে জানান, বিকেলে বাসায় ফিরে ঘরের দরজা বাইরে থেকে বন্ধ দেখতে পান। পরবর্তীতে বাসার ভিতরে প্রবেশ করে খাদিজাকে মাথায় আঘাতপ্রাপ্ত ও রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে বিষয়টি প্রতিবেশীদেরকে জানান। পরে বাসার বাড়িওয়ালাকে সঙ্গে নিয়ে তাকে সাভারে এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করে।
ঢাকা জেলার সাভার সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার রাকিবুল হাসান ইশান জানান, নিহতের মাথায় গুরুতর জখমের চিহ্ন পাওয়া গেছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের পর বিস্তারিত জানা যাবে।
এফএস