এইমাত্র
  • মনপুরায় সংবাদ প্রকাশের জের, সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে যুবদল নেতার মামলা
  • নতুন পে স্কেলে বেতন অনেক বেশি বাড়বে, তেমনটা নয়: তথ্য উপদেষ্টা
  • শার্শায় দুই দিনে কুকুরের কামড়ে আহত অর্ধশতাধিক
  • বেতনের আগেই নিঃশেষ পকেট, নিম্নবিত্তের ভরসা বাকির কেনাকাটা
  • বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক অতীতে আটকে থাকার সুযোগ নেই: ভারতের হাইকমিশনার
  • কিশোরগঞ্জে ‘কিডন্যাপ’ হওয়া নববধূর ভিডিও বার্তা: ‘আমি আইছি, এনেই থাকবাম’
  • সালমান এফ রহমানের পক্ষে লড়তে চান ব্রিটিশ আইনজীবী
  • শাহজালালে অরক্ষিত শত কোটি টাকার পণ্য, নির্বিকার কর্তৃপক্ষ!
  • স্থানীয় সরকার নির্বাচনে বিএনপির একক প্রার্থী নিশ্চিত করা হবে: ভূমিমন্ত্রী
  • তারাগঞ্জ-বুড়িরহাট সড়কের বেহাল দশা, ৪ কিলোমিটার জুড়ে গর্ত
  • আজ মঙ্গলবার, ১৭ ভাদ্র, ১৪৩৩ | ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
    দেশজুড়ে

    যশোর আইটি পার্কের হোটেলকাণ্ডে দায় কার, তদন্তের দাবি খান প্রপার্টিজের

    বিল্লাল হোসেন, যশোর প্রতিনিধি প্রকাশ: ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৪০ পিএম
    বিল্লাল হোসেন, যশোর প্রতিনিধি প্রকাশ: ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৪০ পিএম

    যশোর আইটি পার্কের হোটেলকাণ্ডে দায় কার, তদন্তের দাবি খান প্রপার্টিজের

    বিল্লাল হোসেন, যশোর প্রতিনিধি প্রকাশ: ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৪০ পিএম

    যশোর আইটি পার্কের হোটেল ঘিরে অনৈতিক কর্মকাণ্ড, স্বল্প সময়ের জন্য কক্ষ ভাড়া, গোপনে ছবি-ভিডিও ধারণ ও ব্ল্যাকমেইলের মতো গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগের দায় নিজেদের ওপর চাপানোর প্রতিবাদ জানিয়ে নিরপেক্ষ ও তথ্য-প্রমাণভিত্তিক তদন্তের দাবি করেছে খান প্রপার্টিজ গ্রুপ।

    মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) প্রেসক্লাব যশোরে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানান প্রতিষ্ঠানটির জনসংযোগ কর্মকর্তা শামছুজ্জামান স্বজন।

    সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, হোটেলকে ঘিরে বিভিন্ন অভিযোগ সম্প্রতি গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। এসব অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল আইটি পার্ক পরিদর্শন করেছে। তবে অভিযোগগুলো কোন সময়ের এবং কোন ব্যবস্থাপনার সময়ে ঘটেছে, তা স্পষ্ট না করে পূর্ববর্তী ব্যবস্থাপনার ওপর দায় চাপানো সমীচীন নয় বলে দাবি করেন তিনি।

    খান প্রপার্টিজের দাবি, ২০২২ সালে তারা যশোর আইটি পার্কের হোটেল প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত হয়। সংস্কারকাজ, আসবাবপত্র ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম স্থাপন এবং কর্মীদের প্রশিক্ষণ শেষে ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে হোটেলটির পূর্ণাঙ্গ কার্যক্রম শুরু হয়। তাদের পরিচালনাকালে হোটেল থেকে প্রায় ৭ কোটি ৮৮ লাখ টাকা গ্রস আয় হয়েছে। এর মধ্যে সরকারি রেভিনিউ শেয়ারিং হিসেবে প্রায় ১ কোটি ২৬ লাখ টাকা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি প্রায় ৭০টি কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে।

    প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, ২০২৬ সালের ২৭ জানুয়ারি কর্তৃপক্ষের নির্দেশে খান প্রপার্টিজকে হোটেল পরিচালনা থেকে সাময়িকভাবে সরে যেতে বলা হয়। এরপর তাদের আর পরিচালনায় ফিরতে দেওয়া হয়নি। পরবর্তীতে অন্য একটি ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠানকে হোটেল পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়া হয়। এ সময় খান প্রপার্টিজের বিভিন্ন সরঞ্জাম, নথিপত্র ও অন্যান্য সম্পদ হোটেল প্রাঙ্গণে রয়ে গেছে বলে দাবি করা হয়।

    খান প্রপার্টিজের জনসংযোগ কর্মকর্তা আরও  বলেন, তাদের পরিচালনাকালে কোনো অনৈতিক বা বেআইনি কর্মকাণ্ডে প্রতিষ্ঠানটি জড়িত ছিল না। ফলে বর্তমান ব্যবস্থাপনার সময়ে সংঘটিত কোনো ঘটনা বা অভিযোগের দায় পূর্ববর্তী ব্যবস্থাপনার ওপর চাপিয়ে দেওয়া হলে তা বিভ্রান্তিকর হবে।

    হোটেল নিয়ে ওঠা অভিযোগের প্রকৃত সত্য উদঘাটনে বর্তমান ও পূর্ববর্তী ব্যবস্থাপনার সময়কাল পৃথক করে তদন্তের দাবি জানিয়েছে খান প্রপার্টিজ। একই সঙ্গে বর্তমান অপারেটরের কার্যক্রম পর্যালোচনা এবং তাদের বিনিয়োগ, সরঞ্জাম ও অন্যান্য দাবির নথিপত্র যাচাই করে নিষ্পত্তির দাবি জানানো হয়েছে।

    এসআর

    সম্পর্কিত:

    সম্পর্কিত তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি

    সর্বশেষ প্রকাশিত

    Loading…